সোনার তরী (পর্ব-2)

সোনার তরী (পর্ব-2)

ঝুম উধাও হয়ে যাবার পর উঠান ঠিক আগের মতো হয়ে গেলো।
হুমায়ন : তুর চলো এখান থেকে। আমাদের এখনি ল্যাপটপ অন করতে হবে। দেখতে হবে ঝুম এখন কোথায়।
কি ব্যাপার তুর কাঁদছ কেন তুমি,,,

তুর : খুব ভয় করছে স্যার ঝুমের যদি কিছু হয়ে যায়। আ আমি অনেক ভালবাসি পাগলীটাকে,

শুধু রাগ করবে বলে এখনো জানাইনি।

হুমায়ন : তুর এখন ভেঙে পরলে চলবে না। আমাদের হাতে এখন অনেক কাজ তার উপর আবার
ঝুমের মা বাবা আছে।এখন চলো তাড়াতাড়ি।

তুর আর হুমায়ন দূত তুরের বাসায় চলে এলো। রুমে ঢুকেই হুমায়ন ল্যাপটপ অন করল।
তুর : স্যার কিছু কি দেখা যাচ্ছে।কোথায় আছে ঝুম,

হুমায়ন : না এখনো দেখা যাচ্ছে না।চারিদিক শুধু হলুদ আলো দেখা যাচ্ছে।
তুর : স্যার সকাল হলে তো ঝুমের মা বাবা ঝুমকে খুঁজবে। না পেলে তো থানা পুলিশ করবে।

হুমায়ন : হুম জানি।তার আগে ঝুমের সাথে দেখা হবার দরকার।টেনশন লাগছে খুব কি হল। তুর সকালে আমি আর তুমি ঝুমের বাসায় যাবো।

তুর : ওকে স্যার। স্যার ল্যাপটপ দেখুন,,, কিছু একটা দেখা যাচ্ছে।
হুমায়ন : আরে তাই তো। কিন্তু ক্লিয়ার বুঝাই যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে ভাপসা হাওয়া পরেছে ক্যামেরাই।ক্যামরা তো ঝুমের গলায়।কোথাও পরে যায় নি তো ক্যামেরা।উফফ খুব টেনশন হচ্ছে।ঝুম উধাও হওয়া ২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে।

তুর : স্যার আর কি কোনো উপায় নেই যোগাযোগ করার।
হুমায়ন : না তুর আর কোনো উপায় নেই।
তুর খেয়াল করে দেখো কিছু একটা ঘষা খাচ্ছে ক্যামেরাই।
তুর : আরে এই তো ঝুম । এ এ এই ঝুম ঠিক আছিস তো তুই বাবু।
(ক্যামেরাই শুধু ঝুমের মুখ দেখা যাচ্ছিল।ঝুম লকেট টা
ধরে নিজের দিক করেছিল।)
কি রে ঝুম হাত নাড়ছিস ক্যান শুধু কথা বল।

হুমায়ন : তুর ঝুম কথা বললে ও আমরা ওর কথা শুনতে পাবো না।কিংবা ও ও আমাদের কথা শুনতে পাবে না। কিন্তু ওর থেকে সব কিছু জানবো কি করে,,,ইসস যদি ওকে একটা খাতা কলম দিতাম।

তুর : (উত্তেজিত হয়ে) স্যার একটা কাজ করি আমরা এখানে খাতায় লিখে সেটা ক্যামেরাই ঝুমকে
দেখায়।
হুমায়ন : হুম গুড আইডিয়া। কাগজ কলম নিয়ে আসো তাড়াতাড়ি।
তুর একটা কাগজে কিছু কথা লিখলো।
ঝুম কেমন আছিস তুই।এতো লেট হল কেন
তোর।ওখানে কি কি আছে। তুই কিছু তে লিখে
আমাদের দেখা। কথা গুলো লিখে তুর কাগজটা ক্যামেরার সামনে ধরলো।
ঝুম একটা পাথরের গায়ে কালো কিছু দিয়ে লিখলো।

ঝুম : আমি ভালো আছি।লেট কই আমি এই মাত্র এলাম এসেই ক্যামেরা ক্লিয়ার করছি।আমার আশপাশে কেউ নেই। নেই সেই নৌকা গুলি।কিন্তু মনে হচ্ছে এখানে কেউ থাকে এই দেখো (ক্যামেরা ঘুরিয়ে দেখালো ঝুম) মানুষ এর পায়ের ছাপের মতো। এই জায়গা তা কেমন জেনো অদ্ভুত। চারিদিক সোনার মত রঙ। আকাশ দেখা যাচ্ছে না কোথাও কোনো আলো প্রবেশ এর জায়গা নেই কিন্তু সব কিছু দিনের আলো মত ঝকঝকে। আমার কেমন ভয় লাগছে।সামনে একটা রাস্তা চলে গেছে হয়ত
সেখানে কিছু আছে।পায়ের নিচে সেই উঠানের সোনার মত পানি।

হুমায়ন : ঝুম তুমি ভয় পেয়ো না।সামনে এগিয়ে যাও আর নিজের খেয়াল রেখো। আর হ্যা ওই বক্স টা কাস ছাড়া করবে না। ঝুম হাতের মুঠোই বক্সটাকে শক্ত করে ধরে ভিরু পায়ে সামনের দিকে এগুতে লাগলো।। তুর আর হুমায়ন এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ল্যাপটপের দিকে।ক্যামেরাই চারিদিক শুধু সোনার দেওয়াল আর সামনে সুরঙ্গ পথ দেখা যাচ্ছে।হঠাত ঝুমের পায়ের সাথে কিছু একটা উঁচু জিনিস বেধে ঝুম পরে যায়।অনেক জরে আওয়াজ হল পানির মধ্যে।ক্যামেরা ঝাপসা হয়ে যাওয়ায় আর কিছু দেখতে পেলো না তুর আর হুমায়ন। ঝুম উঁচু জিনিস টা হাতরে হাতে নিয়ে দেখলো কি
জিনিসটা।

ঝুম : এটা কি,,মনে হচ্ছে এটা একটা ভাঙা বদনা।বদনা এখানে এলো কি করে।
এটা স্যারকে দেখায়।
অহ ক্যামেরা তো ভিজে গেছে , মনে হচ্ছে কেউ আসছে এই দিকে। লুকাতে হবে।
ঝুম কারো পায়ের আওয়াজ পেয়ে একটা পাথরের আরালে লুকিয়ে পরল।ক্যামেরা হাত দিয়ে মুছে
দিলো ঝুম।আবার দেখা যাচ্ছে সব কিছু।তুর আবার কিছু লিখে ক্যামেরাই ধরেছে।
তুর : কি হয়েছে ঝুম। তুই ঠিক আছিস তো।
ঝুম : (পাথরে লিখল) আমি পরে গিয়েছিলাম এই ভাঙা বদনায় বেধে।কেউ এই দিকে আসছে পায়ের
আওয়াজ আসছে পানির মধ্যে।
হুমায়ন : বদনা।,, তুর এইটা সেই বদনা নয় তো যেটাই ঝুমের মুন্সি দাদু সোনার পানি তুলেছিল।

তুর : হ্যা স্যার ( ) হতেও পারে এইটা সেই বদনা।
ঝুম : কে আছে এখানে কে আসছে। উফফ বুকের মধ্যে ধুপধুপ করছে।

আওয়াজ আরো কাছে এগিয়ে এলো। ঝুম ক্যামেরা নিজের মুখের দিক করে রেখেছিল। আওয়াজ গুলো ঝুমকে পেরিয়ে যাচ্ছিল। পাথরের আরাল থেকে ঝুম উকি দিয়ে দেখল কে যাচ্ছে।
উকি দিয়ে দেখতেই ঝুম আতকে উঠল হালকা চিৎকার বেরিয়ে এলো মুখ থেকে। ঝুমের
এই রকম মুখ দেখে তুর আর হুমায়ন ও উত্তেজিত হয়ে গেলো। ঝুম লকেট ছেড়ে দিয়ে নিজের
মুখ চেপে ধরল।এবার লকেট নিচে ঝুলে নেমে যাওয়ার কারনে সামনের সব কিছু দেখতে পেলো
তুর আর হুমায়ন। এখন বুঝতে পারছে কেন তখন ঝুমের মুখ ওমন হয়ে গেছিলো। হঠাত আবার অন্ধকারে ঘিরে গেলো ক্যামেরা,,,,,

হুমায়ন : ধ্যাত আবার কি হল।
তুর : এই তো এই তো আবার ঠিক হয়ে গেছে। স্যার দেখুন ঝুম কিছু একটা লিখছে।
ঝুম : আমি জানি না আপনারা কিছু দেখছেন কি না স্যার। আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে এখন।এখান থেকে কি করে বের হব আমি।দাদু গল্পে যেমন বলেছিল ঠিক তেমনি ওরা কয়েক জন মাথা বিহিন ছোট ছোট বাচ্চা আর তাদের মধ্যে রয়েছে একজন বুড়া লোক।
কিন্তু লোকটার মাথা আছে।দেখে মনে হল উনি মানুষ। হাতে একটা মাটি কাটার কোদাল।ঠিক যেমন আসামী কে নিয়ে যায় তেমন করে উনাকে নিয়ে গেলো। তারা চলে যাবার পর অনেক গুলো
মানুষের কথার আওয়াজ শুনা যাচ্ছে।বুঝতে পারছি না তারা মানুষ নাকি অন্য কিছু।

হুমায়ন : ঝুম তুমি সাবধানে এগিয়ে যাও। দেখো কি করছে তারা।(লিখে জানালেন)
ঝুম ভাঙা বদনা টা রেখে পা টিপে টিপে সামনের দিকে এগিয়ে গেলো। একটু যেতেই ঝুম আবার
পিছলে পরে গেলো। কিন্তু এবার সোনায় না কাদা মাটিতে পরে গেলো ঝুম।নিজেকে সামলে
নিয়ে উঠে দাড়ালো আবার।চারিদিক ভালো করে তাকিয়ে দেখল মনে হচ্ছে পুকুর খননের কাজ
হচ্ছে।ভেতরে পা রাখতেই ঝুম কারো গলার আওয়াজ শুনল।
ছেড়ে দাও আমাদের আমরা আর পারছিনা,,,,,,,,

কথার আওয়াজ পেয়ে ঝুম আরেকটু ভিতরে ঢুকলো।
ভিতরে ঢুকে থমকে দাড়ালো ঝুম। অনেক গুলো মাথা কাটা বাচ্চা আর তাদের সামনে দাড়িয়ে আছে ৫ জন বৃদ্ধ লোক।তাদের মধ্যে একজনের চোখে চোখ পরে গেলো ঝুমের।ঝুম ভয় পেয়ে গেলো। লোকটি চোখের ইশারায় ঝুমকে লুকাতে বলল। কিন্তু ঝুম বুঝে উঠার আগেই পিছন থেকে আরো
বাচ্চা এসে ঝুমকে ধরে ফেলে।ঝুম ভয়ে চেঁচিয়ে উঠে অট্ট হাসিতে মেতে উঠল বাচ্চা গুলো। মাথা নেই কিন্তু তারা ঠিকি কথা বলছে।তাদের মধ্যে থেকে একজন বলে উঠল আরেকজন বেড়ে গেলো মাটি কাটার জন্য।

মাটি কাটা কথাটা শুনে ঝুম একটু অবাক হয়ে গেলো।
ঝুম : কিসের মাটি কাটা,,
বাচ্চা : যেটা বলেছি সেটাইই কর।যতখন মাথা না পাবি
ততোখন খনন করবি। ঝুম ভ্যাবাচেকা খেয়ে বুড়া লোক গুলোর মুখের
দিকে বার বার তাকাচ্ছিল।ঝুমের মনে পরে গেলো ক্যামেরার কথা চুপি চুপি হাত দিয়ে লকেট সোজা
করে দিলো। ল্যাপটপে বাচ্চা গুলো দেখে আবার ভয় পেয়ে গেলো তুর আর নিল।মাটি খনন
করতে দিয়ে কোথায় জেনো উধাও হয়ে গেলো বাচ্চা গুলো।

ঝুম : আপনারা কারা। এখানে কিসের জন্য। আর মাটি খনন করব কেন হুয়া।ওই ভুত গুলো কেন এমন করছে।
১ বুড়া : মা কথা বারিয়ে লাভ নেই চল কাজ করি ২৫ বছর হল এখানে বন্দি।২৫ বছর হল এইখানে এই ভাবে মাটি খুরে চলেছি।নিজের পাপের শাস্তি ভোগ করছি।

ঝুম : নিচের পাপের শাস্তি মানে,,আপনি কে আপনার নাম কি?
১ বুড়া : আমি এক হতভাগা মা।আমার নাম মুন্সি মন্ডল।

ঝুম : কিহ,,মুন্সি তুমি মুন্সি দাদু।দাদু তুমি বেচে আছো।

মুন্সি : দাদু,, আমায় দাদু বলছ। কে মা তুমি,,
ঝুম : দাদু আমি শিহাবের মেয়ে ঝুম।তোমার ভাই আসাদুর তার ছেলে শিহাব মনে নেই তোমার।

মুন্সি : হুম মা হুম মনে আছে। তুই আমার সেই পুচকি শিহাবের মেয়ে।
ঝুম : হুম আব্বু আর পুচকু নেই দাদু। ইনারা কারা।

মুন্সি : হুম মা,ইরা আমাদের গ্রামেরি মানুষ আমার মতো লভে পরে এসেছে এই পাতালে।
কিন্তু তুই,, তুই কি করে এলি এখানে।
ঝুম : দাদু ধরে নাও আমি তোমাদেরি খোজ করতে এসছি এখানে।দাড়াও,,

ঝুম একটা পাথরের গায়ে মুন্সি দাদুর কথা লিখে হুমায়ন স্যারকে আর তুর কে দেখালেন।
ঝুম : স্যার এখান থেকে বের হব কি করে আর এই বাচ্চা গুলা মাথা মাথা করছে কেন।(লিখে)

হুমায়ন : (লিখে)ঝুম আমার মনে হয় ওই বাচ্চা গুলো নিজেদের মাথার কথাই বলছে।কারণ ওদের তো মাথা দেখছি না।কিন্তু মাটি খুড়ার সাথে ওদের মাথার কি সম্পর্ক এটা বুঝছিনা।

ঝুম : আমি দেখছি এদের সাথে কথা বলে।
আচ্ছা দাদু এই মাথার ব্যাপার খানা কি বল তো।
মুন্সি : ওরা বলে ওদের মাথা নাকি এই জায়গাতেই কাটা পরেছে যার জন্য এই মাটি খুরে ওদের মাথা খুঁজে দিলে আমাদের মুক্তি দিবে।আর তা না হলে এই খানে ধুকে ধুকে মরতে হবে আমাদের।ও ও ওই ওদের পায়ের আওয়াজ হচ্ছে মনে হয় আবার আসছে চল সবাই মাটি কাটি।

ঝুম ও সবাই সাথে কাজে লেগে গেলো।
বাচ্চা : পেয়েছো মাথা,
মুন্সি : না বাবু এখনো পাইনি,,,(আ আ আ আ )
না বলাতে বাচ্চা গুলো সবার উপর আঘাত করতে লাগলো। এবার ঝুমের দিকে হাত বাড়াতেই ঝুম সরে গেলো।
ঝুম : প্লিজ মেরো না।আমি বের করে দিবো তোমাদের মাথা। আমাকে শুধু ২ দিন সময় দাও,,
বাচ্চা : হা হা হা ২ দিন এতো বছরে পারলো না আর তুই ২ দিনে বের করে দিবি।

ঝুম : প্লিজ রেগো না।আমার কথা শুনো,, আমাকে খুলে বল কোথায় কি করে তোমরা
তোমাদের মাথা হারিয়েছ।

বাচ্চা : তুই কি পারবি আমাদের মাথা ফিরিয়ে দিতে। যদি না পারিস তাহলে তোকে সহ বাকিদের মাথা কেটে দিবো।
ঝুম : হুম পারবো। কিন্তু তার আগে আমাকে এটা বল যে কি হয়েছিল।
বাচ্চা : আজ থেকে ৮০ বছর আগে আমাদের মাথা কেটে দিয়েছে রমিজ খাঁ।

ঝুম : ৮০ বছর আগের কথা,,
মুন্সি : রমিজ খাঁ।
বাচ্চা : হ্যা রমিজ খাঁ।
ঝুম : দাদু তুমি রমিজ খাঁ কে চিনো।

মুন্সি : না আমি দেখিনি। কিন্তু আমি নাম শুনেছি আমাদের গ্রামের শেষ মাথায় একটা জমিদার বাড়ি ছিল ওইটা নাকি রমিজ খাঁর রাজবাড়ি ছিল।অনেক টাকা মহর আর সোনা দিয়ে নাকি গড়েছিল বাড়িটা।
ঝুম : দাদু সেটা এখনো আছে।প্রায় ধসে পরে যাবার অবস্থা হয়েছে।

বাচ্চা ; ওই রাজবাড়ির নিচেই আছো এখন সবাই।
ঝুম : কিহ,,

বাচ্চা : হ্যা। ওই রমিজ খাঁ নিজের রাজবাড়ি বানানোর সময় একটা শয়তানের যোগ্য কক্ষ খুলেছিল।সেই কক্ষ আত্মা দাড়া বন্দি করার জন্য ২০ টা ৬ বছরের বাচ্চার মাথা কেটে ওই কক্ষের চার কোণায় পুতে দেই।আর সেই ২০ জন বাচ্চা হলাম আমরা।

ঝুম : উফফ এতো কঠিন কি করে ছিল উনি।কিন্তু তোমাদের নৌকা আমাদের উঠানে ভাসে কেন।
আমরা শুধু ওই উঠানে না আরো অনেক জায়গায় ভাসি। শুধু কারো সাহায্য পাবার আশার। জেনো কেউ আমাদের মাথা খুঁজে দিয়ে আমাদের এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিক।

ঝুম : তোমরা আমাদের এখান থেকে বের করে দাও আমি নিজে ২ দিনের মধ্যে তোমাদের মুক্তি
দিবো। খুঁজে দিবো মাথা।

হুমায়ন আর তুর শুধু ক্যামেরাই মাথা কাটা বাচ্চা দের দেখতে পাচ্ছিল আর তাদের নড়াচড়া।
তুর : স্যার ঝুম বিপদে পড়ল না তো। মনে তো হচ্ছে ঝুম ধরা পরে গেছে।

হুমায়ন : হুম তাই তো দেখছি।কিন্তু আমি ভাবছি ঝুমের মা বাবার কথা।সকাল তো হয়ে গেলো উনারা তো ঝুমকে দেখতে না পেলে চিন্তা করবে।

তুর : স্যার আপনি তো কলেজের স্যার আপনার কথা ওর মা বাবা মানবে।তাই আপনি যান আপনি  গিয়ে ঝুমের মাবাবাকে একটু বুঝান।
হুমায়ন : দেখো তুর এটা ডিজিটাল যুগ এখন মানুষ মানুষকে এতো বিশ্বাস করে না।শুধু আমার কথাতে উনারা বিশ্বাস করবে না তাই তুমিও চলো আমার সাথে।

তুর : কিন্তু স্যার যদি এর মধ্যে ঝুমের কোনো হেল্প দরকার হয়।
হুমায়ন : আমি।সেটা খেয়াল রাখবো। এখন চলো আগে ঝুমদের বাড়ি যায়।

হুমায়ন আর তুর গাড়ি করে ঝুমের বাড়ি গেলো। বাড়ির মধ্যে থেকে ঝুমের মায়ের গলার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছিল। ঝুমের নাম ধরে ডাকছিল।হুমায়ন আর তুর গেট নক করল। ঝুমের বাবা গেট খুলে দিলো। উনি তুর কে চিনেন এর আগে ও তুরকে উনি দেখেছেন।তুরদের দেখে ঝুমের মা ও এগিয়ে
এলো। হুমায়ন আর তুর ঝুমের সব কথা খুলে বলতেই ঝুমের মা মেয়ের জন্য কাঁদতে লাগলো।
ঝুমের বাবা রেগে ঘরের মধ্যে চলে গেলো। উনার চলে যাওয়াতে তুর হুমায়নের কানে কানে
ফিসফিস করে বলল

তুর : স্যার আমি ঝুমের কাছে শুনেছি ওর বাবার একতা পিস্তল আছে রাগলেই নাকি ওটা বের করে,,
হুমায়ন : what,, .

আরো গল্প পড়তে লিংক এ ক্লিক করুন……

সোনার তরী (পর্ব-1)

সোনার তরী (পর্ব-3)

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত