দিনদুপুরেই রাতদুপুর

দিনদুপুরেই রাতদুপুর

হাতে কোনও কাজ না থাকলে অমল সোমের বাড়িতে আড্ডা মারার সুযোগ হয়। আর এই সুযোগ মানে অনেক কিছু অজানা তথ্য জেনে নেওয়া। কিন্তু অমল সোম এখন জলপাইগুড়িতে নেই। তিনি আজকাল মাঝে-মাঝেই উধাও হয়ে যান। সত্যসন্ধানে…
টিয়া পাখির ভগবান পুজো

টিয়া পাখির ভগবান পুজো

টিলার মাথায় জাম গাছের ডালে বসে ছোটু টিয়া  কান পেতে শুনছে দূরের গ্রাম থেকে ভেসে আসা আওয়াজ। দুদিন ধরে শুনে শুনে শব্দটা ওর কানে গেঁথে গেছে। ‘করকর করকর কর’, ‘ডিম ডিমা ডিম ডিম’, ‘করকর করকর…
শিঙা

শিঙা

টেকো লোকটাকে রোজ দেখি আমাদের পাড়ায়।গ্রীষ্মের দুপুর। মা-বাবা অফিসে।আমার স্কুল ছুটি। দুপুরবেলাগুলো তাই কাটতেই চায় না। আর পাড়াটাও ভারী নির্জন। কানাগলি কিনা বড়োরাস্তা থেকে আমাদের গলিটা ঢুকে কিছুদূর গিয়ে একটা কারখানার পিছনদিকের পাঁচিলে গোঁত্তা খেয়ে…
ড্রাকুলার সন্ধানে অর্জুন

ড্রাকুলার সন্ধানে অর্জুন

চিঠিটা এসেছিল তিনদিন আগে। কলকাতার একটি বিখ্যাত ডিটেকটিভ কোম্পানি অর্জুনকে চাকরির প্রস্তাব পাঠিয়েছে। প্রস্তাব গ্রহণ করলে আগামী মাসের এক তারিখে তাকে ওদের কলকাতার অফিসে রিপোর্ট করতে হবে। চিঠিটা মাকে দেখিয়েছিল অর্জুন। ছেলে সত্যসন্ধানী বলে মায়ের…
কালাপাহাড় (অর্জুন সিরিজ)

কালাপাহাড় (অর্জুন সিরিজ)

লাল রঙের নতুন মোটরবাইকটাকে ইতিমধ্যে জলপাইগুড়ি শহরের অনেকেই চিনে গিয়েছে। শহরের সবাই জানে রোজ সকাল আটটায় বাইকটা কদমতলা থেকে রূপশ্রী সিনেমার সামনে দিয়ে থানাটাকে বাঁ দিকে রেখে একটু এগিয়েই বাঁ দিকে করলার ধার ঘেঁষে হাকিমপাড়ার…
কার্ভালোর বাক্স

কার্ভালোর বাক্স

এখন কোনও কাজকর্ম নেই। তিন-তিনটে মাস শুধু বই পড়ে আর ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিয়ে মন মেজাজ বিশ্রী হয়ে গিয়েছিল অর্জুনের। থানার দারোগা অবনীবাবু হেসে বলেছিলেন, মানুষের স্বভাব বড় অদ্ভুত। এই যে আমার জেলায় কোনও বড় ক্রাইম…
অর্জুন সমগ্র –একমুখী রুদ্রাক্ষ

অর্জুন সমগ্র –একমুখী রুদ্রাক্ষ

নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে গিয়ে মাকে তুলে দিতে এসেছিল অর্জুন। অবশ্য মা একা নন, জলপাইগুড়ি শহরের আরও সাতজন প্রৌঢ়া মায়ের সঙ্গে আছেন। ওঁরা দার্জিলিং মেলে কলকাতায় পৌঁছেই দুন এক্সপ্রেস ধরে প্রথমে হরিদ্বার যাবেন। এই মহিলাদের সংগঠন…
অর্জুন সমগ্র-ইয়েতির আত্মীয়

অর্জুন সমগ্র-ইয়েতির আত্মীয়

ভানুদা বলেছিলেন, আজকের রাতটা থেকে যাও অর্জুন। রাস্তাটা ভাল নয়, দু ঘণ্টার রাস্তা তিন ঘণ্টাতে যেতে হয়। তা ছাড়া মেঘ জমেছে খুব। তখন সবে সন্ধে নেমেছে। কথা হচ্ছিল সুভাষিণী চা-বাগানের ম্যানেজারের বাংলোর সামনে দাঁড়িয়ে। রাতে…
কায়াশূণ্যের কায়া

কায়াশূণ্যের কায়া

চিলেকোঠার একফালি ঘরটাই হল অভয়ের একচ্ছত্র সাম্রাজ্যের দরবার। ওদের তিনতলা সেকেলে বাড়িটা শরিকি বিবাদে একেবারে পর্যুদস্ত। অভয়ের পরিবার স্বাধীনতার ঠিক পরপরই ওপার বাংলা থেকে এদেশে চলে আসে। ওর ঠাকুর্দাকে প্রায় কপর্দকশূণ্য  অবস্থায় এক কাপড়ে এ-দেশে…
দাদু

দাদু

রোহনের যত বন্ধুত্ব, ভালবাসা সবই তার দাদুর সঙ্গে। বাড়িতে দাদুই তাকে বেশি ভালবাসে। সেই ছোটবেলা থেকে যত বায়না, আব্দার সবই তার দাদুর কাছে। দেখতে দেখতে সেই ছোট্ট রোহন এখন শিলিগুড়ির নামকরা এক ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের…
আরও গল্প