বিষকন্যা

বিষকন্যা

হলুদ ফুলের সর্ষে গাছে
তোমার চোখে সূর্য নাচে
কামুক সাপের ক্ষুব্ধ ফনা
বিষের বাটি হিরক কণা
উল্ঠে দিলে মুক্তো দানা
কণ্ঠে পরলে খাটি সোনা
দেহ মনের লেনাদেনা
মাটির গর্তে শস্য বোনা;

মেঘের ‘পরে চাঁদ হাসে
কে যে কারে ভালবাসে
আধাঁর রাতে বাদুঁড় আসে
লক্ষ্মী পেঁচা প্যাচাল হাসে
রাত পোহালে সূর্য উঠে
খাঁচার পাখী বনে ছুটে
সর্ষে ফুলে প্রজাপতি
পায় যে খুঁজে অমরাবতী;

অমরাবতীর গাছে গাছে
সুর তোলে যে আলো নাচে
আলোর নাচে পেখম মেলে
মন ময়ূরী মন খেলে
রাগ-অনুরাগ, অভিমান
প্যাঁচার কণ্ঠে প্রেমের গান
মরা নদীর উজান গাঙ্গে
চাদেঁর হাসি বাঁধ ভাঙ্গে
সর্প-মণি তোমার হাতে
তোলে দেবো বাসর রাতে;

বিষের পেয়ালায় বিষ ঢেলে
সর্প যদি সুখ খোঁজে
সুখ দিও গো ভোগ পেলে
দেনা-পাওনার হিসেব বোঝে
পরিমাণে মধু ঢেলে
হিসেব করে বিষ খেলে
বিষ হয়ে যায় অমৃত
ভালবাসায় পরিণত;

তাই বলি কি
শোন সোহাগী
বিষ হরি হও বিষকণ্যা
ভালবাসার ঝরণা।

গল্পের বিষয়:
গল্প

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত