আনন্দ অশ্রুপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 16, 2020গল্প লিখেছেন : oishi আজ আমাকে দেখতে আসার কথা। সবে মাত্র ইন্টার পাশ করে অনার্সে উঠেছি। বাবার ধারণা এটাই হচ্ছে মেয়েদের বিয়ে দেয়ার পারফেক্ট সময়। আমিও তেমন না মত করিনি। যদিও বিয়ের ব্যপারে আমার তেমন আগ্রহ নেই। বাড়ির সবাইকে…
স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসাপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 16, 2020গল্প লিখেছেন : Nishan Bunarjee স্বামী বাসায় এসেছেন। সাথে নিয়ে এসেছেন তিনজন শৈশবের বন্ধু। বন্ধুদের সাথে উনার দীর্ঘদিন পর দেখা। বাসায় এসেই স্বামী বন্ধুদের বসিয়ে গেলেন রান্নাঘরে। স্ত্রী ততক্ষণে রেঁধে উনার বাকী কাজ করছিলেন। স্বামী এসেই স্ত্রীর কানে কানে জিজ্ঞেস…
মেয়েটিপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 16, 2020গল্প লিখেছেন : Sudipto Roy মেয়েটি আজ নববধূর সাজে কণের আসন দখল করে নিয়েছে। সে পার্লার থেকে সেজে এসেছে, খুব সুন্দর লাগছে তাকে। যেন কোন এক রাঙ্গাপরী এই মুহূর্তে আকাশ থেকে মাটিতে নেমে আসলো। আমি তাকিয়ে আছি তার দিকে। আমি…
চক্রী: ১৯. নিরালাতেই আমরা সকলে উপস্থিত ছিলামপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 16, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৯. নিরালাতেই আমরা সকলে উপস্থিত ছিলাম নিরালাতেই আমরা সকলে উপস্থিত ছিলাম—আমি, হিরণ্ময়ী দেবী, হরবিলাস, কুমারেশ, রাণু, কবিতা গুহ ও ঘোষাল। এবং ঘোষাল সাহেবের অনুরোধেই কিরীটী নিরালা ও সীতার হত্যা-রহস্য সবিস্তারে বর্ণনা করল পরের দিন। খেয়ালী…
অজানা গল্পপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 16, 2020গল্প লিখেছেন : ফাবিহা ফেরদৌস মার্কেটে শাড়ির দোকানের পরের দোকানে গেলাম। পিছন ফিরে দেখলাম ছেলেটাও পিছু পিছু আসছে! ড্রেস পছন্দ হচ্ছিল না তাই বার বার করে ফুপু কে তাড়া করছিলাম। মার্কেট থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার জন্য। ঈদের শপিং প্রচন্ড ভীড়। ফুপু…
অনুভূতিতে ভালোবাসাপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 16, 2020গল্প লিখেছেন : Sajeeb AS বাসরঘরে ঢুকে দরজা আটকানোর শব্দ শুনে নববধূ একটু নড়েচড়ে বসলো মনে হয়। কিন্তু আমি এসবের কোনো তোয়াক্কা না করে কাপড় বদল করে সোফাতে গিয়ে শুয়ে পড়লাম। বারবার এটাই মাথায় ঘুরছে যে, মেয়েটাকে আমি ভালোবাসিনা, আগেও…
স্বল্পমাত্রার ওরস্যালাইনপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 16, 2020গল্প লিখেছেন : উদ্বাস্তু অনিকেত ফার্মেসিতে ইয়ে আনতে গিয়ে দেখি মহল্লার মুরব্বী মোতালেব আঙ্কেল বসে আছে। কীভাবে কী বলবো বুঝে উঠতে পারছিনা। ইতস্তত করছিলাম দেখে আঙ্কেল বললেন, – কি ব্যাপার অনি, শরীর খারাপ নাকি? – জী না আঙ্কেল। – তাহলে…
চক্রী: ১৮. রাস্তায় পৌঁছে হনহন করেপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 16, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৮. রাস্তায় পৌঁছে হনহন করে রাস্তায় পৌঁছে হনহন করে হাঁটতে শুরু করে। আমি আর কুমারেশবাবু তাকে অনুসরণ করি। কিরীটীর শেষের কথাগুলো সমস্ত সংশয়ের অবসান ঘটিয়েছে। অথচ আশ্চর্য! বার বার ঐ কথাটাই মনে হচ্ছিল। এই দিকটা…
চক্রী: ১৭. কালো অন্ধকার রাতপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 16, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৭. কালো অন্ধকার রাত কালো অন্ধকার রাত। সমুদ্রের কিনারা দিয়ে হেঁটে চলেছি দুজনে নিরালার দিকে। ডাইনে অন্ধকারে গর্জমান সমুদ্র যেন কি এক মর্মভাঙা যাতনায় আছাড়িপিছাড়ি করছে। নিরালার সামনে এসে যখন পৌঁছলাম হাতঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি…
চক্রী: ১৬. দেওয়ালে টাঙানো অয়েল-পেন্টিংপ্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি 16, 2020গল্প লিখেছেন : নীহাররঞ্জন গুপ্ত ১৬. দেওয়ালে টাঙানো অয়েল-পেন্টিং আমি তাকিয়ে ছিলাম দেওয়ালে টাঙানো পাশাপাশি অয়েল-পেন্টিং দুটোর দিকে। সোমলতা আর বনলতা শিল্পী রণধীর চৌধুরীর দুই মেয়ে। টুইন যমজ বোন। এবং ওদেরই একজনের ছেলে শতদল। কিন্তু শতদল কার ছেলে–বনলতার না সোমলতার!…