শপিং মল

শপিং মল

– ওগো শুনছো,,
– কী বলো?
– তুমি এখন কী করছো?
– দেখছ না অফিসের কাজ করছি জ্বালিও না এখন যাও।
– ওগো শুনো না একটু তাকাও না এদিকে,,
– আরে কী হইছে টা কী? শান্তিতে একটু কাজও করতে দিবা না কী? কী হইছে?
– কেমন লাগছে আমাকে দেখতে, বলোত?
– কেমন লাগছে মানে, এটা একটা প্র শ্ন করার মতো কথা হলো।
– বলো না,,
– কেমন আর লাগছে, মানুষ লাগছে, মহিলা লাগছে।
– ধুর ছাই, তোমার দ্বারা না কিছু হবে না, তোমাকে একটা সামান্য কথা জিজ্ঞাসা করলাম, আর তুমি আবল তাবল কথা বলছ, চলো, চলো আমার সাথে চলো।
– আরে আরে কী হছে্ টা কী আারে।।
এই বলেই রোবেয়া তার স্বামীকে রেডি করাতে চলে গেল, তারপর
– আচ্ছা তুমি আমাকে রেডি করিয়ে কোথায় নিয়ে যাবে বলতো?
– সপিনং মল এ।
– কী, কিন্তুু কিন্তু,,
– কোন কিন্তু না, চলো এখন, ড্রাইভার চলো সপিং মলে।
– জি মেডাম।
– আরে কিন্তু
– চুপ, চুপ চাপ বসে থাকো।
সপিং মল এ সপিং করার পর ক্যাশ কাউন্টার এ
– কত হয়েছে?
– জি মেডাম ৯০৫৭০ টাকা।
– টাকাটা দাও,
– টাকা নেই,
– টাকা নেই মানে, টাকা কোথায়?
– মানি ব্যাগ এ টাকা আর credit কাড ছিল তা বাসায় ফেলে এসেছি।
– তুমি কী পাগল হয়ে গেছ, এটা আগে বলতে পারো নি?
– বলছিলাম তো যে আরে, কিন্তু, but তুমি তো আমার কোন কথাই শুনলে না।
– এখন কী হবে?
– কী আর হবে, বলো যে ভায়া আমাদের কাছে এখন টাকা নেই পরে এসে দিয়ে যাব।
– কী!!! আপনাদের কাছে টাকা নেই?!!
– জি ভায়া মানে,,,
– মেডাম আপনি সরাসরি বলুন কী বলবেন, নাহলে আমি পুলিশ ডাকব।
– না, না আপনি পুলিশ ডকাবেন কেন? আমরা পুলিশ ডাকার মতো কোন কাজ করেছি?
– আরে তুমি কী বলছো আমরা কী ডাকাত না চোর, যে আমাদের পুলিশ ধরবে।
– না পুলিশ ডাকতেই হবে, সিকোরিটী, সিকোরীটি।
– আপনি তো বলেছেন পুলিশ ডাকবেন।
– না বলেছি, কিন্তু আমার হাত বেশি লম্বা না তো তাই আমি অত দূর যেতে পারব না। আমার হাত সিকোরিটি পযন্তই।
– ও আচ্ছা, কী????
– মেডাম আপানারা বেড়োন আর আপনাদের যা যা জিনিস পএ আছে তা আমাদের কাছে দিয়ে দিন।
– আরে আরে কী হচ্ছে টা কী, ছাড়ুন বলছি, ছাড়ুন
– আরে ভাই ছাড়ুন না কী করছেন আপনারা।
এই সব ছড়া ছাড়ি হওয়ার পর তাদেরকে সপিং মল থেকে বের করে দেওয়া হলো, এবং পরে পুলিশ এসে তাদের কাছ থেকে ৪০০০ টাকা জরিমানা নেওয়া হলো। এরপর থেকে হোসেন এর বউ আর তেজ দেখাতো না এবং তারা আর ঐ সপিং মলে গেল না যেটা তাদের প্রিয় সপিং মল ছিল।

গল্পের বিষয়:
ছোট গল্প

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত