থ্রী মার্ডার সার্চিং বাই সি আই ডি

থ্রী মার্ডার সার্চিং বাই সি আই ডি

কোন কাজ নাই হাতে তাই ভাবলাম কক্সবাজার থেক ঘুরে অাসবো। অাফিস থেকে ছুটি নেওয়া হয়ে গেছে।ব্যাগ ও গোছানো শেষ। সব কিছু ঠিক থাকলে কালকেই কক্সবাজার।রাত ১১ টায় একটা ফোন অাসলো ওপার থেকে বসের কন্ঠঃ যত তাড়াতাড়ি পারো সকালে অফিসে চলে এসো।ধেৎ মনটায় খারাপ করে দিলো। কি অার করার সব গুলো খুলে রেখে দিলাম অগের জায়গায়।
.
ওহ পরিচয়টা দিয়ে নি। অামি মিষ্টার মুহিব। কাজ করি সি অাইডি অফিসে। পদ টা অবস্য একটু ল্যু লেবেলে। সিনিয়র সি অইডি অফিসার অপ বাংলাদেশ।
.
কখন যে সকাল হয়ে গেল বুঝতে পারি নি। তাই তড়ি ঘডি করে বের হলাম। লক্ষ্য বসের রুম।হঠাৎ মনে পড়ে গেল কয়েক দিন অাগেই বিয়ে করলাম কিন্তু এখনো হানিমুনে যাওয়া হয়নি। যখনি হানিমুনে যেতে চায় তখনি কোন নতুন সমস্যা এসে হাজির হয়
.
ওহ বলাতো হয়নি অামি যাকে বিয়ে করেছি সে অামার সহকারি মেসেস মাহি।তার যেমন সাহস তেমন বুদ্ধি।তাই তার প্রেমে পড়ে গেয়েছিলাম অাগের মিশনে। মিশন শেষে বিয়ে করে নিলাম।
.
ভাবকে ভাবতে পৌছে গেলাম বসের অফিসে। হাতে তিনটা ছবি।ডুকতেই হাতের ছবি গুলা হাত বদলে দিয়ে দিল…
—–>ছবি গুলো মনোযোগ দিয়ে দেখ….(বস)
—–>হুম দেখলাম।তিনটা ভিন্ন মেয়ের ছবি…কিন্তু এগুলো অামাকে দেওয়ার কারণ কী..?
—–>মিস্টার মুহিব অাপনি ভালো করে জানেন অামি অাবার কারণ ছাড়া কোন কাজ করি না।অপনাকে দেখানোর প্রশ্নই ওঠেনা। হয়েছে কি জানেন তারা কিছু দিন অাগে মারা গেছে। এক জন রুমে খুন হয়েছে।বাসার সবাই বলতেছে অাত্বহত্যা করেছে কারণ তার লাশ ঝুলন্ত অবস্তায় পাওয়া যায়।অারেক জন খুন হয়ে পার্কে। গলায় একটা হলুদ গামছা প্যেছিয়ে হত্যা করা হয়েছে.. বাকি জন খুন হয়েছে রাতে বাড়ি ফিরার সময় বাড়ির পাশে। তার কাছে একই রংয়ের গামছা ছিল।
—–> ওহ… তার মানে রহস্যটা বড় কঠিন। তিন জন তিন জায়গায় হত্যা হয়েছে। কিন্তু তাদের কাছে পাওয়া গিয়েছে একই ধরনের অস্ত্র। কি করে সম্ভব..?
—–> সম্ভব.. সবই সম্ভব। হতে পারে খুনির সাখে তাদের সবার কোন না কোন যুগ সুত্র অাছে …
—–> হুমমম.
—–> অামি অাপনাকে ডাকার কারণ অামি কেসটা অাপনাকে দিতে চায়।
—–> জ্বী স্যার সমস্যা নাই। অামি ফাইলটা নিয়ে যাচ্ছি.. দেখবেন সময় মত মাটি খুড়ে সাপ বের করে ফেলবো।
—–> অামি তোমার প্রতি অাস্তা রাখতে পারি। কারণ তুমি অাগে বেশ কয়েকটা মিশন সফল ভাবে শেষ করেছো..
—–>অাস্তা রাখার জন্য ধন্যবাদ। এখন যায়। ধন্যবাদ স্যার।
—–> শিঘ্রই দেখা হচ্ছে…
.
বের হয়ে বাসায় পৌছে মাহিকে ফাইল দেখানোর সাথে সাথে লাফিয়ে ওঠলো.. কি মেয়েরে বাবা রহস্য সামাধানের কথা বলল্লে খশিতে জেনু ধরে না।
—–> এই শুনো কেসটা অামি স্পেসাললি তদন্ত করতে চায় তুমি কি অামার সাথে একমত।(মাহি)
—–>হুম।
—–> অার একটা কথা কাজের সময় স্বামী স্ত্রী নয় বস এবং সহকারীর সম্পর্ক।
—–>ওক্কে,,মেডাম।
—–>অামার ফাজলামি।ধেৎ তোমার কেস অামি তদন্ত করবো না।
—–>ওক্কে। এবার থেকে আর ফাজলামী নয়। সব সময় সিরিয়াস।
.
ফাইলটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষন দেখে ল্যেপটপটা নিয়ে বসে পড়লো।কিছুক্ষন ঘাটাঘাটি করে রেখে দিল বল্লো সকালে বলবে এখন ঘুমাও। কী অার করার বধ্য ছেলের মত ঘুমি পড়লাম। হি হি হি কত্ত রোমান্স। সহকারির সাথে রাত যাপন।
.
সকাল বেলা মাহি কিছু না বলে বের হয়ে গেল অামি ও বের হয়ে গেলাম। মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানীতে।
.
—–> হেল্লো।অামি সিনিয়র সি অাই ডি অফিসার মুহিব। কোড নাম্বার ৪২৭০৯
—–> জ্বী স্যার অামরা কি ভাবে অাপনাকে সহয়তা করতে পারি…?
—–> এই নাম্বার টি থেকে গত ১৫ দিন যাবত কার কার সাথে মেসেজ করছে কথা বলেছে তার সমস্থ তথ্য জানতে চাই। অার হে যদি সম্ভব হয় রেকডিং টা ও আশা করবো।
—–> অাপনি অপেক্ষা করুন। অামরা অামাদের সর্বাত্তক চেষ্টা করবো।
—–> ওক্কে।
.
পাশের একটা টেবিলে বসে পড়লাম। ঝিমুতে ঝিমুতে মনে পড়ে গেল দুই বছর অাগের কথা।একদিন হঠাৎ করে ওপর থেকে চাপের করণে ও কর ফাকি দেওয়ার কারণে মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানীটি সিলগালা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।কোম্পানীর কোন কিছু না ভেবে অেমাকে অানেক অনুনয় করে বলতে লাগলেন.।
—–> স্যার.. প্লিজ দয়া করে একটি বার তদন্ত করে দেখুন অামি কোন কর ফাকি দিই নি।এটা কোন কেউ অামাকে গভীর সুক্ষ ভাবে ফাসাচ্ছে।
—–> অাপনার কি কোন শত্রু অাছে..?
—–> বলতে পারেন সত্রুর অভাব নায়… সবাই সত্রু কেউ গ্রহকের গোপনীয় কিছু জানতে চাইলে তো অামরা অার তা জানাতে পারি না। তাই প্রতিদিন হাজার হাজার শত্রু তৈরী হয়।
—–> ওক্কে। অাপাতত কয় একদিন বন্ধ রাখুন কার্যক্রম। ততদিনে অামি দেখতেছি কী করা যাই।
—–>ওক্কে স্যার
.
তারপর অনেক কষ্ট করে উর্ধতনদের কে বলে কয়ে অনেক কষ্ট করে তাদের কাছ থেকে তদন্তের কার্যটা অামার কাধে নিয়ে নিলাম।সে দিনের মত। তদন্ত করে পেলাম তাদের কোন দুঃষ নায় যত্ত সব অন্য কোম্ম্পানীর চাল। তাই তারা সেই বারের মত বেচে যায়।
.
ঘুর কাটলো তাদের কর্মচারির ডাকে। হাতে একটা চার্ট…
—-> sorry sir… অামরা রেকর্ডিং বের করতে ব্যের্থ।এই নিন মেসেজের সব রেকর্ড।
—-> ধন্যবাদ।
চার্টটা হাতে নিয়ে পডে মনে হলো অামি অাকাশ থেকে পড়লাম

সব গুলা কল লিষ্ট বাসার বাবা অার মায়ের। সন্দেহ করার মত কোন কলের লিষ্ট পেলাম না। এখন এইটা শিউর হলাম যে এইটা একটা পরিকল্পনা মাপিক মার্ডার। মার্ডার গুলা করা হয়েছে খুব শুক্ষভাবে। পুলিশ আইনি চোখ সব কিছুকে ফাকি দিয়ে।
.
ভিকটিমের ফোন লিষ্টে সন্দেহের মত কিছু না পাওয়া মানেই হলো ভিকটিম অন্য কোন সিম কার্ড বা মোবাইল ব্যাবহার করতো। যেটা দিয়ে ভিকটিম কিলারের সাথে যোগাযোগ করতো।
.
ভাবতে ভাবতেই অফিসে চলে অসলাম। অফিসে অাসার অাগেই দিখে মিসেস মাহি উপস্থিত। অামি অফিসে ডিকছি সেটা খেয়ালই করেনি। নিজের মত কাজে ব্যাস্ত। ভাবলাম একটু দুষ্টামি করে নি।
—-> hlw…. ms মাহি… অাপনি কি কাজে এতো ব্যাস্ত…?
—–>স্যার। তাদের জীবনের ব্যাকগ্রাউন্ডটা খুটি খাটিয়ে দেখতেছি .. কিন্তু সেটা সন্দেহের তালিকার মত কিছু পায় নি.
—–>কিন্তু অামি ভাবতেছি তুমি অপরাধীর পিছনে দৌডাতে দৌডাতে নিজেই অপারাধী হয়ে যাচ্ছেন সেটার দ্বায় কে নিবে..?
—–> মানে….?
—–>এই যে অাপনি অামাকে সময় দিচ্ছেন না…… অামার পাপ্যটা দিচ্ছেন না…. অাপতত একটা পাপ্পি হলে তু….!
—–>সেটা কী এখনই দিতে হবে…
কিছুক্ষণ ভেবে মিসেস মাহি অামার দিখে এগিয়ে অাসতে লাগলো। হঠাৎ অফিসের ফোনটা বেজে ওঠলো।
.
—–>হেল্লো… অাসলামো অালাইকুম।
—–> ওয়ালাইকুম সালাম.. কে বলতেছেন…?
—–> স্যার অামি অাপনার কেসে অাপনার সাথ ছিলাম। শুনলাম নতুন কেস হাতে পেয়েছেন তাই ফোন দিলাম।
—–> তুমি কি কিছু তথ্য দিতে পারবে অামাকে এই ব্যাপারে…?
—–> স্যার টেনসন নিবেন না। অাপনি যে কেসটা হাতে নিয়েছেন সেটা বড় ধরণের ডিল স্যার। অার সেটা ঘটেছে অামার এলাকায়।
—–> তাই নাকি…?
—–> জ্বী স্যার…
—–> অাপনি বরং অামার সাথ ফোনে কথা বলে অামার অফিসে চলে অাসুন। দুইজন মিলে চা বা কফি খেতে কথা বল্লে মনে হয় ভাল হয়।
.
মিসেস মাহি অামি একজনের সাথ মিটিংয়ে বসবো অাপনি সময় মত কাজ শেষ কর বাসায় চলে যাবেন।
—–> ওক্কে।
.
বিয়ের পর থেকে প্রথম কাজে মন দিচ্ছি কিন্তু কোন সুত্র পাচ্ছি না। অামরা কি কোথাও ভুল করতেছি। মনে হচ্ছে না। কিন্তু তাহলে এমণ হওয়ার তু কথা না।
হঠাৎ বসের অাগমণ…..
—–> স্লোট স্যার…
—–> বসো…
—–> স্যার হঠাৎ অাপনি…..!কি মনে করে..? তাও অাবার অামার অফিসে…! এতো কষ্ট করার চাইতে অামাকে ডেকে নিলেই পারতেন।
—–> মিস্টার মুহিব। অাপনি অার অামি ভালো করে জানি CID অফিসারদের করতে হয় কম শুনতে বেশি..অার কাজের বেলায় সেটা ছোট হোক বা বড হোক।
—–>বুঝলাম না স্যার…
—–>অাপনি যদি কোন তদন্তে যান তাহল অাপনাকে হাজার রকম কথা শুনতে হবে কিন্তু অাপনি সব গুলে বুঝে শুনবেন কম। মানে দরকারি কথা গুলো ছাডা বাকিটা ফেলে দিন। তারপর এমণ কিছু কথা অাছে বলবে কম বুঝতে হবে বেশি। অাশা করি এইবার বুঝেছেন।
—–>জ্বী স্যার।
—–>ওক্ক তাহলে অাসি। অামার একটা মিটিং অাছে তারপর একটু কাজে বের হতে হবে তাই সময় দিতে পারলাম না। তুমি কেসটা ভালো করে ভেবে দেখে হাটবে…
—–>জ্বী স্যার।
.
ধুর…! কেন যে চাকরিটা নিছিলাম অাল্লাহয় যানে…?
কিচ্ছু ভালো লাগে না।প্যারা ময় জীবন। সবসম দৌডের ওপর থাকতে হয়।
.
অফিস থেকে বের হয়ে মিসেস মাহিকে ফোন দিলাম। একটু সাচিংয়ে যেতে হবে। রেডি থাকিও..
.
অফিসে থেকে বের হয়ে গাডি চলতেছে তার অাপন গতিতে।উদ্দেশ্য ভিকটিমের বাডি।
—–>অামরা মনে হয় এসে পডেছি…?
—–>হুম। স্যারের কথা মতো এইটাই ভিকটিমের বাডি…
—–>ওক্কে তাহলে নামা যাক। কিন্তু সাবধান ভুলে ও মাস্ক খুলবেন না। অার শুনবে কম বুঝতে হবে বেশি।
—–>ওক্কে।
.
কার্ড দিখিয়ে…
—–>অামরা সিআইডির লোক।অামরা অাপনার মেয়ের হত্যার তদন্ত করতে এসেছি। অামাদের হাতে অর্ডার অাছে অাপনার ঘর তল্লাশি করার। অামরা অাপনার ঘর তল্লাশি নিব।
—–>অনেক তল্লাশি তদন্ত তু হলো। কিন্তু অামার মেয়েটা কি অার ফিরবে… অামার সপ্নটা কি পুরণ হবে
—–>হয়তো অাপনার মেয়ে ফিরে অাসবে না। তবে কথা দিচ্ছি অামরা অাপনার মেয়ের খুনিদের উপযুক্ত শাস্তি দিয়েই ছাডবো। তবে এর জন্য অাপনাদের পুর্ণ সহযোহিতা লাগবে।
—–> ঠিক অাছে অামরা সহযোহিতা করবো। অাপনারা রুম তাল্লাশি করতে পারেন।
পুরু রুম তাল্লাশি করলাম। কিন্তু সন্দেহ করার মত কিছু পেলাম না। রুম থেকে ফিরে চলে অাসছিলাম হঠাৎ জানালার বাইরে চুখটা অাটকে গেল।জানালার বাইরে সদ্য রুপন করা একটা চারা গাছ যেটি খুব কেশি হলে ৪-৫ দিন অাগে রুপন করা।
.
ভিকটিমের বাবাকে ডাক দিলাম।লোকটা দৌডে এলো
—–>অাচ্ছা ওই গাছটা কয়দিন অাগে রুপন করা হয়ে?
—–> মেয়েটা মরে যাবার ১ দিন অাগে রুপন করেছিলো।
—–>ওক্কে এখন অাপনি যেতে পারেন।
লোকটা চলে গেল। অামার টিমকে নির্দেশ দিলাম গাছটা ওপড়ে ফেলতে।ওর গুডায় কিছু থাকতে পারে কারণ গাছেটা রুপন করেছে ভিকটিম মরার ১ দিন অাগে তারমানে কিছু তু রহস্য থাকতে পারে।
.
টিম গাছের তলায় খুডতে লাগলো অনেক দুর খুডার পর যা সামনে এলো তা দেখে মনের ভিতর হাসি চলে এলো। অামার সন্দেহটাই ঠিক হলো। সেখান থেকে ওঠে এলো একটা ডায়রি অাার কিছু চিঠি। অার একটা মোবাইল।
.
ডায়রি খুলে পড়া শুরু করলাম।
.
অাজকে কলেজে গেছি বন্ধুদের সাথে অনেক অাড্ডা হলো কিন্তু অামার মনটা ভালো নায় অামার সাথে কথা বলার কারো সময় নায় সবাই যার যার প্রমিকা নিয়ে ব্যাস্ত। তাই বাসায় চলে অাসলাম এভাবে কিছুদিন গেল তারপর পরিচয় হতে থাকে বরিনের সাথে রবিন খুব ভালো। ওর সাথে কাটানো সময় অামার খুব ভালো লাগে। ভাল লাগার জন্য তার কাছে সব সময় ছোটে যায়।
.
এভাবে চল্লো অারো কয়েক দিন তার পর সে অামাকে রুম ডেটের অপার দেয়। অামি প্রথম প্রথম রাজি না হলে ও পরে বাধ্য হয়ে রাজি হয়ে যায়।এ পর থেকে শুরু হয় নিয়মিত রুম ডেট। অাস্তে অাস্তে সে অামার কাছ থেকে দুরে সরতে থাকে। অন্য মেয়ের সাথে ভাব জমাতে শুরু করে।
.
তাকে না মিশতে বলায় সে অামাকে হুমকি দেয়। তার বাবা প্রভাবশালী তাই সে সব কিছু করতে পারে। তাই চুপ করে থাকতে বলে। অামি অার কিছু বলি নায় বলার মত কোন কথা ছিলো না অামার যাকে এতো ভালবাসি তার মুখে এই কথা মেনে নেওয়া যায় না..অামি এই জীবন রাখবো না
.
পড়তে ভাবতে লাগলাম ওখানে কিছু পেলাম না। ডায়রিটা ওল্টাতে লাগলাম। এক জায়গায় চোখ অাটকে গেল কারণ ওখানে লিখা অাছে গিপ্ট সমগ্রির নামঃ
১। গোলাপ ফুল
২। নুপুর
৩। জামা।
৪। হলুদ ওডনা
৫। মোবাইল
ইত্যাদি ইত্যাদি…
সন্দেহের তীরটা রবিনের দিখে গেল।অামাদের রবিন পর্যন্ত পোছাতে হবে তারপর বুঝতে পারবো কে খুণি।
.
রবিনকে খুজতে সমস্যা হলো না তাকে কুলে নিলাম গাড়িতে তবে তার প্রভাবশালী বাবা প্রথমে জুরা জুরি করছিলো না নেওয়ার জন্য হুমকি ও পেলাম তবে নেটা মাথায় না নেওয়ায় ভালো।
.
তারপর থানায় নিয়ে তার মুখ খুলতে হলো। তার বর্নণা অনুযায়ি
কলেজে অনেক মেয়ের সাতে তার রুম ডেট হয় সে টাকার জুরে মেয়েদের কে প্রেমের ফাদে ফেলে তারপর বিভিন্ন জিনিস গিপ্ট দেয়। রুম ডেট করে ছেডে। তাকে রিয়ার ছবিটা দেখিয়ে জিঙ্গেস করলাম একে চিনে কিনা। সে জ্যা বলে তাকে ও অনেক কিছু গিপ্ট দিছিলো সে।
.
তারপর রুম ডেট করে ছেডে দিছিলো। গায়ে রক্ত গরম হয়ে গেল। ইচ্ছা মত লাটি দিয়ে ধুলাই দিয়ে থানায় চালান করে দিলাম।
বাকিটা অাদালত করলো তার শাস্তি হলো মৃত্যু দন্ড।
.
শান্তি পেল তিনটা মেয়ের অাত্বা। নষ্ট হবে না বা অাত্ব্ হত্যা করতে হবে রিজাদের মত কাউকে।সুখে ও সস্ত হোক সমাজটা।
সমাপ্ত
—অাপনাদের সাথে অাবার দেখা হবে পরবর্তী গল্পে। এখন থেখে নিয়মিত গল্প পাবেন কারণ এতোদিন ব্যাস্ত ছিলাম কিন্তু এবারের একদম ফ্রি। উৎসাহ দিতে লাইক কমেন্ট করে সাথে থাকবেন। অপনার বন্ধুকে মেনসন করে গল্প পড়তে সাহায্য করুন। ধন্যবাদ সবাইকে..

গল্পের বিষয়:
সাইন্স-ফিকশন

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত