তিন পুরুষের ক্রাশ

তিন পুরুষের ক্রাশ
— দাদু, দাদু আমি বিয়ে করব।
— কিহ্!?
— জিহ্!
অতঃপর দাদু আমার দিকে এমনভাবে তাকালো, যেন আমাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাসা থেকে বের করে দিবে! কিন্তু পরক্ষণেই লক্ষ্য করলাম দাদুর চোখমুখ চিক করে উঠলো। এরপর অতি মিষ্টি সুরে, কিন্তু কন্ঠে তার ভয়ের ছাপ স্পষ্ট ফুটিয়ে তুলে বলল,
— দাদুরে আমিতো তোকে বিয়ে দিতেই চাই কিন্তু তোর বাবা? দাদুর কথাতে আমি কিঞ্চিৎ ভরসা পেলাম, সেজন্য তাঁকে আলগা পাম দিয়ে বললাম,
— দাদু এতদিন শুনতাম মানুষের বয়স হলে বুদ্ধি বাড়ে কিন্তু তোমার তো দেখছি দিন দিন কমে যাচ্ছে। তুমি কি ভুলে গেছো, এই পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ কে আর কার হুকুমেই সংসারের কলকব্জা নড়ে?
— দাদু ভাই তুই আমাকে এসব বলে শূলে চড়াচ্ছিস, আমার দ্বারা হবে না রে!
— হবে না মানে? আগে যে তুমি বলতে, অস্ত্র জমা দিয়েছো কিন্তু ট্রেনিং নয়! অথচ আজ কি শোনালে?
— কিন্তু দাদু ভাই..
— না- না আর কোন কিন্তু নয়।
তাছাড়া তুমি যে এই পরিবারের কিং এটা তোমাকে আবারও প্রমাণ করার সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। তুমি দেখিয়ে দাও, তোমার কথার বাহিরে কেউ যেতে পারে না। আমার এসব আলগা পাম- পট্টিতে দাদুর শুধু বুক ফুলে উঠলো না, সাথে পেটও ভারী হয়ে গেল বুঝি! এবার দাদু তাঁর কাঁচাপাকা দাড়িতে হাত বুলিয়ে মুচকি হেসে বলল,
— হুম দাদু ভাই তুই ঠিকই বলেছিস। তবে এজন্য আমাকে সামান্য একটু ট্রিক্স ব্যবহার করতে হবে!
— সেটা আবার কি দাদু?
— সময় হলেই টের পাবি, হা হা হা!
এবার দাদুর কথা থেকে ভরসাটা আর একটু বৃদ্ধি হলো কিন্তু উনার ট্রিক্সের কথা ভেবে কিছুটা ঘাবড়েও গেলাম।‌ কেননা কি থেকে কি করবে, শেষে না আমার পিঠের উপর দিয়ে যায়! কেননা এমনিতেই এসব ফোর-টুয়েন্টি কাজের জন্য ইতোপূর্বে আমার বহুৎ সুনাম আছে এই পরিবারে। সেজন্য কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত বটে। যাহোক আমি নীলয়, বাবা- মায়ের বড় সন্তান। অবশ্য আমার ছোট এক ভাইও আছে, নাম অয়ন। মাগার ওর এখনো মায়ের আঁচল ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্য কোনটিই হয়নি, আইমিন এতটাই ভিতুর ডিম। সো আমাদের ফ্যামিলিতে সদস্য বলতে দাদু, দিদা সহ ৬ জন, আর অতিরিক্ত বলতে কাজের মেয়ে শান্তি ও ড্রাইভার হিটলার!!
প্রতিদিনের ন্যায় আজও বিকেলে টিভি দেখতে দেখতে, পরিবারের সবাই মিলে চা নাস্তা করছিলাম। হঠাৎ দাদু বুকে হাত দিয়ে কুতকুত আওয়াজ দিয়ে সোফায় শুয়ে পড়লো। হুট করে দাদুর এই অবস্থার জন্য আব্বু- আম্মু, দিদা, এমনকি বাসার কাজের মেয়ে শান্তি পর্যন্তও দৌড়ে দাদুর কাছে এসে সেবা যত্ন শুরু করে দিয়েছে। চিন্তায় সবার চোখমুখ শুকিয়ে গেছে। তারপর আব্বু কোন উপায়ন্তর না দেখে ফ্যামিলি ডাক্তার মোয়াজ্জেম আংকেল’কে কল করলেন। এসব দেখে একমাত্র আমিই মুচকি হাসছি আর ভাবছি, দাদুতো আমার সেই লেভেলের অভিনয় করতে জানে! কেননা এটা যে দাদুর পূর্ব পরিকল্পনাকৃত ট্রিক্স সেটা বুঝে ফেলেছি, আইমিন উনি বুকে হাত দেয়ার আগেই আমাকে‌ একটা চোখ টিপ দিয়েছিল।
যাহোক অতঃপর ডাক্তার আংকেল পরীক্ষা- নিরীক্ষা করে জানালেন, সম্ভবত স্ট্রেসড থেকে দাদুর হার্টে ছোট খাটো স্ট্রোক করেছে। এখন চিন্তার কিছু নেই, তবে দাদুকে সেফ এ রাখতে হবে, যেন নেক্সট টাইম আর কোন স্ট্রেস না করেন! তবে কাহিনী এখানেই শেষ হলেই পারতো কিন্তু না, দাদুর এটাতো ছিল কেবল ট্রেইলার, পিকচার আভি বাকি হ্যায়! ডাক্তার আংকেল চলে যেতেই দাদু সবার উদ্দেশ্যে বললেন,
— তোমরা কি কেউ কোনরকম গন্ধ পাচ্ছ? আমরা সবাই একে অপরের মুখের দিকে চাওয়া চাওয়ি করে সমস্বরে বললাম,
— না, কোন রকম গন্ধ পাচ্ছি না। এবার দাদুর ড্রামাটিক সুর বেজে উঠলো। উনি আবেগি ও কান্নাজড়িত কণ্ঠে বললেন,
— তাহলে আমার অনুমানই ঠিক, আমার সময় শেষ হয়ে আসছে। কেননা তোমরা কেউই কোন গন্ধ পাচ্ছ কিন্তু আমি ঠিকই পাচ্ছি! তোমরা সবাই আমাকে মাফ করে দিও দাদুর এই অভিনয় কে আরও নাটকীয় রূপ দিতে আমি যোগ করলাম,
— দাদু কি উল্টাপাল্টা কথা বলো, এই গন্ধের সাথে তোমার সময় শেষ, মানে উইকেট পতনের কি সম্পর্ক?
— আরে দাদু ভাইরে, এটা সাধারন কোন গন্ধ নয়, এটা হলো যমদূত এর গন্ধ। সে আমার আশেপাশেই ঘুরে বেড়াচ্ছে, যেকোনো সময় মিডিল স্ট্যাম্পে বল করার জন্য।
— বাবা, আপনি চুপ থাকেন তো। ডক্টর বলেছে, এ সময় আপনাকে উল্টাপাল্টা ভেবে স্ট্রেস না নেওয়ার জন্য। বরং আপনি এখন একটু ঘুমাতে চেষ্টা করুন, এতে আপনার ভালো লাগবে। এ কথাটি বলেই আম্মু দাদুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। তবে দাদু ছটফট করে বলে উঠলো,
— বৌমা আমি তো চোখ বন্ধ করতেই চাই কিন্তু এখনো কতকিছু দেখতে বাকি। সেজন্যই ভয় হয়, যদি আর চোখ খুলতে না পারি?
— বাবা, আপনি শুধু বলুন কি দেখতে চান? এক্ষুনি নিয়ে আসতেছি।
উক্ত বক্তব্যটি আমার আব্বুর, উনি এই কথা বলেই দাদুর মুখের দিকে চেয়ে আছে উত্তরের অপেক্ষাতে। তবে দাদু এবার বোমা ফাটালো,
— আমি নাত বউ দেখতে চাই।
দাদুর উইকেটের পতন ঘটলেও হয়তো কেউ এত বড় ধাক্কা খেতো না, যতটা খেয়েছে এই কথাতে। সবার চোখ কপালে উঠে গেছে, আর অন্যান্য অঙ্গের কথা তো বাদই দিলাম। তবে দাদুর এই কথাতে আমি কিঞ্চিৎ বিপদের আভাস পেলাম, কেননা সবাই ধরে নিবে উক্ত প্রস্তাবটির কারিগরির পেছনে আমারই হাত আছে। সেজন্য নিজের সাইডটা সেইফ রাখার জন্য দাদুকে চোখ টিপ দিয়ে বললাম,
— দাদু বিয়ে যদি করতে হয়, তাহলে তুমিই আরো একটা কর কিন্তু আমার মতন ভোলাভালা বাচ্চা ছেলেকে এসবের মধ্যে জড়িয়ো না। আমার সাথে তাল দিয়ে আম্মু কিছু বলতে যাচ্ছিল কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে দাদু আবার বুকের মধ্যে হাত দিয়ে কুত করে সাউন্ড দিলো।‌ ব্যাস মেডিসিন যায়গা মত হিট করলো। আইমিন আব্বু সাথে সাথেই আমার গালে ঠাস করে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিয়ে বজ্র কণ্ঠে বলল,
— তোর দাদু তোকে কোলে পিঠে করে মানুষ করেছে এই দিন দেখার জন্য? আজ শেষ বয়সে একটা আবদার করছে সেটাও রাখতে পারছিস না! অতঃপর দাদুর দিকে মুখ করে বলল, “বাবা আপনি কোন চিন্তা করবেন না, আপনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। নীলয় বিয়ে করছে ফাইনাল কিন্তু মেয়ে কোথায় পাবো?” যাহোক আব্বুর মুখে এহেন কথা শুনে আমার ভিতরটা পুলকিত হয়ে উঠল কিন্তু বাহিরে কপট রাগ দেখিয়ে রুমের এক কোনায় গিয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। অপরদিকে আমার দাদু আমার বাবার মুখে এমন সিদ্ধান্তের কথা শুনে, সেও বত্রিশ পাটি দাঁত বের করে হেসে দিয়ে বলল,
— আমি নীলয়ের জন্য বউ ঠিক করেই রেখেছি, উত্তর পাড়ার জয়নাল মেম্বারের মেয়ে নয়না! দাদুর মুখে একথা শোনার পর আমার তো জিভ দেড় হাত বের হয়ে গেল। কেননা এই মেয়েটা পুরো এলাকার ক্রাশ এতটাই সুন্দরী। তবে জিভ বের হওয়ার কারণ আরও একটা আছে, সেটা হলো-
“নয়না অতিরিক্ত সুন্দরী হওয়ার কারণে খুব দেমাগী ভাব লইয়া চলে, কাউকে কোন পাত্তা দেয় না। তবে টু দ্য পয়েন্ট হলো, এরা সবার সামনে মুলা ঝুলিয়ে রাখে!” সে যাগ্গে মেয়েটাকে আমিও মনে মনে অনেক পছন্দ করতাম, আই মিন ক্রাশ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। তবে প্রশ্ন হলো, দাদু তাকে কবে কোথায় দেখলো এবং আমার বউ হিসেবে সিলেকশন করল; এটা মাথায় কোন ভাবেই ঢুকতেছে না। অপরদিকে দাদুর পছন্দকে সবাই বাহবা দিলো, শুধু আম্মু ব্যতীত। সে মুখটা গোমড়া করে রাখছে, কেননা তাঁর অনেক দিনের স্বপ্ন বোনের মেয়ের সাথে আমার শদি করাবে। তবে এসব ছাড়িয়ে সবচেয়ে বেশি হাসি খুশি দেখা গেল কাজের মেয়ে শান্তি কে। সে তো আরো রকমারি হাসি দিয়ে আব্বুকে বলল,
— খালুজান, নীল ভাইয়ের বিয়াত কিন্তু আমরে একখান লাল বেনারসি কিইনা দিবাইন কইয়া দিলাম। আমরার মেলা দিনের সখ!
— দিব দিব তোকে বেনারসিই দিব। আর বিয়ে উপলক্ষে অনেক কাজ, একটুও কিন্তু ফাঁকিঝুকি চলবে না!
— আইচ্ছা খালুজান, আইজ থিকাই বাড়িঘর চকচকে কইরা লামু!
— হা হা হা..
অবশেষে সিদ্ধান্ত হলো, জয়নাল মেম্বারের মেয়ের সাথেই বিয়ে দেয়া হবে! সেজন্য আগামীকাল কনে পরিবারের সাথে কথা বলে ফাইনাল ডিসিশন নেয়া হবে, কবে-কোথায়, কিভাবে বিয়ের আয়োজন করা হবে? আমি এটুকু শুনেই খুশিতে বাকবাকুম হয়ে ভেতরে ভেতরে লুঙ্গি ড্যান্স শুরু করে দিয়েছি। অতঃপর সিদ্ধান্ত শেষে রুম থেকে একে একে সবাই বের হয়ে গেল। এখন রুমের মধ্যে আমি আর দাদুই আছি। দাদু বিছানায় শুয়ে আমার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসছে। অতঃপর আমি এক লাফে দাদুকে জড়িয়ে ধরে দুই গালে দুইটা চুমা দিয়ে বললাম,
— ও দাদুহ্, তোমাকে যে কি বলে ধন্যবাদ দিব বুঝতে পারতেছি না।
— ধন্যবাদ দেওয়া লাগবে না, আগে বিয়েটা হতে দে তারপর টের পাবি!
দাদুকে ছেড়ে দিয়ে এবার তার মুখের দিকে তাকালাম এবং ঠিক তখন বুঝতে পারলাম- “দাদুর চোখে মুখে কেমন একটা উত্তেজনা ভাব, মনে হচ্ছে বড়োসড়ো যুদ্ধে জয়ী হয়ে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হতে চলছে!” আমার তো সন্দেহ হলো, তাহলে কি দাদুর সাথে নয়নার কোন লটর-পটর চলছে কিন্তু সেটা কিভাবে সম্ভব? কেননা দাদু তো বুইড়া ধামড়া, তার সাথে এমন কিউটি অপরূপা সুন্দরী কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শেষে আমি দ্বিধাদ্বন্দ্ব নিয়ে দাদুকে জিজ্ঞেস করলাম,
— তোমার তো ভাব লক্ষণ বলে দিচ্ছে, তুমি ডুবে ডুবে জল খাচ্ছ। আসল কাহিনী কি বলতো?
— বললাম তো বিয়ের পর টের পাবি!
দাদুর এমন কথাতে সন্দেহ আরও গভীর হয়ে গেল। পেটের ভিতর কেমন জানি মোচড় দিয়ে উঠলো, মনে হচ্ছে বমি হবে। বিয়ের আগেই ছেলের বমি হওয়ার ব্যাপারটা কেমন কেমন ঠেকে, তবে সেটাকে চেপে দাদুকে ধরলাম ঘেপেঃ
— তুমি যদি এখন না বলো, তাহলে কিন্তু বিয়ে ক্যানসেল।
অবশেষে দাদু জানালো, নয়নার দিদা যৌবনকালে দাদুর ক্রাশ ছিল। দুজনের মধ্যে চুপিসারে অনেক কথাও হয়েছে, কিন্তু তখন এসব মুখে উচ্চারণ করাও ভয়ানক ব্যাপার ছিল। সেজন্য ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও বিচ্ছেদকে হজম করতে হয়, মানে নয়নার দিদার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যায়। তবে এখন সেই সুযোগটাকে কাজে লাগানোর জন্যই নয়নার সাথে আমার বিয়ের ফন্দি করেছে।
যাহোক দাদুর এমন বৃহৎ পরিকল্পনাতে তাঁরও একটা হিল্লে হয়ে গেল, সাথে আমারও। তাছাড়া মনের খটকা টাও দূর হয়ে গেল। এমনকি অবশেষে আমি পেতে চলেছি, “এলাকার জাতীয় ক্রাশ এবং আমার স্বপ্নের রাণী নয়নাকে!” তারপর মনের সুখে গুনগুন করতে করতে, দাদুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আমার রুমের দিকে পা বাড়ালাম। অবশ্য এখান থেকে যাওয়ার পথে আব্বু আম্মুর রুমের দরজা ক্রস করে যেতে হয়। তো উনাদের রুমের দরজাটা হাল্কা খোলা ছিল, সেখান থেকেই আম্মুর চিৎকার ভেসে এলোঃ
— আমার ছেলেকে মেম্বার বাড়িতে বিয়ে করাবো না, এটা আমার ফাইনাল ডিসিশন। আব্বু থতমত খেয়ে বলল,
— এসব কি বলছ, ওদিকে বাবার সাথে কথা পাকাপাকি হয়ে গেছে। এখন এসে এসব বললে হবে? তাছাড়া বাবা যদি এটা শুনতে পারে, তাহলে তো উনি আবার স্ট্রোক করবেন।
— আমি তো বলিনি ছেলেকে বিয়ে করাবো না, আমি শুধু বলছি ঐ বাড়িতে না।
— কিন্তু কেন সেটা তো বলবা?
— ওমা, তুমি কি মনে করছ আমি কিচ্ছু জানিনা।
আমাকে বিয়ে করার পূর্বে তোমার সাথে যেই মেয়ের লটর-পটর ছিল, সে এখন মেম্বার এর বউ; এটা আমি খুব ভালো করেই জানি। সে সময় তো তাঁকে বিয়ে করতে পারোনি, এখন ছেলের বিয়ে দিয়ে পুরনো গাড়ি নতুন করে চালু করার ধান্দাতে আছো। আমি বেঁচে থাকতে কস্মিনকালেও এই বিয়ে হবেনা- হবেনা- হবেনা, আমার সাফ সাফ কথা!
আম্মুর এমন বাচনভঙ্গিতে আব্বু যে বেলুনের মত চুপসে গেছে, সেটা না দেখেও বুঝতে পারতেছি। কেননা অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও আব্বু কোন কথাই বলছে না। এদিকে আমার বুকের ব্যথা বেড়েই চলছে, আহারে আমার সাধের ক্রাশ, তোকে বুঝি ঘরে তুলতে পারলাম না! অবশেষে আমিও বুঝে গেলাম, এ বিয়ে জিন্দেগিতেও হবে না। কেননা যে বাড়িতে বাস করতেছে আমাদের তিন পুরুষের ক্রাশ, সেখানে উত্তরসূরিদের মতন আমাকেও খেতে হবে বাঁশ ই বাঁশ!!
গল্পের বিষয়:
গল্প
loading...

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত