কঠিন বাস্তবতা

কঠিন বাস্তবতা

,,,,,হ্যালো বল
,,,,,কি করছিস?
,,,ফেসবুকে এখন আছি।
,,,,,waiting ছিলি। কার সাথে কথা বললি?
,,,,মাসুদের সাথে পড়ার বিষয়ে কথা বললাম
,,,,,,তাই ভালোতো। ওতো রাত জাগিস কেন?
,,,,এমনি বল কি জন্য ফোন করলি এত রাতে?
,,,,,,হ্যাপি বার্থ ডে বৃষ্টি
,,,,,,ধন্যবাদ দোস্ত।এখন ঘুমা।
,,,,ওকে শুভ রাত্তি।
বলে কলটা কেটে দেয় বিজয়।বিজয় বৃষ্টি দুজনে খুব ভাল বন্ধু।
কাল বৃষ্টির শুভ জর্ন্মদিন।তাই বিজয় আবার ফোন দিল বৃষ্টির কাছে
,,,,হ্যালো বিজয় বল
,,,,তোকে একটা কথা বলার ছিলো?

,,,,হা বল
,,,,,না মানে কথাটা আসলে
,,,,তারা তারি বল ঘুমাবো
,,,,,আমি একজন কে ভালো বাসি বলতে পারছি না তুই যদি আমার হয়ে বলে দিতি
,,,,,বৃষ্টির কোন সাড়া নেই
,,,,হ্যালো হ্যালো কিরে কথা বল বৃষ্টি
,,,বৃষ্টি অনেক ক্ষন পর কাঁদো কাঁদো কন্ঠে বললো নাম কি মেয়েটার? কারন বৃষ্টি বিজয় কে আগে থেকেই ভালো বাসতো যা বিজয় জানতো না
,,,,সিবা লভা কেমাতো মিআ
,,,,মানে?
,,,,এটা একটু উলটো কর পেয়ে যাবি বাই শুভ রাত্তি।বলে ফোনটা কেটে দেয় বিজয়। এদিকে বৃষ্টি সারা রাত ভাবতে থাকে তবুও কোন কিছুই বুঝতে পারে না সিবা লভা কেমাতো মিআ মানে কি? পরদিন সকালে বিজয় কে কল দিলো বৃষ্টি

,,,,হা বৃষ্টি পেয়েছিস?
,,,না তুই বল সিবা লভা কেমাতো মিআ মানে কি?
,,,,একটু উলটা সিবা= বাসি, কেমাতো=তোমাকে,মিআ=আমি।আমি তোমাকে ভালো বাসি।
,,,,,দেখ সব সময় ফাজলামি ভালো লাগে না
,,,,সত্যি আমি তোকে ভালো বাসি
,,,,তুই সিরিয়াস
,,,কেন তোর বিশ্বাস হচ্ছে না? তোর জন্য ভালো বাসার অগ্নি পরিক্ষা দেওয়া লাগবে নাকি?
,,,,,তাহলে ওই মেয়েটা?
,,,আরে ওই মেয়েটাই তো তুই আমি তোকেই ভালো বাসি i love you.
,,,,,,বৃষ্টি কি বলবে বুঝতে পারছে না চুপ করে আছে
,,,,কিরে কিছু বল
,,,,,,দেখা করতে পারবি এখন?
,,,,তুই চাইলে সব করতে পারবো বল কোথাই?
,,,,,ক্যামপাসে
,,,আচ্ছা ঠিক আছে আমি আসছি
,,,,ওকে বাই

বিজয় তারা তারি রেডি হয়ে বাইক নিয়ে বেরিয়ে পরল ক্যামপাসের উদ্দেশে। ক্যামপাসে বিজয় এসে দেখে বৃষ্টি এখনো আসেনি। বৃষ্টি সব সময় বিজয়ের আগে এসে বসে থাকতো আজ কিনা বিজয় আগে এসেছে বেপারটা অদ্ভুত লাগছে।মোবাইলটা বের করে বৃষ্টি কে কল দিলো ওপর পাশ থেকে একটা পরিচিত কন্ঠ ভেসে আসলো আপনার কাঙ্নক্ষিত নাম্বারটিতে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না একটুপর আবার চেষ্টা করুন ধন্যবাদ। তাহলে কি বৃষ্টি আজ আসবে না। এমন সময় মাসুদের ফোন

,,,কি রে কই তুই
,,,,ক্যামপাসে
,,,,তারা তারি মেডিকেল হাসপাতালে চলে আয়
,,,,কেন?
,,,,এমনি তেই তারা তারি চলে আয়
,,,,,বিজয় বাইক স্টাট দিচ্ছে কেন জানি স্টাট নিচ্ছে না।

বহু চেষ্টা করে বাইক স্টাট দিয়ে যখন মেডিকেলে আসলো এসে দেখে তার বন্ধু মাসুদ ও রাশেদ পাশে একটি লাশ।
একটা নার্স এসে যখন লাশের মুখ থেকে কাপরটা সরালো বিজয় লাশ দেখা মাত্তই সেন্স লিন্স হয়ে পরে যাই। আজ বিজয়ের ঙ্গান ফিরলো।বিজয় দেখলো তার বাবা মা ও মাসুদ পশে বসে কাঁদছে। বিজয় বললো আমি এখনে কেন এলামি বা কেমন করে আর বৃষ্টি কোথাই বৃষ্টি না আসার কথা বিজয়ের বাবা মা মুখ চেপে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বাইরে বেরিয়ে গেল। মাসুদ বিজয়ের পাশে গিয়ে বসলো আর বলতে লাগলো তুই এখানে আজ কে আসিস নাই।আজ ১ মাস ১২ দিন এখানে।,

বৃষ্টি রোড একসিডেন্টে মারা গেছিলো সেদিন। যেদিন তোকে ফোন করে আসতে বলি সেদিন তুই আসার ১০ মিনিট আগে মারা যাই।তোর জন্য একটা চিঠি লিখে রেখে গেছে তুই আসার আগে এই নে, বিজয়, আমি জানি তুই আমাকে অনেক ভালোবাসিস।বিশ্বাস কর আমিও তোকে অনেক ভালো বাসি। কিন্তু আমি তোকে ভালোবাসতে পারলাম না রে।সবি ওপর ওয়ালার লেখা। তাই তোর থেকে অনেক দুরে চলে যাচ্ছি কিন্তু তোকে ভুলে যাবো না। তোর আছি তোরি থাকবো। বৃষ্টি। তারপর থেকে একটা ছেলেকে রাস্তাই রাস্তাই দেখা যাই পাগলের মত চুল গুলো বড় বড় শরিরের কোন যন্ত নেই।শুধু মাথা চুলকায় আর নিজেই নিজেকে বলে বৃষ্টি আমি আসছি তোমার কাছে,,,,,,,,

গল্পের বিষয়:
দু:খদায়ক

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত