কোকিল ডাকিয়াছিল

কোকিল ডাকিয়াছিল

তোমাকে ভালোবেসেছিলাম লিপি। সেই যে শহীদ মিনারের চত্বরে দাঁড়িয়ে শত মানুষের ভিড়ে মাইক্রোফোনে মুখ রেখে এইটুকুন একটা মেয়ে আবৃত্তি করেছিল,‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত, বৃষ্টি নামে কোথায় বরকতেরই রক্ত…।’

কী সাবলীল, কিশোরীকণ্ঠে কী আবেগ! ভাষা আর ভালোবাসা যেন একাকার। মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছিলাম। এইটুকুন মেয়ে বলছি কেন? তুমি তখন দশম শ্রেণি, তুমি তখন ষোলো। চারপাশে জড়ো হওয়া এত মানুষের ভিড়ে তুমি কি আমাকে দেখেছিলে?

কেন যেন আমার মনে হলো দেখেছ, দুবার তাকিয়েছ। যত যা-ই হোক, অন্যের মুগ্ধতার দৃষ্টি পড়ে নেওয়ার, বুঝে নেওয়ার সহজাত শক্তি এই বয়সের মেয়েদের মধ্যে থাকেই। তোমার দৃষ্টিতে সমর্থন ছিল, অনুমোদন ছিল। হয়তো আমারই দেখার ভুল। আমি ওই সমর্থনটাই দেখেছিলাম। ‘খেলাঘরে’র অনুষ্ঠানটা শেষ হলো, তোমরা দলেবলে চলে গেলে। কোথায় যে গেলে! তুমি এই শহরে কোন বাড়িতে থাকো, কী করে বলি? আমি তোমাকে হারিয়ে ফেললাম। খুঁজে যে পাব, তার উপায় নেই। তখনকার দিনে তো মুঠোফোন বাজত না, ফেসবুকও ছিল না। কিন্তু এই শহরেও খুব কোকিল ডাকত। চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পেছনে ছোট্ট টিলা, তারও পেছনে কাছারির পাহাড়। ফাল্গুন মাসে সেই পাহাড়ি জঙ্গলে সবুজকে ম্লান করে দিয়ে পলাশের ডালে ডালে আগুন জ্বলে উঠত। আর ছিল কোকিলের ডাক। কোকিল কেন এমন হাহাকারের সুরে ডাকে জানি না। শুধু আমার বুকে একটা হাহাকার চিরস্থায়ী হয়ে গেল। তোমার দৃষ্টিতে সেই একটু সমর্থন, একটা অনুমোদন দেখেছিলাম, সত্যি কিনা কে জানে, আমি তো সেটিকেই সত্যি ভেবে নিয়ে মেঘদূত কাব্যের যক্ষের বিরহকে নিজের ভেবে নিয়েছি। ভালোবাসা মূলত মিলনে মলিন হয়, বিরহে উজ্জ্বল—এই অসামান্য সান্ত্বনা নিয়ে তোমাকে ভালোবেসেছিলাম লিপি।

তখন তো কবিতা লিখি। পত্রিকার পাতায় ছাপা হয় না। পত্রিকার সাহিত্য পাতায় প্রকৃত প্রতিভার মূল্যায়ন হয় না—এই ক্ষোভ-অভিমান থেকে আমরা লিটল ম্যাগাজিন বের করি। একুশের সংকলন বের করি। বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছে সংকলনের জন্য বিজ্ঞাপন চাইতে গেলে তারা আমাদের প্রায় ভিখিরি ভাবে। কেউ কেউ করুণাও বোধ করেন হয়তো। দু-পাঁচ শ টাকা দেন। তবে এই বয়সে এসব মূল্যহীন কাজ বাদ দিয়ে আমাদের আসলে কী করা উচিত, তার জন্য মূল্যবান বাণীও শোনান। আমরা দমি না, সাহিত্যের ইতিহাস এ রকম তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যকে উপেক্ষা করে সৃষ্টিচঞ্চল হয়ে ওঠার ইতিহাস—এই সান্ত্বনা বা উদ্দীপনা সম্বল করে আমাদের কাজ করি। একুশের ভোরে সংকলন বের করা চাই-ই। প্রভাতফেরির পর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে লোকের ভিড় হয়, সেখানে ঘুরতে আসা লোকজন কেউ কেউ এক টাকা-দুই টাকা দিয়ে আমাদের সংকলন কিনেও ফেলেন। সেই মানুষগুলোর হাতে আমাদের ‘অমর’ সৃষ্টি তুলে দেওয়ার জন্য আমরা সারা রাত কাটাতাম প্রেসে। উত্তম আর খালিদ ভাই ছবি এঁকে দিতেন, সেই ছবি দিয়ে কাঠের ব্লক বানিয়ে সংকলনের প্রচ্ছদ ছাপা হতো। নির্ঘুম রাতের শেষে যখন কাঁচা বাঁধাইয়ের সংকলনটা হাতে পেতাম, তখন কোথায় যেত বিনিদ্র রাতের ক্লান্তি, কোথায় কী! একবার তো একুশে ফেব্রুয়ারির আগের রাতে ছাপাখানায় বিদ্যুৎ চলে গেল। গেল তো গেল, আর আসার নাম নেই। অধীর অপেক্ষার পর ছাপাখানার বিদ্যুচ্চালিত যন্ত্রটাকে হস্তচালিত যন্ত্র বানিয়ে ফেললাম। গ্রামে ঢেঁকিতে পাড় দেওয়া দেখেছ? অনেকটা সে রকম। ট্রেডল মেশিনের পেছনের দিকটায় ক্রেডলে আমি, মুসা আর কায়সার সমস্ত শরীরের শক্তি জড়ো করে চাপ দিয়ে একবার নিচে নামাই, আরেকবার তুলি। মেশিনের সামনের অংশটা তখন সিসার অক্ষরে কম্পোজ করা শব্দগুলোকে কালো রঙে মুদ্রিত করছে। বিশ্বাস করবে না, আমাদের বুক থেকে তখন হাঁপরের শব্দ বেরোচ্ছিল। কিন্তু সেসব তোয়াক্কা করে তো ‘সাহিত্যসাধনা’ হবে না। ওসব তুমি বুঝবে না। কে-ই বা বুঝবে, আর বোঝার দরকারই-বা কী? আমরা তখন নিজেদের সৃষ্টি-মাহাত্ম্যে নিজেরাই বিভোর। একুশের সকালবেলাটায় যাঁরা আমাদের সংকলনের দু-চার পৃষ্ঠা উল্টেপাল্টে দেখছেন, তাঁদের আমরা বাংলা সাহিত্যের বড় সমঝদার ভেবে নিয়েছি। তাঁরাই আমাদের অমর করে রাখবেন—এই দূর কল্পনায় বিভোর হয়ে আছি।

তোমার সঙ্গে আর দেখা হওয়ার কথা ছিল না। না হলেই বা কী হতো! ছবিটা এঁকে বাঁধাই করে রেখেছি মনের ভেতরে। তুমি আমার কবিতায় প্রেমে-বিরহে, ক্ষোভে-দুঃখে একাকার নারী হয়ে উঠেছ। কিন্তু ওই যে পলাশ ফুটেছিল, কোকিল ডেকেছিল। তার সঙ্গে বোধ হয় নিয়তির একটা যোগাযোগ আছে। বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসে পড়েছিলাম, ‘কোকিল অসময়ে ডাকিয়াছিল?’ কোকিল ডাকবে না? সে তার আপন খেয়ালে নিজস্ব বসন্তকে জাগিয়ে রাখে। অন্যের সময়-অসময়ের খোঁজ রাখার কী দায় পড়েছে তার? কোকিল ডাকে বলেই তো পুকুরের জলে কলসি ভাসিয়ে দিয়ে রোহিনী কাঁদতে বসে। নিয়তিই তোমার সঙ্গে আমার দেখা হওয়ার পথ করে রেখেছিল। দুই বছর পর তোমাকে আবার দেখলাম প্রভাতফেরিতে। সাদা-কালো শাড়ি, নগ্ন পা। খেলাঘরের মেয়েটা এবার ছাত্র ইউনিয়ন। চঞ্চল কিশোরীটির শরীর-মনে তখন পূর্ণ যৌবন, হেঁটে যাওয়ার ভঙ্গিতে নৃত্য-মদির ছন্দ, অথচ চোখে-মুখে কী অদ্ভুত দীপ্তি। বন্ধনহারা কুমারীর বেণি তন্বী নয়নে বহ্নি। কিছু কিছু মুহূর্ত বোধ হয় সবার জীবনেই আসে। আমারও এসেছিল, কী এক সাহস ভর করেছিল মনে। যদি ভালোবাসা পাই জীবনে আমিও পাব মধ্য অন্ত্যমিল। লাজুক যুবকটি তার খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসার সামর্থ্য খুঁজে পেয়ে গেল। আমি তোমার সামনে দাঁড়িয়ে বলেছি, ‘আপনাকে অনেক দিন পর দেখলাম।’

‘অনেক দিন পর মানে? আগে কোথাও কী দেখা হয়েছিল?’ তুমি বিস্মিত।

‘সেই যে আবৃত্তি করেছিলেন, ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত…।’

‘ওমা! এত কিছু মনে আছে? আপনাকে তো…।’

আমাকে চেনোনি। আশ্চর্য, আমি তোমার দৃষ্টিতে সমর্থন দেখে, অনুমোদন দেখে, তোমাকে ভালোবেসে, তোমাকে দেখা, তোমাকে না দেখা নিয়ে বিশ্বসংসার তন্ন তন্ন করে খুঁজে এনেছি এক শ আটটা নীল পদ্ম…। তুমি আমাকে চিনলে না লিপি!

কিন্তু এবার আমি আর তোমাকে ছাড়ব না। আমার উলাঝুলা চুল, আমার চিবুকে খোঁচা-খোঁচা দাঁড়ি, আমার কোটরাগত চোখ, আমার যাবতীয় অসামঞ্জস্যকে দৃষ্টি থেকে সরিয়ে তুমি আমার দিকে তাকাও। দেখ কী অনন্ত তৃষ্ণায় আমি ভালোবাসি তোমাকে। যদি ফিরিয়ে দাও আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরি ছোঁয়াব, আমি বিষ পান করে মরে যাব।

বাঙালি মেয়েই তো, কেউ মরে যাবে ভাবলে তাকে না বাঁচিয়ে সে পারে না। তুমিও পারোনি। তুমি শেষ পর্যন্ত ভালোবেসেছিলে। ভালোবেসেছিলে, না শুধু মৃত্যুপথযাত্রীকে বাঁচাতে সম্মত হয়েছিলে—এ প্রশ্নের মীমাংসা কখনো করতে পারিনি। চাইওনি। বরং আমারই চেতনার রঙে পান্না হলো সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে, আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে, গোলাপের দিকে চেয়ে বললুম, ‘সুন্দর’, সুন্দর হলো সে।

আমরা লুকিয়ে বাটালির পাহাড়ে যাই, ওয়ার সিমেট্রিতে যাই। অজস্র কবিতা লিখি তোমাকে নিয়ে, পড়ে শোনাই তোমাকে। তোমার ভালো লাগে। দু-দিনের অদর্শনে আমি পাগল হয়ে উঠি। রাস্তার মোড়ের কয়েন বক্সে মুদ্রা ফেলে তোমাদের ল্যান্ডফোনে ডায়াল করি। কখনো কথা হয়, কখনো তোমার পরিবারের আর কেউ ফোন তুললে আমি লাইন কেটে দিই। আমার আট আনা দামের মুদ্রাটি তখন জলে যায়।

এই করে তো বেশ কয়েক বছর কেটে গেল। নাছোড়বান্দার ফাঁদে পড়ে তুমিও ধীরে ধীরে বাকি জীবনটা তার সঙ্গে থাকবে বলে ভাবতে শুরু করলে। ঠেলেঠুলে বিএ-টা পাস করার পর কী করে একটা দৈনিক পত্রিকায় চাকরি হয়ে গেল আমার। লেখালেখি করতাম বলেই হয়তো। সামান্য বেতন। তোমরা অবস্থাপন্ন পরিবার। এসব দু-পয়সার চাকুরের হাতে এমন পরিবারের মেয়েকে তুলে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আর আমি তো কর্ণফুলীর ওপারে আনোয়ারা গ্রামে পিতৃহীন সংসারটাকে ফেলে এসে আজ এখানে কাল ওখানে করে দিন কাটাচ্ছি।

এর মধ্যে তোমার পরিবারে জানাজানি হলো। প্রায় ঘরবন্দী করে রাখা হলো তোমাকে। তোমার বড় ভাই লোক লাগিয়েছিলেন আমার পেছনে। একদিন নাইট শিফটের কাজ শেষ করে অফিস থেকে ফেরার পথে দুটি ষন্ডামার্কা লোক পাকড়াও করল আমাকে। প্রকাশ্য রাস্তায় তুই-তুকারি করে যথেচ্ছ অপমান করল, এই মারে কি সেই মারে। যত যা-ই হোক, পত্রিকায় কাজ করি, আমি এর বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নিতে পারতাম। ‘অফিস থেকে ফেরার পথে সাংবাদিক নিগৃহীত’ শিরোনামে একটা চার ইঞ্চি এক কলাম আকারের সংবাদ ছাপা হলে তোমার বড় ভাই ঝামেলায় পড়তেন। আমি সেসব করতে পারি না। তাতে তোমারও অমর্যাদা হতে পারে।

আমি মুরাদপুর এলাকার চারতলা বাড়ির ছাদে একটি চিলেকোঠা ভাড়া নিয়েছিলাম। আগে কিছুই না জানিয়ে একদিন সকালে তুমি সেখানে এসে হাজির। সঙ্গে কাপড়-জামাসহ একটি বড় ব্যাগ নিয়ে এসেছিলে। ‘চলে এলাম, বিয়ের ব্যবস্থা করো’ বলে আমার তক্তপোশে এসে শুয়ে পড়েছিলে তুমি।

আমি কী করি কী করি ভেবে করিতকর্মা কজন বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করে ফেললাম। বন্ধুরা মহা-উৎসাহে বিয়ের তোড়জোড় শুরু করল। আমার চিলেকোঠার ঘরটাকে সাজিয়ে-গুছিয়ে তাজমহল বানিয়ে ফেলল তারা। একটা রাত কাটিয়েছিলে আমার ঘরে। অবিবাহিত দুজন এক ঘরে কী করে থাকি? আমি নিচে গিয়ে বাড়িওয়ালার লজিং মাস্টারের সঙ্গে রাত কাটিয়েছিলাম। পরদিন সকালে নিজের ঘরে এসে দেখি তুমি স্নানঘর থেকে বেরিয়ে এসেছ সদ্য ফোটা ফুলের মতো। তুমি ভেজা কাপড় শুকাতে দিচ্ছিলে ছাদে। আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়েছিলাম। তোমার শরীর থেকে স্নানের গন্ধ, চুল থেকে জবাকুসুম তেলের গন্ধ। আমি আকাশ, বাতাস, নদী ও মৃত্তিকার দিকে হাত বাড়াই, মুঠো মুঠো আনন্দরেণুতে আমার মুঠো ভরে যায়।

সন্ধ্যায় কাজী সাহেবের আসার কথা ছিল। কিন্তু তারও আগে লোকজন নিয়ে তোমার বড় ভাই এসেছিলেন। ততক্ষণে আমার বন্ধুরা এসে পড়েছে, বাড়িওয়ালা খোদ নিজে এসে আমার পক্ষ নিলেন, ‘মিয়া-বিবি রাজি থাকলে কেউ জোর খাটাতে পারবে না।’

তোমার বড় ভাই জোর-জবরদস্তিতে গেলেন না। বোনকে বোঝালেন, তার ইচ্ছার অমতে কিছু হবে না। তিনি নিজেই পারিবারিকভাবে আমাদের দুজনের বিয়ে দেবেন বলে কথা দিলেন। তুমিও তাঁর সঙ্গে চলে গেলে, আবার ফিরে আসবে বলে।

আসোনি। এর মধ্যে তড়িঘড়ি করে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে তোমায় বিয়ে দেওয়া হলো এক প্রবাসীর সঙ্গে। বিয়ের কদিন পরই তুমি বিদেশে পাড়ি জমালে। হাজার চেষ্টা করেও তোমার কোনো হদিস করতে পারলাম না। এখন তুমি কোন দেশে থাকো, লিপি? এখন এত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, তোমার কোনো খোঁজ আজও পাই না। কোন দেশে? মেঘেরাও যায় না সেখানে?

তোমার সন্তান-সন্ততি কজন? কত বড় হলো? তারা বাংলা ভাষা জানে? তারা স্কুলের অ্যাসেম্বলিতে কোন দেশের জাতীয় সংগীত গায়? ‘আমার সোনার বাংলা…’ জানে? কী করে জানবে, আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরাই তো বাংলা ভুলতে বসেছে। সেদিন কয়েকজন স্কুলের ছাত্রকে দেখলাম নিজেদের মধ্যে অদ্ভুত ভাষায় কথা বলছে, ‘ছোড় দে না ইয়ার, আমার যেতে হবে, আই হ্যাভ টু গো দেয়ার…।’ এটা কোন ভাষা?

‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত…’ ছড়াটি কখনো তোমার ছেলেমেয়েকে শুনিয়েছ? বৃষ্টি কেন বরকতের রক্তের মতো ঝরে বুঝিয়ে বলতে পেরেছ? একসময় আমরা কাব্যসতীর্থরা বলতাম, ‘মাটির কাছে ফিরতে হবে বাংলা কবিতাকে।’ আর ফিরেছে!

আমি এখন আর কবিতা লিখি না। আমি কি এখন তোমাকে ভালোবাসি লিপি? তুমি ভালোবাসো বাংলা কবিতা?

আমাদের পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক প্রায়ই বলেন, ‘একটা কবিতা দিন।’

দিই না। কবিতা লিখি না, মেঘ জমা রাখি বক্ষে, এ কথা বিনয়ে জানাই সম্পাদককে।

গল্পের বিষয়:
ছোট গল্প

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত