দূর থেকে বহু দূরে

দূর থেকে বহু দূরে

চলে গেলাম তোমার সাজানো পৃথিবী ছেড়ে, দূর থেকে বহু দূরে। খুঁজো আমায় কোনো উদাস বিকেল বেলায় কিংবা কোনো তারা ভরা জোছ্না রাতে। আকাশের দূরের যে তারাটি দীপ্তি চোখে জলকণার মত জ্বলজ্বল করে, মনে করো সেইটিই…
পাপ মোচন, পাপি শুধু আমি না

পাপ মোচন, পাপি শুধু আমি না

পাপ পুণ্য নির্ণয়ের মানদণ্ড আজকাল খুব টনটনে তোমার ; শব্দের মারপ্যাঁচে কি সহজে হিসেব কষে পুণ্যটা নিজের ঘরে রেখে – আমাকে বানাও পাপের ভাগীদার ; অযুত নিযুত বিস্তর গাণিতিক দৌড় শিখেছ – দর্পণে দেখনি কি…
তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম

তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম

“তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম” এই গভীর নিশীথে কারা যেন দল বেধে শুনছে….. আকাশের আধ পোড়া চাদের দিকে তাকিয়ে, বারান্দার গ্রিলে গা হেলিয়ে পাঠালাম তাদের তরে এক রাশ শুভেচ্ছা – “তোমাদের ভালবাসা, তোমাদের বিরহ রোগ…
শেষ বিকেলের বাংলা

শেষ বিকেলের বাংলা

দূরে দেখো, অস্তরবি লাল আকাশের মাঝে, জানিয়ে দিল সকাল এবার রূপ নিয়েছে সাঁঝে। শেষ বেলাকার রং মেখেছে খালের বওয়া জল, লাল-হলুদে জলের খেলা, দেখতে যাবি চল। সদ্য খালি সবুজ খেত দূর দিগন্তের গায়- বারে বারে…
মামার বাড়ি যাওয়া

মামার বাড়ি যাওয়া

মনে পড়ে ছোট্টবেলার মামার বাড়ি যাওয়া, গরমের ছুটি পড়লে মনে লাগত খুশির ছোঁয়া। আড়চোখেতে মায়ের উপর চলত নজরদারী, অপেক্ষাতে প্রহর গোনা, যাব মামার বাড়ি। এমনি করে পড়তে ছুটি মায়ের হাতটি ধরে- খুশি মনে যাত্রা শুরু…
দাহ

দাহ

শান্তিময় নিস্তব্ধতা, ঘি আর মাংসের পোড়া গন্ধের মাঝে নদীর জোয়ারের গর্জন। এক নিঃশেষিত চিতার উপর সজ্জিত নতুন চিতা। শব ঘিরে ঘুরে ঘুরে পুরোহিতের মন্ত্র উচ্চারণ। চেনা সেই মাংসের গন্ধটা আজ একটা দেহ মাত্র। রোদে পোড়া…
বিশ্বাস

বিশ্বাস

একবার ; হ্যাঁ একবার যখন তোমায় ভালোবেসেই ফেলেছি- তুমি আমাকে চাইলেই এখন একটি ট্রাকের নীচে ধাক্কা মেরে ফেলে দিতে পারো মজা করতে করতে, আমি তোমার মজাতেও বিশ্বাস রাখি যে! হয়তো একটু খেলাচ্ছলে আমাকে ফেলে দিতে…
দেশাত্মবোধক

দেশাত্মবোধক

ফুসফুসের পরিমাপ দশ অনুপাত ছয় দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ ভরাট গোলকের ব্যাসার্ধ বৃত্তটা চাপানো, নরম কিংবা জোড়ালো বাতাসে ঠিক মাঝখান। ৫২০ থেকে ৫৭০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ছোঁয়ায়- স্পন্দিত হৃৎপিণ্ডেরর রঙ; হৃদয়ের জীবন্ত নির্ধার্য অনুভূতি, ক্লোরোফিল…
বিকিরিত আঁধার

বিকিরিত আঁধার

হাতদিয়ে টেরপাই ঘাড়ে, যদি পাই, এবং পাইও কদাপি ঘোলা চোখ – ফোলা আঙুর, একচোখা দাজ্জাল টেরপাই ঝুপ-কোপতরঙ্গ তির্যক গোল মেলে ঘোরবেঘোর নিকাশ বেসামাল কবল,চারপাশে চক্র বায়ু বেদখল হয়ে যাই, হয়ে চলি,অনস্তিত্বের বেপথু শুন্যতায়। চেতনার অসীমতায়…
চারু

চারু

আজকাল নিজেকে বড্ড ভারী লাগে, সময় আর বয়সের ভারে, কেমন জানি গুটিয়ে বসেছি। “চারুলতা” সে আমার এক আকাঙ্ক্ষিত নাম। আমার জীবনের পথ ধরে আসা, এক পরিপূর্ণ মানবী, আমার অর্ধাঙ্গিনি। ১৮ বছর বয়সে মায়ের পছন্দে, ঘরে…
আরও গল্প