বিল্ব মঙ্গলপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 28, 2018গল্প লিখেছেন : শুভময় মিশ্র “তাইলে ব্যাপারটা কী দাঁড়ালো কত্তা?” চিন্তিত মুখে প্রশ্ন করল কেষ্ট। কেষ্ট নানান ফিকিরে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ায়, অনেক রকম খবরাখবর রাখে। খাওয়ার কথায় একটু লাগামছাড়া হয়ে পড়লেও ঠান্ডা মাথায় কার্যোদ্ধার করতে ওর জুড়ি নেই। লোকে…
অর্জুন সমগ্র-অর্জুন বেড়িয়ে এলোপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 28, 2018গল্প লিখেছেন : সমরেশ মজুমদার গত চারদিনে তুমুল বৃষ্টি পড়েছে। ঠিক বলা হল না, বৃষ্টিটা তুমুল হচ্ছে রাত্রে, দিনের বেলা টিপটিপিয়ে। আকাশের মুখ হাঁড়িচাচা পাখির চেয়েও কালো। ইতিমধ্যে করলা নদীর পাশের রাস্তাটা ড়ুবে গিয়েছে। সারা শহর ভিজে। এই চারদিন বাড়ি…
বাঘবন্দি মন্তরপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 27, 2018গল্প লিখেছেন : শিশির বিশ্বাসবর্ষা মস্ত চওড়া নদী। এক তীর থেকে অন্য তীরকে দেখায় যেন সরু একটা ধোঁয়াটে রেখা। নীল জল টলমল করে। বর্ষায় কিংবা ভরা জোয়ারে ঢেউয়ের দাপট এমন বাড়ে যে, মাতালের মতো টলতে থাকে বড় বড় নৌকো, লঞ্চ,…
দায়মুক্তিপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 27, 2018গল্প লিখেছেন : সাচৌ এই ঘটনাটা যখন লিখছি তখন রাত দুইটা বেজে দশ মিনিট! নিজের প্রতি অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস থেকেই অপরাধটা আমার করা, অন্তত আমার দৃষ্টিতে আমার কাছাকাছি বুদ্ধিমান মানুষের দেখা আমি পাইনি। আপনারা হয়ত বলতে পারেন অপরাধের পক্ষে সাফাই…
ঝড়ের পরে পাতাবাহার ঝলকায়প্রকাশিত হয়েছে : জুন 27, 2018গল্প লিখেছেন : সেলিম হোসেন টিপু পাখিরা কীভাবে জুটি বাঁধে, তাই নিয়ে ভীষণ তর্ক লেগে গেল ওদের। ওরা তো দল বেঁধে থাকে, একসঙ্গে অনেক পাখি ঝাঁক বেঁধে ওড়ে, নামে, আবার সেভাবেই উড়ে যেতে থাকে। কিন্তু এর মাঝে কীভাবে দুজন করে আলাদা…
জাদুকরপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 27, 2018গল্প লিখেছেন : ইমরান খান দাদার বড় ভাই। ভদ্রলোক কলকাতায় থাকতেন। দৈনিক আজাদ পত্রিকার সাংবাদিক ছিলেন, আর করতেন শিল্পচর্চা। তবে নির্দিষ্ট কোনো শিল্পে আবদ্ধ ছিলেন না। দৈনিক সওগাত পত্রিকায় তাঁর কিছু গল্প ছাপা হয়। শোনা যায়, সেগুলো পড়ে কবি নজরুল…
জেফ ক্রেমারপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 27, 2018গল্প লিখেছেন : সংগৃহীত প্রবল আশঙ্কায় মুখের ভেতরটা শুকিয়ে গেছে ওর। ছাই-ভস্মের মাঝে একটা দেহ পড়ে আছে, কোমরে বেল্টঅলা একজন পুরুষ। ভোরের আলো ফোটার পরপরই, বৃষ্টি শুরু হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে ড্রাই ক্রীক স্টেশনে পৌঁছল জেফ ক্রেমার। পাইনের সারি…
বেদেনীপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 27, 2018গল্প লিখেছেন : তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় শম্ভু বাজিকর এ মেলায় প্রতি বৎসর আসে। তাহার বসিবার স্থানটা মা কঙ্কালীর এস্টেটের খাতায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মতো কায়েমি হইয়া গিয়াছে। লোকে বলে, বাজি; কিন্তু শম্ভু বলে ‘ভোজবাজি-ছারকাছ’। ছোট তাঁবুটার প্রবেশপথের মাথার উপরেই কাপড়ে আঁকা একটা…
সতী শোভনাপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 26, 2018গল্প লিখেছেন : পাঁচকড়ি দে প্রথম পরিচ্ছেদ ডাক্তারবাবুর কথা বেলা দ্বিপ্রহর। আহারাদি শেষে একটু বিশ্রাম করিব মনে করিতেছিলাম বটে, কিন্তু কার্যত ঘটিয়া উঠিল না। বাহির হইতে সংবাদ আসিল, কে একটি ভদ্রলোক বহির্বাটিতে আমার জন্য অপেক্ষা করিতেছেন – বিশেষ আবশ্যক, এখনই…
হত্যাকারী কে? (রহস্য উপন্যাস)প্রকাশিত হয়েছে : জুন 26, 2018গল্প লিখেছেন : পাঁচকড়ি দে প্রথমার্ধ উপক্রমণিকা আমার কথা দুইজনেই নীরবে বসিয়া আছি , কাহারও মুখে কথা নাই। তখন রাত অনেক , সুতরাং ধরণীদেবীও আমাদের মত একান্ত নীরব। সেই একান্ত নীরবতার মধ্যে কেবল আমাদের নিশ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ প্রতিক্ষণে স্পষ্টীকৃত হইতেছিল। কিয়ৎক্ষণ…