আজব প্রেমের কাহিনি

পরীরাজ্য…….
জ্ঞানী (শিক্ষক):আমার আদরের শিক্ষার্থীরা…. তোমাদের পরীক্ষার প্রহর শুরু হচ্ছে এখন……
সকলে পরীক্ষা দেয়া শুরু করলো।

৩০মিনিটপর….
জ্ঞানী খেয়াল করলো যে পেছনের bench এর কেউ ১জন টেবিলে মাথা দিয়ে ঘুমাচ্ছে। সে আর কেউনা। সে হলো এই পরীরাজ্যের সব থেকে দুষ্টুপরী। যে কিনা পরীরাজ্যের সবথেকে সুন্দরী পরী। সেই সাথে ছোট রাজকুমারী। যার জাদু কখনোই ঠিক হয়না। তার নাম হলো মেরিন……
জ্ঞানী: হে খোদা এতোদিন তো এই মেয়ে তাও পরীক্ষার সময়ে পরীক্ষার খাতায় সব উত্তর না লিখলেও কিছুতো লিখতো। বাকীগুলো আকিবুকি অন্তত করতো। কিছু না হলে আমারই ব্যাঙ্গ চিত্র আঁকতো। কিন্তু আজ তো ঘুমিয়ে পরেছে। একে উর্ত্তীর্ন কি করে করবো এবার?😖😖😖

জ্ঞানী মেরিনের সামনে গিয়ে দারালো। পরম যত্নে সে মেরিনকে ডাক দিতে লাগলো।

জ্ঞানী:রাজকন্যা মেরিন…. উঠে পরো মা…. দেখো এটা যে পরীক্ষার প্রহর……
মেরিন উঠলোনা। জ্ঞানী ডেকেই যাচ্ছে মেরিনকে। মেরিনের ওঠার আর নাম নেই। এদিকে পরীক্ষার প্রহরও পার হয়ে যাচ্ছে।.

২০মিনিট পর মেরিনের ঘুম ভাঙলো।
জ্ঞানী: ওঠো মা পরীক্ষাটা দাও।
মেরিন: এই কোন হাতির হালুয়ারে আমার ঘুমের ঘন্ট বানালো….. ??🤬🤬🤬।
জ্ঞানী: মাগো আমি জ্ঞানী। তোমার , তোমাদের শিক্ষক।
মেরিন চোখ মেলল।
মেরিন: আমার তো কোনো ছেলেই নেই তবে আপনি আমাকে মা ডাকছেন কেন sir? 😒😒😒।
জ্ঞানী: না মা ওটাতো….
মেরিন: আবার মা??😒😒।
জ্ঞানী: না মানে রাজকন্যা মেরিন তুমি পরীক্ষার সময় ঘুমাচ্ছো কেন?
মেরিন: আল্লাহ!!! কেউ ঘুমায় কেন? ঘুম পায় বলেইতো তাইনা? এতোটুকুও জানেন না? আপনার নাম জ্ঞানী কোন ছাগলে রেখেছে বলুনতো? আর কোন শিং কাটা হনুমান আপনাকে এই বিদ্যালয়ের sir বানালো???🤔🤔🤔।
কবির: আমি। এই শিং কাটা হনুমান।
সবাই দরজার দিকে তাকালো। দারিয়ে গেলো।
সবাই: মহারাজের জয় হোক। মহারাজের জয় হোক ।
মেরিন মনে মনে: oh my প্রিয় আল্লাহ এই জল্লাদ বাপটা এখানে কোথায় থেকে কিভাবে টপকালো??😕😕😕।
জ্ঞানী: মহারাজের জয় হোক।
কবির: হামম। সবার পরীক্ষা কেমন চলছে?
সবাই: আলহামদুলিল্লাহ ভালো।
কবির মেরিনের কাছে গেলো।
মেরিন বড় বড় ঢোক গিলছে।
কবির: তুমি জ্ঞানী sirকে কি বলছিলে?
মেরিন: কি বলছিলাম? 🤔🤔🤔। ও হ্যা মনে পরেছে। বলছিলাম জ্ঞানী sir কতো ভালো….😅😅😅.
কবির: তাই ? তাহলে শিং কাটা হনুমান হনুমান কি যেন বলতে শুনলাম?
মেরিন: কোই না তো….
কবির:😠😠😠👿👿👿
মেরিন: ও হ্যা মনে পরেছে। বলছিলাম যে কককোন শিং কাটা হনুমান যে জ্ঞানী sir কে শিক্ষক বানালো? তাকে তো বিজ্ঞানী বানানো দরকার ছিলো। আর নাম রাখার দরকার ছিলো গুনী…😅😅😅…..
কবির: shut up…..
সবাই কেপে উঠলো।
মেরিন:🤫🤫🤫
কবির: sirদের সাথে কেউ এভাবে কথা বলে?
মেরিন:…..
কবির: জ্ঞানী sir….
জ্ঞানী: জী মহারাজ…..
কবির: আপনি শিক্ষক আর মেরিন আপনার ছাত্রী। বেয়াদবি করলে শাসন করবেন, শাস্তি দিবেন। দরকার হলে মারবেনও।
মেরিন: কেন আমাকে মারবে কেন? আমি না রাজকুমারি….
কবির:১টা থাপ্পর দিবো। শিক্ষকের সাথে ব্যাবহার করতে জানেনা। পরীক্ষায় টেনেটুনে পাস করে। জাদুটাও ঠিক মতো করতে পারেনা। ভুলভাল magic করে সে আবার রাজকন্যা।
মেরিন:🙄🙄🙄 ।
কবির: জ্ঞানী sir….
জ্ঞানী: জী মহারাজ।
কবির: এর আগেও বলেছি আর এখনও বলছি যে আমার মেয়ে বলে কোনো পক্ষপাতীতা করবেন না। আর তুমি মেয়ে… যদি পরীক্ষায় পাস না করো আর সেটা লিখিত পরীক্ষা হোক আর magical পরীক্ষা হোক পাস না করলে এবং ঠিক মতো না চললে, ভালো না হলে, দুষ্টুমি না করলে আমি তোমাকে earth … মানে পৃথিবীতে নির্বাসনে পাঠাবো।
মেরিন: নির্বাসন কি? আর তারথেকেও বড় কথা পৃথিবী কি??🤔🤔🤔।
কবির: মেরিন….
মেরিন:🤫🤫🤫।
কবির: বাসায় এসো আজকে…. আর শোনো আমি যা বলেছি কিন্তু সত্যি বলেছি। পরীক্ষায় পাস না করলে পৃথিবীতে নির্বাসনে পাঠাবো। mind it…
কবির রেগে মেগে চলে গেলো।

..পরীক্ষার পর…..
মেরিন বাইরে গেলো।
মেরিন:একি…. আমার পক্ষীরাজ কোথায় গেল??🤔🤔🤔 পক্ষীরাজ…. পক্ষীরাজ…..
পক্ষীরাজ হাজির হলো।
মেরিন: কোথায় ছিলিরে তুই এতোক্ষন?
পক্ষীরাজ: ঘুরতে গিয়েছিলাম।
মেরিন: huh….. এখন তারাতারি তুই গাড়ি হয়ে যা।
পক্ষীরাজ: গাড়ি কেন হতে বলছিস?🤔🤔🤔।
মেরিন: আমার গাড়িতে চরতে মন চাইছে।
পক্ষীরাজ: তুই আর তোর মন…. দারা হচ্ছি।
পক্ষীরাজ ঘোড়া থেকে গাড়ি হয়ে গেলো। মেরিন চরে বসলো।
মেরিন: এই শোন palace এ যাসনা যেন….
পক্ষীরাজ: কেন?
মেরিন সব বলল।
পক্ষীরাজ: 🤣🤣🤣। তুই আর মানুষ হবিনা….
মেরিন: shut up….
পক্ষীরাজ: তো এখন যাবি কোথায়??
মেরিন: নানীমার বাড়ি চল….
পক্ষীরাজ: চল…..
পক্ষীরাজ উরে যাচ্ছে।
মেরিন: ওই পক্ষীরাজ দারা দারা…
পক্ষীরাজ: আবার কি হলো???
মেরিন: ওই দেখ আমগাছ….
পক্ষীরাজ: তো??
মেরিন: নিচে চল আম খাবো।
পক্ষীরাজ: কিন্তু কিভাবে? কিনবি কিভাবে?
মেরিন : আরে আমি রাজকন্যা আমার কষ্ট করে কিনতে হবে কেন? পরে প্রহরী বা অন্যকেউ দিয়ে দিবে।
পক্ষীরাজ: কিন্তু….
মেরিন: নামবি??😒😒😒।
মেরিন নিচে নামলো।
মেরিন: oh my প্রিয় আল্লাহ কতো আম…..

✨💫🌟
আমি আম খেতে চাই। সব আম চলে আসো আমার কাছে please ইলি গিলি ফুস।

✨💫🌟

তখন আমগুলো ওর আর পক্ষীরাজের ওপর এমনভাবে ছুরে ছুরে আসতে লাগলো যেন কেউ ওদের ওপর পাথর ছুরে মারছে। দিরিম দুরুম করে আম ওর আর পক্ষীরাজের ওপর । কি সাংঘাতিক ব্যাথাটাই না পাচ্ছে ওরা… দৌড়ে পালাতে যাচ্ছে তাও লাভ হচ্ছেনা। কারন যেখানেই যাচ্ছে আম উরে ওদের দিকেই আসছে।
পক্ষীরাজ: তুই কি জন্য magic করিস বলতো।
ও মাগো… মরে গেলাম….. তুই কেমন পরী রে…. আমার তো doubt হয় যে তুই পরী কিনা??? আহ..
মেরিন: তুই চুপ থাকবি?? তো… আম্মুগো….. তোকে আমি খুন করবো। শ…. আহ…. আম্মু….

.৫মিনিটপর…..
পক্ষীরাজ: এই মেরিন… আরে এই মেরিন….
মেরিন: কি হয়েছে…. ব্যাঙের মতো হাম্বা হাম্বা করছিস কেন??🤬🤬।
পক্ষীরাজ: চারদিকে তাকিয়ে দেখ…..
মেরিন দেখলো।
মেরিন: আআআ…..
পক্ষীরাজ: ওই চুপ থাক।
আসলে সব গাছের সব আম পরে গেছে। ২জনের চারদিকে আমের বন্যা হয়ে গেছে।
মেরিন: আমার মনে হচ্ছে আমরা এখন আমের সাগরে আছি…..
পক্ষীরাজ: সারা রাজ্যের সব আম পরে গেছে। এখন কি হবে??😭😭😭। মহারাজ জানলে তো তোর সাথে সাথে আমিও শেষ।
মেরিন: কিচ্ছু জানবে না। আমি আছিনা….☺️☺️☺️….
পক্ষীরাজ: তুই আছিস বলেই তো সব ভয়….
মেরিন: চুপ থাক…. আমি মন্ত্র পরবো।

✨💫🌟

ভুলে গাছের সব আম পরে গেছে। আমি চাই অল্প কটা আম ছারা বাকী সব আম আবার গাছে ফিরে যাক। ইলি গিলি ফুস।

✨💫🌟।

পক্ষীরাজ: নেহি…..
মেরিন magic করতেই সব আম গাছে ফিরে যাওয়ার বদলে উল্টা কয়েকটা গাছ ছারা সব গাছই মাটি থেকে উঠে এলো ওদের ওপর পরলো।
মেরিন: পক্ষীরাজ …. চল পালাই…..
পক্ষীরাজ: চল।
মেরিন: দারা কটা আম নিয়ে নেই….
মেরিন পক্ষীরাজের পিঠে উরে গেলো।

কতোক্ষনপর…. মালি এলো। আর এসে দেখলো কি কাহিনি…..
মালি: হায় আল্লাহ এখন কি হবে….
মালি ভ্যা ভ্যা করে কাদতে লাগলো। প্রহরীরা দেখলো।

ওদিকে মেরিন পক্ষীরাজের পিঠে করে উরেই যাচ্ছে।
পক্ষীরাজ; আরে যাবো কোথায়? উরেই যাচ্ছি কখন থেকে…
মেরিন: হ্যারে…. নানিমার বাসায় তো যাওয়া যাবেনা। ভীষন ক্ষুধা আর ঘুম পেয়েছে।
পক্ষীরাজ: অত্তোগুলা আম খেলি তবুও বলছিস ক্ষুধা পেয়েছে…..😱😱😱।
মেরিন: হ্যা পেয়েছে তো পেয়েছে।
পক্ষীরাজ: তুই এতো খাস কিভাবে?
মেরিন: কেন মুখ দিয়ে।
পক্ষীরাজ: oh really … আমি তো ভাবলাম কান দিয়ে খাস।
মেরিন: এমা তুই এটাও জানতি না যে মুখ দিয়ে খায়। তুই কি রে? তো….
পক্ষীরাজ: ক্ষমা কর আমার মা….
মেরিন: আমি তোর মা হলাম কবে?🤔🤔।
পক্ষীরাজ: তুই চুপ থাকবি না কি পিঠ থেকে ফেলে দিবো।
মেরিন: huh… এই পক্ষীরাজ দেখ নদীর পাশে ফাকা জায়গা।
পক্ষীরাজ: হ্যা তো…. 🙄🙄🙄।
মেরিন: নিচে নাম।
ওরা নিচে গেলো। নামলো।
মেরিন: হায়…কি সুন্দর জায়গা…. আজকে বাকী সময় এখানেই থাকবো। বাড়িতে গেলেই তো আজকে জল্লাদ বাপ নির্ঘাত জবাই করবে। তাই এখানেই থাকবো।
পক্ষীরাজ: এখানেই থাকবো…. 🙄🙄🙄… খোলা আকাশের নিচে থাকবি কি করে?
মেরিন: খোলা আকাশের নিচে থাকবো কেন? আমি এখনই ১টা palace তৈরী করবো।
পক্ষীরাজ: আমার দোহাই লাগে এমনটা করিসনা।
মেরিন: huh…

✨💫🌟

ঘুমানোর জন্য আর থাকার জন্য আমি ১টা রাজমহল চাই। যেটা এখানে তৈরী হবে। ইলি গিলি ফুস।

✨💫🌟

তখনই ওখানে ১টা খুব সুন্দর রাজমহল হয়ে গেলো।
২জন:😱😱😱 ।
মেরিন পক্ষীরাজকে ১টা খুব জোরে চিমটি কাটলো।
পক্ষীরাজ:আহ। চিমটাস কেন?😤😤😤।
মেরিন: স্বপ্ন নাকি সত্যি দেখার জন্য।
পক্ষীরাজ: তো নিজের হাতের চিমটি মেরে দেখনা।
মেরিন: ওয় ঢিংকা চিকা আমার জাদু ঠিক হয়েছে।
পক্ষীরাজ: নিশ্চয়ই কোনো ঝামেলা আছে।
মেরিন: shut up ভেতরে চল।
ওরা ভেতরে গেলো। মহলটা খুব সুন্দর। তাই ২জন ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলো। আসলে এটা mermaid দের রাজমহল। হঠাৎ করে মহল গায়েব হয়ে যাওয়াতে ওরা আতংকে পরে গেলো। প্রহরীরা দেখলো।

.একটুপর ……
প্রহরীরা কবিরের কাছে খবর নিয়ে গেলো। কবির সব শুনেই বুঝতে পারলো যে এগুলো কার কাজ হতে পারে। তবুও sure হওয়ার জন্য P.cctv (P দিয়ে হলো Porirajjo…🤣🤣) তে check করলো।
কবির: মেরিন……
কবিরের চিল্লানিতে সারা মহল কেপে উঠলো। কবিরের চিল্লানি শুনে মহারানী কনিকা আর বড় রাজকুমারী তারা ছুটে এলো।
কনিকা: কি হয়েছে?
কবির: কি হয়নি বলো…. দেখো তোমার মেয়ের কারসাজি। একে তো পরীক্ষার সময় এই কাহিনি তার ওপরে মালি আর সারা পরীরাজ্যের এতো বড় ক্ষতি। mermaidদের মহল উরিয়ে দিয়েছে…. 😤😤😤। আজকে ফিরুক বাড়ি। না ফিরবে না তো। আমাকেই ওকে আনতে হবে। আজ ওরই ১দিন কি আমারই ১দিন…..
তারা: বাবা বাবা… রাগ করেনা। ও ছোটো। বয়সই কতোটুকু।
কবির: কখনো তুমিও ওর সমান ছিলে। আজও পর্যন্ত তোমার নামে কোনো অভিযোগ পাইনি।
তারা: বাবা ও তো একটু ছেলেমানুষ। বাদ দাওনা। বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে।
কবির: না মামনি রোজ রোজ এতো গন্ডগোল মেনে নেয়া যায়না। আমি যদি কেবল ওর বাবা হতাম স্বাদরে মেনে নিতাম। কিন্তু আমি যে রাজ্যের রাজা। সব দিক দেখতে হয়।
কনিকা: এমন কোরো না ওর সাথে।
কবির: কনিকা….
কবির জাদু দিয়ে আম আর গাছ ঠিক করলো এরপর মেরিনের সেই মহলটা জায়গায় ফিরিয়ে মেরিনকে বাড়িতে আনলো। মেরিনতো খাওয়া দাওয়া করে ঘরে ঘুমাতে যাচ্ছে গান

গাইতে গাইতে:

🎶🎵🎶
আমি কতো যে নিষ্পাপ
কিন্তু জল্লাদ আমার বাপ…..
আমি কতো ভালো
তবুও আমার বাপের মুখে জ্বলেনা আলো…..

কেন যে বোঝেনা উনি ১টা পাঠা।
মাঝে মধ্যে মন চায় তাকে করে দেই খাটা….

হায় আমি কতো নিষ্পাপ
কিন্তু জল্লাদ আমার বাপ….

🎶🎵🎶।

মেরিনের কোনো তালই নেই যে ও কোথায়। চোখ বন্ধ করে গেয়েই যাচ্ছে। গান শেষ হলে কবির তালি দিলো।
মেরিন:আমার গান বুঝি তোর এতোই ভা…..
মেরিন চোখ মেলে ঘুরে দেখে যে কবির দারিয়ে।
মেরিন: আআআ……

》》》
পৃথিবীতে……
in বাংলাদেশ…..
ইমা: i love you….. i love you a lot…. i just love you নীড়…..
নীড়: thank you but sorry …. কারন আমি তোমাকে ভালোবাসিনা। bye… & nice flowers …..
বলেই নীড় চলে গেলো।
আকাশ : তুই এটা কি করলি?😒😒😒
নীড়: কোনটা কি করলাম?😒😒😒
আকাশ : তুই ইমাকে reject করলি কেন?
নীড়: এমনভাবে বলছিস যেন আমি জীবন এই প্রথম কাউকে reject করলাম….
রাব্বি: অন্য কাউকে করা আর ইমাকে করা কি এক?
নীড়: কেন? ইমার মধ্যে এমন কি আছে???
সূর্য: ও কেবল এই এলাকারই সেরা সুন্দরী না। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি যে সারা দেশেও ওর মতো সুন্দরী কেউ নেই।
নীড়:😂😂😂। good jokes …
আকাশ : it was not a joke…its true…
নীড়: shut up…. she is not my type ….
ইমান: তোর কেমন মেয়ে চাই বলবি ???
নীড়: perfect ….. সবার জন্য না আমার জন্য। এইসব তো just ফালতু। বেয়াদব। stylish girl চাই কিন্তু বেয়াদব না। যাকে ভালোবাসতে চাইবোনা কিন্তু অজান্তেই ভালোবেসে ফেলবো তাকেই চাই। যাকে দেখলে কেবল জরিয়ে ধরে আদর করতে ইচ্ছা করবে। i don’t want any hot & sexy girl…. আমি চাই ১টা cute গুলুমুলু girl….. যে হবে পৃথিবীর ৮ম আশ্চর্য।
আকাশ : ভাই এরে কেউ পাবনা পাঠা না হলে কেউ আমাকে হসপিটালে পাঠা….. আমি পাগল হয়ে যাবো।
সবাই:😂😂😂
ইমা: দারাও নীড়।
নীড়রা দারালো। ইমার দিকে ঘুরলো। ইমা দৌড়ে এসে নীড়কে জরিয়ে ধরলো।
ইমা: আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি নীড় খুব। তোমার মনে আমাকে একটু জায়গা দাও।
নীড়ের মেজাজ তো সেই লেভেলের খারাপ হয়ে গেছে।
ইমান: oh no….. এই মেয়ের খবর আছে।
নীড় ইমাকে ছারিয়ে ঠাটিয়ে ১টা থাপ্পর মারলো।
সবাই:😱😱😱
নীড়: stupid irritating girl…. সাহস কিভাবে হয় আমাকে জরিয়ে ধরার? আর কখনো কোনোদিন আমাকে touch করলে না তোমার এই হাত ২টো আর হাত থাকবেনা। ভেঙে গুরো করে দিবো। মেয়ে বলে কিছু বললাম না। mind it….😡😡😡….

১দিকে দুষ্টু পরী আর অন্যদিকে রাগী মানুষ। কেমন হবে এদের আজব প্রেম কাহিনী??

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত