মীরা আপা

মীরা আপা

রাফির রুমের সামনে প্রায় আধঘন্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছে তিতির। কিন্তু নক করার সাহস পাচ্ছে না। রুমের মধ্যে গান বাজছে।বাংলা, হিন্দী , ইংলিশ, স্প্যানিশ মেশানো পাঁচমিশালী গান। মীরা আপা আরো আধাঘণ্টা আগে বলেছে রাফি ভাইকে ডেকে নিয়ে যেতে। কিন্তু ঘর পর্যন্ত আসার সাহস করতেই তিতিরের লেগেছে আধাঘণ্টা। বাকী আধাঘণ্টা ঘরের সামনে দাঁড়ায়ে আছে। মীরা তিতিরের বড় বোন। নীচ থেকে আবার ডাকতেই তিতির রাফির দরজা নক করলো। ভেতর থেকে উত্তর এলো,

-খোলা

তিতির সংকোচে ঘরে ঢুকলো।রাফি টেবিলের উপর চেয়ার তুলে সেটার উপর দাঁড়িয়ে ফ্যানে কি খুটখাট করছিল।একবার চোখ নামিয়ে তিতিরকে দেখে আবার নিজের কাজে ডুবে গেল। রাফি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। একটা প্রাইভেট ফার্মে ঢুকেছে এবার। রাফি হলো তিতিরের বাবার বন্ধু শফিক সাহেবের ছেলে। ওদের বাড়ি শালগাড়িয়া। তিতিরদের রাধানগর। তিতিরের বড় আপা মীরার বিয়ে উপলক্ষ্যে রাফি এ বাড়িতে এসেছে। আর সবচেয়ে বড় কথা বিয়ের সমস্ত দায়িত্ব রাফির কাঁধেই। তিতিরের বাবাও হৈ চৈ পছন্দ করেন।যেখানে যত আত্মীয় ছিল সবাই বিয়ে উপলক্ষ্যে চলে এসেছে সাতদিন আগেই।

-কি ব্যাপার ‘গডেস অফ ডার্ক’। কি মনে করে? তিতিরের চোখে পানি চলে এলো।তিতির জানে ওর গায়ের রঙ ময়লা।অন্যরা বললে খারাপ লাগে না। কিন্তু কেন জানি রাফি বললে তিতিরের খুব কান্না পায়।

-মীরা আপা ডাকছে আপনাকে।
-যাচ্ছি। যা।

তিতির একছুটে চলে গেল ছাদে। নীচ থেকে মীরা আপা গলা ফাটিয়ে ডাকছে ওকে। ডাকুক।ও এখন কিছুতেই নীচে যাবে না। ছাদে মাটি ফেলে বাগান করেছিল বাবা। তার পাশেই দোলনা টানানো।তিতিরের খুব মন খারাপ থাকলে এখানে চুপচাপ বসে থাকে। তিতির আজও সেই প্রিয় জায়গাটাতেই বসে ভাবছিল। রাফির কথা। ছেলেটাকে ও বড্ড ভালবাসে। কিন্তু বলার সাহস নেই।রাফি ভাই দুর্দান্ত স্মার্ট, হ্যান্ডসাম। ওর বান্ধবীদের দেখেছে তিতির। একেকজন সে কি টিপটপ। আর কি রকম পুতুল সুন্দরী।তিতির ও রকম হতে পারবে না কখনোই। আর রাফিভাই তো সবসময়ই বিদ্রুপ করে ওকে। যদি জানে তিতির ওকে ভালবাসে তাহলে রাফির কাছে সেটাই হবে সবচেয়ে সেরা জোক।তাইতো মনের কথাটি মনেই রেখে দেয় তিতির।

বিয়েতে সবাই ব্যস্ত। একমাত্র ব্যস্ততা নাই তিতিরের। যে কাজই করতে যাক রাফি ভাই হা হা করে ওঠে।যেন তিতির ধরলেই সব পন্ড হয়ে যাবে। একদিক থেকে ভালও হয়েছে। কারণ রাফি ভাইয়ের সামনে থাকা থেকে বেঁচে যাচ্ছে। তিতিরের বাবা জনতা ব্যাংক পাবনা ব্রাঞ্চের ম্যানেজার হয়ে রিটায়ার্ড করেছে। রাফির বাবা তিতিরের বাবার বুজুম ফ্রেন্ড। উনার হোসিয়ারির বিশাল বিজনেস আছে। দুই বন্ধু বিয়েতে একেবারে বাচ্চা হয়ে গেছে। সারাদিন হৈ চৈ করে কাজ করছে বটে। সন্ধ্যা লাগলেই কয়েকটা বোতল নিয়ে দোতলার উত্তরের ঘরে চলে যায়।সাথে থাকে দুই খালু আর একমাত্র ফুপা। যদিও বিয়ের আনন্দে প্রত্যেককেই একটু ছাড় দিয়েছে কর্ত্রীরা। সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে ছাদের দিকে যাচ্ছিল তিতির। তখনই ডাকলো মীরা আপা।

-তিতি বইনা
-বল আপা
-আমার হলুদের শাড়ি বেছে দিয়ে যা না। তিতির বিরক্ত হলো।হলুদের শাড়ি তো সব একই হয়।সেখান থেকে আর বাছবে কি?ঘরে ঢুকতেই ওকে জড়িয়ে ধরলো মীরা।
-আপা ছাড়
-না ছাড়বো না
-তুই না হলুদের শাড়ি বাছাই করার জন্য ডাকলি।
-সে হবেক্ষন।

বলে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো তিতিরকে।তিতির কান্না চাপলো।মীরা রাশেদ নামের একটা ছেলেকে পছন্দ করতো। আপা তখন অনার্স সেকেন্ড ইয়ার আর তিতির এসএসসি দিয়েছে।তিতিরকে বড্ড ভালবাসতো রাশেদ ভাই। মীরা আপা প্রায়ই ওকে নিয়ে আশ্রমে যেত। রাশেদ ভাই আসতো।দুজন কি লজ্জামুখে কথা বলতো।মীরা আপা টিফিন বক্স ভরে রাশেদ ভাইয়ের জন্য রান্না করতো।কিন্তু একদিন আচমকা ঢাকা থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় রাশেদ ভাই। আপা চুপচাপ হয়ে গেছিলো।মীরা আপা বড্ড সুন্দরী, হাসিখুশি।তার চুপচাপ হয়ে যাওয়ায় সবাই অবাক হয় খুব।একমাত্র তিতির জানে আজও রাশেদ ভাইকে ভুলতে পারেনি মীরা আপা ।বিয়েতে মত দিয়েছে একমাত্র বাবা মায়ের কথা ভেবে।ছেলেটাকে দ্যাখে পর্যন্ত নি।তিতিরের ও পছন্দ হয়নি ছেলেটাকে। রাশেদ ভাই ছিল হাসিখুশি, চঞ্চল।এই ছেলেটা গম্ভীর।ছেলে না বলে লোক বলাই ভাল।এডওয়ার্ড কলেজের একাউন্টিংএর প্রফেসর। আচমকা গলার কাছে কিছু একটা আটকে যায় তিতিরের। অসহ্য কষ্ট হতে থাকে মীরা আপার জন্য। ওর মনে হয় যদি কোনোভাবে মীরা আপার সব কষ্ট দূর করে দিতে পারতো!

বিয়ের আর দুদিন বাকী।গায়ে হলুদ হয়ে গেছে। তিতির অলস পায়ে ছাদে এসে দাঁড়ালো।নীচে খালা, ফুপুরা পাটি বিছিয়ে বসে গান গাইছে। খালুরা একটু দূরে ক্রিকেটের আয়োজন করছে।মীরা আপা বান্ধবীদের সাথে হাসিতে গড়িয়ে পড়ছে। বিকেলের রোদ প্রায় মরে এসেছে। গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদটাকে মিঠে লাগছে।অলস চোখে ছাদে চোখ ফেরাতেই তিতিরের বুক ধরাস করে উঠলো।ছাদের একপাশে রাফি ভাই সিগারেট টানছে। কি সুন্দর লাগছে দেখতে। যেন এপোলোর অষ্টম ভার্সন। আহা! এই মানুষটার সাথে যদি একটা জীবন কাটানো যেত। মনে মনে ভাবলো তিতির। রাফি তিতিরকে দেখে এগিয়ে এলো।

-কি ব্যাপার ‘গডেস অব ডার্ক’?ছাদে কি করছিস?
-কিছু না
-যা চেহারা তাতে তো টাংকি মারবে না তোর সাথে কেউ।কিছু না-ই তোর উপযুক্ত।

তিতির ঠোঁট কামড়ে ধরলো কান্না চাপতে।রাফি ভাইয়ের সামনে কেঁদে ফেললে লজ্জার একশেষ হবে।রাফি সিগারেটের শেষটুকু ছুঁড়ে ফেলে নীচে চলে গেল।

বিয়েটা বেশ ভালোভাবেই হয়ে গেল। লোকজন চলে যাওয়ায় বাড়িটা বেশ ফাঁকা হয়ে গেছে। বিয়ের দিন অদ্ভুত একটা ঘটনা ঘটেছে। তিতিরের মা এসে একটা ব্যাগ হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে গেল।ব্যাগের উপর তিতিরের নাম লেখা । তিতির বেশ অবাক হলো।বিয়েবাড়ি ফাঁকা জায়গা পাওয়া ভয়াবহ কঠিন।তিতিরের নিজের রুমও বেদখল হয়ে গেছে। এর মধ্যেই মোটামুটি নিরিবিলি জায়গা পেয়ে ব্যাগ খুললো।খুলেই হতভম্ভ হয়ে গেল। ভেতরে হলুদপাড়ের জলডুরে টাংগাইল শাড়ি। সাথে ম্যাচিং করা সায়া ব্লাউজ। এক গোছা রেশমি চুড়ি, আলতা আর কুমকুম।তিতির বিরক্ত হয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছিলো সব।বিয়ের দিন কেউ কাঁচের চুড়ি পরে?

হোক তিতিরের গায়ের রঙ শ্যামলা। তাতে কি?কিন্তু শাড়ির ভেতর থেকে তার আগেই একটা চিরকুট টুপ করে পড়লো মেঝেতে। তুলে নিয়ে খুলে তিতিরের চোখ কপালে উঠে গেল।চিঠিতে লেখা ছিল ‘তিতির, অনেক ঝামেলা করে এইগুলা খুঁজে বের করেছি।ব্লাউজটা হয়তো সাইজে হবে না।ম্যানেজ করে নিও।আর আলতাটা রাখো।পরে সময় করে পড়িয়ে দিব।।। তিতির অবাক হয় খুব।তারপর কি মনে করে শাড়িটা পড়ে। রাফির সাথে দেখা হওয়ার পর হা করে কতক্ষন তাকিয়ে থেকে বলেছিল ‘এই পেত্নীমার্কা চেহারায় এই সাজে তোকে পুরাই বাংলা সিনেমার সাইড নায়িকার মত লাগছে। ‘ রাগে, দু:খে তিতির তক্ষুনি রুমে যেয়ে সব ছুঁড়ে ফেলে একদম সাধারণ সালোয়ার কামিজ পড়ে বেরিয়ে এসেছিল। সেটা দেখেও রাফি ভাই মন্তব্য করেছিল ‘সাইড নায়িকা হয়ে তো বেশ ভালোই লাগছিল ‘।

বিয়ের পর মীরা আপার চেহারায় একটা সুখের ছাপ পড়েছে। কি সুন্দর যে লাগে। প্রায় দেঢ় বছর পর এ বাড়িতে এসেছে মীরা আপা। বাচ্চা হবে। সাতমাস চলছে। মীরা আপা আসার দুদিন পরই তার শাশুড়ি এসে হাজির। বলে কি না মীরাকে ছাড়া ভাল লাগছে না।তিতির প্রথমে ভেবেছিল আদিখ্যেতা। আজকাল কেউ ছেলের বউয়ের বান্ধবী হয় নাকি?স্টার জলসা আর জি বাংলার কল্যাণে সবাই মোটামুটি সম্পর্কের বেড়া ছেঁড়া শুরু করেছে। কিন্তু দুচারদিন পরেই তিতিরের সে ভুল ভেঙেছে। শাশুড়ি বউ সারাদিন কি সব গুজগুজ ফুসফুস করে, কাউকে দেখলেই চুপ।যেন দুই বান্ধবী কোনো অন্যায় করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এদিকে মীরা আপার শ্বশুর রোজ সকালে চলে আসে। সারাদিন বাবার সাথে আড্ডা দেয় বটে। কিন্তু কিছুক্ষন পর পরই উঠে যেয়ে দেখে আসবে মীরা আপাকে।আর বেচারা দুলাভাই! রোজ কলেজ করে যাওয়ার পথে দুনিয়ার হাবিজাবি নিয়ে এসে মীরা আপাকে দেখে যাবে। সেদিন কাগজের ঠোঙায় আম মাখানো নিয়ে হাজির। মা দেখে সে কি রাগ! এই অবস্থায় রাস্তার খাবার হেদায়েত কোন বুদ্ধিতে আনলো ইত্যাদি ইত্যাদি।হেদায়েতুল ইসলাম মীরা আপার বরের নাম।দুলাভাই মিনমিন করে কিছু বলার চেষ্টা করলো কিন্তু তার আগেই ছোঁ মেরে প্যাকেটটা নিয়ে নিল মীরা আপা।তারপর সে কি খাওয়া! জানা গেল মীরা আপাই আনতে বলেছিল। মীরা আপাকে দেখে তিতিরের আনন্দ হয়।মেয়েটা রাশেদের শোক ভুলে যেতে পেরেছে। তিতিরের মন ভাল হয়ে যায় খুব।

তিতির অনার্স ফাইনাল দিয়ে বসে আছে। এর মধ্যেইব্যবা মা বিয়ের তোড়জোড় লাগিয়েছে। মীরা আপার ফুটফুটে একটা ছেলে হয়েছে। হাসি দেখলেই মন জুড়িয়ে যায়। তিতিরের মনে হয় বিয়ে জিনিসটা খারাপ না।আর যেহেতু রাফি ভাইকে তার কখনোই পাওয়া হবে না। তাইতিতিরও আর না করে না।আজ তিতিরকে দেখতে আসবে। কে আসবে জানে না। এই সম্বন্ধটা নাকি মীরা আপা আর দুলাভাই এনেছে। আনুক। ছেলের বাড়ি থেকে নাকি রাজি। আজই বিয়ে পড়িয়ে দেবে। তিতিরের মনে হলো ভালই হলো।রাফি ভাই নেই।অফিসের কাজে নাকি সিলেট গেছে। যাক।সিলেট যাক, লন্ডন যাক।তাতে তিতিরের কি? তিতির তো তার কেউ না। ছাদে দাঁড়িয়ে এইসব ভাবছিল তিতির।আজ বেশ একটু সেজেছে। হালকা সবুজ রঙা টাংগাইল সুতি শাড়ি পড়েছে।শাড়িটা মীরা আপা দিয়েছে ওকে সকালে।চুলগুলো হাত খোঁপা করা। চোখে গাঁঢ় করে নেয়া কাজল, কপালে টিপ আর গলায় সাদা পার্লের মালা।কি মনে করে চুল গুলো খুলে দিতেই কেউ পেছন থেকে চুল টেনে ধরলো।তিতির ‘উফ! আপা!’বলে পেছন ফিরেই চমকে গেল ভয়ানক ভাবে। রাফি ভাই দাঁড়িয়ে। তিতির পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছিল।কিন্তু হাত টেনে ধরলো রাফি।

-কই যাচ্ছিস
-নীচে
-কেন?নীচে কি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছেলে এসে বসে আছে?
-হাত ছাড়ুন রাফি ভাই। লাগছে।
-লাগছে লাগুক বলেই হ্যাঁচকা টানে তিতিরকে কাছে টেনে নিল রাফি।

-আমাকে পাত্র হিসেবে পছন্দ হয়না?কি সে কমতি আছে আমার?অন্য ছেলের জন্য তো ঠিকই সাজুগুজু করা হইছে। আমার সামনে সবসময় পেত্নী পেত্নী হয়ে থাকতে হবে কেন?

-এত কষ্ট করে জলডুরে শাড়িটা খুঁজে আনলাম। উনি রাগ করে সেটা খুলে ফেললেন।বিয়ের পর এর শোধ আমি তুলবো। এতক্ষনে তিতিরের চমকের পর চমকে ঘোর লেগে গেছে।

– তুই কি ভেবেছিস। ড্যাং ড্যাং করে অন্য ছেলের গলায় ঝুলে পড়বি?উঁহু। ওসব হবে না । আমি তোকে চাই।তুই শুধু আমার।রোজ যদি তোকে একবার না দেখি আমার দমবন্ধ দমবন্ধ লাগে। তোর কন্ঠ না শুনলে আমার কষ্ট কষ্ট লাগে। আর তোর বানানো মালাই চা ছাড়া আমার বিকেল কাটতেই চায়না। কেন বুঝিস না আমি তোকে ভালবাসি..
বলে রাফি তিতিরকে টেনে নেয় নিবিঢ় আলিঙ্গনে। তিতিরের মনে হয় ও বুঝি স্বপ্ন দেখছে।ফিসফিস করে বললো,

-কিন্তু নিচে যে ছেলে পক্ষ ..
-আরে গাধা বাবা মা এসেছে।

পেছন থেকে গলা খাঁকারি দেয়ায় তিতিরকে ছেড়ে দেয় রাফি। মীরা আপা আর দুলাভাই দাঁড়ায়ে । তিতির ছুটে যেয়ে মীরা আপাকে জড়িয়ে ধরে । মীরা ফিসফিস করে বললো, ‘ভালবাসার কষ্ট খুব খারাপ জিনিস। আমি চাইনা আমার বোন সেই কষ্টটা পাক।’।তিতির কান্না চোখে হাসিমুখে বললো ‘থ্যাংক ইউ মীরা আপা ‘।পাশ থেকে দুলাভাই বললো,

-একটা থ্যাংক ইউ আমিও পাই।কারণ বাবা মায়ের কাছে আমিই প্রস্তাবটা তুলেছিলাম কি না!  মীরা আপা বললো,
-হ্যা রে রাফি। মেয়ে পছন্দ হয়?
-হয়না মানে? আলবাত হয়।
-তাইলে কি বিয়ের ডেট ফাইনাল?
-হ্যাহ৷
-সামনের মাসে…  মীরার কথা শেষ হওয়ার আগেই রাফি লাফিয়ে পড়লো।
-নায়ায়ায়া মীরা আপা ।সামনের মাস অনেক দেরী। এই হপ্তায়ই।  সবাই হেসে উঠলো।  রাফি তিতিরকে কাছে টেনে নিয়ে বললো,
-গডেস অব ডার্কের জন্য অনেক দেরী করেছি। আর দেরী সহ্য হবে না৷ তাইনা তিতি? তিতির স্নিগ্ধ করে হাসলো। বিকেলের বন্যা সুন্দর আলোয় ওকে অপার্থিব লাগলো৷ মীরা মনে মনে বললো ‘ভালো থাকুক ভালোবাসা।

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত