ফান্দে পরি বগা কান্দ কেন

ফান্দে পরি বগা কান্দ কেন

— রাকিব, কলেজের ঝাড়ুটা তারা তারি নিয়ে আয় তো।
— কেনরে দোস্ত, ক্লাসে ঝাড়ু দিয়ে কি করবি।(আমি)
— ওই দেখ মেয়েটারে ভুত ধরছে, ভুত নামাইতে হইব।
–তাইতো দোস্ত মেয়েটা দেখছি পাগলির মত আচারন করতেছে, নিজে নিজে কথা বলতেছে আর হাসতেছে। তুই দাড়া, আমি এখনে নিয়ে আসতেছি।
— তাড়াতাড়ি যা।
–এই নে ধর আনছি। (ঝাড়ু)
–আমি আর কোন কথা না বলে

সাপাং-সুপুং, ঝাপাং -ঝুপুং করে দিলাম মাইর ঝাড়ু দিয়ে। প্রায় ১০ -১২ মাইর দিলাম। তখনি দেখলাম কান থেকে কি জানি পরল, আরে এটাতো ব্লুটুথ ইয়ার ফোন।তার মানে এটাতে কথা বলছিল এতক্ষন। বুঝতে দেরি হলেও পালাতে দেরি হল না।তার পর ১ সপ্তাহ আর কলেজে যাই নাই। এবার আসেন পরিচয়টা দেই, আমি তাওসিফ বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। মায়ের কাছে আমি বাংলালিংক এর মত ফ্রি আর আব্বুর কাছে রবির মত, অনেকটা আগুন আর পানি। আমি ইন্টার ২য় ব্যাচ এ।

যাকে মেরে পালিয়ে আসলাম সে আমার ক্লাসমেট তুলি। ওকে ঝাড়ু পিটা করার কারন, পুরানা হিসেব ছিল,না হলে আর সাধে ঝারুপিটা করি,আমাকে কি পাগলা কুকুরে কামড়াইছে। শুনবেন কি হিসাব তাহলে সুনুন, একদিন ক্যাম্পাসের রাস্তার সাইডে দাঁড়িয়ে ফ্রেন্ড রা আড্ডা দিচ্ছি।তো তুলি সেই রাস্তা দিয়ে যাবার সময় হোচট খেয়ে আমার গায়ে পরে। তো আমি রেগে গিয়ে বলি দেখে চলতে পারেন না,যতসব, এই সব মেয়েদের এক চর মেরে,,,কথাটা শেষ করতে পারি নাই উল্টে আমার গালে চর মেরে বলল, আপনি জানেন না আমি অল্পতেই হোচট খাই আর আপনি আমার রাস্তায় দারিয়ে আছেন কেন। (কি আজব মেয়েরে বাবা, আমার চর আমাকে ফিরিয়ে দিয়ে, আমাকে ভয় দেখায়।) সেদিন আর কিছু বলি নাই,ভাবছিলাম এর শাস্তি অন্য রকম ভাবে দিব।আর সেটা আজ দিলাম। কিন্তু আমি ভাবছিলাম একে আসলেই ভুত ধরেছে, তাই আচ্ছা মত মারা যাবে। কিন্তু না তার উল্টো হল, এর বিপরীত ফল যে কি আছে আল্লায় জানেন।

এই গল্পে আরও এক জন আছে সে হল তাস্ফিয়া আমার বাবার বন্ধুর মেয়ে আমাদের পাশের ফ্লাটে থাকেন, একটা ফ্লাট দুই বন্ধু একসাথে কিনে মাঝখানে ভাগ করে নিয়েছেন। তার একটা মাত্র মেয়ে আছে, আমার দুই বছরের জুনিয়ার এবার কলেজের ফাইনাল পরিক্ষা দিবে। কিন্তু ওর বাবা আরেকটা মাথা মোটা। তার মেয়েকে নাকি আমাকে প্রাইভেট পড়াতে হবে। আপ্নারাই বলুন ২ বছর জুনিয়র কে কেউ প্রাইভেট পরায়। শুধু প্রাইভেট নয় বডিগার্ড ও আমি। কিন্তু অনার মেয়ে আরো মাথা মোটা প্রাইভেটের নাম করে আমার সাথে চুটয়ে প্রেম করতে চায়। পুরাই বেহাল অবস্থা। এবার আসল কাহিনী তে আসা যাক। ১ সপ্তাহ পর আজ ক্লাস আসলাম, দেখলাম মেয়েটা রাগি চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে খেয়ে ফেলবে এমন অবস্থা, আর শুনলাম ব্যাপারটা বেশিদুর গরায় নাই তাই খুশি হলাম।

ক্লাসে বসে তুলির কাছে ক্ষমা চেয়ে চিঠি লিখলাম। ক্লাস শেষ হল চিঠি টা কোন মতে তার হাতে দিয়ে পালিয়ে আসলাম, দূর থেকে শুনলাম একটা চরের শব্দ, পিছুনে ঘুরতে দেখি তুলির বয়ফ্রেন্ড তুলিকে চর মারল, আর বলল তোমার লজ্জা করে না, একটা বয়ফ্রেন্ড থাকতে আর একটা ছেলের সাথে লুটুস পুটুস কর। তোমার সাথে ব্রেকয়াপ।ব্রেক আপ। ব্রেক আপ (মানুষ তিন তালাক দেয় আর এ ছেলে তিন ব্রেক আপ দিল।যা এবার আমাকে পেলে এই মেয়ে আর আস্ত রাখবে না,ক্ষমা তো দুরের কথা।) তাই আরও কয়েকদিন কলেজ গেলাম না। এদিকে তাস্ফিয়া বায়না ধরল আজ বিকেলে ঘুরতে যাবে,এই মেয়ে আমার আরেকটা কাটা। এই কাটা- টাকে যেন কোন ভাবেই সরাতে পারতেছি না।তাই বাধ্য হয়ে ঘুরতে গেলাম। পার্কের এক ব্রেঞ্চে বসে গল্প করতেছি। হটাত দেখলাম তুলি এই দিক দিয়ে আস্তেছে তাই মুখ ঘুরিয়ে নিলাম, কিন্তু বাচতে পারলাম। ভাবলাম কিছু একটা অঘটন ঘটতে পারে। তাই সুজুগ বুঝে মোবাইলের অডিও রেকর্ড চালু করলাম। যদি পরে কাজে লাগানো যায়। আমার কাছে এসেই বল্লঃ

— কি খবর তাওসিফ তুমি বললা আমাকে আসতে, আমি কতক্ষন ধরে তোমার জন্য অপেক্ষা করতেছি। আর তুমি এখানে (তুলি)
— আমি একটু ভাব নিয়ে বললাম, আপনি কে আপু।
–আমি তুলি, আমাকে এত তারা তারি ভুলে গেলা।নতুন মেয়ে পেয়ে আমাকে ভুলে গেলা। যানো আজ ডাক্তার একটা সু -সংবাদ দিছে। তুমি বাবা হতে চলেছ। আর তোমার পাশে এটা কোন মেয়ে। এই মেয়ে আমার স্বামীর সাথে তোমার কি।

— কিইইইই (আমি),(এই মেয়ে তো ভালই ফাঁসাল। না, পরিস্থিতি সামলাতে হবে)
— এবার তাস্ফিয়া উঠে দারাল আর কেদে কেঁদে বলল, ছি তুমি এত নিছ ছি,,,,,। (বলেই চলে গেল।)
–এবার তুলি বলল। কি, কেমন দিলাম, আমার বয় ফ্রেন্ডের সাথে ব্রেক আপ করিয়ে,আর নিজে আরামছে প্রেম করছ তাই না।
— এবার আমি তার কাছে গিয়ে বললাম একে বারে ফাটিয়ে দিয়েছ। একদম সুপারছে উপার। আমার প্রতিশোধ নিলে না,, যেন মনে হয় আমার অনেক বড় হেল্প করলে। ওই মেয়েটা অনেক দিন থেকে আমার পথের কাটা হয়ে ছিল।

–(বালিকা ভেবাচেকা খেয়ে গেল) (ভাবতেছে নিজের ফাদে নিজে পা দিল)
–এবার আমি বললাম, চল বিয়ে করে নেই, আমার সন্তান টার তো যত্ন নিতে হবে। তাছাড়া আমারও তোমাকে খুব ভাল লাগে।
— বালিকা বেহুঁশ হবার মত অবস্থা কিন্তু বেহুঁশ তো হতে দেয়া যাবে না।
— তাই রিক্সা ডাকলাম, পাশে বসাই বাড়ি নিয়ে গেলাম, আর বললাম কালকে আমরা বিয়ে করব। বলেই বাড়ি চলে আসলাম। (এদিকে আমার হাসতে হাসতে পেট ফাটে যাচ্ছে।) বাড়ি এসে দিলাম ঘুম। ঘুম থেকে উঠলাম, বিকেল ৪ টা বাজে।এখন তাস্ফিয়ার বাসা যেতে হবে তাকে পড়াতে। গেলাম সেখানে। আমাকে দেখে তাস্ফিয়া তার বাবাকে বললঃ

— বাবা তুমি তাওসিফ কে বলে দেও আমি আর ওর কাছে পরব না।(তাস্ফিয়া)
–কেনরে মা কি হয়েছে। ( আংকেল)
— বাবা ও একটা নষ্ট ছেলে। ওর কাছে পরলে আমাকেও নষ্ট করে ফেলবে।,,,,,,,( লজ্জার মাথা খেয়ে দুপুরের সব কাহিনী বলে দিল)
— কিরে তাওসিফ এগুলা কি সত্যি , সত্য করে বল। না হলে তোর বাবাকে সব বলে দিব।তখন তো জানিস তোর কি হবে। না এখান থেকে বাচতে হবে, তাই ভাবতেছি কি করা যায়, ইয়াহ পেয়ে গেছি।

— না আংকেল, আসলে হয়েছে কি, আপনার মেয়ে আমাকে ভালবাসে কিন্তু আমি বাসি না তাই আমাকে ফাঁসাচ্ছে। (আমি)
— কিইই, আমি তোমার মত নষ্ট ছেলেকে ভালবাসব। আমার বয়ে গেছে।( তাস্ফিয়া)
–তাহলে আমাকে ভালবাস না,
— না।
–সত্যি।
–হ্যা

এবার সবার সামনে নাচতে লাগ্লাম, আর গাইতে লাগ্লাম ডিংকা চিকা ডিংকা চিকা,আমার প্লান কাজে লেগেছে, ডিংকা চিকা, ডিংকা চিকা। এবার সবাই আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে। আংকেল তো বলেই ফেলল,

–কিরে পাগল – টাগল হলি নাকি।
–আরে না আংকেল, আপনার মেয়ে অনেক দিন থেকে আমার পিছনে আঠার মত লেগে আছে, তাই এই আঠা সরাতে এই প্লান করে ছিলাম, আর এই প্লান কাজে লেগেছে।,(পুরা মিথ্যা, আপ্নারা তো জানেন আমি ফেঁসে গেছি তাই বাচতে সব মিথ্যা বললাম। কিন্তু বিন্দু মাত্র প্লান ছিল না)

— এবার বালিকা আমার কথা শুনে কেঁদে দিল। (আমার এই কথা গুলা সয্য করতে পারেনি,আসলেই মেয়েটা আমাকে অনেক ভাল বাসে) এবার আমি বললামঃ
— আমি গেলাম আংকেল, আমি আর আপনার মেয়েকে পড়াব না, কারন আমি নষ্ট।পারলে অন্য কাউকে দেখেন।(এদিকে আমি হাসতে হাসতে বাড়ি ঠুকলাম) মা আমার হাসি দেখে বলল কিরে এত হাসতে ছিস কেন কি হইছে।

— আর বলনা মা, তোমার বউকে ডিভোর্স দিয়ে আসলাম, তাই।
–কিইইইই, তুই বিয়ে করলি কবে, আর ডিভোর্সও দিয়ে দিলি।
— আরে মা আজকালকার যুগে বিয়ে করতে হয় নাকি।তোমার আরেকটা বউতো প্রেগন্যান্ট হয়ে গেছে কাল নিয়ে আসব। (বলেই জিব্বায় কামর দিলাম, আবেগ আর খুশির তালে, কি বলে দিলাম যাহ,,,।)

–এদিকে মা বেহুশ। আমার মা টাও না অল্পতে বেহুঁশ হয়। কিন্তু জ্ঞান ফিরার পর যে আমার কি হবে আল্লাহ ভাল জানে।ঝাড়ুপিটা করে বাড়ি থেকে বের করে দিবে। , তাই ভাবতে লাগলাম কি করা যায়।ইয়াহ আইডিয়া পেয়ে গেছি। মায়ের পা ধরে ক্ষমা চাইতে হবে আর বলতে হবে সব মজা করছিলাম।

— মায়ের জ্ঞান ফিরল, তাই করলাম কিন্তু কাজ হল না, আমার মাও নাছর বান্দা। তাই বাচতে, গোড়া থেকে সব কাহিনী বললাম আমি, আর রেকর্ড টাও শোনালাম। তার পর মা বিশ্বাস করল। পরের দিন কলেজে গেলাম। মাঠে দেখলাম তুলি মন মরা হয়ে বসে আছে, তাই তার কাছে গেলাম আর বললাম

–কিরে বিয়ে করবিনা আমাকে। (আমি জানি এই মেয়ে মরে গেলেও বিয়ে করবে না আমাকে)
–প্লিজ দোস্ত এরকম করিস না, আমি একটা ছেলে কে ভালবাসি, আমার একটা স্বপ্ন আছে, আমার স্বপ্নটা নষ্ট করিস না। (হু হু করে কেঁদে দিল)
— আরে পাগলি কাঁদতে ছিস কেন, আমি তো মজা করছিলাম। তুই তো শুধু আমার একটা ঝগড়াটে বন্ধু। কিন্তু আমার একটা উপকার করলে খুব খুশি হব।
–কি বল।(শান্ত হয়ে)
–আমার বউ টা আমার উপর রাগ করেছে, রাগ টা ভাংগাই দিয়ে আসতে হবে।আর বলতে হবে আমিও ওকে খুব ভাল বাসি।
— ও এই ব্যাপার, আচ্ছা আজ বিকেলে বলব ঠিক আছে।
— ওকে, এখন ক্লাস এ চল।
–চল।

বিকেলে ছাদে বসে আছি। আর কি যেন ভাবতেছি। এমন সময় কে যেন কাধে হাত রাখল, পিছনে ঘুরলাম দেখলাম তাস্ফিয়া।

–তুই আমাকে এত ঘৃণা করিস আগে বললেই পারতি,অন্য মেয়েকে দিয়ে বলার কি ছিল।। (তাস্ফিয়া)
— কে বলল তোমায়, আমি তোমাকে ঘৃনা করি।
–কেন তোর বউ তুলি।
— কিইইইই(মেয়েটা আবার প্যাজ লাগাই দিছে, মেয়েটার সাথে ভাল ব্যবহার করেছি বলে মাথায় উঠেগেছে না একে নামাতেই হবে)
–আমি কাল ঢাকা চলে যাব, তোকে কেউ আর  বিরক্ত করবে না। ভাল থাকিস গেলাম। মেয়েটা চলে যেত ধরল, সাথে হাতটা ধরে টান দিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরলাম,আর বললামঃ
–, কই যাস, আমি যে তোকে খুব ভালবাসি, তুই চলে গেলে কার সাথে ঘুরব। কার সাথে ঝগড়া করব বল।
— (মেয়েটার চোখ থেকে শুধু পানি ঝরছে।)
— আর ওই মেয়েটা আমার বউ না, তুই আমার বউ হবি, শুধু তুই। ওই মেয়েটা প্যাজ লাগাই দিছে তোমার -আমার মাঝে।কারন আমার কারনে ওর বয়ফ্রেন্ড ওকে তিন ব্রেক আপ দিছে।ওকে কাল সোজা করব।

— না ও প্যাজ লাগায় নি, ও আমাকে কিছুক্ষন আগে সব বলে দিছে তাই তোমাকে পরিক্ষা করে নিলাম।
— ওও তাই বুঝি। আমি পাশ করেছি।
— পাশ করো নাই মানে, একদম ১০০ তে ১১০।
— হা হা, কোন মাস্টার আবার ১০০ তে ১১০ দেয়।
–কেন তোমার মাষ্টার বউ। এতদিন তুমি আমার মাস্টারি করছ এখন আমি তোমার মাস্টারি করব।
— ও তাই বুঝি। চল মায়ের কাছে।
–কেন?
— মাস্টারি করার পারমিশন টা তোমাকে দিয়ে দেই।
— না আগে প্রেম করব তার পর। থাক তাহলে আমি মাস্টার হব না, আপাতত তুমিই থাক।
–ওকে তাহলে চল, প্রাইভেট পরাতে হবে আবার।
— ওকে চল।

এভাবেই চলতে লাগল দিন গুলি, ঢাকা থেকে আমার দূর সম্পর্কের চাচা আমাদের বাড়িতে আসল বেড়াতে। বিকেল আমাকে কলেজ থেকে ফিরতে দেখে সবার সামনে বলল,

— কি খবর তাওসিফ কেমন আছ। (চাচা)
–ভাল চাচা,আপনি। (আমি)
–ভাল আছি। কিন্তু তুই এত হিংসুটে হচ্ছিস কেন রে।
–কেন চাচা, আমি আবার কি করলাম।
— তুই রাত দুই টা পযন্ত ফেসবুক চালাইস, কিন্তু আমার ছবিতে একটা লাইক, কমেন্ট করিস না। আগে তো খুব করতিস।
— ( চাচার জ্ঞান বুদ্ধি বলতে কিছু নাই সবার সামনে পর্দা ফাস করে দিল)
— কিইইই এই ছেলে রাত ২ পযন্ত ফেসবুক চালায়। আর সকাল ১২ টায় উঠে, কলেজ ফাকি দেয়। ঘরে কেউ থাকেনা বলে রাত দুইটা পযন্ত ফেসবুক চালায়।( মা)
— আরে ভাবী ওর বিয়ে দিয়ে দেন।তাহলে আর চালাতে পারবে না, ফেসবুকে কারও সাথে হয়ত লুটুস পুটুস করে (চাচা) (এই চাচা তো জন্মের ফাঁসান ফাঁসাইতেছে রে।)
— ঠিকই বলছিস, বিয়ে দিলে আর বাদড়ামি করার সাহস পাইব না। (মা)
–আরে আমিও তো সেটাই বোঝাতে চাচ্ছি। (যা রাগের মাথায় কি বলেদিলাম, সাথে সাথে জিব্বায় কামড়)

— কিইইই, তার মানে তুই ঠিকই বিয়ে করবি, দাড়া তোর ব্যাবস্থা করছি।(মা)
— কি ব্যাবস্থা মা। (ভাবলাম ঝাড়ুপিটা করবে)
— তোর বিয়ের ব্যবস্থা।
— কার সাথে।
— কেন, পাত্রির সাথে।
–তা কোন পাত্রী,
–কেন, তাস্ফিয়ার সাথে।তুই যে ওর সাথে লুটুস পুটুস করিস তা আমি জানি না বুঝি।
–ওও, জানা ভাল।
— কিইইই,তোর লজ্জা শরম বলতে কিছু নাই,,, তোর সামনে, তোর লুটুস,পুটুস এর কথা বলতেছি, তাও তুই বলতেছিস জানা ভাল।
–আরে মা কোন জানার ফলে যদি আমার ভাল কিছু হয়, তাহলে সেটা জানাই ভাল।
–হ্যা সেটা তো তোর ভাল হবেই। বিয়ে করার সখ জেগেছে আর কি করবি। (মা)
— আরে ভাবী ওর বিয়ে টা দিয়ে দেন আমরাও দাওয়াত টা খাই।(চাচা)
–ঠিক বলেছ চাচা। (আমি)
— ওই তুই যদি আর একটা কথা কস তাহলে তোর বিয়ে করার হাউস মিঠাই দিমু। ( মা) (আমি চুপ,ভাবলাম বিয়েটা আর এই বছর হয় না) অনেক কষ্টের পর বিয়েটা হল এখন আমি খুব খুশি। এমন ভালবাসার মানুষ টি পেয়ে।

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত