নিভুনিভু দীপ

নিভুনিভু দীপ

আমি অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে বাবার দিকে তাকিয়ে বললাম, ‘তুমি কী বললে, বাবা?’ বাবা কেমন জানি কুঁকড়ে গেছেন, কোনোমতে বললেন, ‘পাড়ার ছেলেরা গলির মোড়ে ত্রাণ বিতরণ করছে। তোর মা বলছে, চাল-ডাল নাকি সব শেষ হয়ে গেছে। তাই…
আশার আলো

আশার আলো

তরকারিতে লবন কম হয়েছে বলে শাশুড়ি খুব কথা শুনালেন। শ্বশুরতো মুখে দিয়ে চোখ মুখ ছিটকে একপ্রকার বমি বমি ভাব করে বললেন, ‘থু! এটা কোনো তরকারি রান্না হলো? রান্না বান্নার দিন দিন এ হাল হলে তো…
এটা কেমন স্বপ্ন ছিল

এটা কেমন স্বপ্ন ছিল

আজ ছাত্রীকে পড়াতে গেলাম তার বাসায়। পাশাপাশি বাড়ি হ‌ওয়াতে হোমকোয়ারেন্টাইনের ঝামেলা পোহানোর এতো সুযোগ নেই। কিছুক্ষণ পর যখন ছাত্রীর বাসার দরজায় এলাম, এমন সময় কোয়েনবেল বাজানোর আগেই ছাত্রীর মা আন্টি এসে হাজির। রহস্যময় একটা হাসি…
বিষন্নতা

বিষন্নতা

ঐ যে মেয়েটা আসছে রিকশায় করে যার জন্য দীর্ঘক্ষন যাবত অপেক্ষা করছি।রিকশা থেকে নেমে ভাড়াটা দিয়ে আমার দিকে একটা মুহূর্তের জন্য তাকালো,তাতেই শুষে নিলো আমার ভিতরের সব তরল, এক সাগর পিপাসায় ছেয়ে গেলো বুকটা।চোখ সরিয়ে…
জোৎস্নার পাড়ে

জোৎস্নার পাড়ে

মাঝরাতে হঠাৎ ছোট চাচা তাড়াহুড়া করে আমার রুমে ঢুকেই বলল “আকাশ তাড়াতাড়ি বের হ।” আমি হকচকিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম “কেন চাচা কী হয়েছে? ” উনি বললেন “আরে ব্যাটা বের হ। একটা ভয়ঙ্কর জিনিস দেখবি চল।”…
একটি অসহায়ত্বের গল্প

একটি অসহায়ত্বের গল্প

ছোট বোনের পাশে বসে টিভি রিমোর্ট নিয়ে খোঁচাখুঁচি করছিলাম৷ হুট করে রুমে আম্মার আগমন৷ রাজ্যের তাড়া নিয়ে বললেন, -তারাতারি তৈরী হ! -কই যাবো? -জিনিয়ার শ্বশুর বাড়ি যাওয়া লাগবে তোর৷ জিনিয়া সম্পর্কে আমার চাচাত বোন৷ বছরখানেক…
বিভীষিকাময় এক বৈশাখ

বিভীষিকাময় এক বৈশাখ

হুইল চেয়ারে বসে বই পড়ছে আসাদ। তার সাত বছরের একমাত্র ছেলে জুবায়েদ টিভি দেখছে। আর স্ত্রী নূরী রান্নার আয়োজনে ব্যস্ত। এই তিনে আসাদের সুখী পরিবার। টিভিতে পহেলা বৈশাখের খবর দেখে জুবায়েদ বলল, “বাবা, কাল আমি…
লেট’স স্টার্ট দ্য জার্নি টুগেদার

লেট’স স্টার্ট দ্য জার্নি টুগেদার

মেয়েটাকে যখন প্রথম দেখেছিলাম গ্রামে,খুব ভালো লেগেছিল তখন। দুটি চোখ ছাড়া আর কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। পায়ে মোজা,হাতে মোজা,বোরকা পড়া। সম্পূর্ণ শরীর বোরকা দিয়ে ঢাকা। বুঝতে বাকী রইলো না যে,মেয়েটা কোনো পরহেজগার পরিবারের মেয়ে। ছোটবেলা…
বিচিত্র জায়গা

বিচিত্র জায়গা

আমাদের মেসের পাশেই একটা প্রাইভেট ক্লিনিক।তো আমরা প্রায়ই বন্ধুরা মিলে সেখানে যাই বিনা কারণেই। আসলে ক্লিনিক শীততাপনিয়ন্ত্রি ত হওয়ায় গরমে সবাই বিনা কারণেই ক্লিনিকে ঢুকে ঘুরাঘুরি করি শরীর ঠান্ডা করার জন্য।এই কাজটা প্রায়ই হতো। কিন্ত…
পরিস্থিতি

পরিস্থিতি

– মামনি, আমাকে চকলেট কিনে দেও না! – না সোনা, দাঁত নষ্ট হবে রোজ চকলেট খেলে। – দাও না, দাও না (মেয়ে মীরাকে নিয়ে রাস্তা পার হবার জন্য কৃষ্ণপ্রিয়া দাঁড়িয়ে আছে রাস্তার পাশে। মেয়ে চকলেটের…
আরও গল্প