একটি হাত ডান হাত

একটি হাত ডান হাত

দ্রোণ বলিলেন, যদি সন্তোষ করিবে। দক্ষিণ হস্তের বৃদ্ধ অঙ্গুলিটা দিবে গুরুর আজ্ঞায় সে বিলম্ব না করিল। ততক্ষণে কাটিয়া অঙ্গুলি গোটা দিল —দ্রোণ সমীপে অস্ত্রশিক্ষা হেতু একলব্যের আগমন, মহাভারত,/কাশীরাম দাস। আমার নাম একলব্য। পিতার নাম হিরণ্যধনু।…
উৎসবের জোয়ার

উৎসবের জোয়ার

ভোরবেলা ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে চোখ খুলতে পারে না সন্ধ্যা। দুচোখ জলে ভিজে আছে। আজ উৎসব। বছরের প্রথম দিন। নববর্ষের ভোরের আলো ফুটেছে। বেড়ার ফাঁক দিয়ে আলো ছড়িয়েছে ঘরে। সন্ধ্যা জলভেজা চোখে বিছানায় উঠে বসে।…
দি নিউ হযবরল

দি নিউ হযবরল

বেশ ক’বছর আগে আমি ‘ওয়াল্ডারল্যান্ড’ নামে একটা গল্প লিখি। তবে ‘ওয়াল্ডারল্যান্ড’ লেখার আগে আমি যে গল্পটা লিখেছিলাম, তার নাম ‘সুকুমারের লজ্জা’ এ গল্পটার কথাও বলতে হবে। সুকুমারের লজ্জার যে মূল চরিত্র, মূল চরিত্র বলে আমার…
অস্তিত্ব

অস্তিত্ব

মীরার সাথে আমার কথা হয়েছিল অদ্ভুত ভাবে।ভার্সিটি লাইফের শুরু থেকেই মেয়েটাকে আমি পছন্দ করতাম।গোল ফ্রেমের চশমা পড়া মেয়েটার চশমার ভেতর দিয়ে চোখের গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করতাম।ক্যাম্পাসে দেখা হলে প্রথমেই ওর ঢাগর ঢাগর চোখের দিকে তাকাতাম।যতক্ষন…
ছোটলোক

ছোটলোক

ছাত্রীকে পড়িয়ে ওর বাসা থেকে বের হতে যাচ্ছিলাম, কিন্তু ড্রয়িং রুমের সামনে এসেই থমকে গেলাম ছাত্রীর বাসায় আসা গেস্টদের কথা শুনে।শুনেছিলাম ওর বড় বোনকে নাকি আজ দেখে পাকাপাকি কথা বলবে ছেলেপক্ষ, কিন্তু ওর এক্সাম থাকার…
পুনর্জন্ম

পুনর্জন্ম

বারান্দার এককোণে বাচ্ছা দিয়েছে মেনীটা।চারটে কচি-কচি বাচ্ছা দিনরাত কুঁই কুঁই করছে।মা-মেনীর গায়ের ওপর হামলে পড়ে দুধ খাচ্ছে ছানাগুলো।এই মা-মেনী আর তার ছানাদের জন্যই বারান্দার ওপাশটা পরিষ্কার করা যাচ্ছে না, ধোওয়া যাচ্ছে না।মালতী প্রতিদিন গজ গজ…
রঙহীন

রঙহীন

আমার কথা মনে পড়ে সেদিন ছিল এমন ই চৈত্র মাস ,তোমার দুটি বেনির মধ্য দিয়ে, দেখেছিলাম আমার সর্বনাশের শুরু। মনে পড়ে তোমার অনর্গল কথা, মনে পড়ে তোমার কথার বৃষ্টিতে আমাকে ভিজিয়ে দেওয়া । নির্বাক আমি…
পাখি

পাখি

দেউলটিতে পৌঁছে পিসির হাতের রান্না পাঁঠার মাংস আর ভাত খেয়ে , মকবুলকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম । উদ্দেশ্য পাখি কেনা । বৌ বলে দিয়েছে ,একটা ময়না আর একটা টিয়া কিনবে । ওদের বৌ কথা বলা শেখাবে…
অমঙ্গলের বাধা সরিয়ে

অমঙ্গলের বাধা সরিয়ে

-দিদি ও দিদি, কোথায় গেলো গো! ছেলেকে আশীর্বাদ করতে হবে যে! যার উদ্দেশ্যে কথাগুলো বলছে তাকে দেখতে না পেয়ে, কাজের ছেলেটিকে ডাকলেন সুজাতা।  -ভোলা যা তো বাবা দিদি কে ডেকে নিয়ে আয় তো? বল ঋষি…
রূম্পা

রূম্পা

–রূম্পা! –জ্বি আম্মা? –তোর আপার হাবভাব তো আমার ঠিক সুবিধার ঠেকছেনা। –মানে ঠিক বোঝলাম না আম্মা। –আমার ধারনা তোর আপা প্রেম করছে। সকালবেলা রূম্পা একা একা ব্রেকফাস্ট করছে। সবেমাত্র মুখে একটা ব্রেড দিয়েছিল। সেটা গেল…
আরও গল্প