এখানে একটা কবিতা ছিলোপ্রকাশিত হয়েছে : অক্টোবর 30, 2018গল্প লিখেছেন : সুমন আফ্রী এখানে একটা কবিতা ছিলো লাল রংয়ের কবিতা সবুজ আর আকাশী রংয়ের কবিতা। সাদা পায়রার মতো কবিতা ছিলো একটা। বকুলের গন্ধ ভরা শিশির ভেজা শিউলির মতো তরুনীর খলখল হাঁসির মতো কবিতা। এই কবিতায় দোয়েলের শীষ ছিলো…
আগুন মেয়েপ্রকাশিত হয়েছে : অক্টোবর 29, 2018গল্প লিখেছেন : বহ্নিশিখা ঘোষ আগুন রঙা মেয়ে, সিঁথিপথে কপাল বেয়ে সূর্য্য চুঁইয়ে পড়ে জন্মে জন্মে সূর্য্য শিখা ছুঁয়ে যায় তার মন। সবুজ সবুজ ধানের শীষে লতিয়ে থাকে গা আশ্বিনেরই উঠোনজুড়ে কাশফুল ঝরা ভাত আগলে রাখে আগুন আগুন চোখে। আগুনরঙা…
আজব খবর শুনিপ্রকাশিত হয়েছে : অক্টোবর 29, 2018গল্প লিখেছেন : চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু ওপাড়াতে আজব খবর তোমরা কি কেউ জানো? ঘোড়া নাকি ডিম পেড়েছে কেউ কী বলো মানো? কোকিল নাকি পাহারা দেয় সারাটা রাত জেগে, কথা শুনে সিংহ মামা তাইতো ওঠে রেগে। আসলো ঘোড়া দলে দলে দেখবে এবার…
স্বপ্ন যখনপ্রকাশিত হয়েছে : অক্টোবর 29, 2018গল্প লিখেছেন : নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী আমরা আগাপাস্তলা সব বুঝতে পারি ভক্তেরা সামান্য পারে। কিন্তু তারা আদ্যোপান্ত দীন-ভিখারি, যা কও, তাতেই মাথা নাড়ে। নাড়ুক, ভক্তিভাবের জোয়ার কাটলে তারা থাকবে না আর; কেউ বা যাবে বিন-টিকিটে ঝালুকবাড়ি, কেউ জশিডি-কর্মাটারে। ছু-মন্তরের ম্যাজিক তুমি…
বাবুর বাগানপ্রকাশিত হয়েছে : অক্টোবর 29, 2018গল্প লিখেছেন : নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী যে যেখানে পারে, সেইখানে থোয় কেড়েকুড়ে আনে যা সে, কিছু থাকে তার হাতের মুঠোয়, কিছু ঝরে যায় ঘাসে। যে সে রেখেছিল লোহার খাঁচায়, হয়েছে পাখির দানা কিছুটা মোরগে ঠুকরিয়ে খায়, কিছু শালিখের ছানা। সিঁদকাঠি হাতে…
যেখানেই যাইপ্রকাশিত হয়েছে : অক্টোবর 29, 2018গল্প লিখেছেন : নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী যেখানেই যাই, যে-বাড়িতে কড়া নাড়ি, কেউই দেয় না সাড়া, সব রাস্তাই ফাঁকা, সাত-তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছে পাড়া। সেখানেই যাই, ঘুমিয়ে রয়েছে আজ সবার কাছে ও দূরে, অথচ আমার কড়া নাড়বারই কাজ পাড়ায়-পাড়ায় ঘুরে।
হাসপাতালেপ্রকাশিত হয়েছে : অক্টোবর 29, 2018গল্প লিখেছেন : নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী অষ্টপ্রহর কাছাকছি ভনভনাচ্ছে হাজার মাছি, তোর সেদিকে না-দিয়ে কান সব সময়ে সিধে-সটান দাঁড়িয়ে এখন থাকতে হবে। তেমনভাবে দাঁড়িয়ে আমি থাকলুম কই। পাল্লা যখন যে-দিক ঝোঁকে সেইদিকে ব্যাঙ-লাফায় লোকে। লাফাক গে, তুই শক্ত থাকিস সব সময়ে…
নিশির ডাকপ্রকাশিত হয়েছে : অক্টোবর 29, 2018গল্প লিখেছেন : নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী নিশির ডাক শুনে মাঝরাত্তিরে যারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল, এখন আবার খুব শান্ত আর খুব সুন্দর এই সকালবেলায় একে-একে সেই ছেলেগুলো যে যার ঘরে ফিরে আসছে। ওদের ছেঁড়া জামাকাপড়, ওদের রক্তাক্ত হাত-পা, আর সেইসঙ্গে ওদের…
খেলোয়াড়ের টুপিপ্রকাশিত হয়েছে : অক্টোবর 28, 2018গল্প লিখেছেন : নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী হাটের গণ্ডগোল থেকে মানুষ যেমন তার ঘরের পথে পা বাড়ায়, কথাগুলিও এমন তেমনি পা বাড়িয়েছে শব্দ থেকে শব্দহীনতার দিকে। চতুর্দিকে এখন ফিরে যাবার, ফিরিয়ে নেবার পালা। ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত অনুতপ্ত সন্তানের মতো গন্ধ দিরে যাচ্ছে ফুলের…
গুরু যা বলেনপ্রকাশিত হয়েছে : অক্টোবর 28, 2018গল্প লিখেছেন : নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী মস্ত বড় মিরগেলটাকে বঁড়শিতে গাঁথবার জন্যে ফাতনার উপরে চোখ রেখে শ্রীমন্ত সেই সকাল থেকে ঘাটের রানায় বসে আছে। আসলে ওই মাছটাই যে তাকে টোপ গিলিয়ে গেঁথে রেখেছে, শ্রীমন্ত তা জানে না। সকাল ছ’টা অব্দি খুনের…