টাকার মহিমা

টাকার মহিমা

বাইকের শোরুম থেকে লেটেষ্ট মডেলের বাইক কিনে নিয়ে বের হয়ে দেখলাম অরিন একটা ছেলের বাইকে ঘনিষ্ঠভাবে বসে যাচ্ছে তখনই তার প্রতি আমার সন্দেহের সৃষ্টি হয়।দেড় বছরের রিলেশন আমাদের।অরিনের সাথে পরিচয় শুরু ফেসবুকে।আমি ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপে গল্প, ফানি পোষ্ট করতাম।এভাবে কিছুটা জনপ্রিয়তা পাই।একদিন রাতে ফেসবুকের টাইমলাইন ঘাটাঘাটি করছি তখনই দেখি “অচেনা রাজকুমারী” আইডি থেকে মেসেজ রিকু আসছে।চেক করতে গিয়ে দেখি -হাই।কি করেন।(আইডি) -কিছু বলবেন?(আমি) -যা জিজ্ঞেস করেছি তার উত্তর দিন।

-আমি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নই। -আপনি তো ভারী বেয়াদব। -শুয়ে আছি।গুড বাই। . আইডিটাকে ব্লক লিষ্টে ফেলে দিলাম।কারন এ যুগে ফেক আইডির অভাব নেই।আর ফেক আইডির স্থান ব্লক লিষ্টে।কিছুক্ষন ফেসবুকিং করে আবার ঘুমিয়ে পড়লাম।সকালে রেডি হয়ে ভার্সিটিতে গেলাম।ভার্সিটিতে সবাই আমায় ক্ষ্যাত টাইপ হিসেবে জানে।কারন আমি চুলে তেল দেই,ঢিলেঢালা পোষাক পড়ি,মোটা ফ্রেমের গোল চশমা পড়ি।ফেসবুকেও একই রকম অবস্থা।কিন্তু আমার কোনো অভাব নেই।আমার টাকা পয়সা বাড়ি গাড়ি সবই আছে।কারন আমি একজন মন্ত্রীর ছেলে।কিন্তু টাকা আসলে কি সেটা জানার জন্যই আমি এরকম হয়ে এখানে এসেছি।আমি ক্ষ্যাতমার্কা হয়ে থাকি বলে আমার একজন ছাড়া আর কোনো বন্ধু নেই।আর আমার সেই বন্ধু হচ্ছে ফাহাদ।ফাহাদও মন্ত্রীর ছেলে।সে আমার সবই জানে।

তো যাই হোক ভার্সিটিতে এসে ফাহাদের সাথে একটা গাছের নিচে বসলাম…. . -কিরে আর কতদিন ক্ষ্যাত মার্কা হয়ে চলবি তামিম?(ফাহাদ) -কেন রে।আমার সাথে থাকতে সমস্যা?(আমি) -এক থাপ্পর খাবি।তোর সাথে আমার অনেকদিনের বন্ধুত্বে এই চিনলি আমায়? -সরি রে। -এবার সত্যিই কিন্তু থাপ্পর খাবি তামিম। -আচ্ছা ঠিক আছে। . এভাবে ফাহাদের সাথে কিছু সময় কথা বলার পরে ক্লাসে গেলাম।দুপুরে দুজনে ক্যান্টিনে খেতে গেলাম।সবাই আমাকে দেখে হাসছে।কিছুক্ষন পর… . -তুমি শাহরিন ইসলাম তামিম???(মেয়ে কন্ঠ) . পাশে তাকিয়ে দেখি একটা মেয়ে দাঁড়ানো।আমার সাথে তো কোনো ছেলেও কথা বলে না।হঠাৎ মেয়ে।উত্তর দিলাম… . -হ্যাঁ আমিই শাহরিন ইসলাম তামিম।(আমি) -আমি অরিন।তোমার সাথে এক ক্লাসেই পড়ি।(মেয়ে) -তো?? -অচেনা রাজকুমারী আমার আইডি। -কাল রাতে ব্লক দিয়েছি।

আপনি এখন আসতে পারেন। -এত ভাব নাও কেন হুম?আমি মেয়ে হয়ে তোমার সাথে কথা বলতে এসেছি আর তুমি ভাব নিচ্ছো? -ক্ষ্যাতের সাথে কিসের কথা? -আমি তোমায় ভালোবাসি। -কি বললেন??? -শুনতে পাও না?আমি তোমাকে ভালোবাসি। -মজা নিতে হলে অন্য কোথাও যান। -দেখা যাবে।তুমিও আমায় ভালোবাসবে। -যান যান… . এতক্ষন ফাহাদের দিকে খেয়ালই করি নি।তাকিয়ে দেখি সে অজ্ঞান।তাকে পানির ছিটে দিয়ে জ্ঞান ফেরালাম।… . -দোস্ত মেয়েটা কি বলে গেলো?(ফাহাদ) -আগে বল তোর শরীর খারাপ নাকি?(আমি) -যে ছেলের সাথে ভার্সিটির কেউ কথা বলে না তাকে আজ একটা মেয়ে ভালোবাসি বলে চলে গেলো!! -শক খাইছিস? -হুম।অনেক। -বাদ দে।চল বাসায় যাই। . বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে আম্মুকে ফোন দিলাম।আসলে আমি আমাদের অন্য একটি বাসায় থাকি।কেউ জানে না বাসাটা আমাদের।সবাই জানে আমি ভাড়া থাকি।আম্মুকে ফোন দেবার পর… . -আম্মু কেমন আছো?(আমি) -ভালো না।তুই কবে আসবি?(আম্মু) -আসব আম্মু।খুব শীঘ্র।

-বাবা তোকে ছাড়া ভালো লাগে না। -আমারও মা। -তোর বাবার কি কম টাকা আছে নাকি যে গরীবের মত চলিস? -আম্মু দেখি না কি হয়। -আচ্ছা ঠিক আছে। -আব্বু কোথায়? -আবার কোথায়।সে তার মিটিং নিয়েই ব্যস্ত। -আচ্ছা ঠিক আছে আম্মু।বাই। -ভালো থাকিস বাবা। . এরপর খাবার খেয়ে রাত ৯ টা পর্যন্ত পড়লাম। হঠাৎ আমার ভাঙা নকিয়া ফোনে ফোন আসল।আননোন নাম্বার।রিসিভ করতেই…. . -তামিম আমি অরিন।(ওপাশ থেকে) -কিসের জন্য ফোন দিয়েছেন? -আমি তোমাকে সত্যিই ভালোবাসি। -প্লিজ আর ডিস্টার্ব করবেন না। -তুমি আমায় ভালো না বাসলে আমি কিন্তু… -কি? -সবাইকে বলে দিব তুমি ভদ্রবেশে একটা শয়তান।তুমি আমার সাথে প্রেমের অভিনয় করে ঠকিয়েছ।আমি আত্মহত্যা করব। -যা খুশি করেন কিন্তু আর ডিস্টার্ব করবেন না। -আচ্ছা। . পরের দিন ভার্সিটিতে গেলাম।

গিয়েই ফাহাদকে সব বললাম।ফাহাদ শুনেই… . -মেয়েটা তোকে কি সত্যিই ভালোবাসে??আমার মনে হয় না।(ফাহাদ) -আমারও। -দেখিস তামিম সাবধানে। -হুম… . হঠাৎই অরিনের আগমন।দেখে মনে হচ্ছে অনেক।কেঁদেছে।অরিন বলল…. . -প্লিজ তামিম বোঝার চেষ্টা করো আমি তোমায় ভালোবাসি।(অরিন) -ও হ্যালো মিস তামিমকে ভালোবাসেন কেন?এই ছেলেটা তো ক্ষ্যাত মার্কা।(ফাহাদ) -আপনি চুপ থাকেন।তামিম কিছু তো বলো।(অরিন) -আমি কি বলব?আপনি কাল রাতে বলছিলেন না কি করবেন।তাই করেন।আমার সম্মানহানী। -না তামিম আমি তা করব না।তুমি আমায় ভালোবাসো কি না বলো। – না বাসিনা। -তাহলে কাল আমার লাশ দেখতে এসো। এই বলে অরিন।কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলো।এদিকে।আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি অরিনের বাবা বিশাল ডাক্তার।তার নিজের হাসপাতাল আছে।বিকালে ভার্সিটি থেকে এসে বাসায় শুয়ে আছি হঠাৎই আবার আননোন নাম্বার থেকে ফোন।

রিসিভ করতেই-তামিম বলছেন?(ওপাশ থেকে মেয়ে কন্ঠ) -জ্বী। -আপনি এখনি UH হসপিটালে আসুন। -কেন?আর আপনি কে? -আমি অরিনের বান্ধবী বলছি।অরিন বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করতে চেয়েছে। -আমি এখনি আসছি। . হাসপাতালে গিয়ে দেখলাম অরিন বেডে শুয়ে আছে।পাশে তার বান্ধবীরা।আমি গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম কখন এসব হলো।অরিনের বান্ধবীরা বলল “আপনি ওকে ফিরিয়ে দেবার পর ও বিষ খায়’।আমি অরিনের কাছে যেতেই.. . -তামিম প্লিজ বোঝার চেষ্টা করো আমি তোমায় ভালোবাসি।(অরিন) -আমায় দুটো দিন সময় দাও অরিন।(আমি) -আচ্ছা ঠিক আছে। -খবরদার আর পাগলামী করো না। -না।তবে তুমি আমায় তুমি করে ডেকেছো এতে আমি অনেক খুশি। -রেষ্ট নাও।তোমার গলার আওয়াজ কাঁপছে।আমি পরে দেখতে আসব। . ডাক্তারের সাথে কথা বলে জানলাম যে কাল অরিন বাসায় যেতে পারবে।বাসায় এসে অনেক ভেবে চিন্তে ঠিক করলাম আমি অরিনকে গ্রহন করে নিব।ফাহাদকে সব বললাম।সেও একমত।দুদিন পর ভার্সিটিতে গিয়ে অরিনকে বললাম আমিও তাকে ভালোবাসি।

সে তো মনে হলো আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছে।এভাবেই শুরু হলো আমাদের ভালোবাসা। কিন্তু আমি অরিনকে আমার আসল পরিচয় বলিনি।ওকে বলেছি আমার বাবা মা গ্রামে থাকে।আমার বাবা কৃষক ।আমি ওর প্রেমে এতটাই ঢুকে গিয়েছিলাম যে ওকে ছাড়া কিছুই কল্পনা করতে পারতাম না।শেয়ারিং,কেয়ারিং এর মধ্যেই চলছিল আমাদের ভালোবাসা।কিন্তু দেড় বছরের মাথায় অরিন হঠাৎ পাল্টে যেতে লাগল।দেখা করে না।ফোন দিলে রিসিভ করে না।করলেও বলে ব্যস্ত আছে।আর বেশিরভাগ সময় ওয়েটিং।এরই মাঝে একদিন আব্বুর ফোন আসল -কি খবর কেমন আছো আব্বাজান?(আব্বু) -জ্বী ভালো আছি।তুমি? -হ্যাঁ।তোমাকে একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম। -বলো। -পরশু তোমার জন্মদিন।তোমাকে একটা বাইক গিফট করব। -দরকার নেই -অবশ্যই আছে।গত দুই বছর কিছুই নাওনি জন্মদিনে।এবার নিতেই হবে।তোমাদের ওখানে বাইকের শোরুমের নাম্বার দিও তো কাল। -আচ্ছা ঠিক আছে।

দুদিন পর শোরুমে গেলাম বাইক আনতে।বাইক নিয়ে বের হবার সময় দেখি অরিন আরেকটা ছেলের গলা জড়িয়ে ধরে বাইকে বসে যাচ্ছে।দেখে খুবই আঘাত পেলাম।ফাহাদকে সব বললাম।ও বলল অরিনের সাথে দেখা করতে।আমি অনেক।কষ্টে অরিনকে রাজি করিয়ে পার্কে ডাকলাম।আমি।আসার দুই ঘন্টা পর অরিন আসল-কি বলবে তাড়াতাড়ি বলো।আমার হাতে সময় নেই।(অরিন) -কাল কোথায় গিয়েছিলে? -বাসায় ছিলাম। -আমার জানামতে তোমার জমজ বোন নেই। -হুম। -তোমার ফোন ওয়েটিং থাকে কেন? -বান্ধবীদের সাথে কথা বলি। -রাত ২ টার সময়ও? -সেটা আমার বিষয়।কি বলবে এখন বলো? -কাল কার বাইকে বসে গলা জড়িয়ে ধরে যাচ্ছিলে? -আমার কাজিন। -এ মা!!তুমিই তো বললে বাসায় ছিলে। -আমি এত জবাবদিহি করতে বাধ্য নই। -তার মানে আমার কোনো মূল্যই নেই? -ছিল।এখন নেই। -কেন? -আমি তোমার সাথে রিলেশন করে ভুল করেছি।তুমি ক্ষ্যাত যে চিরকালই ক্ষ্যাত থাকবে সেটা আগে বুঝিনি। -তুমিই তো আমায় প্রপোজ করেছিলে।এমনকি আত্মহত্যাও করতে চেয়েছিলে।

-তখন অতিরিক্ত আবেগ ছিল। -তার মানে এখন আমায় ভালোবাসো না? -না।তুমি কাল যে ছেলেটাকে দেখেছো সে আমার কাজিন না।বয়ফ্রেন্ড।নাম অভ্র।ও অনেক স্মার্ট আর হ্যান্ডসাম। -অনেক টাকা আছে তাইনা? -হ্যাঁ। -তার মানে তুমি টাকাকে ভালোবাসো? -দেখো তামিম টাকা ছাড়া জীবন চলে না।সব ক্ষেত্রেই টাকার দরকার।দেড় বছরের রিলেশনে তুমি আমায় সামান্য কিছু গিফট করো নি।আর অভ্র ১ মাসে আমায় কতকিছু গিফট করেছে।দামী রেস্টুরেন্টে নিয়ে গিয়েছে।যা তুমি কোনোদিনই করোনি আর পারবেও না।সুতরাং তোমার লেভেলের কাউকে খুঁজে নাও। -প্লিজ যেও না।আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি।(কান্না করে) -দূর হ ফকিরের বাচ্চা।আর কোনোদিন আমার সাথে যোগাযোগ করবি না।যদি করিস অভ্রকে বলে তোর এমন অবস্থা করব না যে জীবনে আর কোনো মেয়ের দিকে তাকাতে পারবি না। . এই বলে অরিন চলে গেলো।আমি পার্কে অনেক সময় কান্না করে বাসায় চলে আসি।

ফাহাদকে সব বলি।নিজেকে শক্ত করে সিদ্ধান্ত নেই এবার নিজের পরিচয় প্রকশ করব।তাই করলাম।বাসায় গিয়ে আব্বু আম্মুকে বললাম যে আমি এবার আমার পরিচয় প্রকাশ করব।তারা তো অবাক।মার্কেটে গিয়ে দামী ড্রেস,জুতা কিনে নিই।সেলুনে গিয়ে চুল স্টাইল করে কেটে নিলাম।বাবার গিফটের বাইক নিয়ে পরেরদিন ভার্সিটিতে গেলাম।সবাই তো দেখে অবাক।যে ছেলে ক্ষ্যাত ছিল সবার চোখে সে এখন বড়লোকের স্মার্ট ছেলে।গেট দিয়ে ঢোকার পর দেখলাম অরিন ও অভ্র বসে গল্প করছে।আমি বাইক চালিয়ে সোজা গ্যারেজে পার্ক করে ক্লাসে চলে গেলাম।অনেকেই বন্ধুত্ব করতে আসল।তাদের সাথে বন্ধুত্বও করলাম।অরিন তো দেখে পুরো অবাক।ক্ষ্যাত ছেলে স্মার্ট হলো কিভাবে এটাই সে চিন্তা করছে। এভাবে ১ বছর কেটে গেলো।ভার্সিটি শেষ করে আমি আর ফাহাদ দুজনে মিলে একটা কোম্পানি নির্মান করে চালু করলাম।তবে যতই যা করি না কেন অরিনকে খুব মনে পড়ত।কারন সে ছিল আমার প্রথম এবং শেষ ভালোবাসা।

একদিন অফিসে বসে আছি হঠাৎই ফোন এলো।রিসিভ করতেই -কেমন আছো তামিম?(ওপাশ থেকে) -কে বলছেন?(আমি) -অরিন। -কিসের জন্য ফোন দিয়েছেন? -কাল একবার দেখা করতে পারবে? -না। -প্লিজ একবার।(কান্না করে) -কখন আর কোথায়? -সেই পার্কে যেখানে আমরা নিয়মিত দেখা করতাম। -কখন? -বিকাল ৪ টায়। . অরিনের ফোন পেয়ে মনটা খারাপ হয়ে গেলো।ফাহাদকে সবব খুলে বলে অফিস থেকে চলে আসলাম।পরেরদিন বিকাল ৪ টায় পার্কে গেলাম।গিয়ে দেখি পার্কে অরিন বসে আছে।আমি গিয়েই… . -কিসের জন্য ডেকেছেন?(আমি) -আপনি করে বলছো কেন?(অরিন) -অপরিচিত দের আপনি করেই বলতে হয়। -আমি অপরিচিত? -হ্যাঁ।কিসের জন্য ডেকেছেন? -আমি ভুল করেছি।আমায় ক্ষমা করে দাও। -হা হা।কেন? -তোমার ভালোবাসা বুঝিনি। -অভ্র কোথায়? -ও একটা প্রতারক।অন্য কাউকে পেয়ে চলে গেছে। -ও আচ্ছা।তাহলে আসি। -আরো কথা আছে। -কি? -আমায় শেষবারের মত একটা সুযোগ দাও। -আমি ভালো আছি।আর আমি তো ফকিরের বাচ্চা। -ভুল বুঝছো আমায়। -ঠিক বুঝছি।তুমি আমার টাকা দেখে এসেছো।

আমি তোমার ফাঁদে আর পা দেবো না। -কথা দিচ্ছি সবটুকু দিয়েই ভালোবাসব তোমায় তামিম। -তামিম নামটা ডাকার অধিকার হারিয়ে ফেলেছো অনেক আগেই। -শেষবারের মত একটা সুযোগ দাও। -বিশ্বাস এমনই একটা জিনিস যা ভাঙলে আর জোড়া লাগে না।তুমি যে আবার আমায় ছেড়ে চলে যাবে না সেটার কি নিশ্চয়তা আছে? -আরেকবার বিশ্বাস করেই দেখো। -সম্ভব না। -তোমায় না পেলে।আত্মহত্যা করব -যা খুশি করো। . এই বলে চলে আসলাম।অরিন চিৎকার করে কান্না করছে।কিন্তু এ কান্না আমার কাছে মূল্যহীন।কারন একসময় আমিও এরকম কেঁদেছিলাম।সেদিন তার মন গলেনি।আজ তার সাথেই এমন হচ্ছে।বাসায় এসে ডায়রিতে লিখে রাখলাম…

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত