নাইজারের বাঁকে: ১০. পরিষ্কার বুঝতে পারছি বিপদে পড়েছি

নাইজারের বাঁকে: ১০. পরিষ্কার বুঝতে পারছি বিপদে পড়েছি

১০. পরিষ্কার বুঝতে পারছি বিপদে পড়েছি ফেব্রুয়ারি ১৪। সন্ধ্যা। পরিষ্কার বুঝতে পারছি বিপদে পড়েছি। কিন্তু বুঝতে পারছি না বিপদটা কি ধরনের। কাদের সঙ্গে চলেছি আমরা? আমার মন বলছে, সশস্ত্র প্রহরীর বেশে যারা এসেছে আমাদের পথ…
নাইজারের বাঁকে: ১১. স্তব্ধ হয়ে বসে রইল বারজাক মিশনের সদস্যরা

নাইজারের বাঁকে: ১১. স্তব্ধ হয়ে বসে রইল বারজাক মিশনের সদস্যরা

১১. স্তব্ধ হয়ে বসে রইল বারজাক মিশনের সদস্যরা স্তব্ধ হয়ে বসে রইল বারজাক মিশনের সদস্যরা। অনেক অনেকক্ষণ পর নীরবতা ভাঙলেন প্রথম আমিদী ফ্লোরেন্স। এরপরের করণীয় কি তাই নিয়ে আলোচনায় বসল সবাই! হঠাৎ একটা তাঁবুর পাশের…
নাইজারের বাঁকে: ১২. কাদৌ গ্রামের মোড়লের সাহায্যে

নাইজারের বাঁকে: ১২. কাদৌ গ্রামের মোড়লের সাহায্যে

১২. কাদৌ গ্রামের মোড়লের সাহায্যে কাদৌ গ্রামের মোড়লের সাহায্যে জোগাড় করা ছয় জন কুলির পিঠে মালপত্র চাপিয়ে চব্বিশে ফেব্রুয়ারি আবার যাত্রা করল বারজাক মিশন। সবার মুখে হাসি। কিন্তু পসিঁ মুখ ভার করেই রেখেছেন। সত্যিই গণিত…
নাইজারের বাঁকে: ০১. শহরের সবকটা দৈনিকের প্রথম পৃষ্ঠায়

নাইজারের বাঁকে: ০১. শহরের সবকটা দৈনিকের প্রথম পৃষ্ঠায়

০১. শহরের সবকটা দৈনিকের প্রথম পৃষ্ঠায় শহরের সবকটা দৈনিকের প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা হলো খবরটা। সেন্ট্রাল ব্যাংকে দুঃসাহসিক ডাকাতি। সাঙ্ঘাতিক ঘটনাটা ঘটল স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে থ্রেডনীডল কোণে সেন্ট্রাল ব্যাংকের ডিকে ব্রাঞ্চে। ম্যানেজার লুই রবার্ট ব্লেজন, বিখ্যাত…
ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ২৪. ডক্টরের সেবা শুশ্রুষা

ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ২৪. ডক্টরের সেবা শুশ্রুষা

২৪. ডক্টরের সেবা শুশ্রুষা ডক্টরের সেবা শুশ্রুষায় সংজ্ঞাহীন ক্যাপ্টেনের জ্ঞান ফিরে এল। কিন্তু এ কি দশা হয়েছে তার? ক্যাপ্টেনের দিকে তাকিয়ে সবাই যেন হতবাক হয়ে গেছে! জ্ঞান ফিরে পেয়ে অবোধ শিশুর মত বোকা চোখে তাকিয়ে…
ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ১৬. ডক্টর ক্লবোনির বুদ্ধির জোরে

ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ১৬. ডক্টর ক্লবোনির বুদ্ধির জোরে

১৬. ডক্টর ক্লবোনির বুদ্ধির জোরে ডক্টর ক্লবোনির বুদ্ধির জোরে অভিযাত্রীরা এযাত্রা রক্ষা পেল। ভালুকের মাংস খেয়ে সবাই হারানো শক্তি ফিরে পেতে লাগল। আলটামন্ট কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তিনি বললেন, পরপয়েজে পৌঁছতে আর মাত্র দুদিনের পথ।…
ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ১৭. ডক্টর ক্লবোনির মাথায় নিত্য নতুন খেয়াল

ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ১৭. ডক্টর ক্লবোনির মাথায় নিত্য নতুন খেয়াল

১৭. ডক্টর ক্লবোনির মাথায় নিত্য নতুন খেয়াল ডক্টর ক্লবোনির মাথায় নিত্য নতুন খেয়াল চাপে। এবার তিনি ভাবলেন একটা লাইট হাউস তৈরি করা প্রয়োজন। আলোক-স্তম্ভ থাকলে ঘন কুয়াশা বা তুষার ঝটিকার মধ্যেও আলো দেখে বাড়ি ফেরা…
ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ১৮. সময় আর কাটতে চায় না

ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ১৮. সময় আর কাটতে চায় না

১৮. সময় আর কাটতে চায় না সময় আর কাটতে চায় না। প্রচন্ড শীত। বাইরে বের হওয়া যায় না। ঘরেও করার কিছু নেই। বসে থাকতে থাকতে আলসেমিতে পেয়ে বসল সরাইকে। ডক্টর ভাবছিলেন এই বিরক্তি দূর করার…
ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ১৯. হঠাৎ করেই যেন প্রকৃতি বদলে গেল

ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ১৯. হঠাৎ করেই যেন প্রকৃতি বদলে গেল

১৯. হঠাৎ করেই যেন প্রকৃতি বদলে গেল হঠাৎ করেই যেন প্রকৃতি বদলে গেল। একদিনেই তাপমাত্রা উঠে গেল শূন্য তাপাঙ্কের পনেরো ডিগ্রি উপরে। বরফ অল্প অল্প করে গলতে শুরু করেছে। পাখিদের কলকাকলিতে প্রাণহীন মেরু অঞ্চলে আবার…
ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ২০. হরিণ ও খরগোসের নির্ভয় ছুটাছুটি দেখে

ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস: ২০. হরিণ ও খরগোসের নির্ভয় ছুটাছুটি দেখে

২০. হরিণ ও খরগোসের নির্ভয় ছুটাছুটি দেখে হরিণ ও খরগোসের নির্ভয় ছুটাছুটি দেখে কিছুদিন শিকার বন্ধ রাখলেও আবার একদিন শিকারে বের হলেন ডক্টর, আলটামন্ট ও ক্যাপ্টেন। সঙ্গে আছে ক্যাপ্টেনের প্রিয় সাথী ডাক। বেশ কিছুদূর যাবার…
আরও গল্প