বদরুদ্দিনের রিক্সা

বদরুদ্দিনের রিক্সা
বদরউদ্দিন বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি গ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছে বেশ কয়েকবছর আগে। শুরুতে গার্মেন্টস কর্মী হিসেবে কাজ করতো। তারপর বেতন নিয়ে বনিবনার কারণে সেই গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন। আন্দোলনে নেতৃত্ব যারা দিয়েছিলেন। তারা সবাই চাকুরীচ্যুত হয়েছেন কিছুদিন আগে। ঢাকার এক বস্তির এককোণে তার খুপরির মত ঘর। একা মানুষ। সাথে থাকে একটা টিয়াপাখি আর একটা কুকুর। কুকুরটা তার বাড়ি ছেড়ে যায় না কোথাও। বদরুদ্দিনের অনুপস্থিতিতে সে এই বাড়ি রক্ষক বলা চলে। বদরুদ্দিন নতুন কাজ খুঁজতে ব্যস্ত কিছুদিন যাবত। মহিলা হলে মানুষের বাসায় কাজ করা যেতো। এই ভাবনাও তার মাথায় আসে। আবার চলে যায়। রাতবিরেত একটা সামান্য বেতনের হলেও চাকরি খোঁজে সে। গলির মুদি দোকানে অনেক টাকা বাকি পড়েছে তার।
হঠাৎ একদিন রাতে সে কাজ খুঁজতে খুঁজতে ব্যর্থ হয়ে বাড়ি ফিরছিলো। নির্জন জনমানবহীন রাস্তা। পাশে ল্যাম্পপোস্ট জ্বলছে। ল্যাম্পপোস্টের গোড়ায় একটা পাগল বসে বসে বিড় বিড় করে বলছে, ”পাপীর ঠাঁই,পৃথিবীতে নাই।” সে ভ্রুক্ষেপহীন দৃষ্টিতে হেঁটে চলছে। এমন সময় সে দেখতে পেলো পুরোনো রংচঙ নেই এমন ভাঙ্গা একটা রিক্সা। কোনো শিকল দিয়ে বাঁধা নেই অথবা কোনো ধরনোর তালার ব্যবহারও নেই। বদরুদ্দিন মনে মনে ভাবে, অভাবে স্বভাব নষ্ট করলে দোষ হয় না। তাই সে চারদিকে তাকিয়ে রিক্সার চালকের আসনে চেপে বসে। দ্রুত চালিয়ে তার গলিতে চলে আসে।
রাতের মধ্যেই গলির সবচেয়ে ভালো এবং দক্ষ গ্যারেজ থেকে রিক্সাটা মেরামতের কাজ সম্পন্ন করে। গ্যারেজ অনেক রাত পর্যন্ত খোলা থাকে। কত ধরনের নষ্ট সাইকেল, বাইক, রিক্সা, অটোর জঞ্জাল! বদরুদ্দিনের রিক্সার তেমন কাজ করতে হবে না, শুধু যাত্রী বসার আসনটা ভাঙ্গা। গ্যারাজের মালিক ওর পুরোনো চায়ের আড্ডার বন্ধু। তাই ওকে আগেভাগে বিদায় করে এবং ওর আকুতি মিনতি শুনে টাকা পরিশোধ করার জন্য একমাস সময় দেয়। তারপর রাতে বাসায় ফিরে ওর কুকুরটাকে জড়িয়ে ধরে বলে, ”দেখ কি পাইছি আমি! আইজ থেকে আর খিদা পেটে থাহন লাগবে না আমাগো।” কুকুরটা কু কু শব্দ করে হয়তো বদরের কথায় একমত পোষণ করে। তারপর বদরউদ্দিন কুকুরটাকে কোলে নিয়ে রিক্সার যাত্রীর আসনে বসিয়ে বলে, ”চল আইজ তোরে ঢাকার শহর ঘুরাইয়া আনুম।”
যেই বলা সেই কাজ। বদরুদ্দিন চালানো শুরু করে। কিছুক্ষণ পরে কুকুরটা ঠিকঠাক আছে কি না দেখার জন্য পিছনে তাকায়৷ মনে হচ্ছিলো তাকে কেউ তাকানোর জন্য বাধ্য করছে। তাকাতেই বদরুদ্দিন ভয়ে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত অবস্থায় পড়ে যায়। কারণ বদরুদ্দিনের পিছনে ফিরে তাকাতেই কুকুরটার বিভৎস রকমের মৃত্যু হয়। চারদিক থেকে পা চারটে ছিড়ে আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। কলকল করে রক্তের আর নাড়িভুড়ির দলা বের হতে শুরু করে। মনে হচ্ছে কুকুরের শরীরটা কেউ নিংড়িয়ে রক্ত বের করছে। বদরুদ্দিন রিক্সা থেকে নেমে বমি করে দেয়। তারপর বিভৎসতা শেষ হলে কান্নাকাটি করতে করতে একটা কাগজ দিয়ে কুকুরের লাশটা একটা ঝোপের মধ্যে ফেলে দেয়। তারপর ভুতের উপদ্রব ভেবে বদরুদ্দিন তাড়াতাড়ি রিক্সা নিয়ে বাসায় চলে যায়। কিন্তু বাসায় গিয়ে রিক্সার গায়ে রক্তের ছিটেফোঁটা খুঁজে পায় না সে।
একটা বেড়াল লাফ দিয়ে তার খুপরির ভিতর ঢুকলো দেখে দৌড়ে যে করেই হোক বেড়ালটাকে পাকড়াও করলো। তারপর বেড়ালটাকে গামছার একটা পাশ ছিড়ে ভালো করে বাঁধলো। বেঁধে রিক্সার যাত্রীর আসনে রেখে দিলো। তারপর বদরুদ্দিন চালকের আসনে বসে একটুখানি এগিয়ে যেতেই আবার তার মনে হলো তাকে পিছনে তাকাতে কেউ বাধ্য করছে। সে পিছনে তাকাতেই বিড়ালটার সাথেও ঠিক একই ঘটনা ঘটলো যা ঘটেছিলো কুকুরটার সাথে।
তারপর বদরুদ্দিন বুঝতে পারলো যে এই রিক্সা এক রক্তপিপাসু রিক্সা। এবং চালকের আসনে বসে কেউ যাত্রীর দিকে তাকালেই এর কার্যক্রম শুরু হয়। বদরুদ্দিন বিড়ালের লাশটা ফেলে দিয়ে বাসায় চলে যায়। প্রচন্ড ভয় আর অগণিত ইচ্ছা তার মনে উঁকি দিচ্ছে। ভয়ে ভয়ে বদরুদ্দিন ঘুমিয়ে পড়লো। পরেরদিন সকাল সকাল বদরুদ্দিন ঘুম থেকে উঠে গেলো। সে আজ তার বহুদিনের প্রতিশোধ নেবে। বদরুদ্দিন তার কাজ করা সেই পুরোনো গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির সামনে গিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো। একটা টোকাই ধরে তরতাজা দশ টাকার লোভ দেখিয়ে বলে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির মালিকের গাড়ির চাকার হাওয়া বের করে দিতে। ছেলেটা নির্বিঘ্নে কাজটা করে ওর কাছে এসে টাকা চাইতেই ও ধমক দিয়ে পাঠিয়ে দেয়।
তারপর ফ্যাক্টরির সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে গামছা দিয়ে কপাল মুছতে মুছতে অপেক্ষা করতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যে ফ্যাক্টরির মালিক বের হলো। গাড়ি চালু করতেই দেখলো চাকায় হাওয়া নেই। বাজেভাবে গালাগালি করতে করতে গাড়ি থেকে বের হয়ে এলো। তারপর রিক্সাওয়ালা ডাকতে বললো। চোখ আওড়াতেই বদরুদ্দিনকে পেয়ে গিয়ে ওকে ডেকে নেয়। বদরুদ্দিনের রিক্সায় চেপে বসে ওর সবচেয়ে বড় শত্রু। রিক্সায় বসার পরে বদরুদ্দিন বললো, ”স্যার, ও স্যার! শেষবেলায় গালাগালি না করলে পারতেন না?” ফ্যাক্টরির মালিক রেগেমেগে বললো, “শেষবেলায় মানে? শেষবেলা মানে কি কুত্তার বাচ্চা? তুই আমারে চিনস?” বদরুদ্দিন শান্তস্বরে বললো, ”হয়, আমি আপনারে চিনি স্যার। আপনার গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি আছে চাইরটা। আপনারে আরো চিনি। আপনে চাইরা ফ্যাক্টরির চাইরজন কর্মীরেও ঠিকমত বেতন দেন কি না কেউ জানে না।” ফ্যাক্টরির মালিক আরো রেগে গিয়ে বলে, ”ছোটলোকের বাচ্চা! তোর এত বড় সাহস। তুই কে? তুই রিক্সা থামা। তারপর তোরে আগামী কিছুক্ষণের মধ্যে জেলে না ঢুকালে আমি মানুষের জন্মে না।”
বদরুদ্দিন নরমভাবে বললো, ”আমি কে? সুন্দর প্রশ্ন করেছেন। আমি বদরুদ্দিন। আপনার ফ্যাক্টরিতে কাজ করা এক শ্রমিক। যে বেতনের টাকা না পাওয়ায় তার বউরে ডাক্তার দেখাইতে না পাইরা অকালে পরপারে পাঠাইয়া দিছে।” ফ্যাক্টরির মালিক লক্ষ করলো রিক্সা অনেক জোরে জোরে ছুটে চলছে। তাই বললো, “শালার পুত! তুই আমার কামলা ছিলি? তোর বউ মরছে তাতে আমার কি? হায়াত শেষ মরছে। তুই রিক্সা থামা। আমার বাসা পাড় করে আসছি।” বদরুদ্দিন দেখলো সে একটা নির্জন জায়গায় চলে এসেছে। তাই বললো, “স্যার, ও স্যার! আমি আপনার এত সুন্দর মুখটার দিকে একবার তাকাতে চাই। দেখেন আমি তাকাতে না চাইলেও আমার মাথা কে জানি ঘুরাইয়া দিতেছে আপনার দিকে।” ফ্যাক্টরির মালিক কিছু বলার আগেই তার হাত পা মাথা শরীর থেকে আলাদা হয়ে গেলো। এবং সব যেন নিংড়ে রক্ত বের হয়ে রিক্সার গায়ে মেখে গেলো। বদরুদ্দিন পরিস্থিতি সামলে আস্তে ধীরে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ফেলে দিলো নর্দমায়।
একটা জিনিস ফেললো না। একটা ব্যাগ। ব্যাগ খুলে দেখলো প্রচুর হাজার টাকার নোট। বদরুদ্দিনের চোখ মুখ হাসিতে ভরে উঠলো। আবার তার বউয়ের জন্য মন খারাপ হলো। সেদিন এই টাকাগুলো পেলে বউকে হয়তো বাঁচাতেও পারতো। সেদিন বিকেলেই তার গ্যারেজের এবং মুদি দোকানের সব টাকা মিটিয়ে দিলো পাশাপাশি একজন সনামধন্য চিত্রশিল্পীর কাছে গিয়ে রিক্সাটা সুন্দরভাবে রংচং করিয়ে নিলো। সবশেষে বললো, “স্যার, ও স্যার! পিছনে বড় বড় অক্ষরে লিখে দেন ‘বদরুদ্দিনের রিক্সা'” অগত্যা সে লিখে দিলো। নতুন সাজে রিক্সা পথে নামলো পরেরদিন। তারপর সে দেখেশুনে কাছাকাছি চেকপোস্টের কাছে চলে গেলো। চেক পোস্টে ওকে ধরা হলো। একজন সাধারণ পুলিশ ওকে ধরে নিয়ে দারোগার কাছে নিয়ে গেলো।
দারোগা ওকে নিয়ে ওর রিক্সার কাছে আসলো। রিক্সার গায়ে কয়েকটা লাঠি দিয়ে আঘাত করে আর জিগ্যেস করে,
“কি রে! রিক্সা দেখি নতুন। সিটি করপোরেশনের মধ্যে রিক্সা চালাতে অনুমতি লাগে জানস?” বদরুদ্দিন কাচুমাচু করতে করতে বললো, “জ্বে স্যার, জানি। তয় আমি নতুন ড্রাইভার।’ দারোগা ওকে একটা পিটান দিয়ে বললো, ” শালা! নতুনের জন্য নিয়ম ভিন্ন? কোথাও লেখা আছে?” বদরুদ্দিন একটু নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে বললো, “স্যার ও স্যার‌! আপনে আমার রিক্সায় উইঠা একটু হাওয়া বাতাস খাইবেন?” দারোগা কিছু বুঝতে পারার ভঙ্গিমায় ওর কথায় রাজি হয়ে গেলো। তারপর উঠে বসলো। তারপর বদরুদ্দিন বললো, ‘স্যার ও স্যার! আইজকে শেষদিনও আমারে পিটানো লাগলো আপনার?’ পুলিশটা কিছুই না বুঝতে পেরে বললো, ‘শেষ দিন মানে? আগে কবে মারছি তোরে?আর এগুলা না বলে নিয়ম ভঙ্গের জন্য ঘুষ কয়টাকা দিবি বল? নাইলে পিটিয়ে তোর নতুন রিক্সার নক্সা পাল্টে দেবো।”
বদরুদ্দিন বললো, ‘গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির বিরুদ্ধে আন্দোলনের কথা মনে আছে নিশ্চয়?” দারোগা হুঙ্কার দিয়ে বললো, ”হুম! মনে থাকবে না কেন? ঐ ফ্যাক্টরির মালিক কাল থেকে নিখোঁজ। তাই বেশি মনে আছে।”  বদরুদ্দিন বললো, “আমারে যে তহন কুত্তার মত পিটাইছিলেন। মনে নাই? আমার অধিকার চাওয়াই সেইখানে আমার দোষ আছিলো? আচ্ছা স্যার আপনের পকেটে কয়টাকা আছে এহন?” দারোগা লাঠি দিয়ে ওর পিঠে একটা আঘাত করলো। তার বললো, “রিক্সা থামা! নাহলে গুলি করবো তোরে।” বদরুদ্দিন চারদিকে দেখলো জনমানবহীন থমথমে পরিবেশ তাই বললো,” “স্যার ও স্যার! আপনার হিংস্র হাতটা দেখতে মন চাইতেছে। দেখেন আমার মাথা একা একা আপনার দিকে ঘুরতেছে।”
তারপর পুলিশ অফিসারের তেমনই বিভৎস মৃত্যু হলো। তার মানিব্যাগ ঘেটেঘুটে কয়েক হাজার টাকা পেয়ে সেটা পকেটে পুড়ে লাশটা বস্তা ভরে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দিলো। ইদানীং রিক্সায় একটা বস্তা নিয়ে বের হয়। যাতে ভালোভাবে কাজ করা যায়। ধীরে ধীরে শহরের খারাপ লোকগুলোর জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায় সে। খারাপ লোকদের নির্জন স্থানে নিয়ে নৃশংস হত্যালীলায় মেতে ওঠে। রিক্সার পেটে যাচ্ছে রক্ত। আর বদরুদ্দিন দিনদিন তার টাকার পাহাড় গড়ে তোলে। কিন্তু এতদিনে দেশের সকল গণমাধ্যম সজাগ হয়েছে এই বিষয়ে। শহরের সকল জায়গা প্রায় সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। এমনই একদিন বদরুদ্দিন ব্যাংকের সামনে দিয়ে এক লোককে উঠিয়ে নিয়ে তার নৃশংস হত্যার সাক্ষী হয়। কিন্তু সেটা চোখে পড়ে যায় এক লোকের। সে দ্রুত ওর দিকে তাড়া করায় লাশটাকে রাস্তায় ফেলেই দ্রুত রিক্সা নিয়ে পালানো শুরু করে।
পথিমধ্যে ভাঙা রাস্তায় জোরে জোরে রিক্সা চালাতে গিয়ে রিক্সা এক্সিডেন্ট করে ধপাস করে রাস্তায় মুখ থুবড়ে পড়ে যায়। মাথা আর হাতের তালু ফেটে রক্ত বের হচ্ছে। তার করুণ অবস্থা দেখে কয়েকজন রিক্সা চালক তাকে ধরে তার রিক্সায় উঠিয়ে বসিয়ে দেয়। একজন চালকের আসনে বসে চালিয়ে হাসপাতালের দিকে যাওয়া শুরু করে।
পথিমধ্যে বলে, “ভাই, শুনছেন শহরের সব বদ লোকগুলো কেমনে নিখোঁজ হইতেছে?” বদরুদ্দিন কিছু না জানার ভান করে বললো, “হ ভাই! শুনছি। টিভিতেও দেখছি।” কিন্তু কিছুক্ষণ পরে রিক্সার চালকের আসনে বসা লোকটি বললো, “ভাই ও ভাই! আপনারে নিয়া এতদূর আসলাম। আপনার চেহারাডা দেখতে ইচ্ছা করতেছে। ইশ আপনার মাথাটা কতখানিই ফাটছে। আমার মাথা আপনাআপনিই আপনার দিকে ফিরতেছে।”
কিছুক্ষণের মধ্যে বদরুদ্দিনেরও সেই বিভৎস রকমের মৃত্যু হলো। যেমনে মৃত্যু হয়েছিলো কয়েকমাস আগে বদরুদ্দিনের কুকুরের। যে মৃত্যু হয়েছিলো গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির মালিকের। বদরুদ্দিনের এমন অবস্থা দেখে রিক্সার চালকের আসনে থাকা ছেলেটি চিৎকার দিয়ে দৌড়ে পালাতে থাকে। নির্জন জনমানবহীন রাস্তা। পাশে ল্যাম্পপোস্ট জ্বলছে। ল্যাম্পপোস্টের গোড়ায় একটা পাগল বসে বসে বিড় বিড় করে বলছে, ”পাপীর ঠাঁই,পৃথিবীতে নাই।” কিন্তু বদরুদ্দিনের কুকুরের অথবা সেই বিড়ালটার কি পাপ ছিলো? তারাও কি বদরুদ্দিনের মত অভাবে স্বভাব নষ্ট করেছিলো?

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত