লুপ্ত যৌবন

অমল হেকিম মহাদুশ্চিন্তায় পড়েছেন। কারণ তপন সাহেবকে ঔষধ তৈরি করে দেবেন বলে এক মাস সময় নিয়েছেন। আজ দুই সপ্তাহ হতে চলছে। ঔষধ বানানোর কোনো নামগন্ধ নেই। গতকাল তার কবিরাজি বই বের করেছেন। বইতে ঔষধ তৈরির সব নিয়ম-কানুন দেখছেন। কিন্তু এ ঔষধ বানাতে যে গাছ-গাছড়া প্রয়োজন তা অমল কবিরাজের সংগ্রহে নেই। বর্তমানে তার দাওয়াখানায় এ রোগের পেসেন্ট বেশি আসলেও তিনি এর চিকিৎসা করছেন না। কারণ এ রোগের ঔষধ বানাতে যা খরচ তা দিয়ে রোগীরা ঔষধ কিনতে চাচ্ছে না। এ ঔষধ বানালে লাভের পরিবর্তে লোকসান হচ্ছে। তাই এর গাছ-গাছড়াও সংগ্রহে রাখছেন না।

এখন তপন সাহেব বলে কথা। যে করেই হোক তপন সাহেবকে এই ঔষধ বানিয়ে দিতে হবে।

পাওয়া যেতে পারে এমন কয়েক জায়গায় তিনি গাছড়ার জন্য খোঁজও নিয়েছেন। কিন্তু কোথাও আসল গাছড়ার সন্ধান পাননি। অনেক খোঁজ-খবর নিয়ে অমল কবিরাজ জানতে পেরেছেন এখন আর বাংলাদেশে এ ঔষধ বানানোর গাছড়া পাওয়া যাচ্ছে না।

তপন সাহেবের রোগটি খুবই গোপন ও জটিল। কিন্তু তপন সাহেবের শেষ ভরসা হচ্ছে অমল কবিরাজ। দেশের অনেক বড় বড় ডাক্তার দেখিয়েছেন। তাতে কোনো ফল পাননি। অমল কবিরাজ ভাবছেন-

– আজ প্রায় ৪৫ বছর ধরে কবিরাজি করছি। আমার কবিরাজির ইতিহাস তপন সাহেব সবই জানেন।

তপন সাহেবের জন্য ঔষধ বানাতে না পারলে ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানের যেখান থেকে শেষ, সেখান থেকে আমার শুরু’ অমল কবিরাজের দাওয়াখানার এ স্লোগান মিথ্যে প্রমাণিত হবে। তাছাড়া তপন সাহেবের কাছ থেকে তার কবিরাজি বিদ্যার বিশ্বাসযোগ্যতাও এবার একেবারে হারিয়ে যাবে। এর আগেও তপন সাহেবকে অমল কবিরাজের দাওয়াখানা থেকে ঘাড়ের ব্যথা, অনিদ্রা, ক্ষুধামন্দাসহ কয়েকটি রোগের ঔষধ দেওয়া হয়েছিলো। তাতেও খুব একটা ফল পাননি তপন সাহেব।

কিন্তু তারপরও ‘গাছ-গাছড়া সব রোগের মহৌষধ’ এই কথা মনে করে তপন সাহেব অসুস্থ হলেই অমল কবিরাজের শরণাপন্ন হন। নিয়মিত তার ঔষধ সেবন করেন।

বর্তমানে অমল কবিরাজ তার দাওয়াখানায় বসে মেয়েদের রূপ-সৌন্দর্য বৃদ্ধির চিকিৎসা বেশি করে থাকেন। তাই তার দাওয়াখানায় উঠতি বয়সী ও মধ্যবয়সী নারীদের ভিড় লেগেই থাকে। মূলত মেয়েদের বেশি আনাগোনার কারণেই তপন সাহেব অমল কবিরাজের দাওয়াখানায় ইদানিং এসে বসে থাকেন।

তপন সাহেবের নারীদের প্রতি বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। অমল কবিরাজ এ বিষয়টি তপন সাহেবের সঙ্গে পরিচয়ের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বুঝতে পেরেছিলেন। তাই তাকে দুশ্চিন্তা আরও প্রবল আকারে চেপে ধরেছে। এবার তপন সাহেবকে ঔষধ বানিয়ে দিতে না পারলে তপন সাহেবের কাছ থেকে আর কোনো ধরনের সাহায্য পাওয়া যাবে না। বিপদে-আপদে পড়লে অমল কবিরাজ তপন সাহেবের দ্বারস্থ হন। তপন সাহেব তাকে কখনই খালি হাতে ফেরান না।

অমল কবিরাজ ভাবছেন- এবার সময়মত ঔষধ না পেলে তপন সাহেব আমার কাছ থেকে কেটে পড়বেন।

অমল হেকিমের বাড়ি পাবনার বেড়া উপজেলায়। সাংসারিক অস্বচ্ছলতার কারণে খুব একটা লেখাপড়া করতে পারেননি। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। এরপর জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে পাশের গ্রামের হাতেম কবিরাজের দাওয়াখানায় সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। সেখান থেকে কবিরাজি বিদ্যার দীক্ষা নিয়েছেন। এরপর নিজের বাড়িতে ‘অমল হেকিম দাওয়াখানা’ নামে একটি কবিরাজি ঘর দিয়েছিলেন। একটানা পনেরো বছর গ্রামে বসে কবিরাজি করেছেন। গ্রামের মানুষ এখন আর কবিরাজি চিকিৎসা নিচ্ছে না। এখন সবাই অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসায় ঝুঁকে পড়ছে। উপজেলা সদরে দুটি বেসরকারি হাসপাতাল স্থাপিত হয়েছে। আগের চেয়ে মানুষের অনেক স্বচ্ছলতা এসেছে। সাধারণ কোন অসুখ-বিসুখ হলেও উচ্চমূল্যের বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা নিচ্ছে। তাই আগেরমত অমল কবিরাজের দাওয়াখানায় রোগীর ভিড় নেই। সেই সঙ্গে আরও একটি আপদ তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ভুল চিকিৎসার কারণে তার গ্রামের একসঙ্গে তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে তার নামে তিনটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মামলা চালাতে থানা পুলিশ করতে করতে একপর্যায়ে নিঃস্ব হয়ে যান। শেষমেষ গ্রামে টিকতে না পেরে ঢাকায় চলে আসেন।

ঢাকা এসে মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় ‘অমল হারবাল অ্যান্ড কবিরাজ হাউজ’ নামে দাওয়াখানা খুলেছেন। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তার কবিরাজি ঔষধ বিক্রির জন্য এজেন্ট রয়েছে। সেই সঙ্গে গুলিস্তান, সদরঘাট, কারওয়ানবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার ফুটপাতে তার ঔষধ ভালো বিক্রি হয়। নিম্ন আয়ের মানুষ তার ঔষধের বড় ক্রেতা। এসব এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষই বসবাস করে। তবে মাঝে মধ্যে বড় কাস্টমারও মেলে।

একদিন তপন সাহেব তার গুলশানের বাসা থেকে বংশালে যাচ্ছিলেন। পুরান ঢাকার বংশালে তার টিনের আড়ত রয়েছে। গুলিস্তান গোলাপ শাহের মাজারের মোড়ে প্রচণ্ড জ্যামে আটকা পড়েছিলেন। তার গাড়ির কাছে এক ক্যানভেচার ‘অমল কবিরাজের ঔষধ বিক্রি করছিলেন। সেই সঙ্গে তার দাওয়াখানার লিফলেটও বিলি করছিলেন। তপন সাহেব সেখান থেকে একটি লিফলেট সংগ্রহ করে একদিন ফোনে অমল কবিরাজের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

এরপর সময়-সুযোগ করে একদিন রাতে অমল কবিরাজের সঙ্গে তপন সাহেব দেখা করতে আসেন। এ থেকেই অমল কবিরাজের সঙ্গে তপন সাহেবের ঘনিষ্ঠতার সূচনা।

তপন সাহেব অমল কবিরাজের মালিবাগের চৌধুরীপাড়ার দাওয়াখানায় এসে নতুন জীবনের সন্ধান পেলেন। তপন সাহেব যে চিকিৎসার জন্য অমল কবিরাজের কাছে এসেছেন তিনি তার শতভাগ সফল চিকিৎসা করতে সক্ষম। ‘বিফলে মূল্য ফেরত’- অমল কবিরাজ এমন চ্যালেঞ্জ দিয়ে রোগী দেখেন। তপন সাহেবও জীবনে চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করেন। কারণ তপন সাহেব নিজেও চ্যালেঞ্জ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। এখন তিনি দেশের অন্যতম সেরা ব্যবসায়ী। দেশের বাইরেও তার ব্যবসা রয়েছে। এখন তার অর্থ-প্রতিপত্তির কোনো অভাব নেই। তপন সাহেবের এখন সবকিছুতে পরিপূর্ণ থাকলেও সুন্দরী নারীর শূন্যতা তার জীবনে রয়েছে। এই শূন্যতা তাকে কুড়েকুড়ে খাচ্ছে। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে তিনি নারীদের সান্নিধ্য পাচ্ছেন না। তার অর্থসম্পদের মোহে অনেক নারী এলেও কিছুদিন পরে চলে যায়।

জীবনে অনেক কষ্ট ও সংগ্রাম করে তিনি প্রতিষ্ঠিত হতে গিয়ে সঠিক সময় বিয়ে করতে পারেননি। এমন কি যৌবনে তিনি বেশ কয়েকজন নারীর প্রেমের সুপ্রস্তাব পেলেও তিনি তাতে সাড়া দিতে পারেননি। কারণ ব্যবসা নিয়ে সারা জীবন আকণ্ঠ ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। জীবনের এই প্রান্তে এসে এখন তিনি কিছুটা অবসর পাচ্ছেন। তার ব্যবসা এখন কর্মকর্তা ও কর্মচারী রেখে চালাচ্ছেন। তপন সাহেব এখন শুধু মাসের মধ্যে দুই-তিনবার এসব কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছ থেকে হিসাব বুঝে নেন। আর মাঝে মধ্যে দেশের বাইরে ঘুরতে যান। সারা জীবনের কষ্ট মোচনের চেষ্টা করেন।

অমল কবিরাজ দাওয়াখানার চেম্বারে মাথা নিচু করে বসে আছেন। তার অফিস সহকারী অমিত বাড়ি থেকে ছুটি কাটিয়ে এসে অমল কবিরাজের মন খারাপ দেখে জানতে চাইলো-

তপন সাহেবের ঔষধের ব্যাপারে কিছু করতে পেরেছেন?

বিষণ্ন কণ্ঠে অমল সাহেব জবাব দিলেন-

আজও তার কোনো কুলকিনারা করতে পারিনি।

কোনো চিন্তা কইরেন না। আমি যখন বাড়ির ঝামেলা শেষ করে আসতে পারছি তখন তপন সাহবের ঔষধ বানানোর কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারবো। তাছাড়া তপন সাহেবের ঔষধ বানাতে যে গাছ-গাছড়া লাগবে তারও সন্ধান পেয়েছি।

অমিতের কাছ থেকে এই কথা শুনে অমল কবিরাজ অনেকটা হালকা হয়ে গেলেন। তার মনে স্বস্তির সুবাতাস বয়ে গেলো। অমিতের উপর অমল কবিরাজ বরাবর ভরসা করে আসছেন। অমিত কখনও হালকা কথা বলে না। অমল কবিরাজ এ যাবৎ যত সমস্যায় পড়েছেন, তার সব সমস্যার সমাধান অমিতের দ্বারাই হয়েছে। অমল কবিরাজের বিশ্বাস এবারও ত্রাতা হয়ে অমিত তাকে উদ্ধার করবে। তাই এক রাজ্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে অমল কবিরাজ জানতে চায়-

কীভাবে কার কাছ থেকে এই ঔষধ তৈরির গাছ-গাছড়া জোগাড় করবে?

এই গাছড়া বাংলাদেশের কোনো জংলায় পাওয়া যাবে না। এ গাছড়া সংগ্রহ করতে হলে কলকাতা যেতে হবে। সেখানের নীলগিরি জঙ্গলের গহীনে এই গাছড়া পাওয়া যাবে। তপন সাহেবকে ঔষধ বানিয়ে দিতে হলে আমাদের নীলগিরি যেতে হবে।

অমিতের কথা শুনে ডান হাত দিয়ে মাথা চুলকাতে চুলকাতে অমল কবিরাজ বললেন-

কলকাতা যেতে তো অনেক টাকার দরকার। এই মুহূর্তে এত টাকা আমার কাছে নেই।

টাকার কথা চিন্তা করেন ক্যান। তপন সাহেবের কাছে যান। কলকাতা যেতে যে টাকা লাগবে তা তার কাছে হাতের ময়লা। আর আমার পাসপোর্ট করা আছে। আমি যেকোন সময় কলকাতা যেতে পারবো।

রাতে অমল কবিরাজ তপন সাহেবের বাসায় গেলেন। গিয়ে অমল কবিরাজ এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য দেখলেন। এ দৃশ্য দেখে তিনি যেন আকাশ থেকে পড়লেন।

অমল কবিরাজ তপন সাহেবের খাসমহলে গিয়ে দেখতে পেলেন দুই সুন্দরী নারীর সঙ্গে খাটের উপর বসে আছেন। আর তপন সাহেব তাদের সঙ্গে রঙ্গরসে মেতে রয়েছেন।

একজন সুন্দরীকে দেখা মাত্রই অমল কবিরাজ চিনতে পারলেন। তার নাম রোকসানা। রোকসানা অমল কবিরাজের দাওয়াখানার তিন মাসের পুরাতন রোগী। তিনি রূপচর্চা বিষয়ক দাওয়াই নিচ্ছেন। অমল কবিরাজের দাওয়াখানা থেকে দাওয়াই নেওয়ার পরে রোকসানার চেহারা আগের চেয়ে আরও মোহনীয় ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। তপন সাহেবের কাছ থেকে রোকসানা তার রূপের পরিবর্তনের অনেক প্রশংসা শুনেছেন।

রোকসানাকে অমল কবিরাজ চিনতে পেরে আরও বিস্ময়ে বিমূঢ় হয়ে গেলেন। অমল কবিরাজ ভাবছেন-

রোকসানা এখানে কীভাবে এসেছে। আর কী করেই তপন সাহেবের সঙ্গে এতো নিবিড় সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে। রোকসানাকে নিয়ে অমল কবিরাজের মাথায় নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু অমল কবিরাজ তপন সাহেবের কাছে কোনো প্রশ্নই করতে পারছে না।

অমল কবিরাজকে দেখে তপন সাহেব জিজ্ঞেস করলেন-

কী খবর অমল হেকিম? এত রাতে আপনার আগমনের হেতু কী? রাত হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার মায়াময় দান। এই রাতে আমার দরবারে আপনার পদার্পণ কেন?

তপন সাহেব খুবই রসিক। তিনি সিরিয়াস বিষয় নিয়েও অনেক রসিয়ে রসিয়ে কথা বলতে পারেন। তপন সাহেবের এমন রসময় কথা শুনে অমল হেকিম বুঝতে পারলেন কোনো রকম ভণিতা নয়, কলকাতা যাওয়ার জন্য কত টাকা লাগবে তা এক বাক্যেই বলতে হবে।

জ্বি, ঔষধের গাছ-গাছড়া আনতে ইন্ডিয়াতে যেতে হবে। হাত একদম…

এই বলে অমল কবিরাজ দুই হাত কচলাচ্ছেন।

বুঝতে পারছি টাকার জন্য আসছেন। যান কাল সকালে ১০টার মধ্যে আপনার দাওয়াখানায় বসে টাকা পেয়ে যাবেন।

ঠিক সকাল নয়টায় আমাকে ফোনে একবার একটা কল দিয়ে মনে করিয়ে দেবেন। এখন যান আমি একটু ব্যস্ত আছি।

এ কথা শুনে অমল হেকিম খাসমহল থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিলেন। তখন তপন সাহেব জানতে চাইলেন-

আচ্ছা আমার ঔষধের খবর কি? নানা ব্যস্ততার কারণে আমি এর কোনো খবর নিতে পারিনি। এখন আমার ঔষধের খুবই প্রয়োজন। লেট করলে চলবে না।

স্ফীত হেসে অমল কবিরাজ জবাব দিলেন-

আপনার ঔষধের জন্যই গাছ-গাছড়া আনতে কলকাতা যাচ্ছি। আমাদের এখানে ঔষধের গাছড়া পাওয়া যায় না। বুঝছি আপনার ঔষধের খুব দরকার।

তাহলে এতদিন টাকার জন্য গাছড়া আনতে যাননি?

দু’চোখ কচলাতে কচলাতে অমল কবিরাজ বললেন-

না, মানে…

বুঝছি মানে মানে করতে হবে না। আর রোকসানাকে চিনেন?

এ কথা বলতেই রোকসানা অমল কবিরাজের দিকে লজ্জামিশ্রিত দৃষ্টিতে তাকালো। সেই সঙ্গে রোকসানা অমল কবিরাজকে সালাম দিলো।

চিনবো না মানে। তিনি আমার দাওয়াখানার গুরুত্বপূর্ণ পেসেন্ট।

হ্যাঁ, আপনার এবং আপনার দাওয়াখানার অনেক প্রশংসা ওর কাছে শুনেছি। তাড়াতাড়ি আমার ঔষধ দেওয়ার চেষ্টা করেন।

জ্বি, দশ-পনেরো দিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন। এই বলে অমল কবিরাজ তপন সাহেবের খাসমহল থেকে বের হয়ে হলেন।

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত