ব্ৰহ্মডাঙার মাঠপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 7, 2018গল্প লিখেছেন : ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় যে সময়কার কথা বলছি তখন আমার বয়স চোদ-পনেরোর বেশি নয়। মাকড়দার কাছেই আছে ঝাঁপড়দা। নামটা শুনলেই তখন হাসি পেত। তা সেই ঝাঁপড়দাতে আমাদের এক বন্ধু ছিল, তার নাম ক্যাবা। ক্যাবলাকান্ত থেকে ক্যাবা কিনা জানি না,…
প্রেতনীপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 7, 2018গল্প লিখেছেন : নাজনীন রহমান কাপাসিয়া গ্রাম। সুজলা-সুফলা, শস্য শ্যামলা গ্রামটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ। এই গ্রামেরই প্রাথমিক স্কুলের প্রাথমিক বাংলা শিক্ষক মনির রশিদ। মা আর ছোট বোন খুশী ছাড়া এই জগতে ওর আর কেউ নেই। বাবা মারা গেছেন অনেক আগেই।…
কী ভয়ঙ্কর রাতপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 7, 2018গল্প লিখেছেন : ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় ১৯৫০ সালের কথা। আমরা তিন বন্ধুতে জুনপুট বেড়াতে গেছি। তখন এখনকার মতো এমন যাতায়াতের সুবিধা ছিল না। কাঁথি থেকে গোরুর গাড়িতে অথবা পায়ে হেঁটে জুনপুট যেতে হত। আমরা তিনজনে খুব ভোর ভোর রওনা হলাম কাঁথি…
শোধপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 7, 2018গল্প লিখেছেন : অভীক সরকার ফজরের নামাজ সেরেই বেরিয়ে পড়েছিলেন আহমেদ খান। ভোপালের নওয়াব ঘাউস মহম্মদ খানের ওয়াজির-এ-আজম মির্জা আজিজের বিশ্বস্ত সহচর আহমেদ খানের বয়েস আটচল্লিশ ও বাহান্নর মধ্যবর্তী ধূসর সীমারেখায়। ছোট অবস্থা থেকে নিজ চাতুর্যে বিলক্ষণ প্রভাবশালী হয়ে ওঠা…
ফেলুদার গোয়েন্দাগিরিপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 6, 2018গল্প লিখেছেন : সত্যজিৎ রায় রাজেনবাবুকে রোজ বিকেলে ম্যাল্-এ আসতে দেখি। মাথার চুল সব পাকা, গায়ের রং ফরসা, মুখের ভাব হাসিখুশি। পুরনো নেপালি আর তিব্বতি জিনিস-টিনিসের যে দোকানটা আছে সেটায় কিছুক্ষণ কাটিয়ে বাইরে এসে বেঞ্চিতে আধঘণ্টার মতো বসে সন্ধে হব-হব…
বাক্স-রহস্যপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 6, 2018গল্প লিখেছেন : সত্যজিৎ রায় ক্যাপ্টেন স্কটের মেরু অভিযানের বিষয়ে একটা দারুণ লোমখাড়া-করা বই এই সবে শেষ করেছি, আর তার এত অল্প দিনের মধ্যেই যে বরফের দেশে গিয়ে পড়তে হবে সেটা ভাবতেই পারিনি। অবিশ্যি বরফের দেশ বলতে কেউ যেন আবার…
ফেলুদা- নেপোলিয়নের চিঠিপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 6, 2018গল্প লিখেছেন : সত্যজিত রায় তুমি কি ফেলুদা? প্রশ্নটা এল ফেলুদার কোমরের কাছ থেকে। একটি বছর ছয়েকের ছেলে ফেলুদার পাশেই দাঁড়িয়ে মাথাটাকে চিত করে তার দিকে চেয়ে আছে। এই সে দিনই একটা বাংলা কাগজে ফেলুদার একটা সাক্ষাৎকার বেরিয়েছে, তার সঙ্গে…
ফেলুদা-নয়ন রহস্যপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 6, 2018গল্প লিখেছেন : সত্যজিত রায় ফেলুদাকে বেশ কিছুদিন থেকেই মনমরা দেখছি। আমি বলছি মনমরা। সেই জায়গায় লালমোহনবাবু অন্তত বারো রকম বিশেষণ ব্যবহার করেছেন—একেক দিনে একেক রকম। তার মধ্যে হতোদ্যম, বিষণ্ণ, বিমর্ষ নিস্তেজ, নিম্প্রভ ইত্যাদি তো আছেই। এমনকী মেদামারা পর্যন্ত আছে।…
দার্জিলিং জমজমাটপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 6, 2018গল্প লিখেছেন : সত্যজিত রায় সুখবর বলে মনে হচ্ছে? লালমোহনবাবু ঘরে ঢুকতেই ফেলুদা তাঁকে প্রশ্নটা করল। আমি নিজে অবিশ্যি সুখবরের কোনও লক্ষণ দেখতে পাইনি। ফেলুদা বলে চলল, দু বার পর পর বেল টেপা শুনেই বুঝেছিলাম, আপনি কোনও সংবাদ দিতে ব্যগ্র,…
ডাঃ মুনসীর ডায়রিপ্রকাশিত হয়েছে : জুন 6, 2018গল্প লিখেছেন : সত্যজিত রায় আজ চায়ের সঙ্গে চানাচুরের বদলে শিঙাড়া। লালমোহনবাবু কিছুদিন থেকেই বলছেন, খাই-খাই বলে একটা দোকান হয়েছে মশাই, আমার বাড়ি থেকে হাফ-এ মাইল, সেখানে দুৰ্দান্ত শিঙাড়া করে। একদিন নিয়ে আসব। আজ সেই শিঙাড়া এসেছে, আর লালমোহনবাবুর কথা…