আত্মা

আত্মা
মীম তার দাদিকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে। দাদির নাম পরীবানু। যৌবনে যে তার চেহারা আসলেই পরীর মত ছিল, তা এখনো বোঝা যায়। গায়ের রঙ ধবধবে সাদা, গায়ে সাদা থানকাপড়- মনে হয় বৃদ্ধা একটা পরী। মীম দাদির পিঠে নাক ঘষছে। তার দাদির গা থেকে মিষ্টি সোঁদা গন্ধ আসে।
-দাদি, একটা গল্প বল না।
-আমি কি গল্প জানি?
-জান তো, ভূতের গল্প বল।
-গল্প হইল মিথ্যা, আর ঘটনা হইল সত্য। আমি যা জানি তা হইল ঘটনা। বুঝলি?
-হুম, এবার শুরু কর।
-আমার আব্বা ছিলেন একজন মাওলানা। তিনি বাড়ি থেকে অনেক দূরের একটা মসজিদে ইমামতি করতেন।
একদিন এশার নামাজ পড়িয়ে বাড়ি আসছেন। মাঝপথে একটা শ্মশান আছে। সেদিন পূর্ণিমারাত ছিল। শ্মশানের কাছে এসে একটা ঝোপের মত জায়গা থেকে মেয়েলী সুরে কেউ কাঁদছে। আব্বা জিজ্ঞেস করলেন, কে ওখানে?
কেউ কথা বলল না। কান্নার শব্দ জোরে হচ্ছে। আব্বা এগিয়ে গিয়ে দেখলেন, একটা মেয়ে বসে বসে কাঁদছে। মেয়েটার বয়স বেশি না। ষোল কি সতেরো হবে। আব্বা মেয়েটার কাঁধে হাত রাখতেই মেয়েটা আব্বার দিকে তাকাল। তাকে দেখে আব্বা লাফ দিয়ে একহাত পিছিয়ে গেল। কারণ মেয়েটার মুখ ছিল খুবই ভয়ঙ্কর আর চোখ দুটো সবুজ, জ্বলজ্বল করছে। আব্বা দোয়াদরুদ পড়ে মেয়েটার দিকে ফুঁ দিতেই মেয়েটা অদৃশ্য হয়ে গেল। আব্বা ভয় পেয়ে দৌড়ে বাড়ি চলে আসল। বাড়িতে এসেই অজ্ঞান। পরেরদিন দুপুরবেলা ঘুম ভাঙে আর আব্বার জ্বর হয়।
এতক্ষণ একমনে শুনছিল মীম। সে বলল, সত্যি নাকি?
-হ্যাঁরে, আমি তোরে শুধুশুধু মিথ্যা গল্প ক্যান বলব?
-আচ্ছা দাদি, মেয়েটা কী আসলেই ভূত ছিল?
-হ্যাঁ, শ্মশান, কবরস্থান এইসব যায়গায় ভূত থাকে। যারা মারা যায়, তাদের আত্মা আসে।
-আত্মা কী?
-মানুষ মৃত্যুর সাথে সাথে শেষ হয়ে যায়। যা অবশিষ্ট থাকে, তাই আত্মা।
মীম তার দাদির মুখে এরকম আধুনিক একটা সংজ্ঞা শুনে অবাক হল। আরও অনেকক্ষণ গল্পগুজব করে ঘুমিয়ে পড়ল। পরদিন কলেজে গিয়ে বান্ধবীদের সাথে তার দাদির কাছ থেকে শোনা গল্প করল। মীম হুবহু তার দাদির মতই গল্প বলতে পারে। গল্পের কোথায় গলার স্বর নিচু করতে হয়, কোথায় থেমে যেতে হয় এসব খুব ভাল জানে মীম। তাই তার গল্প শুনে তার বান্ধবীরা বিরক্ত হয় না। ক্লাসে স্যার এলেন। বাংলা প্রফেসর। মাঝেমাঝে স্যার অপ্রাসঙ্গিক গল্প করেন। আজ তিনি প্লানচেট নিয়ে কথা বলছেন।
-বুঝলে? প্লানচেট হল আত্মাকে ডাকার ব্যবস্থা। কিছু নিয়মকানুন আছে প্লানচেট করার। ঠিকমতো করতে পারলে আত্মা চলে আসে। স্যারকে থামিয়ে দিয়ে বলল, স্যার, আপনি কখনো প্লানচেট করেছেন?
-হ্যাঁ, আমি কয়েকবার করেছি। একবার রবীন্দ্রনাথের আত্মা এসেছিলেন। আরেকবার শেক্সপিয়রের আত্মা।
-আসার পরে কী হল, স্যার?
-রবীন্দ্রনাথের আত্মা এলে তাকে রবীন্দ্রনাথের একটা কবিতা শোনালাম সোনার তরী কবিতার কিছু অংশ শোনালাম। কবিতা শুনে আত্মা বলল, কোন গাধায় এসব ফালতু কবিতা লিখে? স্যারের কথা শুনে ক্লাসের সবাই হো হো করে হেসে উঠল।
-স্যার, শেক্সপিয়রের আত্মাকে কী শুনিয়েছেন?
-তাকে কিছু শুনাইনি। গল্পগুজব করলাম।
-কী নিয়ে গল্প করেছিলেন, স্যার?
-এটা বলা যাবে না। তবে শেক্সপিয়রের চরিত্র ভাল ছিল না মনে হয়। কারণ তার আত্মা অনেক খারাপ কথা বলেছিল। এগুলো তোমাদের বলা যাবে না।
-স্যার, আমাকে প্লানচেট করা শেখাবেন?
-শিখবে? তাহলে ক্লাস শেষে টিচার্স রুমে এস।
-ঠিক আছে স্যার।
স্যারের কাছ থেকে প্রায় একঘণ্টা ধরে মীম প্লানচেট সম্পর্কে জানল। এটা জানার পর মীমের খুব আগ্রহ হয়েছে আত্মা সম্পর্কে। সে মনেমনে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাসায় গিয়ে প্লানচেট করবে। প্লানচেট করতে বেজোড় লোক লাগবে। প্রাথমিকভাবে পাঁচ বা সাত জন লাগবে। মীম তার ছোটভাই আর ওর দুই বান্ধবী আর এক বন্ধু – মোট পাঁচজন। একটা নির্দিষ্ট দিনে সবাই মীমদের বাড়িতে এল। রাত বারোটার পরে তারা প্লানচেটে বসেছে।
অন্ধকার ঘর। সবাই গোল হয়ে বসেছে। একজন ছেলে, একজন মেয়ে- এভাবে। বাংলা স্যারের কাছ থেকে সে উইজা বোর্ড এনেছে। প্রথম ধাপ হল সবাই ধ্যানে বসবে। ধ্যান করার শর্ত হল মন স্থির করা। প্রায় আধাঘণ্টা ধ্যান করা হল। ধ্যান শেষে মীম উইজা বোর্ডের দিকে আঙ্গুল দিয়ে জিজ্ঞেস করল, কেউ এসেছেন? কোন সাড়াশব্দ নেই। আরও আধাঘণ্টা ধ্যান করা হল কিন্তু আত্মার কোন খবর নেই। তৃতীয় ধাপে ধ্যান করার সময় মীমের ভাই ঘুমিয়ে পড়ল। এমনিতেই আত্মা আসছে না, তার উপর যদি কেউ ঘুমিয়ে যায়, আত্মা আসবে কিভাবে? হঠাৎ দরজায় জোরে ধাক্কার শব্দ শোনা গেল। সবাই ভয় পেয়ে ঘরের এক কোণায় চলে গেছে। মীম ভয়েভয়ে জিজ্ঞেস করল, কে ওখানে?
একটা মোটা কণ্ঠে কেউ বলল, আমি। কণ্ঠটা সবার পরিচিত। না, কোন মৃত মানুষের আত্মা আসেনি, এটা মীমের বাবার কণ্ঠ। মীম গিয়ে দরজা খুলে দিল আর লাইট অন করল।
-এত রাতে হচ্ছেটা কী?
-আব্বু, আমরা আত্মাকে ডাকছি।
-আত্মাকে ডাকছ মানে?
-প্লানচেট করে আত্মাকে ডাকা যায়।
-এইসব ফালতু কথা কে বলেছে শুনি?
-আমাদের কলেজের বাংলা প্রফেসর।
-সবগুলোরে থাপড়ানো দরকার। যা, ঘুমিয়ে পড়। এইসব আত্মা ফাত্মা বাদ দিয়ে ঠিকমতো লেখাপড়া কর।
মীমের বাবা চলে গেলেন। মীম তার বন্ধুদের সামনে খুব লজ্জা পেল। ছেলে বন্ধু হাসিবকে তার ভাইয়ের সাথে পাশের রুমে ঘুমাতে দিল আর সে তার বান্ধবীদের সাথে এই রুমেই ঘুমাল। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে মীমের আত্মাই তাকে ছেড়ে চলে গেল অর্থাৎ সে ঘুমিয়ে পড়ল। পরদিন কলেজে এই ঘটনা রটে গেছে। মীমকে এখন শুধু “মীম” নামে কেউ চিনে না। তার নতুন নাম হয়েছ ‘আত্মা মীম’। লজ্জায় মাথা নিচু করে বাংলা স্যারের সাথে দেখা করল মীম।
-কী হয়েছে?
-স্যার, প্লানচেট করেছিলাম, আত্মা আসেনি।
-কেন?
-তা তো জানি না। আপনি যেভাবে বলেছেন, সেভাবে করেছি। কিন্তু আত্মা এল না।
-ঠিকমতো করলে তো আসার কথা। আরেকবার কর।
-না, স্যার। আব্বু খুব রাগারাগি করেছে। আর আত্মা আসেনি বলে আমাকে সবাই ‘আত্মা মীম’ বলে ডাকছে।
-আরে, এটা নিয়ে মন খারাপ কর না। পরে একসময় আবার প্লানচেট কর, তখন আসবে।
স্যার তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করল। কিন্তু মীমের মন ভাল হল না কিছুতেই। সে কলেজ শেষ হওয়ার আগেই বাড়ি চলে এল। দাদির রুমে গিয়ে দেখে খালি গায়ে শুয়ে আছে দাদি।
-দাদি, গায়ে কাপড় দাও। দেখতে বিশ্রী লাগে।
-ক্যান? আগে তো দেখেছিস, তখন বিশ্রী লাগত না?
-এভাবে ন্যাংটো হয়ে থাকতে ভাল লাগে তোমার?
-কী করব? যা গরম পড়েছে!
-আপাতত গায়ে একটা কাপড় দাও। তোমার খালি গা দেখে আমার গা ঘিনঘিন করছে।
-আয়, গল্প বলি।
-ভূতের গল্প শুনব না। অন্য গল্প বল।
-তোর দাদার গল্প শুনবি?
-বল।
মীম দাদির কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল। দাদি গল্প বলা শুরু করলেন। তবে আজকে দাদির কণ্ঠটা অন্যরকম
লাগছে। আমার বিয়ের দুইবছর পর তোর আব্বুর জন্ম হয়। তোর দাদা রেলওয়েতে চাকরি করত। বড় অফিসার ছিল। আমাকে নিয়ে কোয়ার্টারে থাকত। তোর দাদা অফিসে গেলে আমার খুব খারাপ লাগত। তোর আব্বু সারাদিন কাঁদত। কি যে সমস্যা! এভাবে প্রায় দুইবছর কেটে গেল। তোর আব্বুর বয়স তখন তিন বছর। তোর দাদার বদলি হল খুলনায়। তখন আমাকে বাড়ি রেখে গেল। প্রতিদিন ভোরে তোর দাদা অফিসে যেত আর রাত আটটার দিকে বাসায় আসত। আমাদের বাড়িতে লোকজন ছিল অনেক, তাই সমস্যা হত না। আর আমার বাপের বাড়ি ছিল পাশের গ্রামে। আমি আবার সন্তানসম্ভবা হলাম। আমার একটা ফুটফুটে মেয়ে হয়েছিল।
-মানে? তোমার তো একটামাত্র ছেলে।
-মেয়েটা সাতবছর বয়সে কালাজ্বরে মারা যায়।
-ওহ, তারপর আর কোন ছেলেমেয়ে হয়নি?
-না, তোর সেই ফুফু দেখতে তোর মত ছিল।
-তাই নাকি?
-হুম।
-তারপর কী হল দাদি?
-একদিন রাতে তোর দাদা একা একা বাড়ি ফিরছে। তখন বৈশাখ মাস।
গাড়ি থেকে নেমে কোন ভ্যান বা রিকশা পায়নি। কারণ ঝড় হচ্ছিল সেদিন। আমার খুব চিন্তা হচ্ছিল তোর দাদার দেরী থেকে। রাতে তোর দাদা ফিরল না। তখন তো আর মোবাইল ছিল না যে খবর নিব। অনেক রাত পর্যন্ত জেগে ছিলাম। তোর আব্বু আর ফুফু ঘুমাচ্ছে আর আমি জেগে আছি। ভোর রাতের দিকে ঝড় থেমে যায়। আমিও ফজরের নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
দাদি থামলেন।
-এরপর কী হল? বড় নিঃশ্বাস নিয়ে দাদি বলল, সকালে পাশের বাড়ির একজন এসে খবর দিল, রাস্তার পাশে তোর দাদার লাশ পড়ে আছে। ঝড়ে তোর দাদার উপর গাছ পড়ে তোর দাদা মারা যায়। দাদি আবার থামলেন। মীম দাদির মুখের দিকে তাকিয়ে দেখল তিনি নিঃশব্দে কাঁদছেন।
-আচ্ছা দাদি, তুমি দাদাকে খুব ভালবাসতে, তাই না?
-এখনো বাসি। সেইজন্য তো তোর দাদার মৃত্যুর পর আমার বাড়ি থেকে আমাকে আবার বিয়ে দিতে চেয়েছিল কিন্তু আমি বিয়ে করিনি। এর কয়েকবছর পর তোর ফুফুর কালাজ্বর হয়। মীম তার দাদিকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে রইল। মীমের খুব খারাপ লাগছে। তার জন্য দাদি তার ব্যথিত স্মৃতি মনে করলেন আর কষ্ট পেয়েছেন। কয়েকদিন ধরে মীম কলেজে যাচ্ছে না। মীমের বন্ধুবান্ধব তাকে ‘আত্মা মীম’ বলে খুব বেশি খেপাচ্ছে। মীমের খুব খারাপ লাগে। সে সবসময় ভাবে, ইশ! সত্যিই যদি আত্মা ডাকা যেত, তাহলে। ভাবনাটা শেষ করতে পারল না। ঝড় শুরু হয়েছে। বাড়ির সবাই দৌড়াদৌড়ি করছে। আকাশে ঘনকালো মেঘ জমেছে। মুহূর্তের মধ্যেই অন্ধকার হয়ে গেল। ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেছে। মীম তার রুমে অন্ধকারে শুয়ে রইল। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ঝড়বৃষ্টি থেমেছে। পরিবেশটা থমথমে। মাঝেমাঝে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। মীম বেলকনিতে একটা চেয়ারে বসে আছে।
-কেমন আছ মীম? একটা মোটা কিন্তু মিষ্ট কণ্ঠে কে যেন বলল। কণ্ঠটা অপরিচিত। আবার সেই প্রশ্ন, কেমন আছ মীম?
-কে?
-আমি তোমার দাদা।
মীম খুব ভয় পাচ্ছে। তাহলে কি তার দাদা এসেছে? এবার জানালার বাইরে মীম কেমন একটা মানুষের প্রতিকৃতি দেখতে পেল।
-কেমন আছ? মীম ভয়ে তোতলানো শুরু করেছে। বলল, ভা….ভা….ভাল।
-ভয় পাচ্ছ কেন? ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি তোমার কোন ক্ষতি করব না।
-আপনি তো মারা গেছেন।
-মারা যাইনি, আমি খুন হয়েছি।
-কিভাবে?
-জয়নাল নামের একটা লোক মোটা গরাণের লাঠি দিয়ে বাড়ি মেরে আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়।
-জয়নাল কে?
-সে তোমার দাদিকে খুব পছন্দ করত। বিয়ে করতে চেয়েছিল কিন্তু আমার শ্বশুর তার সাথে বিয়ে দেয় না কারণ সে ছিল বেকার।
-আপনাকে খুন করল কেন?
-আমার সাথে বিয়ের পর জয়নাল আমাকে বলে যে, যে করেই হোক, সে তোমার দাদিকে তুলে নিয়ে যাবে। সে আমাকে খুন করার হুমকি দেয়। সেদিন ঝড় হচ্ছিল। বাস থেকে নামার পর রিকশা বা ভ্যান কিছুই পাচ্ছিলাম না। অগত্যা হাটা শুরু করলাম। মাঝপথে জয়নাল পথ আগলে দাঁড়ায়। ওর লাঠির আঘাতে মাথা ফেটে যায়। এবং ঐখানেই মৃত্যু হয়। কিন্তু সবার ধারণা আমার মাথায় গাছ ভেঙে পড়ে আমি মারা যাই।
মীম অবাক হয়ে আছে। কী বলবে, কী করবে বুঝতে পারছে না। ঠাণ্ডা বাতাসে মীম কেঁপেকেঁপে উঠছে। ভয় পেয়ে পাথর হয়ে গেছে মীম। তার মায়ের ডাকে সে সম্বিত ফিরে পেল। বেলকনি থেকে এক দৌড়ে সে তার দাদির কাছে চলে গেল। হাপাতে হাপাতে জিজ্ঞেস করল, দাদি, জয়নাল নামের কাউকে তুমি চিনতে? দাদি অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। তিনি অনেক গল্প করেছেন মীমের সাথে কিন্তু ভুলেও তিনি জয়নাল নামের লোকটার কথা বলেন নি। অবাক হয়ে মৃদুস্বরে উত্তর দিলেন, হ্যাঁ, চিনতাম।
-ওই লোকটাই দাদাকে খুন করেছে, দাদা দুর্ঘটনায় মারা যান নি।
-তুই কিভাবে জানলি?
-তা বলতে পারব না। তবে আমি মিথ্যা বলছি না। মীমের দাদি মীমের দিকে স্থিরদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন।
মীম একবার ভাবল সে তার দাদার আত্মার কথা বলবে। দাদি হয়তো বিশ্বাস করবে কিন্তু বাকিরা তাকে নিয়ে ঠাট্টাতামাসা করবে আর ‘আত্মা মীম’ নামটা স্থায়ী হয়ে যাবে। তাই মীম এই কথা কারও কাছে বলল না।

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত