উকিল গার্লফ্রেন্ড

উকিল গার্লফ্রেন্ড

ওহহহহহহ…..এই বিদ্যুতের যন্ত্রনা আর সহ্য হয় নাই তার মধ্যে তো মশা মামারা আনলিমিটেড রক্ত খাওয়ার জন্য আছেই। রক্ত গুলারে মশার হাত থেকে একটু সেভ রাখার জন্য কয়েল দিতে যেয়ে দেখি ম্যাচ নেই এখন কেমনে কয়েল ধরামু সব সময় একটা না একটা ঝামেলা লেগেই থাকবে কখন ও ম্যাচ নাই, কখন ও কয়েল নাই অসহ্য। কী আর করার এই সন্ধাই আবার দোকানে গিয়ে ম্যাচ আনতে হবে। দোকানের দিকে হাঁটছি এমন সময় সামনে একটা পুলিশের গাড়ি এসে দাঁড়ালো। তেমন কিছুই মনে করিনি অনেক বার এমনটা হয়েছে।

কিন্তুু না এবার পুরো সিনটাই ভিন্ন পিছন থেকে একটা পুলিশ ডাক দিলো। ঐ এই দিকে আয়। ভদ্রতা ও শিখেনাই জ্বী আমি। আশেপাশে তো আর কেউ নাই। কাছে আসলাম। এই সময় কই যাচ্ছিস। দোকানে। কেনো। আজব তো এইটা রাস্তা আর রাস্তা দিয়ে দোকানে যাচ্ছি। তোকে সন্দেহ হচ্ছে ভালোই ভালোই বল কই যাচ্ছিস। আরে স্যার এই টা বাংলাদের, পাকিস্তান না বুঝলেন আর আমি একজন স্বাধীন দেশের নাগরিক। তার মানে তুই ভালোই ভালোই বলবি না। দোকানে যাচ্ছি ম্যাচ নিতে। কী যেন ভাবলো এখানে দাঁড়া আমি আসছি ঐ মফিজ ওর দিকে খেয়াল রাখিস। একটু পড়ে। একে গাড়িতে তোল। আরে স্যার কী হইছে সেটা তো বলবেন নাকি। থানাই চল সব জানতে, বুঝতে পারবি। দেখেন এটা কিন্তুু বারাবারি হচ্ছে।

এটা কী দেখছিস একটা টিপ দিয়ে সব বন্ধ করে দিমু। থানাই আনার পরে ফালতু জিজ্ঞেসা শুরু। তোরে যখন ধরছি বাঁকি সবাই ও ধরা পরবে। আরে স্যার কী বলছেন সেটা তো বলবেন নাকি। কিছু বুঝিস না তাই না বলেই একটা থাপ্পড় দিলো। আরে মারছেন কেন আমি কী কনরছি সেটা আগে বলেন। ঐ সালারে বেঁধে ফেল এমনিতে কিছু বলবে না। এর পরে অনেক মার ধর করলো তখন মুখ দিয়ে নিজের অজান্তেই বের হয়ে গেলো শোন আমাকে তুই পারলে মেরে ফেল, কিন্তুু তুই যদি ভূলে ও আমাকে বেঁচে রাখিস, তুই পুলিশ ‘হ’ আর যাই ‘হ’, দেশের প্রধানমন্ত্রী ও যদি তোকে বাঁচাতে চেষ্টা করে তোরে আমি এমন ভাবেই মেরে পিটাই মেরে ফেলমু।

এর পরে আর আমি আমার মধ্যে নাই শুধু শুনতে পাচ্ছি কে যেন বলছে স্যার ছেলেটা মনে হয় নির্দোষ। সকালে চোখ দেখেছি মাটিতে শুয়ে আছি একটা পুলিশ এসে বললো। আরে তোর কী কোন কষ্ট নাই হুমমমমম সত্যিটা বলে দে। আরে কী করছি সেটা আমি জানলে তো বলমু। তাহলে দোকাকে ম্যাচ নিতে যামু এই কোড কেমনে জানলি। এবার বুচ্ছি আরে আমার রুমে কয়েল দিমু তাই দোকানে ম্যাচ নিতে যাচ্ছিলাম এটা যে কোড সেটা কেমনে বুঝমু। কীইইই তাহলে শুধু শুধু ধরে আনলো স্যার। আমি জানি না। এমন সময় ঐ সালা পুলিশ অফিসারটা আসলো ওরে দেখলেই তো আমার রক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে। সালারে তো আমি এমনটাই ধোলাই করমু।

স্যার ছেলেটা র্নিদোষ। হুমমমমমমমমম। তোর কোন রিলেটিভ আছে যে একট উকিল এনে তোরে জামিন করে নিয়ে যাবে। হুমমমমমম আছে লাবু আমার গার্লফ্রেন্ড। সেটা কে। লাবণ্য চৌধুরী। ফাইজলামি করিস আমার সাথে। বিশ্বাস না হলে ফোনে নাম্বার সেভ করা আছে লাবু দিয়ে ফোন করলেই হয়। একটু পরে। আরে ম্যাডাম তোমার কাছের মানুষ সেটা আগে বলবে না। হালার পুতের নাটক দেখে বাঁচি না, যতই নাটক করিস না ক্যান চান্দু আমি তোরে এমনটা ধোলাই দিমু যা তুই কল্পনা ও করতে পারবি না। আরে ওকে বের করে নিয়ে আয়। জ্বী স্যার। আচ্ছা ম্যাডাম এর সাথে তোমার এত ভালো সম্পর্ক রাতে একবার ও ফোন দিলো না।

ঝগড়া হয়েছে আর গতকাল রাতে দোকানে ম্যাচ নিতে আর ফ্লেক্সি দিতেই যাচ্ছিলাম। এর মধ্যেই লাবণ্য চলে আসলো। কী হয়েছে। তেমন কিছু না ম্যাডাম জাষ্ট একটু মিষ্টেক হয়ে গেছে এখানে একটা সাইন করেন। হুমমমমমম  তবে সাহরিয়া তোমার এই অবস্থা কেমনে হলো। কেমনে আবার পুলিশে আদর করলে যা হয়। সরি আমরা বুঝতে পারি নাই। তোর সরির গুষ্টি কিলাই ভালো হতে দে খালি মানে মনে। অফিসার তাই বলে হুট হাট একজন কে ধরে এনে এমন অবস্থা করা কী কোন আইনে লেখা আছে। সরি ম্যাডাম। সাহরিয়া। হুমমমম। চলো। রিক্সা করে যাচ্ছি। কেমনে হলো এই সব আর আমার নাম বলবা। আরো কোন সুযোগ দিলে তো আর ফোনটা ও নিয়ে নিছিলো। তবে হ্যা ঐ সালার তো আমি এমন অবস্থা করমু এমন অবস্থা করমু খালি তুমি দেখে কী ক্যালানি টাই না দিছে। অনেক লাগছে না। হুমমমমমমম। কেমনে হলো বলো তো।

আরো কালকে রাতে বিদ্যুৎ গেলো আমি কয়েল ধরাতে গিয়ে দেখি ম্যাচ নাই। তাই দোকানে ম্যাচ নিতে গেলাম, পথের মধ্যে পুলিশ আসলো। আমাকে বললো কই যাচ্ছি, বললাম দোকানে ম্যাচ নিতে, ওমনি ধরে ফেললো কোন ক্রেমিনাল এর কোড নাকি এটা ক্রেমিনাল দের ধরতে পারবে না, আমার মতো লোকদের ধরা নিয়ে ব্যাস্ত। খালি ভালো হই দেখো ওরে কী করি। ঐ না আমি আইনের মাধ্যমে তাঁকে শাস্তি দিবো। দরকার নাই পারলে আমাকে আইনের মাধ্যমে আমাকে বাঁচাই ও ওই আমাকে মাইরা মজা নিছে তোমার আইন কী করবে হুমমমম। আমাকে মারছে আমিই প্রতিশোধ নিমু। ওহহহহহহহহ তোমার জ্বালাই আর বাঁচি না। হুমমমমমম…. আরে আমিতো তাঁরে টেকনিক এ মারমু সে যদি আমাকে সন্দেহ করে তাইলে তুমি একটু বাঁচাই নিও কেমন।

ওকে। এবার একটা পাপ্পি দাও। কেন। বায়োলজি বই এ পড়ছিলাম, উকিল গার্লফ্রেন্ড এর পাপ্পি খেলে গায়ের ব্যাথা তাঁড়াতাড়ি ভালো হয় হি হি হি। তাই না বজ্জাত। হুমমমমম দাও না। ওকে চোখ বন্ধ করো। হুমমম। উমমমমমমমমমমমমম্মা। কয়েক দিন পরে এঁকে বারে সুস্থ হয়ে গেছি এবার প্ল্যান হলো ঐ সালা পুলিশ রে আচ্ছা মতো বাটাম দিয়ে ক্যালামু। লাবণ্যরে ফোন দিলাম। হ্যালো লাবু বউ কই তুমি। কোর্ট এ আছি পাগল। কেনো। মাইর দিমু কিন্তুু কী হয়েছে বলো। পুলিশ রে তো তুলে ফেলছি। কীইইই।

হুমমমম…. এখন তাঁর দুই চোখ বেঁধে উল্টো লটকাই রাখছি। কেমনে করলা এই সব। কেমনে আবার আমারে রামধোলাই দিছিলো আমি কী এমনি এমনি ছেঁড়ে দিমু নাকি। এখন আমি কী করবো। কিছুই না উকিল রে আগে থেকেই বলে রাখা ভালো তাই এখন রাখি সকালে নিউজ দেখো কেমন। সালার পুলিশ রে তো আচ্ছা মতো ধোলাই করে রাস্থাই ফেলে রেখে গেছি। সকালে ফোনের চিল্লানিতে ঘুম ভাঙ্গলো। হ্যালো।

ঐ কালকে নাকি আতঙ্কবাদিরা সেই পুলিশ টাকে ধরে নিয়ে যেয়ে আচ্ছা মতো ধোলাই করে রাস্তাই ফেলে গেছে। তাই বুঝি। হুমমমমম। হি হি হি হি। সাহরিয়া তুমি কিন্তুু চাইলে বড় একটা চোর হতে পারবা। পুরো একটা পুলিশ কেই চুরি করে নিয়ে গিয়ে ধোলাই করে আবার রেখে গেলা কেউ জানতেই পারলো না।

হুমমমমমমম… পাগলি বড় সর চোর না হলে কী তোমার মতো এমন একটা বড় উকিল এর মন চুরি করতে পারতাম নাকি। পাগল একটা। হুমমমমমমম…. ঐ আমি মুখ ধুঁয়ে তোমার বাসার নিচে আসতেছি তুমি কিস নিয়া রেডি থাকো কেমন… হি হি হি হি।।।

সমাপ্ত

গল্পের বিষয়:
রোমান্টিক

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত