রূপের আড়ালে

রূপের আড়ালে

আজ দিন দশেক হল ‘সুন্দরী’ নামের বাংলা পত্রিকার ফিল্ম সেকশনে জয়েন করেছে বৈদাহী।স্মার্ট, আত্মবিশ্বাসী আর মিষ্টি ব্যবহারে মন জিতেছে প্রায় সবার।আজ এডিটর প্রজ্ঞা মিত্র ডেকেছেন। বৈদেহী কফিটা শেষ করে ওনার কেবিনে যায়।

-আসতে পারি? সুইং ডোর ঠেলে মুখ ঢুকিয়ে জিজ্ঞাসা করল।
-এসো- এসো, বসো।
-আমায় ডেকেছিলেন?
-হ্যাঁ! দ্যাখো; নম্রতা সেন এর একটা এক্সক্লুসিভ ইন্টারভ্যিউ আনতে হবে তোমায়।সামনের মাসে একটা ওনার জীবন নিয়ে স্টোরি করতে চাই। তুমি নিলয়ের সাথে কথা বলে, কিছু হোমওয়ার্ক করে তারপর ডেট নাও।
নম্রতা সেন!! আমার মত এক নিউওকামার কে কি সাক্ষাৎকার দেবেন?

-উনি আমাদের পত্রিকার সার্কুলেশন জানেন। বলে প্রজ্ঞা ঠোঁটের কোনে চিলতে হাসির রহস্য তৈরী করলো।
বৈদেহী নিজে চরম ভক্ত নম্রতার অভিনয় আর রূপ দুটোর ই।ভালো করে আটঘাট বেঁধেই যেতে হবে। শুনেছে ভদ্রমহিলার জীবনটা খুব রহস্যের।

কয়েকদিন পরেই ফটোগ্রাফার নিলয় কে নিয়ে বৈদাহী পৌছালো নম্রতা সেন এর বাড়ি।
বাপরে! বাড়ী না দূর্গ?

ড্রয়িং রুমের সাজ ই বলে দিচ্ছে বিত্তের সাথে শিল্পবোধ মিশলে সাধারনের মধ্যেই অসাধারন অন্দরসাজ করা যায়।
-হেল্লো! হাঁ করে ইন্টিরিয়ির দেখতে ব্যাস্ত বৈদেহীকে চমকে দিয়ে গুচ্চির পারফ্যিউমে সুবাসিত নম্রতা ঢুকলেন ঘরে। আহা এতো আসা নয় আবির্ভাব। সিনেমার পর্দায় তো এই রূপের আধাও ধরা যায় না!

গুড মর্নিং, ম্যাম!

-গুড মর্নিং ডিয়ার! বলো কি নেবে চা, কফি, জুস?
কফি! বৈদেহীর জন্য কফি আর নিলয়ের জন্য ফ্রুট জ্যুস আনালেন।
শুরু করি ম্যাম?

-বাঁ হাতে নিজের রেড-ব্ল্যাক হাইলাইট করা ঝুমরানো চুল কপাল থেকে কায়দা করে সড়িয়ে হেসে মাথা নেড়ে সম্মতি দিলেন।

-ম্যাম! আপনার শুরুর দিন গুলো বলুন।
– নিচের ঠোঁট একটু কামড়িয়ে কিছুটা পজ নিয়ে শুরু করলেন ওনার গল্প।
আমি মফঃস্বল এর এক সাধারন বাড়ীর মেয়েছিলাম।গায়ের রঙ কালো আর খুব রোগা বলে পাড়ায় কেউ আমার সাথে মিশতো না।পড়াশোনা, নাচ, গান এই নিয়েই সময় কাটতো।

খুব স্বপ্ন দেখতাম নিজে কিছু করব, কিন্তু সেটা যে কী তা জানতাম না। আর গাইড করার মত আধুনিক আমার বাবা-মা ছিলেন না।কালো মেয়ে কে যেমন তেমন ভাবে বিয়ে দেওয়াটাই ওনাদের একমাত্র চিন্তা ছিলো।
-তারপর?

-একজন টিচার ছিলেন, ধরো তার নাম,’মানিক’।খুব পন্ডিত মানুষ ছিলেন। হাজার পনেরো বইএর কালেকশন ছিলো।আমার তখন আঠেরো উনি চল্লিশ। আমি ওনাকে খুব শ্রদ্ধা করতাম। উনি যে ভাবে পড়তে বলতেন সেই ভাবেই পড়তাম। সেকেন্ড ইয়ার এগজামের আগে একদিন একা গিয়েছিলাম ওনার বাড়ি। সেদিন ওনার বাড়িতে কেউ ছিলোনা।উনি তখনো অবিবাহিত ছিলেন।আমি ফিরে যেতে চাইলে উনি বললেন,’এতোটা এসেছোই যখন; তখন পড়েই ফিরো।‘ আমি ওনার স্টাডিতে বসে নোটস লিখছি কিছুক্ষন পরেই উনি এসে বসলেন। তারপর আমায় জড়িয়ে ধরলেন। ব্যাপার টা এতোই আকস্মিক ছিলো যে আমি বাধা দেওয়ার আগেই ওনার হাত আমার শরীরে খেলছিলো আর স্যাঁতস্যাঁতে ভিজে ঠোঁট আমার মুখের ভিতর। নিজেকে ছাড়াতে চাইলে উনি বললেন,’আমি জানি তোমার শরীরে কিছু নেই; তবু একবার দেখতে চাই।‘

নম্রতা সেনের চোখে যেন আজ ও সেই অষ্টাদশীর অপমানের জল।একটু সামলে নিলেন।
বৈদেহী অবাক হচ্ছিলো এই ভেবে যে এতো সুন্দরী, এইসময়ের টলিউড, বলিউড কাঁপানো হট নায়িকার অতীত এমন অপমানের!

সেদিন বাড়ী ফিরে অনেক্ষন স্নান করেছিলাম। কেঁদেছিলাম আর বারবার ভেবেছিলাম রূপ তো মানুষ তৈরী করতে পারেনা।বিউটিশিয়ানের কোর্স করতে শুরু করলাম তার সাথে হেয়ার ষ্টাইল আর গ্রুমিং। কথায় আছে হিম্মতে মর্দা/ মদদে খুদা। যোগাযোগ হল, তখনকার বিখ্যাত অভিনেত্রীর ব্যাক্তিগত মেক-আপ আর্টিষ্ট হিসেবে কাজ পেলাম।পর পর তিনজন নামী, সুন্দরী অভিনেত্রীর হয়ে কাজ করেছি। তাঁরা কেউ বেঁচে নেই। সবশেষে যে অভিনেত্রীর হয়ে কাজ করছিলাম তাঁর হঠাত মৃত্যুতে ওনার ই প্রাইভেট সেক্রেটারীর চেষ্টায় প্রথম ব্রেক পেলাম, ‘নতুন দিন’ ফিল্মে। এর পরে আমায় আর ফিরে তাকাতে হয়নি।

নিলয় ফটো শ্যুটের জন্য রেডী। নম্রতা কখনো শাড়ীতে কখনো মিনি স্কার্টে অসাধারন সব শট দিলেন।
পরের দিন ফটোর সাথে গল্প জুড়তে গিয়ে বৈদেহীর মনে হল যে তিন নায়িকার সাথে নম্রতা ম্যাডাম কাজ করেছেন তাদের সবার ই রূপের সেরা অংশ, যেমন কমলিনী দেবীর নীল চোখ, অনুপমাদেবীর মত সেক্সী চেহারা আর

বিদিতার মত ই পাউট ঠোঁট এসে রূপের জোয়াড়ে ভাসিয়েছে নম্রতা সেন কে।ছবি গুলো দেখতে দেখতে এক ভয়ের শীতল স্রোত বয়ে যায় বৈদেহীর। এটা কী ওর কল্পনা না কী নায়িকার রূপের রহস্য নিয়ে ওর ই মনে কোন ভুল ধারনা তৈরী হয়েছে? কে জানে!

বৈদেহীর মন খচ খচ করতেই থাকে।আবার শোনে ওনার ইন্টার ভ্যিউটা। উনি বলছেন কলেজে পড়ার সময়েই ওনার টীচার যে সেক্সুয়ালী হ্যারাস করেছিলেন, তখনো ওনার শরীরে যৌবনের লক্ষন ফোটেনি। কালো ও ছিলেন। তাহলে? কী করে এতো সুন্দর দেহ, নীল চোখ! যদি কসমেটিক সার্জারি করিয়ে থাকেন, তাতেই বা কতটা বদল হয়? ঘুম হবেনা বুঝে বৈদেহী উঠে পরে। ইন্টার নেট এ নম্রতা সেন এর অনেক ছবি থেকে দুটো ছবি ভাল করে খেয়াল করে।কমলিনী দেবীর মৃত্যুর আগের দিনে একটা অনুষ্ঠানে, কমলিনীর হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছে আজকের নম্রতা। কৈ তেমন কিছু তো নয় দেখতে? খুব রোগা!বৈদেহী ঠিক করে আবার যাবে নম্রতার বাড়ী। কিন্তু তার আগে ওনার পুরনো এলাকায় গিয়ে খোঁজ নিতে হবে।

নিজের সোর্সের মাধ্যমে যা জানতে পারলো সেটা কাউকে শেয়ার করলোনা বৈদেহী। ওর ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বলছে কিছু একটা আছে নম্রতার জীবনে।অফিসে পৌঁছে প্রজ্ঞার কাছে একটু কথা বলার সময় চাইলো। লাঞ্চ ব্রেকের পরে প্রজ্ঞা ডেকে।

নিজের সোর্সের মাধ্যমে যা জানতে পারলো সেটা কাউকে শেয়ার করলোনা বৈদেহী। ওর ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বলছে কিছু একটা আছে নম্রতার জীবনে।অফিসে পৌঁছে প্রজ্ঞার কাছে একটু কথা বলার সময় চাইলো। লাঞ্চ ব্রেকের পরে প্রজ্ঞা ডেকে নিলো বৈদেহী কে নিজের কেবিনে।

ঃ নম্রতার ইন্তারভ্যিউ কেমন হল?প্রজ্ঞার প্রশ্নের উত্তরে বৈদেহী নিজের উত্তেজনা চেপে বললো,’ভালোই। তবে আমি একদিনের ছুটি চাই, এসে পুরো রিপোর্ট জমা দেবো।

ঃ ঠিক আছে কিন্তু কবে ছুটি চাও?
ঃ কালকেই।
ঃ ঠিক আছে। পরশু রিপোর্ট জমা দেবে।
বৈদেহী সেদিন অফিস থেকে বেড়িয়ে ব্যাগে নিজের দরকারী জিনিস গুছিয়ে নিয়ে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়লো। কালকে ভোরের ট্রেন ধরবে। পরের দিন ও নদীয়া জেলার এক প্রান্তিক গ্রামে পৌঁছল। এখান থেকে ভ্যান রিকশায় যেতে হবে নম্রতার বাড়ি। ভ্যানে বসে চারদিকে তাকিয়ে বৈদেহীর চোখ জুড়িয়ে গেলো। চারদিকে সবুজের সমাহার। আহ! বুক ভরে খানিকটা অক্সিজেন নিয়ে নিলো।ভ্যানে গ্রামের মানুষেরা কৌতুহলের চোখেই দেখছে ওকে। ভ্যানের চালক জিজ্ঞাসা করলো, ‘কোথায় যাবেন দিদি?’

ঃ নম্রতা দেবীর এইগ্রামেই বাড়ি ছিলোনা? ওটাই দেখতে যাবো।
ঃঅ বলেই চুপ হয়ে গেলো । কী ব্যপার?বৈদেহী নিজেই আগ বাড়িয়ে ওর পাশে বসা এক অল্প বয়সী বউ কেই জিজ্ঞাসা করলো, ‘আপনাদের গ্রামের মেয়ে, এতো বড় নায়িকা, খুব গর্ব হয় নিশ্চই?’ বউটা কিছুক্ষন হাঁ করে তাকিয়ে থেকে অন্য দিকে মুখ ঘোরালো। বৈদেহী বুঝতে পারলো অনেক রহস্য আছে এখানে।

ঃ দিদি, নামেন। ঐ সামনের বাড়িটাই ওনার। বলেই ভ্যান চালক জোরে প্যাডেল মেরে চলে গেলো।
নিজেই এগোয় নম্রতার জন্ম ভিটের দিকে। একতলা বাড়ি। সামনে একচিলতে উঠোনে একটা তুলসী গাছ, আর দুটো নেড়ি কুকুর ছাড়া কেউ নেই। বৈদেহী গিয়ে দরজার পুরনো আমলের কড়া নেরে জানান দিলো।একজন বয়স্ক মহিলা দরজা খুললেন।

ঃ কাকে চান?
ঃ এটা কী অভিনেত্রী নম্রতা সেন এর বাড়ী? ভদ্র মহিলার মুখে বিষাদের ছায়া পরলো।একসময় এটাই ওর ঘর ছিল। কিন্তু এখন তো।।

ঃ জানি, কলকাতায় থাকেন। আমি কি এক গ্লাস জল পেতে পারি? মহিলা খুব অপ্রস্তুত হয়ে তাড়াতাড়ি বৈদেহী কে নিয়ে ঘরে বসালেন। ফ্যান চালিয়ে দিলেন। যাক বাবা!

ঃ এক গ্লাস ঠান্ডা জল আর দুটো নারকেল নাড়ু সামনের টেবিলে রেখে বসতে বসতে উনি বললেন, ‘আমি ই নমির মা।‘

বৈদেহী একনিশ্বাসে জল শেষ করলো। বাপরে, কী তৃষ্ণাই না পেয়েছিল।
ঃ নম্রতা দেবীর ছোট বেলার কিছু গল্প যদি বলেন। আসলে আমরা ওনার জীবন নিয়ে আমাদের ম্যাগাজিনে, এবারে লিড ষ্টোরী করছি।

ঃ ছোট বেলার কথাতো তেমন কিছু বলার মত নেই।ভদ্রমহিলা কথা শেষ এই ভাবেই বললেন।
“ নারকেল নাড়ু! ইশ! কতবছর খাইনি। আপনি নিজে বানিয়েছেন, তাইনা কাকীমা?” বৈদেহী জানে কিছুটা অন্তরঙ্গতা না দেখালে খালি হাতেই ফিরতে হবে।

ঃ তুমি কলকাতাতেই থাকো?
ঃ হ্যাঁ! ওই জন্য ই তো নারকেল নাড়ু খাওয়ানোর কেউ নেই।
ঃ নমি বড় দুঃখী মেয়ে।গায়ের রঙ কালো বলে খুব হেলা সয়েছে।সিনেমায় নেমেছে, নাম করেছে। বাড়ির সাথে যোগাযোগ বলতে সপ্তাহে একবার ফোন করে আমায়। মাঝে মাঝে টাকা পাঠায়।
ঃ উনিতো খুব সুন্দরী!গায়ের রঙ তো এখন বোঝাই যায়না, কখনো কালো ছিলেন!

ভদ্রমহিলার মুখে বিষাদের ছায়া আরো ঘন হল।এখানে আর কিছুর আশা নেই, তাই বৈদেহী উঠতে যেতেই ভদ্রমহিলা ওর হাত দুটো ধরে বললেন,” তু্মি নমিকে বলবে, যে এবার ও শান্তিতে একটু ঘুমাক।‘বৈদেহী বুঝতে পারেনা। তবু জিজ্ঞাসা করে,’উনি কী ঘুমান না?’

ভদ্রমহিলা ভাঙা মুর্তির মত মাটিতে বসে পরেন। দু চোখ দিয়ে নিঃশব্দে জল ঝরছে।
“ জানো, মেয়েটা আমার কালো ছিল বলে খুব অপমান সইতে হতো। ওর কী দোষ? কালো, ফর্সা সব ই তো ভগবানের দান, তাইনা?’ বলে উনি যেন সমর্থনের আশায় বৈদেহীর দিকে তাকান।তারপরে আবার শুরু করেন,’ এতো গঞ্জনা, অপমান সইতে না পেরে ও আত্মহত্যা করতে গিয়েছিল। পুকুরে গিয়ে ডুব দিয়েছিল।মরতে পারেনি। কে যে ওকে বাঁচিয়েছিল আমরা কেউ জানিনা। কিন্তু…

ঃ তারপর? বৈদেহীর দম বন্ধ হয়ে আসছে উত্তেজনায়।
ঃ তারপরে তো এখান থেকে চলে গেলো। খোঁজ পাইনি অনেক বছর।কোন এক নায়িকার কাছে কাজ করার সময় থেকে ই জানালো চিঠি লিখে। তা এখানে ত অত কলকাতার মত মানুষ না। তারা নানান কথা বলতে লাগলো। কিন্তু যখন নমি নায়িকা হল, আমি মা হয়েও ওরে চিনতে পারিনি।খুব সুন্দর লাগছিল। টাকা পাঠিয়েছিলো, বাড়িতে ফোনের লাইন নেওয়ার জন্য। আমি ফোন আসাতে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কী করে সুন্দরী হলি এতো! তখন বলল, পুকুরে ডুবে মরতে গেছিল যখন তখন না কী একজন মহিলা ওকে বাঁচিয়ে ছিল। আর ওর কথা শুনে ওর হাতে চুমু খেয়ে বলেছিল, ও যে সুন্দরীর হাতে হাত রেখে সেই সুন্দরীর শরীরের মত বা কোন গুন যা চাইবে তাই পাবে।তারপরেই তো একে, একে কয়েকজনের রূপের ভাগ নিয়েছে তো কখনো অভিনয়ের গুন কিন্তু বড় কষ্ট পায়। ও তো কাউকে মারতে চায়নি। এইসব করে পরে মনে মনে পস্তায় আর ঘুমের ওষুধ খেয়ে একটু কিছুক্ষন ঘুমায়।

বৈদেহী কলকাতায় ফিরে ঠিক করে যে গল্প ও শুনে এসেছে সেটা কোন পুলিশ বিশ্বাস করবে না। তারথেকে নম্রতাকে ব্যক্তিগত ভাবে রিকোয়েষ্ট করবে। বৈদেহী ফোন করতে যাবে তার আগেই নম্রতার ফোন।

ঃ হেল্লো বৈদেহী! কেমন আছো?
ঃ ভালো ম্যাম। আসলে আপনাকেই ফোন করতে যাচ্ছিলাম। একটা কথা বলার আছে।
ঃ আজ রাতেই চলে এসো। আমি বাড়িতেই আছি।
বৈদেহী নিজেই গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পরে।নম্রতা খুব উষ্ণতার সাথে ওকে ঘরে ডেকে নেয়।

ঃকফি নেবেতো? তুমি আমাদের বাড়ি গিয়েছিলে?
ঃ হ্যাঁ!আসলে ম্যাম, আপনার এক্সক্লুসিভ ইন্টারভ্যিউএর জন্য আপনার বাড়ির সাথেও।।বৈদেহীর হাতের কফির কাপটা ভারী লাগতে থাকে। অতলে তলিয়ে যাওয়ার আগে হাতের মধ্যে একটা হাতের স্পর্শ আর গলা শোনে,

বৈদেহীর ব্রেন আর আত্মবিশ্বাস আমার পছন্দ।হা হা হা করে এক পিশাচিনীর হাসির সাথেই বৈদেহির চেতনা তলিয়ে যায়।

।। সমাপ্ত ।।

গল্পের বিষয়:
ছোট গল্প

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত