একটা স্বপ্ন

একটা স্বপ্ন

>> তুমি আমার খালাতো ভাইয়ের সাথে এতো মিলেমিশে থাকো কেন?
তোমাকে আমি সাবধান করে দিচ্ছি। একসাথে পড় ঠিক আছে কিন্তু খুব দূরে দূরে থাকবে। কাছে আসার একদম চেষ্টা করবে না।
>> এই ছেমড়ি তোর সমস্যা কি? ও আমার বন্ধু। আমি ওর কাছে ওই থাকব। তুই কি করতে পারস করে নিস। তোকে আমি দেখে নিব।
>> তুমি দেখি খুব বেড়ে গেছ। তোমাকে আমি নৌকা থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিব।
>> হিহিহি।
আর আমি কি তোকে আদর করব। তুই আমার সাথে এমন ব্যবহার করস কেন?
আমি তোর থেকে অনেক শ্রেণী উপরে পড়ি না?
>> তাতে কি হয়েছে। তুমি আমার খালাতো ভাইয়ের সাথে এতো কথা বলো কেন?
>> আমার ওকে অনেক ভালো লাগে। আমি ভাবতাছি ওর সাথে কিছু দিন প্রেম করব।
>> হি। বললেই হলো। ওর সাথে প্রেম করব। তোমার প্রেম আমি ছুটাইব। আজ পিকনিক থেকে বাসায় যাই। তারপর আন্টিকে কে গিয়ে সব বলব।
>> আমি ওর সাথে প্রেম করলে তোর সমস্যা কি? তোর জ্বলে কেন?
>> আমি ভাইয়া কে ভালবাসি। তুমি জানো না?
>> আমার জানা লাগবে না। তুই তো অনার্স প্রথম বর্ষে পড়স। আর আমরা অনার্স ২ বর্ষে। তুই তো এখনও ছোট। তুই প্রেম করা লাগবে না। তুই একটা কাজ কর তুই পড়াশোনায় মন দে।
>> আমি তোমাকে কিছুতেই ছেড়ে দিব না। আমি তোমার মায়ের কাছে গিয়ে সব বলব। তুমি আমার ভাইয়ের সাথে প্রেম কর।
>> দেখি তোর কত সাহস। বিচার দিয়ে আসিস। পরে বুঝবি মজা।
>> ও। মাকে খুব ভয় পাও বুঝি?
>> ভয় পাই। তো কি হয়েছে?
>> তাইলে ঠিক আছে। পিকনিক থেকে বাসায় যাই তারপর বুঝাব।
>> ঘ্যানঘ্যান কম করে আমার সামনে থেকে যা তো।
>> আমি ঘ্যানঘ্যান করছি। তুমি যে আমার ভাইয়ের সাথে প্রেম করতেছ। ওই কথা কে বলবে ? তখন তো খুব ভালো লাগে।
>> ইশ! তুই তো খুব অসহ্য।
.
এম এ কলেজ থেকে ছাত্রছাত্রী আজ পিকনিকে এসেছে । একটা পানির দেশে। এম এ কলেজ টা শহরে। এম এ কলেজের ছাত্রছাত্রী তারা বেশি পানির দেশ দেখে নি। তাই পানির দেশে তারা পিকনিক করতে এসেছে। মিমি নামে একটা মেয়ে আছে। দেখতে কেমন বোকা বোকা ভাব। আর মিমি যার সাথে কথা বলছে তার নাম হলো রিয়া। রিয়া অনেক ভালো একটা মেয়ে। রিয়া পড়ে আবিরের সাথে। আবির হলো মিমির খালাতো ভাই।
আবির মিমি কে ছোট বোন হিসাবে দেখে।
আবির মিমিকে ছোট বোন হিসাবে খুব ভালোবাসে । তবে ভালবাসার চোখে দেখে না। কিন্তু মিমি আবির কে খুব ভালবাসে। আবিরের জন্য সব কিছু করতে পারবে। প্রথম মিমি পিকনিকে আসতে চায় নি। তার পিকনিক এসব আনন্দ উল্লাস ভালো লাগে না। খুব নিরবে থাকতে ভালবাসে। যখন শুনল আবির পিকনিকে আসছে তখন সে পিকনিকে আসতে রাজি হয়ে যায়।
.
>> ভাইয়া তুমি এ দিকে আসো। আমাকে নিয়ে ঘুরাঘুরি করো। তুমি রিয়া আপুর সাথে ঘুরাঘুরি করবে না।
>> তোর এতো সমস্যা কেন? এর সাথে ঘুরাঘুরি করতে পারবে না। ওর সাথে ঘুরাঘুরি করতে পারবে না। এতো সমস্যা নিয়ে তুই কিভাবে ঘুমাছ।
>> তা তুমি জানতে হবে না। রিয়া আপুর সাথে তুমি যেভাবে কথা বলো। আমার সাথে সেভাবে কথা বললে কি হয়?
>> রিয়া আমার সাথে পড়ে। ও আমার বন্ধু।
>> আমি কি?
আমি ওত তোমার বন্ধু হতে চাই। আমার শেষ কথা তুমি রিয়া আপুর সাথে ঘুরাঘুরি করতে পারবে না।
>> এই নে ১০০ টাকা। এই টাকা দিয়ে কিছু খেয়ে নে। যা ভাগ তো । আমি কিছু পানির মধ্যে সাঁতার কাটি।
>> তুমি নেও তোমার টাকা। তুমি কি ভাবছ আমাকে এখানে একা রেখে তুমি আনন্দ উল্লাস করবে। আমি কিছুতেই হতে দিব না।
>> তাইলে তুই কি আমার সাথে সাঁতার কাটবি ?
>> তুমি আমার সাথে থাকলে সাঁতার কাটতে সমস্যা নাই।
>> তুই এখান থেকে যাবি কিনা?
না আমি আন্টিকে ফোন দিব।
>> ভ্যাএএএএএএএএএ।
>> ওই কান্না করিস কেন?
তোকে আমি কি করসি। এইটা কিন্তু ভালো হচ্ছে না।
>> আমি কান্না করলে তোমার কি?
তুমি তো আমার সাথে থাকতে চাও না। তুমি তো রিয়া আপু কে নিয়ে ঘুরাঘুরি করতে চাও। আমি বুঝি না। সব বুঝি আমি।
>> তুই তোর মাথা বুঝছ। যা তো এখান থেকে। আমি সাঁতার কাটতে গেলাম।
.
>> ভাইয়া কি হচ্ছে? তুমি সবার সাথে সেলফি তুল কেন? আমি কিন্তু বাসায় গিয়ে আন্টিকে সব কিছু বলে দিব।
>> ইশ! তুই তো খুব ঝামেলা করতাছত।
তুই তোর বন্ধুদের সাথে গিয়ে আড্ডা মার। আমার সাথে আড্ডা মারতে চাস কেন?
>> আমি ওদের সাথে কেন আড্ডা মারব?
তুমি আছ না।
>> তুমি আছ না!
এখানে দাঁড়া আমি তোকে আমার সাথে আড্ডা মাড়াচ্ছি। দিন দিন খুব ফাজিল হচ্ছিস।
>> আমাকে একদম মারতে আসবে না। আমি এখন অনেক বড় হয়ে গেছি।
>> তুই বড় হইছত। দেখি কত বড় হইছত।
>> এই তোরা দুই ভাই বোন কি শুরু করছত? (রিয়া)
>> দেখ না কোথায় থেকে এসে কি শুরু করছে।
(আবির)
>> মিমি তুই এখান থেকে যা তো।
>> আমি যাব না। আমি আমার ভাইয়ার সাথে আছি। তোমার সমস্যা কি?
>> আবির এইটা কিন্তু ঠিক হচ্ছে না। ও কিন্তু খুব বেশি করে ফেলছে।
>> তোরা রাগিস কেন?
ও ছোট তাই এমন করতাছে। মিমি চলে আস আমাদের সাথে। একদম চুপ থাকবি। ওরা তোর বড় হয় কিন্তু।
মনে রাখিস।
>> না। ও আমাদের সাথে যাবে না? (রিয়া)
>> আমার ভাইয়া আমাকে নিয়ে যাচ্ছেন। তাতে তোমার কি? হা।
>> তাইলে আমরা তোর ভাইয়ের সাথে যাব না। তুই আমাদের ছোট। তুই আমাদের সাথে যাবি কেন?
>> তোমরা সত্যি যাবে না। তাইলে আমি অনেক খুশি। আমি আর ভাইয়া সারাদিন ঘুরব।
>> তুই যা এখান থেকে। খুব বেশি করে ফেলছত।
>> আমি যাব না।
>> তুই যাবি তোর ঘাড় যাবে। যা বলছি।
আবির রাগের মাথায় মিমি কে একটা চড় মারে। মিমি কান্না করতে করতে সেখান থেকে চলে যায়। আবিরেরও মনটা খারাপ হয়ে যায়।
আবির সারাদিন আনন্দ উল্লাস কিছুই করে নি। আবিরের শুধু মিমির কথা মনে পড়েছে। মিমি টা কেন যে এসব পাগলামি করে? আচ্ছা মিমি কি আমাকে ভালবাসে। মিমি কেন আমাকে ভালবাসতে যাবে। মা শুনলে তো আমাকে বাসা থেকে বের করে দিবে। দ্যাত মিমি দেখছি আমাকে বাসা থেকে বের করার জন্য এসব করতাছে। এসব চিন্তা করতে করতে আবির বাসের ধারে চলে আসে।
সবাই বাসের মধ্যে বসে আছে। কিন্তু আবিরের বার বার মনে হলো মিমি কি বাসে মধ্যে উঠেছে। আবির বাস থেকে নেমে গিয়ে মিমিদের বাসের মধ্যে উঠে দেখে মিমি বাসে উঠেছে কিনা?
কিন্তু মিমি তো বাসে উঠে নি। মিমি আবার কোথায় গেল। আবির মিমির কয়েকটা বন্ধু কে মিমি কোথায় আছে জিজ্ঞাস করলে। তারা দেখে নি বলে দেয়। এতে অনেক টেনশন বেড়ে যায় আবিরের। এ দিকে অনেক সন্ধ্যা নেমে আসছে। সবাই এখন কি করবে। মিমির উপর অনেকের রাগ বেড়ে গেল। মেয়েটা এতো দুষ্টু কেন?
সবাই একসাথে বলে। না আমরা মিমির জন্য অপেক্ষা করব না। আবির তুই যদি তোর খালাতো বোনের জন্য থাকতে চাস তুই থাক। আমরা তোর এই ফাজিল বোনের জন্য অপেক্ষা করব না। আমরা চলে গেলাম।
>> আরে তোরা মিমির জন্য না থাক। কিন্তু আমার জন্য থাক। আমাকে একা রেখে যাস না।
>> ইশ! বাবুর কত শখ।
এতো দরদ তোর জন্য আমাদের সৃষ্টি হয় নি। যে তোর জন্য সাপের ভয় রেখে আমরা এখানে তোর বোন কে খুঁজাখুঁজি করব। তুই থাক। আমরা চলে গেলাম।
>> এই তোরা প্লিজ যাস না।
.
কিন্তু কে শুনে কার কথা ওরা সবাই চলে গেল। এ দিকে আবির একা রয়ে গেল। সন্ধ্যা প্রায় নেমে এসেছে। মিমি কে অনেক খুঁজার পরও আবির মিমি কে খুঁজে পায় নি। একটা শব্দ আসলো ‘ মা’ গো আমি শেষ।
আবির এই শব্দ পেয়ে দিল একটা দৌড়। কিছু দূর যাওয়ার পর দেখতে পায় মিমি মাথা নিচু করে হাত উপরে দিয়ে কান্না করতাছে। আবির মিমির কাছে যেই যাবে ঠিক সে সময় দেখতে পায় একটা সাপ মিমির সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আবির এই সাপটা একটা লাঠি দিয়ে মেরে ফেলে। মিমি মাথা উপরে তুললে আবির কে দেখতে পায়।
>> তুমি এখানে কেন? তুমি যাও নি?
>> আমি যদি চলে যেতাম। তাইলে তোকে রক্ষা করত কে শুনি?
>> আমাকে কেউ রক্ষা করতে হবে না। আমি নিজেকে নিজে রক্ষা করে নিতাম।
>> তাতো আমি নিজের চোখের সামনে ওই দেখলাম। একটা সাপকে দেখে কি ভয়টাই পাইছিলি। আর এখন মুখ থেকে কি কথা বের হচ্ছে।
>> এই তুমি কি ঝগড়া বন্ধ করবে। এমনিতেই ভয়ে হাত পা কাঁপছে। তার উপর তোমার ঝগড়া।
>> এক থাপ্পড় দিয়ে সব দাঁত ফেলে দিব। তোর জন্য হইতো আমি এখানে রয়ে গেলাম। নইলে আমি এখানে থাকবো কেন? আমাকে কি কুত্তা কামড়াইছে যে আমি এখানে থাকব।
>> ইশ! কি মশা।
দ্যাত। তুমি আমার জন্য থাকবে নাতে কে থাকবে। তুমি আমার ভালবাসা না। তোমাকে নিয়ে আমি কত স্বপ্ন দেখি।
>> ভালবাসা দিয়ে তুই চা বানিয়ে খাঁ। তোকে আমি ভালবাসতে যাব কেন?
>> ও। তাইলে রিয়া আপু কে ভালবাসতে ভালো লাগে? একদম বলে দিচ্ছি রিয়া আপুর ধারেকাছে যেন তোমাকে না দেখি।
>> বোন তোর হাতে ধরি। তুই এসব কথা বন্ধ কর। চল এখান থেকে পালাই।
>> ইশ! বললেই হলো। আমি কি ভিতু নাকি।
>> ভিতু বলতেছিস। যখন শিয়াল বের হবে। তখন তো তোর সাহস মাথার উপর দিয়ে যাবে।
>> মাগো সত্যি। ভাইয়া আমাকে রক্ষা করো। আমার কিন্তু এখন অনেক ভয় করছে।
>> চল পালাই।
.
>> ভাইয়া ঘুম থেকে উঠো। আর কত ঘুমাবে?
>> আরে তুই কখন আসলি?
>> এইতো এখন আসলাম। এসে দেখি তুমি ঘুমিয়ে আছ। তাই তোমার জন্য চা নিয়ে আসলাম।
>> তুই আমার জন্য নিজের হাতে চা করে নিয়ে আসলি। কেন রে?
>> এখন থেকে অভ্যাস করছি। যেন পরে ভুল না হয়।
>> কিছু বললি?
>> তোমাকে আবার কি বলব?
তুমি ঘুম থেকে উঠো তো। তোমাকে নিয়ে আজ এক জায়গায় যেতে হবে।
>> আবার আমাকে জালাতন করতে চলে আইছত। যা এখান থেকে। আর শুন চা টা অনেক ভালো হয়েছে। চিনি টা কম হয়েছে।
>> দ্যাত। আমি চা টাও বানাতে পারি না।
আমাকে দিয়ে কিছু হবে না।
>> এতো চিন্তিত হচ্ছিস কেন?
মায়ের কাছ থেকে শিখে নিবি। আমার মা কিন্তু অনেক অনেক ভালো চা বানাতে পারেন।
>> কি ভাইয়া আমাকে নিয়ে ভাবতে শুরু করলে নাকি। আমি যা ভাবছি তুমিও তা ভাবছ নাকি?
>> আমি কি ভাবছি রে?
>> তাতো তুমি ওই জানো। আমি এখন যাই। আমি এখন বের হতে হবে। তুমিও তাড়াতাড়ি উঠো। আমাকে নিয়ে যেতে হবে।
>> তুই আমাকে দেখি শান্তি তে ঘুমাতে দিবি না।
.
>> অতিথি একটা কথা শুনো তো। (বাবা)
>> কি কথা গো?(
মা)
>> তোমার ছোট বোনের মেয়েকে
আবিরের বউ করলে কেমন হয়। মেয়েটি দেখতেও ভালো আর মন মানসিকতাও ভালো।
>> তা তুমি ঠিক বলছ। কিন্তু আবির কে কিছু জিজ্ঞাস করবে না?
>> তুমি তাকে জিজ্ঞাস করে পরে আমাকে জানাবে। দেখো সে কি বলে।
>> মা খেতে দাও তো।
>> আবির তুই আইছত । তোকে একটা কথা বলব। তুই রাখবি?
>> কি কথা মা? আমি কি তোমাদের কথা ফেলতে পারি। মা তুমি বলতে পার কি কথা।
>> তুই মিমি কে বিয়ে কর বাবা। দেখ মিমি কে আমাদের অনেক পছন্দ। মিমি মেয়েটা একদম সরলশান্ত।
>> মা তোমরা যখন বলছ। আমি রাজি।
>> আমি জানতাম। তুই আমাদের কথা ফেলতে পারবি না। ঠিক আছে ।
.
ক্যাম্পাসে বসে আবির আর রিয়া গল্প করছে। আবির রিয়া কে সব কিছু বলে দিয়েছে। মিমির সাথে আবিরের বিয়ে। রিয়াও অনেক খুশি হয়। মিমি ক্যাম্পাসে এসে দেখতে পায় আবির রিয়ার কাছে বসে আছে। আবির মিমি কেও দেখতে পায়। মিমি রাগ করে ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে লাগলো। আবির দৌড় দিয়ে মিমির কাছে গিয়ে বলতে লাগলো……
>> কোথায় চলে যাস?
তুই তো এখনি ক্যাম্পাসে আসলি।
>> তোমাকে বলতে যাব কেন? তুমি তো ভালো মতো করে রিয়া আপুর সাথে গল্প করছ। যাও না রিয়ার আপুর সাথে গিয়ে প্রেম করো। আমাদের সাথে প্রেম করার সময় তোমার কি হাতে সময় আছে। আমাদের সাথে প্রেম করার সময় তোমার হাতে সময় থাকে না।
>> হিহিহি।
তুই কি কিছু জানিস? আন্টি তোকে কিছু বলে নি?
>> মা আমাকে কি বলবে?
>> তাইলে তুই এখন বাসায় যাবি। তারপর আন্টির কাছ থেকে সব জানতে পারবি। এখন বাসায় যা।
>> কি হয়েছে আমাকে বলো না ভাইয়া?
আমি বাসায় যাব কেন?
>> আমি বলছি মিমি।
তোর আর আবিরের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।(
রিয়া)
>> সত্যি ভাইয়া।
>> ও রে সত্যি।
এখন তোর মতো একটা প্যারা নিয়ে আমাকে রাস্তায় রাস্তায় হাঁটতে হবে।
>> আমি প্যারা। ঠিক আছে আমার সাথে তুমি থাকতে হবে না। যাও তোমার সাথে আমার কোনো কথা নাই। তুমি আমাকে প্যারা বলছ।
>> বাবা এতো অভিমান করতে হবে না।
>> আমি কারো সাথে অভিমান করি না।
>> তাইলে তুই আমার সাথে কথা বলবি না কেন?
>> ইশ! তোরা দু’টা এতো অসহ্য কেন?
তোদের দু’টার হাত দে তো। মিমি শুন এতো পাকনামী করিস না। আবির কে আমি অনেক দিন ধরে চিনি। আবির খুব ভালো একটা ছেলে। আবির কে কোনো কষ্ট দিবি না।
>> আপু আমি কষ্ট দিব না। কিন্তু ভাইয়া আমাকে কষ্ট দিবে আমি একেবারে নিশ্চিত।
>> কানের নিচে একটা দিব কিন্তু। আমার নামে নালিশ করা হচ্ছে।
>> এখন তোরা বাসায় যা। (রিয়া)
.
আবির ও মিমি একটা রিক্সায় উঠে। আবির মিমির একটা দৃশ্য দেখতে পেল। মিমি কিছু বলছে না। একদম নিরব হয়ে বসে আছে।
>> কি রে একদম চুপচাপ হয়ে বসে আছিস কেন?
>> কই নাতো।
>> মিথ্যা বলিস কেন?
>> আচ্ছা ভাইয়া রিয়া আপু কি খুব কষ্ট পাইছে? আমাদের বিয়ের জন্য।
>> একটা কিন্তু দিব তোকে। ও কেন কষ্ট পাবে। ও আমার ভালো বন্ধু ছিল।
>> ভালো বন্ধু ছিল কি শুধু। আমি বুঝি না। রিয়া আপু তো তোমার সাথে প্রেম করার জন্য আসতো।
>> চুপ থাক তো। এখন তো তুই আমাকে পেয়ে গেছত।
>> হিহিহি।
এখন থেকে তুমি সারাজীবনের জন্য আমার হয়ে গেলে।
>> হাহাহা।

গল্পের বিষয়:
রোমান্টিক

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত