উত্তর মেলে নাপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 8, 2020গল্প লিখেছেন : এম আই রাসেল -এটা কি সোহমের অভিভাবকের নাম্বার ? -হ্যা আমি সোহমের মা বলছি, কে আপনি ? -আমি সোহমের ক্লাস টিচার কথা বলছি। -হ্যাঁ ম্যাম, বলুন। -আপনি যদি সোহমের ছুটির সময় একবার স্কুলে আসেন তাহলে খুব ভালো হয়।…
নিশীথ রাক্ষসীর কাহিনীপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 8, 2020গল্প লিখেছেন : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রথম পরিচ্ছেদ “ভাল, সারি, সত্য বল দেখি, তোমার বিশ্বাস কি? ভূত আছে?” বরদা, ছোট ভাই সারদাকে এই কথা জিজ্ঞাসা করিল। সন্ধ্যার পর, টেবিলে দুই ভাই খাইতেছিল-একটু রোষ্ট মটন প্লেটে করিয়া, ছুরি কাঁটা দিয়া তৎসহিত খেলা…
মেঘবরণেপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 8, 2020গল্প লিখেছেন : ফুয়াদ হাসান রেহান। দুপুর ১২টা কি সাড়ে ১২টা বাজে। মৃদু হাওয়ার সাথে ঝুম ঝুম বৃষ্টি পড়ছে। ছাদের ডান পাশটা থেকে রাস্তাটা অনেক দূর দেখা যায়, নিচের চায়ের দোকানটাও। বা দিকের কাঠাল গাছটায় একটা ভেজা কাক পাতার আড়ালে বসে…
কমলাকান্তের জোবানবন্দীপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 8, 2020গল্প লিখেছেন : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কমলাকান্তের জোবানবন্দী খোশনবীস জুনিয়র প্রণীত সেই আফিঙ্গখোর কমলাকান্তের অনেক দিন কোন সম্বাদ পাই নাই। অনেক সন্ধান করিয়াছিলাম, অকস্মাৎ সম্প্রতি একদিন তাহাকে ফৌজদারী আদালতে দেখিলাম। দেখি যে, ব্রাহ্মণ এক গাছতলায় বসিয়া, গাছের গুঁড়ি ঠেসান দিয়া, চক্ষু…
কমলাকান্তের পত্র: ০৫. কমলাকান্তের বিদায়প্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 8, 2020গল্প লিখেছেন : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ০৫. কমলাকান্তের বিদায় পঞ্চম সংখ্যা-কমলাকান্তের বিদায় সম্পাদক মহাশয়! বিদায় হইলাম, আর লিখিব না। বনিল না। আপনার সঙ্গে বনিল না, পাঠকের সঙ্গে বনিল না, এ সংসারের সঙ্গে আমার বনিল না। আপনার সঙ্গে আর আমার বনিল না।…
কমলাকান্তের পত্র: ০৪. বুড়া বয়সের কথাপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 8, 2020গল্প লিখেছেন : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ০৪. বুড়া বয়সের কথা চতুর্থ সংখ্যা-বুড়া বয়সের কথা সম্পাদক মহাশয়! আফিঙ্গ পৌঁছে নাই, বড় কষ্ট গিয়াছে। আজ যাহা লিখিলাম, তাহা বিস্ফারিত লোচনে লেখা। নিজ বুদ্ধিতে, অহিফেন প্রসাদাৎ নহে। একটা মনের দুঃখের কথা লিখিব। বুড়া বয়সের…
কমলাকান্তের পত্র: ০৩. বাঙ্গালীর মনুষ্যত্বপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 8, 2020গল্প লিখেছেন : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ০৩. বাঙ্গালীর মনুষ্যত্ব তৃতীয় সংখ্যা-বাঙ্গালীর মনুষ্যত্ব মহাশয়! আপনাকে পত্র লিখিব কি-লিখিবার অনেক অনেক শত্রু। আমি এখন যে কুঁড়ে ঘরে বাস করি, দুর্ভাগ্যবশতঃ তাহার পাশে গোটা দুই তিন ফুলগাছ পুঁতিয়াছি। মনে করিয়াছিলাম, কমলাকান্তের কেহ নাই-এই ফুলগুলি…
কমলাকান্তের পত্র: ০২. পলিটিক্স্প্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 8, 2020গল্প লিখেছেন : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ০২. পলিটিক্স্ শ্রীচরণেষু, আফিঙ্গ পাইয়াছি। অনেকটা আফিঙ্গ পাঠাইয়াছেন- শ্রীচরণকমলেষু। আপনার শ্রীচরণকমলযুগলেষু-আরও কিছু আফিঙ্গ পাঠাইবেন। কিন্তু শ্রীচরণকমলযুগল হইতে কমলাকান্তের প্রতি এমন কঠিন আজ্ঞা কি জন্য হইয়াছে, বুঝিতে পারিলাম না। আপনি লিখিয়াছেন যে, এক্ষণে নয় আইনে অন্যত্র…
কমলাকান্তের দপ্তর: ১৪. ঢেঁকিপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 8, 2020গল্প লিখেছেন : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৪. ঢেঁকি চতুদর্শ সংখ্যা-ঢেঁকি আমি ভাবি কি, যদি পৃথিবীতে ঢেঁকি না থাকিত, তবে খাইতাম কি? পাখীর মত দাঁড়ে বসিয়া ধান খাইতাম? না লাঙ্গুলকর্ণদুল্যমানা গজেন্দ্রগামিনী গাভীর মত মরাইয়ে মুখ দিতাম? নিশ্চয় তাহা আমি, পারিতাম না। নবযুবা…
কমলাকান্তের দপ্তর: ১৩. বিড়ালপ্রকাশিত হয়েছে : ফেব্রুয়ারি 8, 2020গল্প লিখেছেন : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৩. বিড়াল ত্রয়োদশ সংখ্যা-বিড়াল আমি শয়নগৃহে, চারপায়ীর উপর বসিয়া, হুঁকা হাতে ঝিমাইতেছিলাম। একটু মিট্ মিট্ করিয়া ক্ষুদ্র আলো জ্বলিতেছে-দেয়ালের উপর চঞ্চল ছায়া, প্রেতবৎ নাচিতেছে। আহার প্রস্তুত হয় নাই-এজন্য হুঁকা হাতে, নিমীলিতলোচনে আমি ভাবিতেছিলাম যে, আমি…