মোমের আলো: ০৮. আমি হত্যা করিনিপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ০৮. আমি হত্যা করিনি সুশান্ত বলে, বিশ্বাস করুন, বিশ্বাস করুন মিঃ রায়, তাকে আমি হত্যা করিনি। সে আমার স্ত্রী– আমি বিশ্বাস করলেই কিছু হবে না মিঃ চ্যাটার্জি। আইনকে বিশ্বাস করাতে হবে। আইন? হ্যাঁ, আপনি বলুন—কেন…
মোমের আলো: ০৯. কিরীটী থামে নাপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ০৯. কিরীটী থামে না কিরীটী থামে না। সে বলে চলে পূর্ববৎ তীক্ষ্ণ ভাষায়। মিত্ৰাণীর চোখে চোখ রেখে। গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে একটি অসুস্থ অসহায় ভদ্রমহিলাকে! আ-আপনি বলতে চান, দিদিকে হত্যা করা হয়েছে?…
মোমের আলো: ১০. চা-টা চমৎকার হয়েছেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১০. চা-টা চমৎকার হয়েছে বাঃ, চা-টা চমৎকার হয়েছে তো! কে তৈরী করল? কিরীটী সুশান্ত চ্যাটার্জির দিকে তাকিয়ে প্রশ্নটা করে। মৃদু হেসে সুশান্ত বলে, আমি। বুঝতে পেরেছি। কিরীটী আরাম করে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে বলে,…
মোমের আলো: ১১. দিন-পনের পরের কথাপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১১. দিন-পনের পরের কথা দিন-পনের পরের কথা। ইতিমধ্যে সুশান্ত আবার কাজে জয়েন করেছিল। প্রাত্যহিক ডিউটি যেমন দেয় দিতে আরম্ভ করেছিল। অবনী সাহা কয়েকদিন আগে সুশান্তর ওখানে এসে বলে গিয়েছিলেন, আপনি যেমন ডিউটি করছিলেন করতে পারেন।…
মোমের আলো: ১২. ভেজানো দরজাটা ঠেলেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১২. ভেজানো দরজাটা ঠেলে ভেজানো দরজাটা ঠেলে মিত্ৰাণী ঘরের মধ্যে পা দিল। কে? কাশতে কাশতেই চোখ তুলে তাকাল সুকান্ত। মিত্ৰাণী কোন কথা না বলে চায়ের কাপটা নিঃশব্দে সুকান্তর শয্যার সামনে টুলটার ওপর নামিয়ে রাখল। বিষ…
মোমের আলো: ১৩. মিত্ৰাণী পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে আছেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৩. মিত্ৰাণী পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে আছে মিত্ৰাণী পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে আছে। মাথার চুল বেণীবদ্ধ। একটা কালো সাপ যেন পিঠের উপর এলিয়ে পড়ে আছে। পরনে একটি ফিকে গোলাপী রঙের চওড়াপাড় মিলের শাড়ি। সেই শাড়ির উপর মৃদু…
মোমের আলো: ১৪. অগ্নিবর্ষী দৃষ্টি দিয়েপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৪. অগ্নিবর্ষী দৃষ্টি দিয়ে অগ্নিবর্ষী দৃষ্টি দিয়ে দু-চোখে যেন মিত্ৰাণীকে ঝলসে দিয়ে সুশান্ত মুখটা ঘুরিয়ে আবার দরজার দিকে এগিয়ে যায়। জামাইবাবু? আবার ডাকল মিত্ৰাণী। ঘুরে দাঁড়াল সুশান্ত, আমার নিমন্ত্রণ আছে বাইরে। নিমন্ত্রণ! হ্যাঁ, তুমি খেয়ে…
মোমের আলো: ১৫. বেলা এগারটা নাগাদপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৫. বেলা এগারটা নাগাদ বেলা এগারটা নাগাদ সেই যে সুশান্ত বের হয়ে গিয়েছে, এখনও ফেরেনি। রাত প্রায় এগারটা হল। রাহুল ঘুমিয়ে পড়েছে। ঘরের মধ্যে একটা মোমবাতি জ্বলছে। মিত্ৰাণী একা দাঁড়িয়ে ছিল জানালাটার সামনে বাইরের অন্ধকারের…
মোমের আলো: ১৬. লেটার-বকস্ থেকেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৬. লেটার-বকস্ থেকে প্রিয়তোষই লেটার-বকস্ থেকে পরের দিন বিটের পিওনের সাহায্যে চিঠিটা সংগ্রহ করে এনেছিল। অবনী চিঠিটা পেয়েই কিরীটীকে ফোনে সংবাদ দিয়েছিল। একটা চিঠি পাওয়া গিয়েছে কিরীটীবাবু। কিরীটী ঐসময় কৃষ্ণার সঙ্গে বসে দাবা খেলছিল। মনটার…
মোমের আলো: ১৭. কিরীটীর মুখে উচ্চারিত শেষের কথাগুলোপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 30, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৭. কিরীটীর মুখে উচ্চারিত শেষের কথাগুলো বিশেষ করে কিরীটীর মুখে উচ্চারিত শেষের কথাগুলো মিত্ৰাণীকে যেন সত্যিই পাথর করে দেয়, সে তার প্রতিরোধক্ষমতা হারায়। কিরীটী চেয়ে আছে তখনও মিত্ৰাণীর দিকে। সে-রাত্রে কেউ তাহলে আপনার ঘরে এসেছিল।…