আঁধারে কেউ থাকেনা

আঁধারে কেউ থাকেনা

কি দারুন জ্বলছে আলো, জোনাকি রং চেনেনা মায়াময় রাতের পরে, আঁধারে কেউ থাকেনা… নিছক ওই মোমের কাছে, রেখেছি বয়স যত কিছুটা পড়ছে গলে, পুরাতন সালের মতো… চুমুদের দিব্যি এঁটে, অভিমান শার্ট হারালো ভাঙা মন লালের…
বেহুলা মন

বেহুলা মন

মনের বিষন্নতা যখন গ্রাস করে অশ্রু ও সাথে টলমল, গহীন থেকে দেখছে আমায় ঐ সে মেঘের দল। বিলাস বহুল লোকের ভিড়ে কেন দেখে গহীন থেকে, সব যখন ব্যস্ত হয়ে তাকিয়ে তাকিয়ে একটু ডাকে। মৃত স্বপ্ন…
ভালোবাসার বন্ধন

ভালোবাসার বন্ধন

এ কোন মায়ায় তুমি জড়ালে আমায়, দূরে যেতে চাইলেও পারি না ভুলে থাকতে তোমায়। ভালোবাসার মায়াজালে আবদ্ধ আমি, আর এই জগতের সেরা সৌন্দর্য্য তুমি। কাছে টেনে ভালোবাসায় ভরিয়ে দাও আমায়, ভালোবাসি একটু বেশি আমি যে…
স্বপ্ন পথে তুমি আমি

স্বপ্ন পথে তুমি আমি

তারপর তুমি আমি ঘুম থেকে জেগে উঠব চোখ খুলে স্মিত হাসি তোমার ঠোঁটে তুমি ভুলেই যাবে পিছনে ফেলে আসা সব গল্প, সাদা পথে হেঁটে যাব আমরা কত সভ্যতা পিছনে ফেলে কত সহজ পথ ক্লান্তি নেই,…
তোমাকে

তোমাকে

যন্ত্রণা আর হতাশার ঠিক মাঝ দিয়ে অন্ধকার-খচিত সরু পথ চলে গেছে কোন চুলোয় কে জানে, সেই বরাবর সহসা মিলিয়ে গেলে যেন জিভের আগায় গুড়পুকুরের হাওয়াই মিঠাই। সেখানে কি আগুনরঙা প্রখর রোদে স্বপ্নের ডানা থেকে গলে…
শেষ ঠাই

শেষ ঠাই

অস্তাচলের সূর্যটা পানকৌড়ির শেষডুব দেখে হস্তরেখার মত পথেও নামায় ঘোলাটে আঁধার, দীর্ঘশ্বাস নিজেও যখন ফেলে আরেকটি দীর্ঘশ্বাস, ফিসফাস জলের কলতানও হয়ে উঠে বেশ নির্ভার! ছুটন্ত ব্যকুলতা যেন মেপে মেপে ফেলে পদক্ষেপ পেছন থেকে আগামীর কুয়াশা…
এখনই সময়

এখনই সময়

সে এক অস্থির বাউণ্ডুলে উড়ুক্কু জীবন… পদে পদে মাকড়শার জালের মত বিছিয়ে রাখা নিষিদ্ধ আনন্দের লেপ্টানো সুখে, দু’কূলবিনাশী নষ্টামির উগ্র আহ্বান। কণ্ঠনালিতে ধেয়ে চলা একঢোক শ্যেন ককটেলে ছিঁড়ে খুবড়ে নাশ হয় কষ্টার্জিত সভ্যতার অস্থি-চর্মসার আবরণটুকু।…
পানসি

পানসি

জলপীড়িতে বসা আদরের দোয়েল ঘাট থেকে জলে যেত সকাল-বিকেল। পা ভিজিয়ে খেলতি তুই দোয়েল নিয়ে আমার দোয়েল সে গেলো্ তোর হয়ে! জোনাকির সংসার ছিল ঘর জুড়ে আয়নায় আলো দিত রাত-দুপুরে। বুকের জোনাকী আমার হয়ে গেল…
আঁধারের আর্তনাদ

আঁধারের আর্তনাদ

নীল কষ্টের বলিরেখা জমেছে; আঁধারের সমস্ত শরীরে চিহ্ন রাখেনি নিষ্পাপ চোখ, নিশ্চুপ জল পতনের। যে কয় ফোঁটা ঝরেছিল নিঝুম উপাসনালয় তৃষ্ণার্ত দেয়াল তাও চুষে নিয়েছে নিরবে। আঁধারের চাপা কান্নার আওয়াজ গিলেছে ঝিঁঝিঁ’র অবিরাম শব্দ। অন্ধের…
তেপান্তরের চিলেকোঠা

তেপান্তরের চিলেকোঠা

এক পশলা চিমটি কেটে দাগী করেছো হেসে খেলে ঠায় দাঁড়িয়ে সাজা ভোগ করেছি নিতান্ত অবহেলায় অনবরত স্বেচ্ছায় জখম হতে বড়ই সাধ জাগে তোমার কাঠগড়ায় । হয়তো আমার মতো অবিকল আমি নই তোমার মতন হয়ে গিয়েছি…
আরও গল্প