মৃত্যুভয়, পাপক্ষয়

মৃত্যুভয়, পাপক্ষয়

কাপালিকের তন্ত্রে মেশে রক্তের নেশা, তার খড়্গ আর ভাল
মহাডামরির জিভের মতো লাল; অপেক্ষায়
হাড়িকাঠে পিছমোড়া করে বাঁধা মানব-শিশু। শিশু হত্যা, হালাল।

অষ্টমীর অঞ্জলি দিচ্ছে পেট-মোটা ডাক্তার
সেই সুগারটা দিলি তো মা, দেখিস হার্ট কিডনি দুটো যেন ভালো থাকে
মাইরি বলছি, পুষিয়ে দেব, এই ডেঙ্গুর সিজনটুকু যাক।

আমলা মন্ত্রী শিল্পপতি মরিয়া হয়ে এক সারিতে খাড়া
তদন্তের হাত থেকে জাস্ট এবারটা বাঁচিয়ে দাও, ট্রিনিটি বাপেরা!
নিখাদ সোনা দিয়ে মুড়ে দেব বাপ! মাইরি বলছি, শালা ভগবানের দিব্যি!

শয়তান দাঁত কেলিয়ে হাসে, হাতছানি দেয়
বলে, আমি আছি তো, ভয় পাস কেন, আয়, হাত মেলা।
ক্রুদ্ধ বিধাতা দাড়ি নেড়ে চেঁচায়, মূর্খ! শুনিস নে ওর কথা! বুঝিস না এই খেলা?

ভক্ত বলে, শুধু তোমারেই মানি ঈশ্বর; যাও শয়তান, দূর হাটো!
শয়তান হাসে। বলে, বিশ্বাস করবিই যদি আমাকেই কর না খোকন,
দু’জনাই ঘুষখোর! গুয়ের এ-পিঠ আর ও-পিঠ। আমার কিন্তু রেট কম।

যক্ষায় খাওয়া বাপটাকে পুড়িয়ে ফিরছিল বিপিন বাগদীর বড় ছেলেটা
সব শুনে বলল, পারলে ভাত দে হারামজাদারা
নইলে, ফোট বাঁড়া! তোরাও এবার ভোটের দিন, ওই ভিক্ষের লাইনে এসে দাঁড়া।

গল্পের বিষয়:
কবিতা

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত