কেউ আমায় চিনতে পারে না

কেউ আমায় চিনতে পারে না

দুপুরবেলা খিদের চাবুক। তারপর রোদ্দুরে রোদ্দুরে রাস্তায়
একা। পায়ের তলায় পেরেক, সমস্ত পথই
হাঙরের দাঁত
বাতাস যেন শ্যাওলাভরা জল, এগোতে হয়
ঠেলে ঠেলে
রুমাল দিয়ে মুখ মুছলে কালো কালো দাগ
ওঠে। চোখ কড়কড় করে ধুলোয়
বাঘের মতন ছুটে আসে মিনিবাস, তুলে
নেয় না, তলায় ফেলতে চায়
কিছু লোক সব সময় আমায় ধাক্কা মেরে এগিয়ে
যাচ্ছে সামনের দিকে
এইভাবেই কি প্রত্যেকটি দিন কাটছে?

একটা ছাতিম গাছের নীচে একটুক্ষণ
দাঁড়িয়ে হেসে ফেলি আপন মনে, মাটির দিকে
চেয়ে। যেই একটা তুড়ি দেব, এই সবকিছু অলীক
হয়ে যাবে। সব কুশব্দ ছাপিয়ে ভেসে ওঠে
এক সংগীত, সব দৃশ্যের ওপর নতুন আলো
রাস্তাগুলো কী শান্ত সুন্দর নদী হয়ে দুলছে
ভালোবাসার বর্ণমালা একজন পরিয়ে দিয়েছে
আমার গলায়
আমি এক অরূপ রাজ্যের নাগরিক
কেউ আমায় চিনতে পারে না!

গল্পের বিষয়:
কবিতা

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত