মাম্মাম

মাম্মাম
আমার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম, “স্ত্রীর স্মৃতি ও তাঁর রেখে যাওয়া একমাত্র সন্তান চার বছরের আরাফ কে নিয়েই বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিব, আর দ্বিতীয় বিয়ে করব না!” তবে বাঁধ সাধলো আমার একমাত্র আদরের ছেলে আরাফ ই। কেননা ওর মায়ের মৃত্যুর পর থেকেই মায়ের শূণ্যতা ও ভালোবাসার অনুভব করছিল। আমি যতই আদর ভালোবাসা দেই না কেন, ওই বারংবার কান্না করে বলতে ছিল:
— বাবাই আমি মাম্মাম এর কাছে যাব, আমাকে মাম্মার কাছে নিয়ে চল! ওকে যতবারই বুঝাই তোমার মাম্মা আর কখনোই ফিরে আসবে না। সে ঐ দূর আকাশে তারার দেশে লুকিয়ে আছে। এতটুকু বাচ্চা এসব লুকোচুরি ও ছলচাতুরীর কিই বা বোঝে। সেজন্যই আরাফ আমার কথা শুনে বলল,
— তবে তুমি মাম্মা কে তারার দেশ থেকে খুঁজে নিয়ে এসো।
— বাবা তোমার মাম্মা আমাদের সাথে রাগ করে চলে গেছে। সেজন্যই আর ফিরে আসবে না।
— তাহলে এককাজ করি চল আমরা ই মাম্মাম এর কাছে যাই।
ছোট্ট আরাফের এ কথার জবাব আমি দিতে পারি নি, শুধু তাঁকে জড়িয়ে ধরে কান্না করা ছাড়া। তবে আরাফের একই কথা, মাম্মার কাছে যাবে ওর এই মাম্মামের জন্য পাগলপনা দেখে বাব- মা সহ আত্মীয় স্বজন সবাই ধরলো দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য, কিন্তু আমি মোটেও এর পক্ষে নই। কেননা এমন অসংখ্য ঘটনা আমার জানা, যেখানে আগের স্ত্রীর সন্তান পরের স্ত্রীর কাছে শুধু সতীনের সন্তান নয় বরং গলায় মাছের কাঁটার মতন বিঁধে থাকে। আর যতক্ষণ পর্যন্ত এ কাঁটা সরাতে না পারবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর চোখের ঘুম ও নাওয়া খাওয়া হারাম হয়ে থাকে। সেজন্য আমিও চাচ্ছিলাম না বিয়ে করতে কিন্তু ছেলের ঐ মাম্মা চাওয়ার বায়না ও অন্য সকলের অনুরোধে নিমরাজি হলাম।
এখন কথা হল, একেতো আমি বিপত্নীক তার ওপর ৪ বছরের বাচ্চা আছে, সেজন্য বিয়ের বাজারে মেয়ে পাওয়া দুঃসাধ্য। তারপরও খড়ের গাঁদায় সুচ খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে একটা মেয়ে পেয়েছিলাম কিন্তু বিয়ে ভেঙ্গে গেল। কারণ তাকে দেখেই আরাফ বলে উঠেছিল, “বাবাই এটা আমার মাম্মাম নয়। আমার মাম্মা কত সুন্দর আর উনিতো!”
বাকিটা বলার আগেই আমি আরাফের মুখে হাত চাপা দিলাম। কেননা একথা শুনে তাদের কিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে, সেটা ভেবেই আমি ঢোক গিললাম। তবে আমার ঢোক গিলাতে প্রতিক্রিয়া আটকে রইলো না, কেননা তাঁরা যেটুকু শুনছে সেটুকুতেই তাদের সবার চোখ বড় হয়ে গেল। অবশেষে তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদায় নিয়েছিলাম।
অতঃপর সবাই উঠেপড়ে লাগলো সুন্দরী মেয়ের জন্য কিন্তু পাওয়া এত সহজ নয়। অবশেষে এক গরিব পিতার মেয়ে পেলাম কিন্তু বিধিবাম সেটাও আরাফের মাম্মাম হিসেবে নির্বাচিত হল না। তখন বাকিরা বলল,
— এটাই তোমার মাম্মাম, দেখনা কত সুন্দর? কিন্তু আরাফ সবাইকে অবাক করে দিয়ে বলল,
— তোমরা আমাকে বোকা পেয়েছ, আমার মাম্মামকে আমি খুব ভালো করেই চিনি। মাম্মাম দেখতে আরও সুন্দর এবং ঠোঁটের উপর একটা তিল আছে কিন্তু উনার তো নেই! সবাই এমন কথাতে আহত হলেও আমি মনে মনে খুশি, কেননা আমার প্রথম স্ত্রীর মতন কাউকে খুঁজেও পাবে না আর আমাকেও সেকেন্ড ম্যারেজ করতে হবে না! তাছাড়াও এভাবে আরও কিছু দিন গেলে হয়তো আরাফও তার মাম্মাকে ভুলে যাবে।
সেজন্য আমি কিছুটা আশার আলো দেখতে পেলাম। অন্যদিকে আরাফ যদি মাম্মাম কে এনে দাও বলে কাঁদতো, তখন ওকেও বুঝ দেয়া যেত এটা বলে যে- “তোমার মাম্মাম কে সবাই মিলে খোঁজা হচ্ছে, আকাশে অনেক তারাতো সেজন্যই দেরি হচ্ছে। আর যাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে তাঁদের কাছ থেকে দেখলে তো বোঝা যাচ্ছে সেটা তোমার মাম্মাম নয়।” ব্যাস এভাবেই সময় পার হচ্ছিল। আরাফের মন ভালো রাখার জন্য নিত্য নতুন খেলনা কিনে দিতাম। বিকেলে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতাম। বিশেষ করে রেগুলার পার্কে নেয়া, সন্ধ্যার পর ফাস্ট ফুড খেতে যাওয়া সহ নানান জায়গায় ঘুরতে নেয়া। আর যখন আমি অফিসে থাকতাম তখন আমার আব্বু আম্মু আরাফকে প্রচুর সময় দিত, আর কাজের মেয়ে শান্তিও অনেক বেশি দেখভাল করতো। তাছাড়াও ল্যাপটপের হার্ড ডিস্ক বিভিন্ন কার্টুন দিয়ে ভরে রাখছিলাম।
যাহোক কিছুদিন আগে আমি বিশেষ কাজে দুদিনের জন্য প্যারিস গেছিলাম। ওখান থেকে রাতের ফ্লাইটে ফিরেই বাসায় এসে দেখি আরাফের মন খারাপ আর তার মাম্মামকে কেন বাসায় নিয়ে আসা হল না, সেটা বলে কান্না করছে। আরাফের এমন বিহেভ দেখে আব্বুকে জিগ্যেস করতেই জানালো, “আজ সন্ধ্যায় পার্কে খেলতে নিয়ে যাওয়ার পর একটি ২৫/২৬ বছরের মেয়েকে দেখে মাম্মাম, মাম্মাম বলে জড়িয়ে ধরছিল। তারপর সে কেন তারার দেশে গেছে, কেন তার কাছে আসে না সহ নানান অভিযোগ করে!” এসব শুনে যখন মেয়েটা বোকার মতো ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে ছিল, তখন আব্বু এগিয়ে যেয়ে বিস্তারিত বললে সে ব্যাপারটা বুঝতে পারে। অবশেষে মেয়েটা আরাফকে অনেক আদর দিয়ে, তার সাথে নিয়ে আসা অন্য একটি আরাফের সমবয়সি মেয়ের সাথে বাসায় চলে যায়। তারপর থেকেই আরাফের কান্না শুরু। সে মাম্মামের কাছে যাবে, নয় তাঁর মাম্মামকে বাসায় নিয়ে এসো!
এখন কথা হল, সে নিশ্চয়ই বিবাহিত আর একজন বিবাহিত মেয়েকে তো বিয়ে করা যায় না। তাছাড়া সে কি করে, কোথায় থাকে, কোন কিছুই আব্বু জেনে আসে নি। আরাফের সাথে আম্মু গেলে হয়তো তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারত। আর আরাফ যখন মন খারাপ করত তখন সেখান থেকে ঘুরিয়ে নেয়া আসা যেত। এতে কিছুটা হলেও মায়ের অভাব পূরণ করা সম্ভব হতো। তবে এখন নিরুপায় হয়ে বসে থাকা ছাড়াতো কিছুই করার নেই। এদিকে ছেলের কান্না ও মায়ের জন্য ছটফটানি দেখে আমিও ভিতরে ভিতরে অনেকটা ভেঙে পড়লাম। তাঁকে আদর ও বিভিন্ন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েও থামানো যাচ্ছে না। এরপর আব্বু আগামী দুই সপ্তাহের মতন পার্কের গেটে সকাল সন্ধ্যা অপেক্ষা করেও সেই মেয়ে ও তার আম্মুর দেখা পেল না। এই মুহূর্তে ছেলের জন্য কিইবা করতে পারি? অবশেষে আরাফকে প্রচুর সময় ও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ঘুরতে অফিস থেকে ১০ দিনের ছুটি নিলাম।
ছুটির দ্বিতীয় দিন বিকেলে বসের দেয়া ইমারজেন্সি মেইলের ওপর কাজ করতে ল্যাপটপ নিয়ে ড্রয়িং রুমে বসে আছি, সেজন্য আজ আরাফ কে নিয়ে আব্বু-আম্মু দুজনেই পার্কে গেলেন। তবে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই কলিং বেল বেজে উঠলো, তখন শান্তি যেয়ে দরজা খুলে দিল। আমি ভাবলাম হয়তো শান্তির কাছেই কেউ এসেছে, তবে তৎক্ষণাৎ আরাফের উচ্চ বাক্য শুনতে পেলাম- “বাবাই বাবাই দেখ মাম্মাম এসেছে!” ওর কথা শুনে দরজার দিকে চোখ তুলে তাকাতেই আমার হার্টবিট মিস হয়ে গেল। সত্যিই তো আমার প্রথম স্ত্রী অনিমা দাঁড়িয়ে আছে, এটা কি করে সম্ভব! তবে আরও অবাক হয়ে গেলাম, মেয়েটি যখন আমাকে ডেকে বললো:
— প্রান্ত ভাইয়া কেমন আছেন, আমাকে চিনতে পারছেন? আমি কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর শেষ ধাপে অবস্থান করে, মাথা নাড়িয়ে না সূচক জানান দিলাম। তখন ওই আরও একটু উত্তেজিত হয়ে বলল,
— ভাইয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ফাস্ট ব্যাচ ২০১২…….
মেয়েটি হয়তো আরও কিছু বলে যাচ্ছে কিন্তু আমার মস্তিষ্ক আমাকে আজ থেকে ৮ বছর আগে নিয়ে গেল ২০১২ সালে। তখন আমি ফাইনাল ইয়ারে আর ফাস্ট ইয়ারে ভর্তি হয়ে আসে ভার্সিটির টপ সুন্দরী তিথি। পুরো ঢাবি তিথির জন্য দিওয়ানা কিন্তু ওই আমার মধ্যে কি দেখলো জানি না, তবে পুরো ক্যাম্পাস জেনে গেল তিথি প্রান্তর দিওয়ানা। যদিও আমি তিথিকে বারবার বুঝাচ্ছিলাম, আমার বিয়ের জন্য পারিবারিকভাবেই পাত্রী ঠিক করা আছে, সেজন্য কখনোই তাঁকে মেনে নেয়া সম্ভব নয়। কিন্তু তিথির একই কথা, সময়ই বলে দিবে “কে কার বউ হয়!”
দিনদিন তিথি একটু বেশিই ডেয়ারিং হয়ে ওঠে, যা কল্পনার বাহিরে। কেননা সে ডিন স্যার পর্যন্ত কমপ্লেইন করে যে, আমার জন্য তার লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে সেজন্য তাঁকে যেন পর্যাপ্ত সময় দেই, এক্সট্রা কেয়ার নেই। আম্ এসবের জন্য ভার্সিটিতে ক্লাস করা বন্ধ করে দেই, এরপর শুধু ফাইনাল এক্সাম দিতে আসি। তারপর ওর আর কোন দেখা পাইনি, হয়তো অভিমান নয়তো ক্ষোভের জন্য আমার পিছু নেয় নি। তবে যাইহোক এখন কথা হল….
— বাবাই তুমি চুপ করে আছ কেন, বাবাই ও বাবাই?
আরাফের ডাক ও হাতের স্পর্শে সম্বিত ফিরে পেলাম, তবে এখনও ঘোর কাটে নি। এত বছর পর তিথির এভাবে আগমনের হিসেব মিলাতে হিমশিম খাচ্ছি। তাছাড়াও আগের তিথির বেশভূষা আর এখনকার তিথির ভিতর আকাশ পাতাল পার্থক্য। বিশেষ করে চুলের স্টাইল, পোশাক আশাক ভীষন বদল। আগে ছিলো একদম মর্ডান আর এখনকার তিথি অনেকটাই আমার বিগত স্ত্রীর মতন চলা ফেরা। যাহোক আরাফকে জড়িয়ে ধরেই বললাম,
— অনেকদিন পর তোমার মাম্মাম ফিরে এসেছে তো, সেজন্য বাবাই অভিমান করে কথা বলবে না। এটা শুনে আরাফ আমার থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে তিথির কাছে যেয়ে ওর হাত ধরে টেনে আমার পাশে বসিয়ে বলল,
— মাম্মাম তুমি বাবাই কে আদর করে রাগ ভাঙ্গিয়ে দাও, বাবাই চুপ থাকলে আমার একটুও ভালো লাগে না।
আমার ছোট্ট কথায় এত বড় কান্ড ঘটে যাবে ভাবতেই পারিনি। তাহলে কি আর এমন কথা বেঁচে থাকতে বলি। যাহোক এই পরিস্থিতি থেকে আম্মুই উদ্ধার করলো, তিনি আরাফ কে বলল,
— দাদু ভাই বাহির থেকে এসে আগে কি করতে হয়?
— দিদাই হাতমুখ ধুতে হয়।
— তাহলে চল ওয়াশরুমে?
— ওকে দিদা। আর মাম্মাম তুমি কিন্তু আর কোথ্থাও যাবে না।
— ওকে মাম্মাম! আব্বু- আম্মু, আরাফকে নিয়ে চলে যেতেই আমি তিথিকে উদ্দেশ্য করে বললাম,
— স্যরি তিথি, আমার মা মরা ছেলেটার জন্য তোমাকে এমন হ্যারাস হওয়া লাগলো। হাউএভার তোমার বাসা কি আশেপাশে কোথাও ই?
— না ভাইয়া, এখানে তো আপুর বাসা।
— ওহ আচ্ছা, তারপর বল তোমার বর কি করেন আর তোমার মেয়ের বয়স কত যেন?
— হা হা হা
— কি ব্যাপার হাসছ কেন? আব্বু তো বললেন তোমার সাথে সেদিন তিথি আমার কথা কেড়ে নিয়ে বলল,
— আপুর মেয়ে রিধি, এবার প্লেতে পড়ছে।
— ওহ আই সি! এগেইন স্যরি, তাহলে তুমি এবারও আমার কথা শেষ হওয়ার আগেই তিথি টেনে নিয়ে শেষ করলো,
— প্রান্ত ভাইয়া, আ‘ম স্টিল নাউ লাভ মাই পাসড…..
যাহোক তারপর তিথির নিকট থেকে জানতে পারলাম, ওই অনার্স কমপ্লিট করে স্কলার নিয়ে দেশের বাহিরে চলে গেছিল। সেখানেই জব খুঁজে নিয়েছে কারণ জীবনে বিয়ে এবং দেশে আসা দুটোই তার জন্য উপহাস। অতঃপর জানতে পারে আমার স্ত্রী বিয়োগের কথা। তখনই ও টিকিট কেটে দেশে ব্যাক করে এবং কাকতালীয় ভাবে আমার স্ত্রীর চেহারার সাথে অনেকটা মিল থাকাতে এত কিছু ঘটে যায়। আরাফের সাথে প্রথম বার দেখা হবার পর থেকেই ওই নতুন করে স্বপ্ন দেখে কিন্তু সেই রাতেই তিথির মায়ের হার্টে সমস্যাজনিত কারণে মারা যান। তখন ওরা সবাই মিলে গ্রামের বাড়ি চলে যায়। তারপর আজ দুপুরেই ঢাকা ব্যাক করে আরাফের খোঁজে পার্কের দারোয়ানকে জিগ্যেস করে, কেননা বাসায় আসতে নাকি সাহসে কুলায় নি। যাহোক ঠিক তখনই আরাফ পার্কে ঢুকতে যেয়ে তিথিকে দেখে জড়িয়ে ধরে এবং বাসায় নিয়ে আসে। তবে একটা কথা আমার মাথার উপর দিয়ে গেল, তিথি কি করে জানলো আমার স্ত্রী মারা গেছে বা এই ফ্ল্যাটে আমরা থাকি? প্রশ্নটা মনের মধ্যে কিলবিল করলেও মুখে উচ্চারণ করার সাহস হয়ে উঠলো না। তাছাড়া যে মেয়ে সেই ভার্সিটি লাইফ থেকে আমার পিছু নিয়েছে, তারপক্ষে নিশ্চয়ই এসব খবর রাখা কোন ব্যাপার না।
দুই বছর পর:-
— আরাফ বাবাই আমার, বিলিভ মী! তোমার স্কুলের এই হোম ওয়ার্ক আমি করিনি, তোমার মাম্মাম করেছে।
— বাবাই একদম মিথ্যা কথা বলবা না, আমি তোমার ও মাম্মাম দুজনের আঁকিঝুকি কেমন সেটা জানি। তুমি এসব কি আর্ট করে দিয়েছ, ম্যামের বকা খেয়ে আমার নাক কান গরম হয়ে আছে। তুমি আবার মাম্মার নামে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছ, দাঁড়াও মাম্মাকে এখনই সব বলছি…..
একথা বলেই আরাফ দৌড়ে কিচেনে ঢুকলো আর আমি বেডরুমে বসে মা ছেলের কথার অংশ বিশেষ শুনেই বুঝতে পারলাম আজ দমকা হাওয়ায় সহ শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আইমিন দশ নাম্বার বিপদ সংকেত, সেজন্য আস্তে করে দরজা খুলে কেটে পড়লাম আর মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম, বিচ্ছুটা না ঘুমানো অবধি বাসায় ঢুকাতো দূরের কথা আশেপাশেও আসা যাবে না!!
গল্পের বিষয়:
গল্প
loading...

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত