আলোকে আঁধারে: ১৪. ডাইরীখানা নিয়ে

আলোকে আঁধারে: ১৪. ডাইরীখানা নিয়ে

১৪. ডাইরীখানা নিয়ে ডাইরীখানা নিয়ে রাত্রে খাওয়াদাওয়ার পর বসবার ঘরের সোফায় গিয়ে বসল কিরীটী একটা চুরেট ধরিয়ে। বেশী দিন নয়–বৎসর খানেক আগের তারিখ থেকে ডাইরী লেখার শুরু, তাহলেও প্রথম পাতাতেই লিখেছে মিত্রানী—ডাইরা লিখতাম সেই কবে…
আলোকে আঁধারে: ১১. কিরীটী আর সুব্রত সেদিন

আলোকে আঁধারে: ১১. কিরীটী আর সুব্রত সেদিন

১১. কিরীটী আর সুব্রত সেদিন কিরীটী আর সুব্রত সেদিন যখন উঠবে-উঠবে করছে, বিদ্যুৎ সরকার এলো। সবাই তখন চলে গিয়েছে। বিদ্যুৎ ঘরে ঢুকে বললে, সুশীলবাবু, আমি অত্যন্ত দুঃখিত—বিশেষ কাজে আটকা পড়ায় আসতে দেরী হয়ে গেল। সুশীল…
আলোকে আঁধারে: ১৫. কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে

আলোকে আঁধারে: ১৫. কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে

১৫. কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে ডাইরীর। বাবা আর আমার বিয়ের কথা বলেননি। বলবেনও না জানি। বুঝি বাবা জানতে চান কোথায় আমার মন বাঁধা পড়েছে। কিন্তু কি বলবো…
আলোকে আঁধারে: ১৬. দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না

আলোকে আঁধারে: ১৬. দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না

১৬. দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না। মিত্রানীর হত্যারহস্যটা যেন ক্রমশ জট পাকিয়ে পাকিয়ে জটিল হতে জটিলতর হয়ে উঠছে। সূত্রগুলো কেমন যেন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।…
আলোকে আঁধারে: ১৭. মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট

আলোকে আঁধারে: ১৭. মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট

১৭. মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট সুহাসবাবু! বলুন। মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট আমি কিছুতেই খুলতে পারছিলাম না— আপনার স্বীকারোক্তি সেই জটটা খুলে দিল। আচ্ছা সুহাসবাবু, একটা কথা বলুন— মিত্রানীর প্রতি সজলবাবু যে আকৃষ্ট ছিলেন সে কথাটা…
আলোকে আঁধারে: ১৮. রবিবার সকালের দিকে

আলোকে আঁধারে: ১৮. রবিবার সকালের দিকে

১৮. রবিবার সকালের দিকে রবিবার সকালের দিকে কাজল বোস এলো। কিরীটী কাজল বোসের অপেক্ষাতেই ছিল—এবং জংলীকে বলে রেখেছিল কাজল বোস এলে যেন সে তাকে তার ঘরে পৌঁছে দেয়। জংলীর সঙ্গে কাজল বোস ঘরে ঢুকতেই কিরীটী…
আলোকে আঁধারে: ১৯. কিরীটীর ওখান থেকে বের

আলোকে আঁধারে: ১৯. কিরীটীর ওখান থেকে বের

১৯. কিরীটীর ওখান থেকে বের কিরীটীর ওখান থেকে বের হয়ে সুহাস মিত্র একটু অন্যমনস্ক হয়েই যেন বাস স্ট্যান্ডের দিকে এগুতে থাকে। মিত্রানীর কথাই সে ভাবছিল বোধ হয়, হঠাৎ বাস স্ট্যান্ডের কাছাকাছি আসতেই কাজলের ডাক শুনে…
আলোকে আঁধারে: ২০. বাড়িতে ফিরে সারাটা দিন

আলোকে আঁধারে: ২০. বাড়িতে ফিরে সারাটা দিন

২০. বাড়িতে ফিরে সারাটা দিন বাড়িতে ফিরে সারাটা দিন কিরীটী পেসেন্স খেলেই কাটিয়ে দিল একা একা আপন মনে—কেবল মধ্যে দুচার জায়গায় ফোন করেছিল। সুব্রত আর বাড়িতে ফিরে যায়নি, সে ঐখানেই ছিল। আহারাদির পর কিরীটী যখন…
আলোকে আঁধারে: ২১. সজল চক্রবর্তী এলোই না

আলোকে আঁধারে: ২১. সজল চক্রবর্তী এলোই না

২১. সজল চক্রবর্তী এলোই না কিন্তু সে রাত্রে সজল চক্রবর্তী এলোই না। এলো পরের দিন সকাল সাড়ে-আটটা নাগাদ। সুব্রত গতরাতে বাড়ি চলে গিয়েছিল, এখনো ফেরেনি-কিরীটী চা-পানের পর ঐদিনকার সংবাদপত্রটা নিয়ে পাতা উল্টে উল্টে দেখছিল। জংলী…
আলোকে আঁধারে: ২২. সুহাস মিত্রকে তার অফিসে পাওয়া গেল না

আলোকে আঁধারে: ২২. সুহাস মিত্রকে তার অফিসে পাওয়া গেল না

২২. সুহাস মিত্রকে তার অফিসে পাওয়া গেল না সুহাস মিত্রকে তার অফিসে পাওয়া গেল না। সুহাস সেদিন অফিসেই আসেনি। কিরীটী আর সুব্রত তখন সোজা তার কলুটোলার বাড়িতে গেল। সুহাস বাড়িতেই ছিল। বাইরের ঘরে জানালা দরজা…
আরও গল্প