রোবটে মাতৃত্ব

রোবটে মাতৃত্ব

সকাল বেলা চোখ খুলেই তাশরিক দেখতে পায় রুবি তার পায়ের কাছে দাড়িয়ে। রুবির মনটা খারাপ দেখাচ্ছে। যদিও রুবির মন বলতে কিছু নেই, সবই যন্ত্র। তবুও মেয়েটার মুখ আজ মলিন লাগছে খুব।

রুবি মুখ তুলে তাশরিক কে বলে,

-স্যার কিছু না মনে করলে, আমি কিছু বলতে চাই -কি হয়েছে রুবি? প্রোগ্রামে কি কোন সমস্যা?

-না স্যার। তবে আমার কয়েকটা প্রশ্ন ছিল

– হ্যা বলো।

-স্যার আমি কি দেখতে খুব সুন্দর?

তাশরিক একটু হাসে তারপর উত্তর দেয় ” হ্যা রুবি তুমি অনেক সুন্দর। আমার দেখা রোবটের মাঝে সবচেয়ে সুন্দরি তুমি”

রুবি মাথা নিচু করে থাকে কিছুক্ষন, তার পর তাশরিক এর দিকে তাকিয়ে ছলছল চোখে বলে ওঠে

“স্যার আমি প্রেগন্যান্ট, আমার পেটে আপনার সন্তান”

তাশরিক এর মাথার মাঝে একটা ধাক্কা খায়। অবাক হয়ে তাকায় রুবির দিকে। আরে! এটা কিভাবে সম্ভব? একটা রোবট কিভাবে গর্ভবতী হতে পারে!!!!

রুবি তো দশম শ্রেণীর রোবট অর্থাৎ রুবির মিথ্যা বলা অসম্ভব। তাহলে কি রুবি সত্যিই?!!! কিন্তু কিভাবে!!!!

বছর দুয়েক আগের কথা, ফিরোজের সাথে ল্যাবে কাজ করছিল তাশরিক “রুবি” নামক রোবট টা তৈরি করবার জন্য-

-কি ফিরোজ, দুইটা হাত বানাতে এতক্ষন লাগে? টানা ২ সপ্তাহে কি করলি তুই?

-তুই কি ভেবেছিস তাশরিক? এটা কোন মামুলি রোবটের হাত বানাচ্ছি? এটা তোর চেম্বারের জন্য আলাদা করে বানাতে হচ্ছে। তাছাড়া রোবট টার হাত গুলোও তো একদম আসলের মত করে বানাতে হবে নাকি? নার্স হবে এই রোবট।

-আচ্ছা ঠিকাছে, কাজ কর।

কিছুক্ষনের মাঝেই একটা কল আসে তাশরিকের কাছে। কল করেছে ইরা। মেডিকেল এ পড়ার সময় ইরার সাথে পরিচয় তাশরিকের।।

-আরে ইরা তুমি আজ?

-কিহ বিশ্বাস হচ্ছে না? কেমন আছো তুমি?

তাশরিকের বুকের মাঝে একটা মোচড় দিচ্ছে। সুখের মোচড়। মেয়েটাকে ভালবাসত তাশরিক, ইরা মেডিকেল শেষ করে চলে যায় কানাডা। আর ভালবাসার কথাটা বলা হয়নি। তাশরিক মেডিকেল শেষ করে রোবটিক্স এর উপর কয়েকটা কোর্স করে ফিরোজের সাহায্যে। তাশরিকের চেম্বার আছে, সাইকার্টিস্ট তাশরিক। সেই চেম্বারে সাহায্যের জন্যই “রুবি” কে তৈরি করছে তাশরিক তার বন্ধু ফিরোজের কাছ থেকে। কিন্তু এই মূহুর্তে সব সুখ ইরার কল কে নিয়ে-

-বাব্বাহ ইরাবতী, আজ এতোদিন পর আমায় মনে পড়ল?

-হুম আমার তো তাও মনে পড়ল, তোমার তো তাও মনে পড়ে না।

-প্রতিদিনই পড়ে কিন্তু যোগাযোগ এর কোন মাধ্যম ই যে নেই।

-যাক গে, এই শোন আমি ৬ মাসের মধ্যে দেশে ফিরব। আসবা তো আমায় এয়ারপোর্ট থেকে নিতে?

-হ্যা আসব তো। নিশ্চয়।

ফোন রেখে দেয় ইরা। তাশরিক মনে মনে কল্পনার জাল বোনে ইরা কে নিয়ে। . তার কিছুদিন পর, “রুবি” একদম তৈরি হবার পর।

-তাশরিক তুই কি সিওর?

-কিসের কথা বলছিস ফিরোজ?

-এই যে একটা রোবটের মাঝে “অনুভূতি” দেওয়া হলো। রুবি কিন্তু এখন কোন মেয়ের মতই ব্যবহার করবে।

-ঠিক ই তো আছে। একটা নার্সের মাঝে অনুভূতি না থাকলে রোগীর মানসিক অবস্থা কিভাবে বুঝবে ও?

-ধুর, তুই সামলে রাখিস।

রুবি কে নিয়ে চেম্বারে ফিরে আসে তাশরিক। প্রথমবারের মত পাওয়ার অন করে রুবির তাশরিক। মেয়েটা চোখ গুলো টিপটিপ করতে থাকে। তাশরিক মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে রোবট মেয়েটার মুখের দিকে। আসলেই ফিরোজের হাতে যাদু আছে, তা না হলে এত সুন্দর মুখ কোন মানুষ বানাতে পারে? মুখ টা ইলাস্টিক জাতীয় একধরনের প্লাস্টিক, তবুও দেখতে একদম সত্যিকারের মুখের মতই। তাশরিক দ্বিতীয় বারের মত মুগ্ধ হয় রুবির গলার সেই স্বর শুনে। মিষ্টি একটা হাসি মাখানো কন্ঠ–

-স্যার তাশরিক, আমি আপনার সেবায় নিয়োজিত। আপনার জন্য কি করতে পারি?

তাশরিক অবাক হয়। কারন এর আগে কেউ তাকে “স্যার” বলে ডাকে নি। তাশরিক বলে —

-তুমি কে?

-স্যার আপনার পার্সোনাল এসিস্টেন্ট।আপনার অর্ডার এবং ভালো যেকোন অর্ডার মানা আমার কর্তব্য।

-তোমার নাম কি?

-স্যার আমি রুবি। বোবটিক নাম “হেল্পিং ফ্যামিনিন”

তাশরিক একটু নিশ্চিন্ত হয় এই ভেবে কারন এখন থেকে একজন বিশ্বস্ত সহকারী তার পাশে থাকবে। তাশরিক রুবি কে হুকুম করে প্রথম রোগীকে ভিতরে ডাকতে। এবং তার সমস্যা গুলো কি কি সেগুলো তাশরিক কে বুঝিয়ে দিতে।

রুবি প্রথম রোগীকে ঘরে ঢোকায়। ফাইলটার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকে রুবি। তারপর বলতে শুরু করে “স্যার এই রোগী টি একটি যুবতি। নাম এনি এবং মেয়েটার বয়স ১৪ বছর। আমি তার টেস্ট রেজাল্ট গুলো দেখে এবং হিস্টোরি দেখে যেটা যেটা বুঝলাম স্কুলে পরপর তার কয়েকটা সায়েন্স প্রজেক্ট ফেইল হয়, অপমান এবং টেনশনে মেয়েটা গভীর ডিপ্রেশন এ আছে”

তার পর রুবি কিছু ওষধ সাজেস্ট করে। এবং ওগুলোর নাম শুনে তাশরিক সন্তোষ্ট হয়। সেদিন চেম্বারে রোগী দেখার কাজ টা খুব তাড়াতাড়িই হয়ে যায়। চেম্বার টা গুছিয়ে রুবি কে সামনে বসতে বলে তাশরিক–

-আচ্ছা রুবি, তোমার মাঝে যে “অনুভূতি” দেওয়া আছে সেটা তুমি বুঝতে পারো?

-জ্বী স্যার আমি পারি।

-কিভাবে পারো?

-স্যার আমার সারা শরীরে সেন্সর দেওয়া রয়েছে যার ফলে আমি ঠান্ডা,গরম,পানি,তাপ,বাতাসের তীব্রতা সব অনুধাবন করতে পারি। এবং আমি ব্যাথা অনুভব করতে পারি আমার ত্বকের নিচে লাগানো “প্রেসার মিজিয়র” ডিটেক্টর থেকে। পার-স্কয়ার ইঞ্চিতে কতটুকু চাপ পড়ল সেটা থেকে আমি অনুধাবন করতে পারি।

-আচ্ছ বুঝলাম, কিন্তু সুখ বা ভালবাসা এগুলো কিভাবে বুঝবে তুমি?

-স্যার এগুলা আমার ইমোশন লেভেলে প্রোগ্রাম করা হয়েছে। রক্ত দেখলে আমি ভয় পেলেও গোলাপের লাল টা আমি ইনজয় করতে পারব।

-তুমি নিশ্চয় কাউকে ভালবাসতে পারবে না? কারন তোমার মাঝে জৈবিক চাহিদা পূরণ করার তো কোন সিস্টেম নেই……….

কথাটা শেষ করার আগেই ফিরোজের একটা কল আসে তাশরিক এর কাছে

-হ্যা ফিরোজ বল

-আমাদের একটু বেশিই ইমোশন দেওয়া হয়ে গেছে রুবির মাঝে। সামলাতে পারবি তো?

-আরে ও একদম ঠিক আছে। আমি তো রুবির সাথেই কথা বলছিলাম।

-তবুও মনে রাখিস, ও একটা দশম শ্রেনীর রোবট। ও মানুষের যেকোন অর্ডার পূরণ করতে রাজী। সো এমন কিছু বলিস না যাতে ও সেটা করে।

ফিরোজ আর তাশরিক ফোনে কথা বলছিল, ওদিকে রুবি তাশরিকের শেষ প্রশ্ন টার উত্তর করছিল বিড়বিড় করে, “স্যার আমি ভালবাসতেও জানি। শুধু চাই অর্ডার”

এভাবে চলতে থাকে ৬ টা মাস। হঠাৎ এক সন্ধাতে ইরার ফোন আসে তাশরিকের ফোনে।

-তাশরিক তুমি কোথায়? -এইতো ইরা আমি তো চেম্বারে রোগী দেখছি।

-আরে ছেলে, আমি তো চলে এসেছি। এয়ারপোর্ট এখন

-কিহ! মজা করছ নাতো?

-আরেহ না সত্যি আমি চলে এসেছি। তাড়াতাড়ি এসো।

-আমি ১০ মিনিটের মাঝেই আসছি।

ফোন রাখে তাশরিক। খুশিতে উড়তে ইচ্ছে করছে তাশরিকের। খুশিতে রুবিকে জড়িয়ে ধরে তাশরিক। রুবির দুই গালে লাল আভা ছড়িয়ে পড়ে। রুবিকে নিয়ে বেড়িয়ে পড়ে তাশরিক এয়ারপোর্ট এর উদ্দেশ্যে। রাস্তা থেকে একতোড়া লাল গোলাপ কেনে তাশরিক ইরার জন্য। এয়ারপোর্টে পৌছায় রুবি আর তাশরিক।।
-রুবি

-জ্বী স্যার

-তুমি এখানেই দাড়াও। ইরা তোমায় দেখে অন্য কিছু ভাবলে?

-আচ্ছা স্যার আমি অপেক্ষা করছি।

বোঝা যাচ্ছে রুবির মন খারাপ। তবে তা লক্ষ্য করার সময় তাশরিকের নেই। ফুল গুলো পিছনে লুকিয়ে ইরার সামনে গিয়ে দাড়ায় তাশরিক

-ইরা আমি সত্যি বিশ্বাস করতে পারছি না

-হাহাহা কেমন সারপ্রাইজ দিলাম?

-জিজ্ঞেস করছ? আমার হৃদপিন্ড মনে হচ্ছে বেড়িয়ে পড়বে এখন।

-আরে দাড়াও দাড়াও সারপ্রাইজ তো এখনও বাকি আছে।

-আরো? আর কি সারপ্রাইজ?

তাশরিকের কথা শেষ হতে না হতেই একটা বিদেশী ছেলে ইরা কে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে। ইরাও হালকা একটু হেসে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে বলতে থাকে,

-তাশরিক লেট মি ইন্ট্রডিউস, দিস ইজ জ্যাক মাই “ফিয়ান্সে” এন্ড জ্যাক; দিস ইজ মাই বেস্ট ফ্রেন্ড তাশরিক।

তাশরিক হা করে তাকিয়ে আছে ইরার দিকে। ইরা আবার মুখ খোলে “জ্যাকের সাথে আমার পরিচয় ওখানে গিয়ে। ইনগেজমেন্ট হয়ে গেছে আমরা দেশে এসেছি বিয়ে করার জন্য”

তাশরিকের মাথা টা ঝিমঝিম করছে। নিজের পিছনে গোলাপ গুলা ওভাবেই ধরে রেখেছে তাশরিক। চোখের সামনে থেকে ইরা আর জ্যাক চলে গেল। এয়ারপোর্টে নিথর হয়ে দাড়িয়ে থাকে তাশরিক। সমস্ত ঘটনার কোন কিছুই চোখের আড়ালে যায় নি রুবির। রুবি তাশরিকের পাশে এসে দাড়ায়। রুবি কে জড়িয়ে ধরে হু হু করে কেদে ফেলে তাশরিক। তাশরিকের হাত থেকে পড়ে যায় ফুলগুলো। রুবি সেগুলো সযত্নে তুলে কাছে রাখে।

রুবি আর তাশরিক গাড়িতে বসে। মায়ের বাসায় যাচ্ছে তাশরিক, অনেক দিন মা কে দেখা হয়নি। তাশরিক বলছে

-রুবি

-জ্বি স্যার।

-ভালবাসা ঠিক নয় বুঝেছ?

-কেন স্যার? আপনি তো ইরা কে ভালবেসেছেন।

-ভুল করেছি রুবি। বুঝতে পারি নি। ইরার থেকে তোমার মত রোবটকে ভালবাসাও ঠিক ছিল।

রুবি বুঝতে পারল এই লাইন টা শোনার পর তার প্রোগাম তাকে অন্য কিছু কমান্ড করছে। রুবি তাশরিক কে বলে-

-স্যার, আমায় ভালবাসবেন?

-তোমায় তো ভালবাসিই রুবি।

-না স্যার, ইরা কে আপনি যেভাবে ভালবাসতেন সেভাবে আমায় বাসবেন।

তাশরিক এবার যথেষ্ট অবাক হয়, ফিরোজের কথা গুলো মনে পড়ে তাশরিকের। নাহ, রুবি কে এসব বলা ঠিক হয় নি। যেভাবেই হোক বোঝাতে হবে।

-শোন রুবি, ইরা কে যেভাবে ভালবাসতাম সেভাবে তোমায় বাসা যাবে না কারন তুমি রোবট, ও মানুষ।

-স্যার সমস্যা কোথায়? আমিও তো ইরার মতই একটা মেয়ে -তা ঠিক আছে কিন্তু তুমি তো রোবট। আমি ইরা কে ভালবাসতাম বিয়ে করে সংসার করার জন্য।

-স্যার আমাকে বিয়ে করুন, আপনি আর ফিরোজ স্যার ছাড়া কেউ তো জানেনা আমি রোবট।

-ধুর কিভাবে কিভাবে তোমায় বোঝাই? ইরা একটা মেয়ে যার জীবনে মাতৃত্ব আসবে। একদিন ও মা হবে। নিজে সন্তান জন্ম দিবে। আর তুমি একটা রোবট যে কখনও মা হবে না। রোবটের কোন মাতৃত্ব থাকে না। বুঝেছ?

রুবি আস্তে করে মাথা নাড়ে, আর বলে “স্যার আমি বুঝেছি। আপনার মায়ের বাড়ির সামনে চলে এসেছি।”

রুবি আর তাশরিক ঘরে যায়। মা তো অনেক খুশি। সন্ধা তে তাশরিক, মা আর রুবি অনেকক্ষন গল্প করে মা বলে “বাহ মেয়েটাতো অনেক সুন্দর। কি নাম তোমার মা? ” রুবি উত্তর দেয়।

মাকে তাশরিক বলে “মা ইনি আমার এসিসটেন্ট” মা হাসে আর বলে “আমি কি বুঝিনা? এতো আমার ছেলের বউ হবে তাইনা? হা হা আমায় কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি নাতি দিতে হবে”

রুবি ওখান থেকে উঠে চলে যায়। একটা মানুষ তাকে অর্ডার করেছে তাকে নাতি দেওয়ার জন্য কিন্তু সে ওদিক থেকে অক্ষম। তাশরিকও মাকে বলে না রুবি রোবট। খামোখা মা কে বলে কি লাভ।

তার কিছুদিন পর আজ সকাল। রুবি বলছে “স্যার আমি প্রেগন্যান্ট, আমার পেটে আপনার বাচ্চা”

তাশরিক প্রচন্ড অবাক। কিছুক্ষনের মাঝেই রুবির পাওয়ার অফ হয়ে মেঝেতে পড়ে যায়। তাশরিক রুবি কে নিয়ে ফিরোজের কাছে নিয়ে যায়। ফিরোজ বলে “রুবির প্রোগাম নষ্ট হয়ে গেছে। রুবিকে আর ঠিক করা সম্ভব নয়।”

ইরা চলে যাওয়ার পর তাশরিক যতটা কষ্ট পেয়েছিল তার হাজারগুন বেশি কষ্ট পাচ্ছে তাশরিক। শেষ পর্যন্ত রুবির মেমরি থেকে জানতে পারে, এয়ারপোর্টে সেই কথা টার পরেই তাশরিক কে ভালবাসত রুবি, তাশরিকের মা এবং তাশরিকের শর্ত ছিল সন্তান জন্ম দেওয়া নিয়ে। সেই শর্ত কে চ্যালেঞ্জ আর অর্ডার হিসেবে নেয় রুবি। নিজে তার শরীরে মেয়েদের মত “ওভারি” সৃষ্টি করে। মিনি রোবট যা আপডেট করা সম্ভব তা পেটের মাঝে রেখে নিজের পাওয়ার সেলের সাথে লাগানোর পরেই প্রোগাম ফেল করে রুবির।

রুবির মেমরি তে শেষ একটা মেসেজ পায় তাশরিক “ইরা কে ভালবাসতেন আপনি সে মা হবে তাই। স্যার আমিও মা হব। তাই আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। এনে দেব রোবটের মাঝে মাতৃত্ব”

তাশরিক রুবির নিথর হাত টা শক্ত করে ধরে নিজের বুকের সাথে কান্না মুছে বলতে থাকে, “তুমি যা পারোনি, যার জন্য জীবন দিলে তুমি। প্রতিজ্ঞা করছি, আনব আমি।”

 

গল্পের বিষয়:
সাইন্স-ফিকশন

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত