এ্যা হিডেন গ্যাং এগেইন্সট রেপ

এ্যা হিডেন গ্যাং এগেইন্সট রেপ
রক্ত মাখা রুমে ব্ল্যাক ব্যারি গ্যাং এর পাঁচ জনের অট্টহাসিতে দেশ যেনো আবারও স্বাধীন হলো।কারন হাঁসিটা বিজয়ের। হাত মুখ ধুয়ে ডায়েরীতে আজকের যুদ্ধ লিখা শুরু করলাম আমার কাজিন ইউসুফ।মেয়েদের প্রতি মন্দ দৃষ্টি।দৃষ্টি যেনো সবার উর্ধে মেয়েদের প্রতি।বয়স বোধ করি ২৮ হবে।কিশোরী কিংবা শিশু রেহাই নেই হায়নাটার হাত থেকে।হায়না বলারও কারন আছে।গত কাল প্রভাতে নিজের বোনের বয়সি একটা মেয়েকে তিনজন মিলে ছিড়ে খেয়েছে।রক্ত মাখা রুম।ছিড়া কাপড়।ঘাড়,মুখ,ঠোট,বুকে দাঁতের দাগ স্পষ্ট।রক্ত জমাট বেঁধেছে দাঁতের দাগে।দাঁতের নয় কলম্কের দাগ।এখনো শ্বাস নিচ্ছে।হাঁসপাতালে ভর্তি।
সমাজ নামক উন্মাদ মিডিয়ার ভীতিতে এবং লজ্জ্বায় বাবা মায়ের মুখ বন্ধ,বলতে পারছেনা কাউকে।বলেও লাভ নেই,ধর্ষকের শাস্তি মুখে কিংবা হাতে কলমের কয়েকটা পোস্টে।ধর্ষিতার অপমান হাঁটে ঘাটে। কাকাই হাসপাতাল থেকে ফিরে আসার পরই ঘটনা জানলাম।এলাকার মেয়ে হিসেবে কাকাই ভালোভাবেই চিনে।কাকাই বললো কাকাই:জসিমের মেয়ে নিরা ওর সাথে..
আমি:আরেহ.!!নিরা তো আমার কলেজের জুনিয়র।আমার সাথে ভালোই সম্পর্ক।আমার ফ্যামিলির সবাইকে মোটামুটি চিনে।ঘন্টা খানিক পর হাসপাতালে নিরাকে দেখতে গেলাম।নিরার মুখে আমার কাজিন ইউসুফকে আবিষ্কার করলাম হায়না হিসাবে।সাথে আরও দুই জন ছিলো রাফি আর রাহি দুই ভাই।কাকাই এর উপর নিরার দায়িত্ব অর্পন করে, হাসপাতাল প্রস্হান করলাম। ১ বছর ২ মাস মেয়াদী আমার “”ব্ল্যাক ব্যারি”” গ্যাং এর সবাইকে গ্রুপ মেসেজে ইমেডিয়েটলি মিট করতে বললাম।আমাদের গ্যাং এ ৫ জনের মাঝে ২ জন ছেলে। কথায় কাজে এক।সবাই আসলো।সিদ্ধান্ত হলো। আর সেই অনুযায়ী কাজ চলছে। ইউসুফকে নিয়ে স্পষ্ট ধারনা পেয়েছি।এবার মালিককে নিয়ে মালিকের ঘরে সিদ কাটবো।আমাদের গ্যাং এর প্ল্যানের অংশ হিসেবে আব্বু আম্মুকে বাসার বাহিরে পাঠিয়েছি।বাসায় শুধু আমার গ্যাং এর লোক।সবাই ধারালো অস্ত্র নিয়ে খেলা করছে।ইউসুফকে ফোন করলাম..
ইউসুফ:কিরে,এতদিন পর.?
আমি:বাসায় কেউ নেই,লনলি ফীল করছি।আসবি.?
ইউসুফ:বন্ধুদের সাথে আছি,সবাইকে নিয়ে আসবো.?
আমি:কতজন.?
ইউসুফ:বেশি না সিস,,মাত্র ২ জন আর আমি।
আমি:কাম ব্রো।
ইউসুফ:জাস্ট ওয়েট।
কথা শেষ হওয়ার ১৫ মিনিটের মাঝেই চলে আসলো।আমার গ্যাং এর সবাই আমার রুমে আত্মগোপন করলো।
আমি এদিকে ইউসুফ,রাফি আর রাহির সাথে কথা বলছি।ওদের কান আমার কথায়,কিন্তু কারোর দৃষ্টি স্হির নেই।আমিও ন্যাকামি করছি।কথায় কথায় তাদের গায়ে হাত দিচ্ছি। ইলেক্ট্রিক স্মোকিং পেন দিয়ে দুজন স্ট্রবেরি ফ্লেভার দিয়ে সুখটান দিচ্ছে।আর ইউসুফ সিগারে টান দিচ্ছে।ড্রিংকস হিসেবে বাংলা ক্যাপ্টেন এনেছে।গ্লাসে ঢেলে সার্ভ করবো বলে হাত থেকে ক্যাপ্টেনের বোতলটা নিলাম।কিছু ড্রাগসও যুক্ত করলাম।কারন আজ লড়াই সমানে সমানে হবে।আমি তো মেয়ে হুট করে আমার গায়ের জোর বৃদ্ধি করা সম্ভব না তাই ড্রাগস দিয়ে ওদেরকে দূর্বল করলাম।বেশ!! ঢোকের পর ঢোক দিয়ে পান করলো।
বাহ্..!!!তারা এখন নিজেদের মাঝে নেই..সবার দৃষ্টি আমার দিকে।মাতোয়ারা হয়ে উঠছে..।রাফি আর ইউসুফ তো আমার দুই হাত ধরেছে।তবে হাঁসি পাচ্ছে খুব।তারা নিজেরাও জানে না কতটা দূর্বল.!!নিকট হতে নিকটবর্তী হচ্ছে দু”জন।আমার ভয় নেই।বেটা রাহি এখনও ক্যাপ্টেন হাতে বসে আছে..। রাফি আর ইউসুফের থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে একটু দূরে গেলাম।কারন,তাদের নেশা এখন ড্রিংকসে নয়,আমার প্রতি। তিন জনই এবার আমার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। আমিও ঠোটের কোনে দুষ্টু একটা মুচকি হাঁসির রেখা টেনে আমার রুমে গেলাম।পিছন থেকে তাদের পদ ধ্বনি শোনা যাচ্ছে।এবার আমার রুমেই এসে গেলো!!বাহ্!এবার আমার রুমে লুকিয়ে থাকা গ্যাং স্টাররা নিজেদের খেলা দেখাবে। গ্যাং এর দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র আসিফ এবং তাহসান দুই জানোয়ার রাফি এবং রাহিকে চেয়ারে বসিয়ে হাত পা বেঁধে দিলো।
গ্যাং এর রিমা আর তিথি ইউসুফকে আপ্যায়ন করছে স্পেশাল কাঁচ ভাঙ্গায় সজ্বিত চেয়ারের উপর বসিয়ে।
এবার হিসাব মিলাবো প্রথমত, জসিম আম্কেলের মেয়ে নিরার ছিড়া কাপড় এর শোধ।আমার হাতে ব্লেড।গলার নিচ থেকে শুরু করে নাভি পর্যন্ত একটানে আলতো ভাবে টি-শার্ট কেটে খুলে নিলাম।চিৎকার দেওয়ার সময় মুখে শুটকি মাছ গুঁজে দিলাম।বুকে যেনো পোস্টমর্টেম এর চিহ্ন।রক্ত ঝরছে।রক্তে দুই হাত মেখে নিলাম,ঘ্রান নিচ্ছি..আ—হ!!ধন্য আমার দেখা দেখি গ্যাং এর নক্ষত্রদ্বয় রাফি আর রাহিকেও এমন করছে। হায়নার মতো ঘাড়ে,মুখে,বুকে কামড় আমি দিবো না।মুসলিম হিসেবে শুকর খাওয়া তো পরে ছুঁইও নি,আর এরা তো এরচেয়ে নিকৃষ্ট এদের শরীরে আমার মুখ.??কি আর করার.!স্টাপলার দিয়ে এই পশুটার চামড়া টেনে পিন বসিয়ে দিলাম।পিনের শব্দটা বেশ মনোমুগ্ধকর।শুটকি মাছগুলো কাঠি দিয়ে ফেলে দিলাম।কারন!!আমি এখন হাহাকার,আর্তনাদ শুনবো। বেচারা কান্না করছে!! কি অদ্ভুত আনন্দ আমার ভিতরটাকে নাড়া দিচ্ছে বলে বুঝাতে পারবো না।ইচ্ছে করছে তিন জানেয়ারের কান্নার শব্দের সাথে একটু গিটারে সুর তুলতে। কথায় কাজে এক।গিটার নিলাম।
একটু পর পর রিমা আর তিথি ওদের ক্ষতের উপর হেক্সিসল ছিটাচ্ছে আর ওরা একেকবার একেক সুরে চিৎকার করছে।তবে সুর ভিন্ন হলেও গান একটাই..””ছেড়ে দে প্লিজ, প্লিজ প্লিজ ছেড়ে দে””। এ যেনো বাংলা ইংরেজীর সংমিশ্রনে বাংলিশ গান পরিবেশন করছে।আমিও পায়ের উপর পা তুলে গিটারে ছন্দ সৃষ্টি করছি।তারপর ওদের বিশেষ অঙ্গে ইলেক্ট্রিক শক দিয়েছি প্রিয় দুই গ্যাং স্টারের মাধ্যমে। এ..একি.?এদের তো জ্ঞান নেই। এরা এখন দূর্বল তা বুঝলাম কিন্তু এতোটা দূর্বল.!!!আমি তো এদের সাথে জ্ঞান ফিরলেই খেলবো। স্যান্ডেল খুলে গালের মধ্যে কয়েকটা দেওয়ার পর নবজাতকের মতো একটু একটু করে দেখছে।ওদেরকে স্বর্গে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।কিন্তু রিমা বললো,
রিমা:না।স্বর্গ নরক প্রয়োজন নেই।ধর্ষিতা যে অপবাদ নিয়ে বেঁচে থাকে, ধর্ষককে কেউ অপবাদ দিবে না। তাই এমন কিছু করতে হবে যেনো মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কষ্ট পায়।
আসিফ:বেশ,তাই হবে।
তাহসান:তাহলে এবার কি করার.?
তিথি:আরে চোখ আর কান উপড়ে ফেললে মন্দ হবে না..।অন্ধ হয়ে দৃষ্টিটাকে একটু স্হির করতে দে।
আসিফ:আগে একটু কাটা কুটি করি!!তারপর সব আসিফ ৬০ টা আঙ্গুল কেটে নিলো।কি করবো এত আঙ্গুল.?কয়েকটা আঙ্গুল গ্লু স্টিক থেকে উত্তপ্ত গ্লু দিয়ে জোড়া লাগানোর বৃথা চেষ্টা করলো তাহসান।চোখগুলো নষ্ট করা হলো।আবারও চিৎকার।এবার আর গিটার নিলাম না,খালি গলায় গান ধরলাম পাঁচজন স্টার। ঘাড়,বুকে বসিয়ে দেওয়া পিনগুলো একটানে খুলে নিলাম।রক্তের ঝর্না প্রবাহিত হচ্ছে।তবে তিন জনের এত কম রক্ত আমার রক্ত স্নানের জন্য যথেষ্ট নয়।রক্তে রুমটা কিছুটা মাখা মাখি।৬ টি চোখ সযত্নে নির্মমতার সহিত নষ্ট করা হলো।আসিফ আর তাহসান ব্লেড নিয়ে এসেছে।আমরা সবাই বুঝলাম, বাঁদর দুইটা ইউসুফ,রাফি আর রাহিকে আবারও খতনা করাবে।তাই হোক।
কথার আগেই কাজ..।আসিফ খতনা করাচ্ছে আস্তে আস্তে। উপর থেকে তাহসান হেক্সিসল ঢালছে..কি মৃদুস্বরে চিৎকার।চিৎকারের সাথে তাল মিলিয়ে একটু নাচতে ইচ্ছা করছে।কারন ভগ্নস্বরে,নগ্ন শরীরে কি গানটাই না তারা পরিবেশন করছে!!স্হির থাকা কষ্টকর,নাচতেই হবে।ইউসুফের গায়ের উপর পারা দিয়েই নাচা শুরু করলাম।ঐ রাফি আর রাহি দুইটাও রেহায় পায় নি।তিথি আর রিমা তো আছেই।এবার তাদের গলার স্বর ক্ষীণ হয়ে আসছে,তাদের যেনো আর চিৎকার দেয়ার শক্তি নেই। আমারও খুব টায়ার্ড লাগছে।খেলায় মন বসছে না।আসিফ আর তাহসানের উপর ছেড়ে দিলাম তিনটাকে। আসিফ তাহসান দুজনে টেনে হিচড়ে ঐ তিনটাকে হাসপাতালের চেয়ে একটু দূরে ছেড়ে এসেছিলো।এই ভোর রাতে নিশাচর বলতে আমরা পাঁচজনই।
প্রভাতে শুনা হবে,ইউসুফ,রাফি, রাহি এখনো কি আছে নাকি সত্যিই উপরে। আসিফ আর তাহসান ফিরে আসলো।অট্টহাসিতে আকাশ বাতাস মুখরিত। দেশের এই অন্ঞ্চলটা আবারও স্বাধীন হলো। তবে দেশের অন্য সব অন্ঞ্চল এখনো পরাধীন।একজন মেয়ে হিসেবে আমার অন্ঞ্চলের দায়িত্ব না হয় আমি নিলাম।আপনার অন্ঞ্চলের দায়িত্ব আপনি নিতে পারেন বা না পারেন,একটা স্ট্রং গ্যাং গঠন করে দিন।আপনার অন্ঞ্চলও স্বাধীন হবে।নারীরা হাঁসবে,বাঁচবে।
গল্পের বিষয়:
গল্প
loading...

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত