অসময়ে গর্ভধারণপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 2, 2020গল্প লিখেছেন : Asma aktar urmi আমার মায়ের বিয়ে হয়েছিল সতের বছর বয়সে। তার দু বছর পর আমি জন্মাই। এখন আমি অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে। বছর দুয়েক আগে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রথমদিকে শ্বাশুড়ির সাথে মানিয়ে নিতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। উনি…
নতুন অধ্যায়ের সূচনাপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 2, 2020গল্প লিখেছেন : Shahriyar Hridoy -কি ব্যাপার?রিক্সার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন কেন?আপনার সাইকেল কোথায়? ভার্সিটিতে যেতে হবে। তাই আমাদের বিল্ডিং এর পাশের রাস্তায় দাড়িয়ে আছি একটা রিক্সার জন্য।।লেইট হয়ে যাচ্ছে।কিন্তু কোন রিক্সা পাচ্ছি না।এই রাস্তায় অবশ্য রিক্সা খুব একটা পাওয়াও যায়…
মা বাবাই আমার জান্নাতপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 2, 2020গল্প লিখেছেন : ইমাম ডিভোর্স পেপারটা একটু আগে হাতে পেলাম। কাগজটা হাতে নিয়ে হাসছি। কারন আজকে আমার বিবাহের এক বছর পূর্ণ হলো। আমি হাতে নিয়ে ভাবছি যদি সাইন করে দেই তাহলে আমার স্ত্রীর সাথে আমার এখনি সব শেষ। আবার…
যোগ্যতাপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 2, 2020গল্প লিখেছেন : সংগৃহীত আজ আমি নীলার কাছে আমার মনে অনুভূতিগুলো আত্ম-প্রকাশ করব। দীর্ঘ চারটি বছর আমি সব কিছু খুব গুরুত্ব সহকারে ভেবেছি। আজ আমি একদম নিশ্চিত আমি তাকে আমার পাশে দেখতে চাই। আজ সারাদিন আমি ফেসবুকের এক্টিভ স্টেটাস…
পূর্ণিমারচাঁদপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 2, 2020গল্প লিখেছেন : কাজী মুশফিকুর রহমান তমাল —বাপ-মা মরা ছেলেকে এভাবে মেরো না শাহানা। —তুমি চুপ থাকো!আজই আপদ বিদায় করো,আমি আর তোমার ভাতিজাকে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে পারবো না।এটাই আমার শেষ কথা। —এতটুকু ছেলে কি কাজই বা করবে।সব কাজ কি ও পারে বলো।তাছাড়া…
মোমের আলো: ০১. যেমন ঝড় তেমনি বৃষ্টিপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ০১. যেমন ঝড় তেমনি বৃষ্টি সারাটা রাত ধরে যেমন ঝড় তেমনি বৃষ্টি। অবিশ্রান্ত বর্ষণের সঙ্গে সোঁ সোঁ হাওয়া। আর সেই সঙ্গে ছিল থেকে থেকে মেঘের গুরু গুরু ডাক। ঐ ঝড় জল বৃষ্টির মধ্যেই কোন এক…
মোমের আলো: ০২. অবনী সাহা বলছিল কিরীটীকেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ০২. অবনী সাহা বলছিল কিরীটীকে অবনী সাহা বলছিল কিরীটীকে। ব্যাপারটা যদিও প্লেন ও সিম্পল সুইসাইড কেস বলেই সকলের ধারণা হয়েছে, তবু কেন যেন অবনী মনে মনে ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে গ্রহণ করতে পারেনি। অথচ মনের কথাটা কাউকে…
মোমের আলো: ০৩. সুশান্ত চ্যাটার্জি গৃহেই ছিলপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ০৩. সুশান্ত চ্যাটার্জি গৃহেই ছিল সুশান্ত চ্যাটার্জি গৃহেই ছিল। পর পর সব এক সাইজের এক প্যাটার্নের কোয়ার্টার। ১৮নং কোয়াটারই সুশান্ত চ্যাটার্জির। বাইরে থেকে কোন আলো দেখা যায় না। অন্ধকার। ওরা গাড়ি থেকে নেমে নিঃশব্দে এগিয়ে…
মোমের আলো: ০৪. পাশের ঘরটিপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ০৪. পাশের ঘরটি পাশের ঘরটিও ঠিক বলতে গেলে একই সাইজের। একটি খাটের উপর রাহুল চোখ বুজে শুয়ে মধ্যে মধ্যে জ্বরের ঘোরে বিড়বিড় করে ভুল বকছে। কিরীটী শয্যায় শায়িত ছেলেটির দিকে তাকাল। ছেলেটি ভারী রুগ্ন। তার…
মোমের আলো: ০৫. অবনী সাহা উৎসুক দৃষ্টিতেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ০৫. অবনী সাহা উৎসুক দৃষ্টিতে অবনী সাহা উৎসুক দৃষ্টিতে কিরীটীর মুখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্নটা করেন। কিসের? মানে বলছিলাম ঐ সুশান্ত চ্যাটার্জি আর মিত্ৰাণীকে— একটা কথাই ওদের সম্পর্কে মনে হচ্ছে আপাততঃ— কী? ভাবছি, দুজনেই যেন মনে…