আলোকে আঁধারে: ১৩. পরের দিন ভোরবেলাতেই

আলোকে আঁধারে: ১৩. পরের দিন ভোরবেলাতেই

১৩. পরের দিন ভোরবেলাতেই পরের দিন ভোরবেলাতেই কিরীটী মিত্রানীদের ওখানে গিয়ে হাজির হলো। গতরাত থেকেই তার মনে হয়েছে মিত্রানীর ঘরটা একবার তার দেখা দরকার। দোতলায় উঠতেই মাস্টারমশাই অবিনাশ ঘোষালের সঙ্গে তার দেখা হয়ে গেল। অবিনাশ…
আলোকে আঁধারে: ১৪. ডাইরীখানা নিয়ে

আলোকে আঁধারে: ১৪. ডাইরীখানা নিয়ে

১৪. ডাইরীখানা নিয়ে ডাইরীখানা নিয়ে রাত্রে খাওয়াদাওয়ার পর বসবার ঘরের সোফায় গিয়ে বসল কিরীটী একটা চুরেট ধরিয়ে। বেশী দিন নয়–বৎসর খানেক আগের তারিখ থেকে ডাইরী লেখার শুরু, তাহলেও প্রথম পাতাতেই লিখেছে মিত্রানী—ডাইরা লিখতাম সেই কবে…
আলোকে আঁধারে: ২৩. চিঠিটা আমার পড়তে বসে

আলোকে আঁধারে: ২৩. চিঠিটা আমার পড়তে বসে

২৩. চিঠিটা আমার পড়তে বসে চিঠিটা আমার পড়তে বসে চিঠির শেষে প্রেরকের নামটা যে আপনি শুরুতেই পড়ে দেখবার কৌতূহলটা দমন করতে পারবেন না সেটা আমি জানি বলেই নামটা শুরুতেই আমার জানিয়ে দিচ্ছি—আমি কিরীটী রায়। এবারে…
আলোকে আঁধারে: ২৪. থানায় বসে সুশীল নন্দী

আলোকে আঁধারে: ২৪. থানায় বসে সুশীল নন্দী

২৪. থানায় বসে সুশীল নন্দী থানায় বসে সুশীল নন্দীও ঐ রাত্রেই কিরীটীর লোক মারফৎ প্রেরিত চিঠিটা পড়ছিলেন। চিঠি যত এগিয়ে চলেছে ততই যেন তাকে কি এক আকর্ষণে টেনে নিয়ে চলছে। বস্তুত কিরীটী যে জোর গলায়…
আলোকে আঁধারে: ১৫. কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে

আলোকে আঁধারে: ১৫. কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে

১৫. কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে কিরীটী পাতার পর পাতা পড়ে চলে ডাইরীর। বাবা আর আমার বিয়ের কথা বলেননি। বলবেনও না জানি। বুঝি বাবা জানতে চান কোথায় আমার মন বাঁধা পড়েছে। কিন্তু কি বলবো…
আলোকে আঁধারে: ১৬. দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না

আলোকে আঁধারে: ১৬. দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না

১৬. দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না দিন দুই আর কিরীটী কোথাও বেরই হলো না। মিত্রানীর হত্যারহস্যটা যেন ক্রমশ জট পাকিয়ে পাকিয়ে জটিল হতে জটিলতর হয়ে উঠছে। সূত্রগুলো কেমন যেন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।…
আলোকে আঁধারে: ১৭. মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট

আলোকে আঁধারে: ১৭. মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট

১৭. মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট সুহাসবাবু! বলুন। মিত্রানীর হত্যা-রহস্যের একটা জট আমি কিছুতেই খুলতে পারছিলাম না— আপনার স্বীকারোক্তি সেই জটটা খুলে দিল। আচ্ছা সুহাসবাবু, একটা কথা বলুন— মিত্রানীর প্রতি সজলবাবু যে আকৃষ্ট ছিলেন সে কথাটা…
আলোকে আঁধারে: ১৮. রবিবার সকালের দিকে

আলোকে আঁধারে: ১৮. রবিবার সকালের দিকে

১৮. রবিবার সকালের দিকে রবিবার সকালের দিকে কাজল বোস এলো। কিরীটী কাজল বোসের অপেক্ষাতেই ছিল—এবং জংলীকে বলে রেখেছিল কাজল বোস এলে যেন সে তাকে তার ঘরে পৌঁছে দেয়। জংলীর সঙ্গে কাজল বোস ঘরে ঢুকতেই কিরীটী…
আলোকে আঁধারে: ১৯. কিরীটীর ওখান থেকে বের

আলোকে আঁধারে: ১৯. কিরীটীর ওখান থেকে বের

১৯. কিরীটীর ওখান থেকে বের কিরীটীর ওখান থেকে বের হয়ে সুহাস মিত্র একটু অন্যমনস্ক হয়েই যেন বাস স্ট্যান্ডের দিকে এগুতে থাকে। মিত্রানীর কথাই সে ভাবছিল বোধ হয়, হঠাৎ বাস স্ট্যান্ডের কাছাকাছি আসতেই কাজলের ডাক শুনে…
আলোকে আঁধারে: ২০. বাড়িতে ফিরে সারাটা দিন

আলোকে আঁধারে: ২০. বাড়িতে ফিরে সারাটা দিন

২০. বাড়িতে ফিরে সারাটা দিন বাড়িতে ফিরে সারাটা দিন কিরীটী পেসেন্স খেলেই কাটিয়ে দিল একা একা আপন মনে—কেবল মধ্যে দুচার জায়গায় ফোন করেছিল। সুব্রত আর বাড়িতে ফিরে যায়নি, সে ঐখানেই ছিল। আহারাদির পর কিরীটী যখন…
আরও গল্প