নিয়তির খেলা

নিয়তির খেলা

পার্কের বেন্ঞ্চে বসে রাজু,অবন্তিকার জন্য অপেক্ষা করতেছে। অবন্তিকা আসতে আসতে নাহয় রাজুর পরিচয়টা দিয়ে দিই। রাজু হলো তার পরিবারের ছোট ছেলে।পড়ালেখা শেষ করে এখনও বেকার ঘুরতেছে।চাকরির জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্টানে ইন্টারভিউ দিতেছে।কিন্তু সে কোন চাকরিই যোগাড় করতে পারলো না। যার ফলে তাকে বাসায় প্ররতিনিয়ত কটু কথা শুনতে হয়। তার বাসায় রয়েছে মা,বাবা,বড় ভাই,ভাবি এবং তার ছোট একবোন। তার বড়ভাই এখন তাদের সংসারটা চালায়।আর যার ফলে,রাজুকে তার বড়ভাই,ভাবি,ছোট বোন ও মা-বাবাও পর্যন্ত রাজুকে বেকার থাকার কারণে কটু কথা শোনায়।যেমন আজকে সকালে কাহিনীটা বলি, রাজু ঘুম থেকে উঠলে,তাকে বাজার করার জন্য বাজারে পাঠায়।

রাজুও কোন কথা না বলে বাজার করে আনে। বাজার করে আনার পর রাজু ফ্রেশ হয়ে তার রুমে গিয়ে বসলো।এর কিছুক্ষন পরে সবাই মিলে নাস্তা করতে গেলো।কিন্তু কেহই রাজুকে নাস্তা করে ডাকল না।

সকলের নাস্তা করা শেষ হলে,রাজুকে তার ছোটবোন নাস্তার টেবিলে ডাকলে রাজু নাস্তা করতে যায়।তখন তার ছোটবোন রাজুর দিকে একটা আটার রুটি আর সামান্যটুকু আলুর ভাজি এগিয়ে দিয়ে,
:-এই নে,এগুলো খেয়ে আমাকে উদ্ধার কর।(রাজুর বোন) রাজু কিছু না বলে,রুটিটা যেই ছিড়তে যাবে,তখন তার কানে ভেসে এলো তার ভাই আর মায়ের আলাপ, তার ভাই বলতেছে,
:-মা,আমার পক্ষে এরকম বেকারকে এভাবে বসিয়ে খাওয়ানো সম্ভভ হবে না।(ভাই)
:-কি করবি বল,ছ্যাচড়াটা তো ঘাড় থেকে নামতেছে না।কোন কাজ না করেই তিনবেলা ভালো করে গিলতেছে।(মা)
রাজু তার মায়ের মুখে এমন বাক্য শুনে রুটিটা আর খেলো না।সোজা টেবিল থেকে উঠে গেলো।
তার বোন তাকে পেছন থেকে কয়েকবার ডাকলেও রাজু সাড়া না দিয়ে বাসার বাইরে চলে এলো।
বাসার বাইরে আসলে,রাজু অবন্তিকার ফোন পায়।ফোন রিসিব করলে,

:-এই তুমি একটু পার্কে আসতে পারবে,,,?(অবন্তিকা)
:-কেন,,?(রাজু)
:-না,এমনিই দেখা করতাম আরকি,,?
:-আচ্চা,আসতেছি।
এই বলে রাজু ফোনটা কেটে দিল।
রাজুর মোবাইলটা দেখলে,আমার মনে হয় কুত্তাও ভেচকি দিবে।
এই মোবাইল মনে হয় এইযুগে আর দ্বিতীয়টা কারো কাছে পাওয়া যাবে না।এই মোবাইলটার ব্যাপারে কেহ কিছু বললে, রাজু বলে এটা আমার দাদুর স্মৃতি।এই বলে সকলের কাছ থেকে এই বলে এড়িয়ে যায়।
কম আর বেশ সকলেই রাজুর এই মোবাইল নিয়ে টিটকারি করে।এতে করে রাজু তাদের কথা মাথায় নেয় না।
ঐদিন অবন্তিতিকা ও তার এই মোবাইলের কারণ জিগ্গেস করলে রাজু এই এক কথা বলে এড়িয়ে যায়।

যাইহোক দীর্ঘক্ষন অপেক্ষা করার পর অবন্তিকা আসল।
এখন রাজু আর অবন্তিকা একই বেন্ঞ্চে বসে আছে।নিরবতা ভেংগে অবন্তিকা বলল,
:-এই জানো,আব্বু আমার বিয়ের জন্য পাত্র খুজতেছে,,,?(অবন্তিকা)
:-খুজলে কি আর বিয়ে হয়ে যাবে।উনি পাত্র খুজতে খুজতে দেখবে আমি চাকরির ব্যবস্থা করে ফেলব।(রাজু)
:-এটা সময়েই বলবে।এখন চলো দুজনে ফুচকা খাই,
:-আসলে আমাকে না এখন বাসায় যেতে হবে।আম্মু বারবার ফোন দিতেছে।
:-আচ্চা,তা না হয় যাবে।এখন চলো দুজনে ফুচকা খাই।
এই বলে অবন্তিকা রাজুর হাতের বাহু ধরে টানতে টানতে ফুচকা দোকানের সামনে নিয়ে আসলো।
এখন রাজু চিন্তায় পড়ে গেল।কারণ তার কাছে ২০ টাকার একটি নোট ছাড়া আর কোন টাকাই নাই।
আর এই বিশটাকা আজ তিনদিন ধরে রাজুর পকেটে পড়ে ছিল।এখন মনে হয় এই শেষ সম্বলটাও যাবে।
রাজু আর কিছু ভাবতে পারছে না।তাই সে ফুচকাওয়ালাকে এক প্লেট ফুচকার ওর্ডার দিয়ে তাকে বিশ টাকার নোট হাতে ধরিয়ে,অবন্তিকাকে বলে ওখান থেকে চলে এলো।

আর অবন্তিকা রাজুর চলে যাওয়ার পানে তাকিয়ে থাকলো।
এদিকে রাজু অবন্তিকাকে বিদায় দিয়ে বাসার দিকে রওয়ানা দিলো।
ক্ষুদায় রাজুর পেটে ছো ছো করতেছে।এখন তার কাছে একটা টাকাও নাই যে,সে কিছু কিনে খাবে,তাই বাধ্য হয়ে বাসার দিকে রওয়ানা দিল।
বাসায় ডুকলে রাজু মা রাজুকে শুনিয়ে বলতে শুরু করলো,

:-নবাবজাদা আসছেরে,বউমা,,,নবাবজাদাকে খাবার দাওতো,,,?(আম্মু)
:-আম্মু আমার ক্ষুদা লাগে নাই,,,(যদি ও ক্ষুদা লাগছে,মায়ের এমন ভাবে কথা বলায় রাজু ক্ষুদা চলে গেছে)
:-ক্ষুদা না লাগলেই ভালো,যে ভাবে বসে বসে ঘরের অন্ন শেষ করছে।তাতে করে সংসারে দুর্যোগ শুরু হবে,,,,(রাজুর গায়ে হিট লাগিয়ে কথাটা বলল তার মা)
আর রাজু কিছু না বলেই,তার রুমে গিয়ে শুয়ে রইল।কিছুক্ষনের মধ্যে খুদার জালায়,রাজু ঘুম চলে আসল।
সন্ধ্যার দিকে রাজুর ঘুম ভাংলো।ঘুম ভাঙ্গার পরে রাজু তার পেটে কেমন যেন ব্যথার অনুভব করল।
আশ্চার্য ব্যাপার হলো রাজু যে এখনও পর্যন্ত না খেয়ে আছে,তা কেউ মনেই রাখলো না।অন্তত তাকে তো দুপুরে খাবার খাওয়ার জন্য ডাকতে পারতো।

রাজু আর কিছু না ভেবে ফ্রেশ হতে গেল।ফ্রেশ হয়ে এসে,রাজু আবার তার রুমে গিয়ে শুয়ে রইলো।
পেটে প্রচন্ড খুদা থাকার কারনে,রাজু পেটে ব্যথার তীব্রতা অনুভব করল।তাই সে পেটের মধ্য বালিশ দিয়ে শুয়ে রইল।
অপরদিকে,অন্যরুম থেকে টিভি চলার এবং হাসাহাসির আওয়াজ রাজুর কানে ভেসে আসতেছে।
আর রাজু ভাবতেছে,
তার মা বাবা কেন যে তার সাথে এমন করে কথা বলে।মনে হয় তারা ভাইয়ার চাকরির টাকায় চলে বলে,তারা তার সাথে এমন আচরণ করে।
আজ যদি তার একটি ছোটখাট চাকরি থাকত,তাহলে বোধহয় সকলে তার সাথে এমন আচরণ করত না।
আসলে চাকরিই সব?
রাজু নিজেকে নিজে প্রশ্ন করল।আর চোখের পানি ফেলতে লাগল।
রাজু এই কান্না হয়তো তার মা বাবা বা তার পরিবারের কারও কাছেই পৌছাবে না।আর পৌছালেও কি তারা রাজু ভিতরের কষ্টটা বুঝতে পারবে।
রাজু কাদতে কাদতে চোখ মুখ লাল করে কেমন এক দশা করে ফেলছে।

অবশেষে,রাত দশটার দিকে রাজুকে তার বোন ডেকে গেল খাবার খেতে।
রাজুও আর কিছু না ভেবে চোখমুখে পানি ছিটিয়ে খাবার খাওয়ার জন্য খাবার টেবিলে গেল।
সেখানে গিয়ে রাজু দেখল,সকলে হাসিখুশি ভাবে কথা বলছে আর খাবার খাচ্ছে।শুধুমাত্র সে বাদে।
যাইহোক,সকলে খাবারের দিকে মনে যোগ থাকায় রাজুর দিক খেয়াল করে নাই।
যখন রাজুকে তার মা খাবার টেবিলের সামনে দেখলো,তখন,

:-কিরে দাড়িয়ে আছিস যে।বসস,,,(রাজুর মা) সকলে যখন খেয়াল করল,রাজু খেতে এসেছে,তাই সবাই চুপ হয়ে কেমন যেন আড়চোখে তাকাচ্ছে।যেন তার কোন এলিয়েন দেখতেছে।
:-কিরে বসতে বলছি না,,,বসস।আর চোখমুখের এমন অবস্থা করলি কেমনে?(রাজুর মা)
:-আসলে সারাদিন বাসায় বেকার থেকে পড়ে পড়ে ঘুমালে এমনই হবে,,,(মুখ তুলে কথাটা বলল,রাজুর বাবা)
একথার জবাবে রাজু কিছু না বলে খেতে বসল।
খাওয়া-দাওয়া শেষ করে রাজু আবার তার রুমে চলে গেলো।
রুমে গিয়ে আবার শুয়ে পড়লো সে।
তখনই রাজুর ফোন আসলো।মোবাইলের দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখে,অবন্তিকার নাম্বার থেকে ফোন এসেছে।তাই ফোন রিসিব করলে,

:-হ্যালো,,(রাজু)
:-তোমাকে যেটা বলি সেটাই শুনো,,,(অবন্তিকা)
:-হুম বলো,,,
:-তোমাকে আমি দুইদিন সময় দিতেছি,তার মধ্যে হয় তুমি আমার বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবে আর তা নাহলে আমি বাবার পছন্দের ছেলেকেই বিয়ে করব।
এই বলে রাজুকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ফোনটা রেখে দিল অবন্তিকা।
আর রাজু ভাবতে লাগলো,পৃথিবীতে মনে হয় বড় অসহায়।যার সবথেকেও কিছুই নেই

রাজু আর কিছু না ভেবে শুয়ে পড়লো।কারণ,কাল সকালে রাজু আবার একটা প্রতিষ্টানে ইন্টারভিউ আছে।
পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার জন্য রেডি হলো রাজু।
নাস্তা না করেই,রাজু তার মায়ের কাছে গিয়ে ডাক দিলো।
রাজুর ডাকশুনেই রান্নাঘর থেকে রাজুর মা এসে বলল,

:-কিরে,এইরকম ষাঁড়ের মত চেচাচ্ছিস কেন?
:-আসলে আম্মু,আমার না আজকে একটা প্রতিষ্টানে ইন্টারভিউ আছে।সেখানে যেতে হবে।(রাজু)
:-যেতে হলে যাবি,,আমার কাছে কি,,,?আর শোন আমার কাছে কোন টাকা-পয়সা নেই যে তোকে দিব।এইভাবে তুই আমার কাছ থেকে অনেকগুলো টাকা নিয়েছিস।লাভের ফল হলো জিরো।চাইলে তোর বাবার কাছে চাইতে পারিস,,,
এই বলে উনি চলে গেল রান্নাঘরের দিকে।
আর রাজু কিছু না বলেই বাসা থেকে বাহির হয়ে সোজা ইন্টারভিউ কেন্দ্রের দিকে রওয়ানা দিলো।
হ্যা,রাজু তার বাবার কাছে টাকা চাইলেও,তার বাবা দিত না।বরং তাকে কিছু কথা শুনিয়ে দিত।
তাই রাজু সোজা হাটা দিল।

যাইহোক ইন্টারভিউ শেষ করে,রাজু আবার বাসার দিকে হাটা দিল।
এতক্ষনে রাজুর পেটে আবার ব্যথা শুরু হলো।কারণ এখন প্রায় দুপুর হতে চলল,এখনও পর্যন্ত রাজু পেটে কিছু পরে নাই।আর পেটে কিছু দেওয়ার মতো টাকাও নাই।
অবশেষে,বাসায় এসে পৌছালে রাজুর মাথাটা কেমন যেন ঘুরে উঠে।তাই সে সোজা রুমে গিয়ে খাটের উপর গা এলিয়ে দেয়। কিন্তু পেটে ব্যথা ও পেটে এখনও কিছু না পড়ায় রাজুর কেমন যেন করছিল।তাই সে তার মাকে ডাক দিলে,

:-কিরে,এভাবে ডাকিস কেন,,,?তুই বেকারের কোন কাজ নাইবা থাকতে পারে,কিন্তু আমাদের আছে,,,কি বলবি বল?(রাজুর মা)
:-আম্মু,আসলে আমার পেটটা কেমন যেন ব্যথা করছে আর আমার পেটে এখনও কিছু পরে নাই।যদি কিছু খাবার হতো,,,?(রাজু)
:-এসব ন্যাকামো বাদ দিয়ে বসে থাক।সবাই আসলে একসাথে খেয়ে নিবি। এই বলে রাজুর মা চলে গেল।আর রাজু কিছু না বলে শুয়ে রইলো।আর তার পেটের ব্যথাটা তীব্রতর হতে লাগল।

যাইহোক,দুপুরের খাবার খেয়ে রাজু একটু বাহিরে ঘুরতে বের হলো।আজ তার ইন্টারভিউটা ভালো হয়েছে।যদি চাকরিটা হয়ে যায়,তাহলে রাজু অবন্তিকার বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যাবে।এইসব ভাবছে রাজু।
হঠাৎ করে রাজুর আবার পেটে ব্যথা উঠলে
রাজু রাস্তার পাশে ঘাসের উপর বসে পড়লো।
যখন পেটে ব্যথাটা কিছুটা কমে আসলে রাজু বাসার দিকে রওয়ানা দেয়।
বাসায় পৌছে রাজু ভাবলো,তাকে পেটে ব্যথার ঔষদ খেতে হবে।কিন্তু রাজুর কাছে
তো ঔষদ কেনার টাকা ও নেই।তাই সে ভাবলো তার ভাইয়ের কাছ থেকে কিছু টাকা চাইলে হয়তো বা দিতে পারে।

তাই রাজু তার ভাইয়ের রুমের দিকে গেলো এবং ফিরে এলো।
রাজু টাকা নিতে গিয়েছে ঠিকই,কিন্তু রাজু তার ভাইয়ের রুম পর্যন্ত গিয়ে পিরে এলো।
কারণ,তার ভাইয়ের রুমের সামনে গিয়ে রাজু যেটা শুনলো।তা থেকে মনে হলো রাজুর আর বেচে না থাকাটাই ভালো।
হ্যা,রাজু তার ভাইয়ের রুমের সামনে গিয়ে তার ভাই ও ভাবির যে আলাপটা শুনলো তা হলো,তার ভাবি আর তার ভাই রাজুকে শেষ করার কথা ভাবছিলো।
এখন রাজু তার রুমে শুয়ে শুয়ে চোখের পানি ফেলতে লাগলো।আর ভাবতে লাগলো,শেষ পর্যন্ত তার ভাই সম্পত্তির লোভে তাকে সকলের কাছে অবহেলার বস্তু করে তুলল।

আর মা-বাবাই কেমন যে,তার এক সন্তানের কথা শুনে বিশ্বাস করে আরেক সন্তানকে ভুল বুঝতে পারল।
এসব ভাবতেছে রাজু।এই ফাকে রাজুকে খাওয়ার জন্য তার বোন ডেকে গেলো।আর রাজু ক্ষুদা নেই বলে শুয়ে রইল।
অনেক রাত অবধি রাজু কাদতে কাদতে চোখের জল ফেলল,আর এ ফাকে তার পেটের ব্যথা ও বেড়ে গেল।

এখন একটা কবরের সামনে দাড়িয়ে চোখের পানি ফেলতে লাগল এক সন্তান হারা মা বাবা।সাথে বোন,বড়ভাই ও ভাবিও আছে।

এখন তারা বুঝতে পারতেছে প্রিয়জন হারানোর ব্যথা।
হ্যা,যে কবরটার সামনে দাড়িয়ে উনারা কাদতেছেন সেটা হলো রাজুর কবর।
আজ প্রায় একবছর হয়ে গেল রাজু মারা যাওয়ার।
হ্যা রাজু ঐদিন রাতে রাজু পেটে তীব্র ব্যথা উঠলে,রাজু তা সহ্য করতে পারে নাই।
যার ফলে পরদিন সকালে রাজুর রুম থেকে তার লাশ বাহির হয়।
আশ্চার্য ব্যপার হলো,যেদিন রাজু মার যায় ঐদিনই রাজুর চাকরি হয়ে যাওয়ার খবর আসে অফিস থেকে এবং সাথে আসে জয়েনিং লেটার।
হা হা হা,এটাই নিয়তির বড় খেল।যার জন্য এতদিন একটা চাকরির প্রয়োজন ছিলো,আজ তার জন্য চাকরি আছে কিন্তু সেই নেই।
এখনও প্রত্যেকদিন বিকেলে রাজুর কবরের পাশে বসে কেউ একজন কাদে। হ্যা,সে হলো অবন্তিকা। এখন আর কেদেই বা কি লাভ? আসলে সবকিছুই নিয়তি উপর ভিত্তি করে চলে।

সমাপ্ত

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত