একটা চাকুরী দিবেন

একটা চাকুরী দিবেন

কি রে! আজ যে গিয়ে ছিলি, কি বললো ওরা ? বলেছে পরে জানাবে। পরে তো আর কেউই কিছু জানায় না। এখন না জানালে আমি কি করতে পারি বলো! কত মানুষের চাকুরী হয়, শুধু তোরই চাকুরী হয় না। তোর বাবা রিটায়ার্ড হয়েছে সেই কবে। এদিকে তোর বয়সও তো কম হলো না। তোর বয়সের ছেলেরা সংসারের হাল ধরে আর তুই বাপের হোটেলে বসে বসে খাচ্ছিস। মা, চেষ্টা তো করতেছি। কি চেষ্টা করতেছিস তা জানাই আছে। সারাদিন তো ঘরের ভিতরেই বসে থাকিস। অল্প বেতনের হলেও কোথাও ঢুকে পর। হুম।

জন্ম হবার পরই জানিয়ে দেয়া হলো, তুমি ছেলে হয়ে জন্মেছো। পৃথিবী নামক এই যুদ্ধের ময়দানে আজ থেকে তোমার যুদ্ধ শুরু। ওমুকের ছেলে তোমুকের ছেলের চাইতে তোমাকে অনেক বেশি কিছু করতে হবে। তোমার কর্ম আর উপার্জন ক্ষমতার উপর নির্ভর করবে তোমার আর তোমার পরিবারের সামাজিক মর্যাদা। পৃথিবী আজ টাকার আদলে গড়া। এখানে তোমার স্বপ্ন বলো আর পরিবারের স্বপ্নই বলো। কোন কিছুই টাকা ছাড়া সম্ভব নয়। শূন্য পায়ে তুমি হয়তো বেশ কিছু দূর হেঁটে যেতে পারবে। কিন্তু বাড়ি ফিরতে বাসের ভাড়াটা তোমাকে ঠিকি পকেটে রাখতে হবে। আরে রহমান সাহেব না কি! বহু দিন পর দেখা। জী ভাই। আছেন কেমন ? এই আছি আর কি। ছেলেটাকে নিয়ে অনেক চিন্তায় আছি। কোন চাকরী বাকরীও করে না। কোন কাজ কর্মও না। আরে এভাবে বসে খেলে রাজার সম্পদ ও ফুঁরিয়ে যায়। বোঝান, ভাল করে বোঝান।

অনেক বুঝিয়েছি কাজ হয় না। তা আপনি তো অনেক বড় কোম্পানিতে ভাল পদে আছেন। আমার ছেলেটার জন্য একটা চাকুরী ব্যবস্থা করে দিন না ? কথাটা অবশ্য খারাপ বলেন নাই। কত লোকেরই তো কত চাকরী দিলাম। ওকে বলবেন আমার বাসায় কাগজ পত্র গুলো যেন দিয়ে যায়। জী আজকেই বলবো। একটু দেখবেন কিন্তু। আরে ও নিয়ে আপনি চিন্তা করবেন না। ধরেন আপনার ছেলের চাকুরী হয়ে গেছে। চলুন, চা খেয়ে আসি। জী, চলুন।

এমন রহমান সাহেব’রা বাবা নামের মানুষটি’কে প্রায়ই আশার আলো দেখায়। দু’মাস হয়ে গেছে এর মাঝে কম করে হলেও দশ বার খোঁজ নেয়া হয়েছে। আজ না কাল জানাবে করতে করতে এখন আর খোঁজই নেয়া হয় না। আর খোঁজ নিয়েই বা কি লাভ! সব শেষে সান্তনা বাণী শুধু এতোটুকুই পাওয়া যায় চাকরী কি আর এতো সহজ! সময় লাগবে, হয়ে যাবে ও নিয়ে কোন চিন্তা করবেন না। কতবার বললাম তোরে কোন কিছুর উপর ট্রেনিং কর। অন্ততপক্ষে ড্রাইভিং টা শিখে ফেল। কোন একটা কথা শুনিস না। আমি এখন রাস্তার গন পরিবহণ চালাবো ? শিখে রাখলে তো আর ক্ষতি নাই।

শিক্ষতে বলতেছো তো সেই শিক্ষা দিয়ে কামাই রোজগার করার জন্যই। এখন আবার কথা ঘুরিয়ে ফেললা কেন! যখন আমার চাকুরী ছিলো তখন কতবার বললাম আমি থাকতে থাকতে চাকুরী নিয়ে নে। নাহ, সরকারি চাকরী আমি করবো না। ক’দিন আগে লোক নিলো। কত বললাম কাগজপত্র গুলা জমা দে, তাও দিলি না। শোনও বাবা, তখন করার ইচ্ছে ছিলো না। তাই করিনি। আর এখন কাগজপত্র জমা দেইনি তার কারন হলো আমি পড়াশোনা করেছি টেকনিকাল লাইনে আর তারা প্রশ্ন করবে জেনারেল লাইন থেকে। যার একটা প্রশ্নের উত্তরও আমি দিতে পারবো না। অযথা দিয়ে কি লাভ ?

তুই দিয়ে তো দেখতি। টাকা পয়সা না দিতে পারলেও আমার সাথে তো অনেক বড় বড় লোকের পরিচয়। তাদের দিয়ে সুপারিশ করাতাম। চেষ্টা তো অন্তত করা যেত। এই সব বড় বড় কথা বাদ দাও। বর্তমানে একটা সরকারী চাকরী পেতে গেলে কম করে হলেও দশ লাখ টাকা ঘুষ দেয়া লাগে। আর তোমার যখন এতো বড় বড় লোকদের সাথে পরিচয় তো তাদের বলো না আমাকে অন্য কোথাও একটা চাকুরী জোগার করে দিতে। চেষ্টাটা এখন করো, দেখি কেমন পারও! বলি নাই এমন তো আর না।

হুম বলছো, কাজের কাজ কিছুই হয় নাই। আমার কাছ থেকে বহু বার কাগজপত্র নিয়েছো। আজ পর্যন্ত কেউই তো চাকরী দিতে পারলো না। সারাজীবন শুধু হিসেব করলে কোন কাজটা করি নাই। কিন্তু কোন কাজটা করেছি সেই হিসেবটা কোন দিন আর করলেন না। মানুষের কাছে বলে বেড়াও এটা করতে বলি করে না। ওটা করতে বলি করে না। যে গুলা করেছি ওগুলা দিয়েও তো কিছু করতে পারলে না। কি করেছিস শুনি ? তোমার ওই ওলিল, জলিল, কলিল’দের কাছে তো জোর করে বহু বার পাঠালে। এই শহর থেকে আরেক শহর পর্যন্ত গেলাম। কি লাভ হলো ? তুমি তো খুব করে বলছো যা, গেলেই তোর চাকুরী হবে। হইছে কোনও চাকুরী ? আরে ওসব ফালতু লোক। কথার সাথে কাজের কোন মিল নাই। সবাই এমন। আর এই কথাটাই তুমি বুঝতে চাও না।

মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করাটা একটা অভিশাপ। চাইলেই যে কোন কাজ করা যায় না। কারন নিজের কাজের সাথে পরিবারের সম্মান জরিয়ে থাকে। বেপরাটা ঠিক এমন আপনার পকেটে টাকা থাকবে না। পেটে খাবার থাকবে না অথচ দাঁত কেলিয়ে হাসি মুখে পৃথিবীকে জানিয়ে দিতে হবে আপনি ভাল আছেন। আপনার বুক ভরা স্বপ্ন থাকবে, রাত ভোর হবে স্বপ্ন দেখতে দেখতে অথচ সূর্যের আলোয় সাধ্য নামের কোন শব্দ খুঁজে পাবেন না।

মা, তোমার ওই স্টুডেন্ট এর বাবা আর কিছু বলেছে? না, কিছুই বলে নাই। শুধু শুধু দু’দিন পরপর এর নাম্বারে ওর নাম্বারে কল দিয়ে আমার জন্য চাকুরী চাও। কি লাভ বলো ? শোন, কার দ্বারা কখন কি হয় তা কি বলা যায়। চেষ্টা করতে তো আর দোষ নাই। তোর মত সারাদিন ঘরে বসে থাকলে চাকুরী কি তোর হাতে এনে দিয়ে যাবে! হুম, ঠিক বলছো আমি তো সারাদিন ঘরেই বসে থাকি।

আবার বেহায়ার মত হাসতেছিস। লজ্জা শরম আছে কি তোর কোনও! এখন পর্যন্ত একটা চাকরী জোগাড় করতে পারলি না। এই ভাবে বাপের ঘাড়ের উপর বসে বসে আর কত দিন? তোর মত ছেলের এখন উচিত সংসারের হাল ধরা। বাপ মা’র সাধ আহ্লাদ পূরণ করা। তোর জন্য উঠতে বসতে আমার কথা শোনা লাগে। তোর বাপ, সারাদিন মানুষকে বলে বেড়ায় তুই কোন কিছুই করিস না। আর আমিও না কি তোরে কিছুই বলি না। হুম, বলতে দাও। কিছু একটা কর। আমার আর সহ্য হচ্ছে না।

সত্যিই কি এই পৃথিবীতে এমন মানুষ আছে যে মানুষটি তার জীবনের সফলতার সিঁড়িতে পা রাখতে চায় না। আমি কি সত্যিই চাই রোজ শূন্য পকেটে রাস্তার মোড়ে চায়ের দোকানে বসে থাকতে! পায়ে হাঁটা ধূলো মাখা পথ চলতে কি সত্যিই কি আমার খুব ভাললাগে! যখন আমার চারপাশে আমার বয়সি ছেলেদের টাকা খরচের জোয়ার দেখি তখন কি আমার সামান্য পরিমান ইচ্ছা হয় না তাদের মত করে জোয়ারে নিজেকে ভাসিয়ে দিতে! ছেলে হয়ে জন্মানোর কষ্টটা আগে কখনও বুঝিনি। তবে আজকাল বেশ বুঝি। বড় কষ্ট লাগে। জন্মাবার আগে নিজের ভাগ্যটা কেন যে লিখে আনলাম না নিজের হাতে। শহীদ ভাই! আরে, কি অবস্থা তোমার ? ভাল না ভাই, একটা চাকরীর এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা হলো না। এখন হয় নাই ? জী না ভাই। আপনাকে দুই মাস আগে বললাম একটা চাকুরী কথা। আপনি ব্যবস্থা করবেন বলেও আর কিছু জানালেন না। আপনাকে অনেক বার কল দিয়েছি। কলও ধরেন নাই।

ওহ! ওরা তো লোক নিয়ে ফেলছে। তাই আর তোমাকে জানানে হয় নাই। হয়তো ব্যস্ত ছিলাম তাই আর তোমার কলও ধরা হয় নাই। তুমি বিশ্বাস করো বেশ কিছু দিন আগেও তোমার বেপারটা নিয়ে সজীব ভাই সাথে আলাপ করতে ছিলাম। ভাই, একটা চাকুরীর খুব দরকার। না হলেই নয়। আচ্ছা দাঁড়াও আমি একটা কল দেই। এক বড় ভাই বলছিলো তার অফিসে না কি লোক লাগবে। তার সাথে একটু কথা বলি।

বেশ কিছুখন ফোনে কথা বলার পর আমাকে জানানো হলো শুক্রবার তার কাছে যেন কাগজপত্র জমা দেই। শনিবার তিনি নিজে ওনার সেই বড় ভাই এর অফিসে যেয়ে কাগজপত্র গুলা দিয়ে আসবেন। কিন্তু মজার বিষয় হলো এই শহীদ ভাইদের জীবনে আমার মত মানষদের জন্য কখনই শনিবার বলে কিছু আসে না। দিন যায়, মাস যায়। কিন্তু সপ্তাহে শনিবার নামক দিনটার কোন দেখা মেলে না। তাদের সাথে পরবর্তীতে যোগাযোগ করতে চাইলেও তাদের কাউকেই আর মোবাইল ফোনে পাওয়া যায় না। শত শত ফোন কলের রিং এর আওয়াজেও তাদের আর ঘুম ভাঙ্গানো যায় না। চলার পথে এমন অনেক ভাইদের সাথে দেখা হয়ে যায়, যারা পাশ কেটে চলে যেতে আমার মত মানুষকে দিনের পর দিন আশার আলো দেখিয়ে যায়। আর আমারও অবুঝ মন! কেন জানি বারবার তাদেরই বিশ্বাস করতে চায়। রাতে খেয়েছো ? হুম, তুমি ? খেয়েছি। আজ না তোমার ইন্টারভিউ ছিল? কেমন হইছে ? হইছে ভালই। কিছু বলছে ? ওই একি কথা। আমরা আপনাকে জানাবো। দেখও কি হয়। তুমি চিন্তা করো না। সব ঠিক হয়ে যাবে। তোমার যে দিন সময় হয় সে দিন তুমি আমাকে বিয়ে করে নিয়ে যেও। আমি তোমাকে কোন চাপ দিব না।

ফোনের এপাশে ভেসে আসা কন্ঠে সাদাকাল কথা বার্তা থাকলেও ওপাশে থাকে ভালবাসার মানুষটির রঙ্গিন হাজারও স্বপ্ন। ভালবাসা পূর্ণতা খোঁজে বিয়ে আর সংসারে। লাল নীল সংসার বাঁধার মালা গাঁথতে যাওয়া স্বপ্নের ফুল গুলো জমতে জমতে মনের ঘরটা কানায় কানায় ভরে গেছে। অথচ আজও মালা গাঁথাই হলো না। কারন চাকরী নামের সোনার হরীণের দেখা আজও মিলে না। জানি না কবে মিলবে। আর এও জানা নাই কবে মিলবে।

চেহারার মাঝে অভিনয়ের হাসি ধরে রেখে কষ্টকে আড়াল করতে গেলেও সেখানে আরেক জ্বালা। কথা শুনতে হয় ছেলেটা তার জীবন নিয়ে মোটেও সিরিয়াস না। তবে কি চেহারার মাঝে হতাশার ছাপ এঁকে সারাদিন হায়হুতাশ করলেই পরিবারের মানুষ তথা সমাজ বুঝে যাবে ছেলেটা চেষ্টার ক্রুটি রাখে না! তবে কি লোক দেখানো কাজ গুলাই সমাজ এবং পরিবারে স্বীকৃত ? আমার আজও জানা হলো না।

কিন্তু এ সমাজ, এই পরিবার তো বলেই দিয়েছে সকলের সামনে ছেলেদের কাঁদতে হয় না। ব্যর্থতা বলে ছেলেদের জীবনে কোন শব্দও থাকতে হয় না। বুকের পাঁজরে যখন নিজের স্বপ্ন গুলা কুঁড়ে কুঁড়ে খায় তখন রোজ রাতে মাথা নিচু করে বাড়ি ফেরার মানে আজ পর্যন্ত কেউই বুঝলো না। অপমানের দেয়ালে লেপটে থাকা পিঠের উপর হাত রেখে কেউ বললো না এতো চিন্তা করিস না। একটা চাকুরী তোর জীবনের সব কিছু না। আমরা তো আছি, তোর এতো কিসের ভাবনা। কি করে বলবে! আমার হতাশায় ঢেকে যাওয়া মুখটা আড়াল করতেই যে আমার বাড়ির বাহির হওয়া। কতটা সময়ই আর নিজেকে মুখোশে ঢেকে রাখা যায়। আর তাই আসল চেহারাটাও কেউ দেখতে পায় না। সবার ধারণা ভালই তো আছে। খাচ্ছে দাচ্ছে ঘুমাচ্ছে! ওর আর কিসের চিন্তা।

আসলেই তো! আমার আর কিসের চিন্তা। আমার তো কোন চিন্তা থাকার কথা নয়। ভাবতে অবাক লাগে, বাবা নামের মানুষটি না হয় পুরুষ বলে আমার মনের লুকানো কষ্ট গুলা বুঝতে পারে না। তাই বলে তুমি তো মমতাময়ী মা! তুমি কি একটা বারের জন্যেও কিছুই বুঝতে পারো না, তোমার ছেলে মানুষের দ্বাড়ে দ্বাড়ে ঘুরে বড্ড বেশি ক্লান্ত হয়ে গেছে। অবশ্য বোঝার কথাও নয়। কারন আমার মত মানুষকে নিয়ে, আমার মত মানুষের লুকিয়ে থাকা কষ্ট গুলো নিয়ে কেউ কখনও কিছু লিখে না। কোন উপন্যাস এর পাতায় আমার মত বেকার মানুষের জায়গা হয় না। কোন লেখক লেখিকা আমাদের মত মানুষদের নিয়ে গল্পও বানায় না। কেউ কখনও কোন গল্পে একটুখানি জায়গা দিয়ে বলে না এদেরও আছে যন্ত্রণা।

আছে তোমাদের মত বুক ভরা স্বপ্ন দেখা। এদের ভুল বুঝো না! এরা কেউই ইচ্ছে করে ব্যর্থ হতে চায় না। পত্র পত্রিকায় নারী লেখিকার কলমে ছেলেদের ছাল বাকল তুলে নেয়ার মত লেখনী থাকলেও কখনও রাতের আঁধারে স্বপ্ন ভেঙ্গে যাওয়া আর হারিয়ে ফেলার ভয়ে কোন ছেলের লুকানো কান্নার গল্প থাকে না। আর তাই এই পৃথিবীর মানুষ গুলাও জানতে পারে না ছেলে হয়ে জন্মানোর কষ্ট ঠিক কতটা। বাগানে গোলাপ ফুল ঝরে গেলে মালি ঠিকি জানতে পারে। রোজ হাজারো ফুল বন জঙ্গলে ঝরে পরে। সে খবর রাখে কয়জনা! পৃথিবীর সব ফুল যেমন বাগানে শোভা পায় না। তেমনি প্রতিটা মানুষ ভাল ভাগ্য নিয়েও জন্মায় না। আর এই সহজ কথাটা এই পৃথিবীর কেউই বুঝতে চায় না।

লিখবেন আমাদের নিয়ে একটা গল্প ? যেখানে থাকবে রোজ লোক চক্ষুর আড়ালে হাসির মুখোশ পরে বাড়ি থেকে বের হওয়া কোন এক ছেলের গল্প। যার শূনো পকেটে সারাদিন কাটে আর রাত কাটে দীর্ঘ নিঃশ্বাসে। লিখবেন এমন একটা গল্প যেখানে অপমান আর অপদস্থ হতে হতে জীবনের মায়া ত্যাগ করে সিলিং ফ্যান এর সাথে ঝুলে পরা কোন এক চাকুরী বিহীন ছেলের অলেখা গল্প! পারবেন সেই ছেলেটির জীবনের গল্প লিখতে যার প্রেমিকার বিয়ে হয়ে যায় শুধুমাত্র একটা চাকুরী না থাকায়। লিখুন না এমন একটি গল্প! যেখানে রোজ রাজপথের পাশে দাঁড়িয়ে ছেলেটি ভাবতে থাকে, হাতের ইশারায় সব গুলা গাড়ি থামিয়ে মাঝ রাজপথে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলে দিবে।

একটা চাকুরী দিবেন! বাবা মা’য়ের স্বপ্ন গুলা পূরণ করবো। একটা চাকরী দিবেন! ভালবাসার মানুষটিকে বিয়ে করে সংসার করবো। দিবেন ?

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত