দুরত্ব

দুরত্ব

অফিস থেকে বের হয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করতেছি। সকাল থেকে এমনিতে মনটা খারাপ । ‍আবার এক ঘন্টা ধরে বাসের জন্য অপেক্ষা করেও কোন বাস না পেয়ে বাবা মার উপর আরও বিরক্ত লাগছে। আমি কখনও ব্যাংকে চাকুরী করতে চায়নি । সরকারী ব্যাংকে অনেক লোক নিয়োগ হবে দেখে বাবা সাত সকালে একদিন ব্যাংকের র্সাকুলার নিযে বাসায় হাজির । কেবল পড়াশুনা শেষ করেছি ।আমি বাবাকে জানিয়ে দিলাম আমার সারাজীবন চাকুরী না হলেও দু:খ নেই তবু আমি ব্যাংকে চাকুরী করবনা। এটা শুনে বাবা সারাদিন মন খারাপ করে কিছু খায়নি। মা একটু পর পর কাছে এসে বাবার দু:খের কথা জানায় ।

তোর বাবার কত আশা তোকে নিয়ে, তুই সে আশা ভেঙ্গে দিবি। তু্ই ব্যাংকে পরীক্ষা দেয়, চাকুরী না হলে নাই, আর হলে পরে অন্য চাকুরী করবি । মাকে বুঝানোর চেষ্টা করলাম মা ব্যাংকের চাকুরী মেয়েদের জন্য খুব কঠিন । আমার ডিপার্টমেন্টের বড় দুই আপা ব্যাংকের চাকুরী ছেড়ে দিয়েছে । ব্যাংকের কাজের চাপে সংসার, বাচ্চা কাচ্চা মানুষ করা তাদের জন্য খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছিল তাই তারা জব ছেড়ে দিয়েছে । দয়া করে তোমরা আমাকে আর অনুরোধ করনা । কয়েক দিন ধরে দেখি কেউ আর অনুরোধ করেনা কিন্তু পুরো বাসাটা চুপ হয়ে আছে । বাবা একটু পর পর ডাকেনা মেঘা একটু কাছে আয়ত মা । যাক নীরবতা ভেঙ্গে আমি বললাম দরখাস্ত করব । বাবা মা এমন খুশি যেন আমার চাকুরীটা মনে হয় তখনই হয়ে গেছে ।

সত্যি সত্যি কয়েক মাস পর আমার ব্যাংকে চাকুরীটা হয়ে গেল। পরে অবশ্য আর অন্য কোন চাকুরী হয়নি । তাই এখন এই চাকুরী নিয়ে কোন সময় বিরক্ত হলে আগে বাবা মার উপর রাগ ঝাড়ি । কারন এই চাকুরীটার জন্য হয়ত আমার অন্য চাকুরী হয়নি। তবে এটাও ঠিক চাকুরীটা আছে বলে বেচেঁ আছি । মাঝে মাঝে জীবন থেকে পালানোর জন্য ব্যস্ততা দরকার ।

অবশেষে ঠেলাঠেলি করে বাসে উঠে দেখি জানালার পাশে একটা সিট ফাঁকা । কেউ এখনই বুঝি নেমে গেছে । যাক নিজেকে আপাতত ভাগ্যবতী মনে হচ্ছে। সাথে কিছুটা ক্লান্তি দুর হলো । কিন্তু মনের বিষন্নতাটা কিছুতে যাচ্ছেনা । এতক্ষন অফিসে কাজে ব্যস্ত ছিলাম । সারাদিন তেমন মনে হয়নি। আজ সকাল থেকে আকাশটা মেঘাছন্ন কিন্তু বৃষ্টি হচ্ছেনা। তার মনের আকাশটা যে তার চেয়ে আরও বেশী মেঘাছন্ন তা কি আকাশ জানে? । তার মত বৃষ্টি হতে চায় কিন্তু পারেনা । এতগুলো মানুষের সামনে কান্না করা কি মুশকিল? তবু চোখটা কেন জানি বার বার ভিজে আসছে।

দুই বছর আগে শাওনের সাথে আমার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছে । কেউ কাউকে বিয়ের আগে চিনতামনা । তবে বিয়ের আগে এক মাস আমাদের কথা হয়েছিল ফোনে । বিয়ের পর আমাদের দিনগুলো খুব ভাল যাচ্ছিল । ধীরে ধীরে আমরা একে অপরের বন্ধু হযে উঠি। ও একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকুরী করে ।

দুই মাস আগে একদিন ও আর আমি বসুন্ধরায় যাই শপিং করতে। আমি ওর কাছাকাছি বসে শাড়ি দেখতেছিলাম হঠাৎ ওইখানে ওর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বন্ধুর দেখা , ওর বন্ধু আমাকে চিনতনা আর দেখতেও পায়নি । অনেকদিন পর দুই বন্ধুর দেখা তাই বুঝি শাওন আমার পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা ভুলে গেছে। অনেক কথা বলতে বলতে তার বন্ধু হঠাৎ বলে শাওন দিনা কই, দিনাকে নিয়ে আসিসনি? দিনা আর তুই কি আগের মত এখনও ঘুরাঘুরি করিস। তোরা দুজনে কি এখনও আগের মত তুমুল প্রেমে ভাসিস? এক নি:শ্বাসে তার বন্ধু কথা গুলো বলে যাচ্ছে আমি ততক্ষনে পাশে এসে দাড়িয়েছি । শাওন আমাকে দেখে অসস্থিতে উসখুস করছে। তার বন্ধু তখনও আমাকে লক্ষ্য করেনি । তার বন্ধু আরও কিছু বলবে তার আগে শাওন আমকে দেখিয়ে বন্ধুকে বলে দোস আমার ওয়াইফ। তার বন্ধুও অসস্থি ফিল করছে আমাকে দেখে । আমি তাদের সাথে খুব উচ্ছল হয়ে কথা বলি । কিন্তু শাওনের মন দিধাদ্বন্ধে থাকে আমি কি তাদের কথাপকোথন শুনে ফেললাম কি না?

রিকশায় করে ফেরার সময় দুইজনেই নীরব । কেউ কারও সাথে কথা বলিনা । একটা নাম শুধু আমার মাথার মধ্যে ঘুরে দিনা । শাওন ততক্ষনে নিশ্চিত হয় আমি কিছু বুঝতে পেরেছি । শাওন আমার হাত ধরে বলে আমার খুব খারাপ লাগছে মেঘা, দিনার কথাটা আরও আগে তোমাকে বলা দরকার ছিল। আমি অনেকবার মনে মনে ভেবেছি্লাম কোন একদিন তোমাকে দিনার কথা বলব । কিন্তু শুরুটা কিভাবে করব বা এটা শুনে তুমি কিভাবে নিবে? ইত্যাদি ভেবে আর বলা হয়নি। এখন মনে হচ্ছে ব্যাপারটা তোমাকে নিজ থেকে আগে বলা ভাল ছিল । নিজ থেকে বললে হয়ত আজ আর নিজেকে চোর চোর মনে হতনা তোমার সামনে । আর আমিতো চুরি করিনি তোমার সাথে পরিচয়ের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দিনার সাথে আমার পরিচয় ও প্রেম ছিল । সেটা এখন কেবল অতীত।

এখনতো তুমিই আমার জীবনের সব । আজকের ছুটির দিনটা মাটি করনা প্লিজ মেঘা। পড়ালেখা শেষ করে যখন চাকুরী পাচ্ছিনা তখন একদিন হুট করে দিনা জানাল তার বিয়ে । ছেলে বিদেশে থাকে । তাকে বিদেশ নিয়ে যাবে। তার খুব ইচ্ছে বিদেশে যাওয়ার। সে আমার অপেক্ষা করতে পারবেনা । তাকে যেন ভুলে যাই। সেদিন থেকে মেয়েদের প্রতি আমার চরম রাগ জন্মেছিল।

বিয়ের অনেকদিন পর দিনা আমাকে জানায় শায়েদ তাদের দূর সর্ম্পকের আত্মীয় ছিল। ছোট ভাইটার ক্যানসার, মা অসুস্হ, তার ছোট বোনটার কলেজের পড়াশুনার খরচ, আবার তার পড়াশুনা শেষ, আত্মীয় স্বজন সবাই বলে সে বিয়ে করেনা কেন? আবার তার চাকুরীও হচ্ছেনা । তারপর একদিন শায়েদ পরিবারে জানায় সে দিনাকে বিয়ে করে ছোট ভাইকে সাথে করে বিদেশে নিয়ে যাবে চিকিৎসা করাতে। ওখানে চিকিৎসা করালে সে অনেকটা সুস্থ হবে। তাই সে সবার চিন্তিত মুখগুলোর দিকে তাকিয়ে এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছে । সময় ও পরিস্থিতি সবকিছু বদলে ফেলে। আরও বলল শাহেদ আমার কথা প্রথম থেকে জানে । শাহেদের মধ্যে নাকি অসম্ভব একটা ভাল মানুষি আছে ।সে বলে সত্যি তারা খুব ভাল আছে। তার ছোট ভাইটা এখন পুরোপুরি সুস্থ। এখন তার কাছে আছে। পারলে আমি যেন তাকে ক্ষমা করে দেই। পরে একটা সময়ে আমার মনে হয় সে সময় দিনা ঠিক কাজটায় করেছে । তার এক দিকে ছিল চরম বাস্তবতা আর অন্যদিকে আমি। আস্তে আস্তে আমি দিনাকে প্রেমিকার চোখে দেখা ভুলে যাই। দিনার সাথে বর্তমানে আমার কোন যোগাযোগ নেই মেঘা। সত্যি আমাকে বিশ্বাস কর।

আমি সেদিন শাওনের সাথে আর কোন কথা বলিনি । শাওন অনেক বুঝানোর চেষ্টা করলেও আমি চুপচাপ থাকি । আমার মাথার মধ্যে তখন দিনা নামটা ঘুরতেছে। আমার মনে পড়েছে এই নামটা আমি ফেসবুকে দেখেছি শাওনের ফ্রে ন্ড লিস্টে । দিনা সবসময় শাওনের স্ট্যাটাস এ লাইক করে , কমেন্ট করে । তার মানে এখনও তাদের যোগাযোগ আছে। অথচ শাওন বলল তাদের কোন রকম যোগাযোগ নেই। আমার সমস্ত চিন্তা এখানেই আটকে গেছে।

বেশ কিছুদিন ধরে আমার আচরণ একটু অন্যরকম ছিল। ঠিক করে কতদিন শাওনের সাথে কথা বলিনি, খাইনি । বাসাটা চুপচাপ হয়ে গেছিল। প্রয়োজনীয় কথা ছাড়া আমাদের কথা হতনা। এজন্য শাওনের একটু বেশি মন খারাপ হত । একটা অতীতের ঘটনা নিয়ে আমি তাকে কেন এত ভুল বুঝছি? এত বাড়াবাড়ি করছি কেন? । বার বার শাওন বুঝাতে চেয়েছিল এখন তার সবকিছুতেই আমি। কিন্তু ফেসবুকে দিনার সাথে শাওনের যোগাযোগের ব্যাপারটা যে আমি জানি সে কথাটা আমি শাওনকে বুঝতে দেয়নি। ।

যদি বলি তাহলে হয়ত দিনার সাথে ফেসবুকে আর শাওন যোগাযোগ রাখবেনা। তার চেয়ে কয়েকদিন আমি ফেসবুকে তাদের ব্যাপারটা একটু লক্ষ্য রাখি। বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের দোলায় দুলতেছিলাম তখনও আমি। শাওনকে এই কয়েক মাসে যেভাবে জেনেছি তাতে মনে হয়েছে সে মিথ্যা বলতেছেনা কিন্তু দিনার সাথে তার যোগাযোগ নেই সে কথাটা বলল কেন? আর ফেসবুকে দিনার সাথে যোগাযোগ থাকলেও আমার কাছে লুকানোর কি আছে? শাওন লুকাচ্ছে বলেতো আমার বিষয়টা আবার বেশি ঘোলাটে মনে হচ্ছে আমার কাছে। শাওন আমার ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। অফিস শেষে বাসা দেরী করে ফিরে। কেমন জানি একটা খাপছাড়া সম্পর্ক আমাদের মধ্যে হয়ে গেছিল ।

অনেক গবেষণার পর একদিন জানতে পারলাম ফেসবুকে যে দিনার সাথে শাওনের যোগাযোগ সেই দিনা অন্য একজন দিনা, তার বন্ধুর ছোট বোন, সেও সে দেশে থাকে। মুহুর্তে আমার মাথাটা পরিষ্কার হয়ে গেল। আমি যেন এক অন্য দুনিয়া থেকে বের হলাম।আমি ভুলেই গিয়েছিলাম যে দিনা নামে আরও অন্য কেউ পৃথিবীতে থাকতে পারে । কিন্তু তারপর আমার এই ছোট দুনিয়ায় এসে দেখি একটু ওলট পালট হয়ে গেছে । শাওন আর আমার মধ্যে এই কয়েকদিনে একটা কুয়াশার বেড়াজাল তৈরী হয়ে গেছে । যেটা থেকে আমরা দুজনে কিছুতেই আগের অবস্থানে ফিরে যেতে পারছিনা। এ সব কিছুর জন্য নিজেকে একটু দায়ী ভাবলাম।

এত বাড়াবাড়ি না করে তাকে সরাসরি যদি জিজ্ঞেস করতাম, যে ফেসবুকে দিনার সাথে তোমার যোগাযোগ আছে কিনা ? তাহলে হয়ত সত্যিটা বের হয়ে আসত। নিজের ভুলটা বুঝতে পারার পর আমি শাওনের খুব কাছাকাছি গেলেও একটা অভাববোধ করি । সম্পর্ক ঠিক আছে কিন্তু কেন জানি মনে হয় তাতে প্রান নেই । শাওন খুব ভাল মানুষ কিন্তু ও একটু রাগি ও জেদি । আমি সব ভুলে গেলেও, সে ভুলেনি। আগে দিনে কতবার ফোন দিত, এখন প্রয়োজন ছাড়া ফোন দেয়না। সব দায়ীত্ব আমার পালন করছে । কিন্তু হঠাৎ করে ঘুরতে যাওয়া, এক সাথে বেলকনিতে বসে কফি খাওয়া। পাশাপাশি হাত ধরে ছুটির দিন হাঁটা এগুলো আর হয়না। শাওন আমার পাশে থেকেও মনে হয় সে আমার কাছে নেই। আমাদের দুরত্ব এই কয়েকদিনে অনেকটা বেড়ে গেছে।

হেল্পার এসে বলল আপা ভাড়া দেন । আমি চোখ মেলে দেখলাম চলে এসেছি । আকাশটা এখনও মেঘাছন্ন । বৃষ্টি হতে চায় হয়না মনে হয় সেও আমার মত কারও অপেক্ষায় আছে । এই রিক্সা সোসাইটি যাবা । রিক্সায় উঠে আর নামতে ইচ্ছে করেনা । গত চারদিন ধরে শাওন বাসায় নেই । গত সপ্তাহে ও আমাকে জানায় অফিসের কাজে পাঁচ দিনের জন্য মালয়েশিয়া যাবে । বিয়ে হওয়ার পর থেকে শাওনকে ছাড়া আমি এতদিন একা থাকিনি । সে যাওয়ার সময় খুব স্বাভাবিক ভাবে আমাকে কথাগুলো বলতেছে। আমি যেন এই কয়েকদিন মায়ের কাছে থাকি। এখানে একা থাকতে তুমি পারবানা , ভয় পাবা ।

আমি শুধু বলেছিলাম আমি পারব । আমার ভেতরটা বার বার কেঁদে উঠছিল । সত্যি সত্যি শাওন পাঁচদিন থাকবেনা। ও ইচ্ছে করে আমাকে শাস্তি দিচ্ছে । ওর আর একবার অফিস ট্যুর হতে চেয়েছিল তখন আমাকে ওর সাথে নিতে চেয়েছিল। বলেছিল তোমাকে ছাড়া আমি থাকতে পারবনা । অফিসের কাজ ছেড়ে বাকী সময়টা আমরা ঘুরে বেড়াব। আর এখন সাথে যাওয়ার কথা কিছুই বলেনা। মনে মনে ভাবলাম যাক শাওন কয়দিনের জন্য যাক । এই পাচঁদিনের দুরত্ব হয়ত আমাদের মধ্যকার কুয়াশার বেড়াজাল ভেঙ্গে ফেলবে। সত্যি সত্যি ও আমাকে ভালবাসলে এই পাচঁদিনে সে আমার অভাববোধটা বুঝতে পারবে । যাক ও একা যাক। ওকে আমি বলবনা আমিও তোমার সাথে যেতে চাই । তুমি ছাড়া আমি অর্থ হীন।

আজ দিয়ে শাওনের চারদিন হচ্ছে ও আমার সাথে খুব কম যোগাযোগ করেছে। আজকে সকাল থেকে কোন খবর ওর পেলামনা, আমি ফেসবুকে ম্যাসেজ দিলেও ও উত্তর দেইনি । আমি ভুল ভেবেছি। আমার মনে হয়েছিল এই পাচঁদিনের দুরত্বে আমি সব ফিরে পাব । না দুরত্ব আরও দুরত্ব বাড়ায় ।

দরজাটা খুলে লাইটা জ্বালালাম । মেঘটা আরও ঘনও হয়ে এসেছে । বিদুৎ চমকাচ্ছে । এরকম বিদুৎ চমকালে কতবার শাওনওক জড়িয়ে ধরে চুপ করে ছিলাম । শাওনও মনে মনে এটা আশা করত । মেঘা ধীরে ধীরে বেলকনিতে চলে যায । গ্রীলের বাহিরে হাত বাড়ায দুফোটা বৃষ্টি গায়ে এসে পড়ে ।একবার খুব জোরে বিদুৎ চমকায় । পিছন থেকে তাকে কেউ একজন যেন জড়াযে ধরে সে ভয়ে চিৎকার করে কে কে বললে, কেউ একজন বলে মেঘা আমি, ভয় পেয়না । মেঘা বুঝতে পারে । এই গলাটা তার অনেক অনেক চেনা। কতদিন ধরে সে এই মিষ্টি আবেগময় ডাকের অপেক্ষায় আছে । দুজনের কেউ কাউকে ছাড়তে ইচ্ছে করেনা। অনেক বৃষ্টি হচ্ছে তাদের দুজনকে ভিজিয়ে দিচ্ছে। শাওন বার বার বলছে আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারলাম না মেঘা, আর কখনও পারবনা।

গল্পের বিষয়:
গল্প
DMCA.com Protection Status
loading...

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত