ব্রেকআপের গল্প

ব্রেকআপের গল্প

১৫ দিন হলো শুভ আর রিমির ব্রেকআপ হইছে। যদিও তারা ব্রেকআপ করছে কিন্তু যোগাযোগ বন্ধ রাখে নাই।তারা তুমি করে বলতো এখন আপনি করে বলে।তারা দুজন দুজনকে এতই ভালবাসে যে ব্রেকআপ করার পর দেখা করবে কথা বলবে খোঁজ খবর নিবে কিন্তু আপনি করেই বলবে…

রাত ১০ টা রিমি শুভর ফোনে ফোন দিলো। ১১ বার দিলো, না শুভ ফোন ধরছে না এভাবে রিমি ২০ বার এর মতো ফোন দিলো তাও ফোন তুলছে না। রিমি কিছুটা ঘাবড়ে গেলো কিছু হলো না তো শুভ তো এমন করে না।

রিমি দেড়ি না করে শুভর বাসায় চলে গেলো….রিমি জানে শুভর কিছু হলে সে বাচবে না। রিমি তাড়াতাড়ি তার বাসায় গেলো গিয়ে দেখলো দরজা খোলাই আছে…রুমের ভেতরে গিয়ে রুমি যা দেখল……

: আরে আরে আপনি ফোন ধরেন না কেনো। আর আমি ভাবছি আপনার কি না কি হইছে, আমাকে কি আপনি শান্তিতে থাকতে দিবেন না(রিমি)
: ফোন ধরলাম না কারন আপনাকে সমানে থেকে দেখতে খুব ইচ্ছা করছিল(শুভ)
: তো এত রান্না কি জন্য কে আসবে(রিমি)
: আসবে না এসে গেছে।
: কে?
: আপনি। আমি জানি ফোন না ধরার পর আপনি চলে আসবেন বাড়িতে থাকতে পারবেন না।
: যদি না আসতাম!
:ভুল মানুষকে ভালবাসি নাই।আপনি টেবিলে বসেন আমি খাবার গুলো নিয়ে আসছি।

রিমি কান্না করছে, কিন্তু এটা সুখের কান্না…
: কান্না থামান।এই যে আপনার প্রিয় সব ধরনের খাবার ই আছে শুরু করেন তো।(শুভ)
রিমি কিছু না বলে খাওয়া শুরু করলো।
টেবিলের দু পাশে দুজন বসে আছে তবুও তাদের থেকে আপন কেউ নেই।
খাওয়া শেষে শুভ বললো চলেন বাসায় দিয়ে আসি..
: না যাবো না
: কেনো??
: এমনি যাবো না।
: যদি খারাপ কিছু হয়ে যায়।
: হবে না
: কিভাবে বুঝলেন??
: আমি কি ওইরকরম কাউকে ভালবাসছি নাকি হ্যা(কান্না করে দিল)
আর কতক্ষন আপনি করে বলবে??(রিমি)
: যতক্ষন না আপনি আমার বুকে এসে একটু কান্না করবেন।
রিমি দৌরে গিয়ে শুভ কে জড়িয়ে ধরে বলল ব্রেকআপ…….
……
এই ছিলো ব্রেক আপের গল্প
আমরা অনেকেই অকারনে ব্রেকআপ করি। হয়তো দুজনের জেদের বসেই। কিন্তু নিরবে কিন্তু দুজনেই কান্না করে যাই। তাই আর দেড়ি নয় অনেক কান্না হইছে দৌরে যান আপনার প্রিয় মানুষটির কাছে….. হয়তো সে আপনার অপেক্ষায় বসে আছে।

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত