দিল্লি বহু দূর

দিল্লি বহু দূর

আমার পা ক্রমশ শ্লথ হয়ে আসে, অথচ এতক্ষণ রেজওয়ানের আগে আগে হাঁটছিলাম। থেমে যাওয়ায় ও পেছন ফিরে এক ঝলক দেখে কোনো প্রশ্ন না ছুড়েই একা একা এগিয়ে গেল জামে মসজিদের অসংখ্য সিঁড়ি পেরোতে। সাধারণত এসব…
প্রফেসর পিটার এবং…

প্রফেসর পিটার এবং…

পিটার উইলিয়ামস বা এরকম কিছু একটা নাম-টাম হবে হয়তো। আমার ভালো মতো মনে নেই। তবে যদি কখনো তার ব্যাপারে আগ্রহ বোধ করি, নামটা ঠিকভাবে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করবো নিশ্চিত। এখন ততটুকুই বলি যতটুকু ঘটেছে। অবশ্য…
দুপুর রাতের দিন

দুপুর রাতের দিন

কী দ্রুতই না পার হচ্ছি শহর-নগর-গঞ্জ, গ্রাম, হাট-বাজার, নদী-খাল আর সারবাঁধা ক্ষেতিখলা। সবকিছুই ঘুমন্ত এখন। মাঝরাতের ট্রেন ঘুমকাতর আধবোজা স্টেশনে কিছু কিছু মানুষ নামাচ্ছে বা তুলছে। ট্রেনের ভেতর যাত্রীরাও ঘুমে লতোপতো। ছুটে-চলা অধৈর্য ট্রেনটার ওপর…
মনে করি এই গল্পটি গার্সিয়া মার্কেজের

মনে করি এই গল্পটি গার্সিয়া মার্কেজের

মহিমান্বিত আপনাদের আমি একান্ত গাবো। জ্যোতিঃপ্রভাময় সময়ে আমি লিখতে চেয়েছি তমসলেখা কারণ সূর্যের চেয়ে বেশি মালঞ্চে আমি অস্ত যেতে দেখেছি গোলাপগুচ্ছর। মাকোন্দোর ছলে আমি তো শুধু মাকোন্দোর কথাই বলিনি বরং আমার মাকোন্দো ছড়িয়ে আছে হাভানা…
জলজাঙাল

জলজাঙাল

নাও এখন! ভোরবিহানের এই উঠতি বেলায় অপয়া হ্যাপাটা সামলায় কে বলোদিকিনি? ভিনগাঁওয়ের সেই পোঁদে পোক পড়া মর্কুটে কুত্তাটা মরে চিতিয়ে আছে বাঁশতলায়। কে যাবে ওটাকে বিলভাগাড়ে ফেলে দিয়ে আসতে? রোদ্দুর চড়তে না চড়তেই গন্ধ ছাড়তে…
চাষাভুসো মানুষের স্বপ্ন

চাষাভুসো মানুষের স্বপ্ন

আমার বাবা অদ্ভুত, নম্র স্বভাবের চাঁদে পাওয়া মানুষ। চাঁদ উঠলে বাবা বাইরে চলে যেতেন, একা একা মাঠে ঘুরতেন, আর কবিতা বানাতেন। বাতাস উঠলেও তাই, বাবা বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দৌড়–তেন, আর কবিতা বানাতেন। বাবা অদ্ভুত…
ক্ষমা

ক্ষমা

আমাদের কোন বোন ছিল না। আম্মার কী শখ ছিল একটা কন‍্যা সন্তানের! তিনি আমায় আর ভাইয়াকে প্রায়ই জিজ্ঞেস করতেন,’বলতো বাজান, ঘরের প্রদীপ কে? পুত্র সন্তান না কন‍্যা সন্তান?’ আমরা খানিক ভাবতাম। তারপর লোক মুখে শুনে…
বুঝবে তুমিও

বুঝবে তুমিও

আমাদের পাশের বাসার এক বড় আপুর বিয়ে হবার ছ’মাস পর তার শ্বশুরবাড়ির লোক জানতে পারলো আপু কখনো মা হতে পারবে না। এমনিতেই বিয়ের প্রথম থেকে আপুর হাজবেন্ড এই বিয়েতে রাজি ছিল না কারণ আপু দেখতে…
পরিবর্তন

পরিবর্তন

আজ পলাশ শশুড় বাড়ি যাচ্ছে। তাকে বিদায় দিতে সবাই এসেছে। মা চাপা স্বরে কান্না করছে ছেলেকে শশুড় বাড়ি পাঠাচ্ছে এই রাগে। কি ভাবছেন ছেলে শশুড় বাড়ি বেড়াতে গেলে এমন কি হলো? না। পলাশ শশুড় বাড়ি…
বিদায় বেলা

বিদায় বেলা

একজনের অনুরোধে লেখা। অবশ্য দুইজনের। একজনের গল্প, সে মানুষটাকে বিদায় জানাতে চায়। অন্য জন্য এমন কথোপকথন চেয়েছে পাঠ করার জন্য। – শ্রেয়া – রাত জাগছো? অনি- হু, -চাঁদ দেখছো? – হু, -চাঁদের সাথে কথা বলছো?…
আরও গল্প