কিডন্যাপারের ভালোবাসা

কিডন্যাপারের ভালোবাসা

গল্প – কিডন্যারের ভালোবাসা

চোখ খোলে নিজেকে একটা অন্ধকার রুমে আবিস্কার করলাম,,,,,,,,এবং চোখের উপর আবছা আলো এসে পরছে,,,,,,জানালা দিয়ে,,,,,,,তারপর আমি শুয়ে থাকা থেকে ওঠার চ্যাষ্টা করলাম,,,,কিন্তু কপাল খারাপ হলে যা হয় আর কি,,,,,,,,,,,,

সারা শরীরে ব্যাতা অনুভব করলাম,,,,,,,,,,আর নিজের দিকে তাকিয়ে দেখি আমার শরীরের অনেক জায়গায় রক্ত লেগে আছে,,,,,,,,,,,,আর মাথা টা খুব ব্যাথা করছে,,,,,,,,

তারপর অনেক কষ্টে শুয়ে থাকা থেকে ওঠে ধাড়ালাম,,,,,,,,,,,ভালো করে ধারাতেও পারছি না,,,,,,,তারপর অনেক কষ্টে এক পা দু পা করে দরজার কাছে গিয়ে দরজা খুলতে যাবো কিন্তু,,,,,দরজা খুলছে না,,,,,,মনে হয় বাহির থেকে আটকানো,,,,,,,

আপনারা কিছু বুঝতেছেন না তো,,,,,চলুন গত কালকে আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা টা আপনাদের কে বলি,,,,,,,,,,,

আসলে মা বাবা বলতে আমার কেও নেই পৃথিবীতে,,,,এক কথাই আমি একটা এতিম ছেলে,,,,,,,,আর এখন আমি একটা অপরিচিত লোকের বাসায় থাকি,,,,,,,,,তাকে আমি আঙ্কেল বলে ডাকি,,,,,আর তার একটা মেয়ে আছে,,,,নাম নিলা,,,,,,,দেখতে সুন্দর কিন্তু খুব অহংকারী,,,,,,,,আমার থেকে বয়সে অনেক ছোট,,,,আমি তাকে আমার ছোট বোনের মতো দেখতাম,,,,,,,,,,

গত কালকে আমি রাস্তা দিয়ে হাটছিলাম,,,আর হাটতে হাটতে আমি একটা পার্কে ডুকে পড়ি,,,,,,আসলে আজকে শুক্রবার তাই অফিস এবং কলেজ দুটাই বন্ধ,,,,,,,,তাই ঘুড়াগাড়ি করছিলাম,,,,,,,,,,,

তারপর আমি পার্কে ডুকে যা দেখি তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না,,,,,,,দেখি নিলা পার্কে একটা ছেলের সাথে বসে আছে,,,,আর ছেলেটা নিলাকে লিপ কিস করছে এবং নিলাও,,,,,,,,,

তারপর আমি ওদের কাছে গেলাম,,,,,,,,,এবং ছেলেটাকে হাত দিয়ে তার সার্টের কলার ধরে টান দিয়ে তুলে ছেলেটাকে একটা থাপ্পর মারলাম,,,,,,,,

আমি- ছিহ নিলা,,,,,তুই পার্কে এসে এরকম কাজ করবি তা আমি ভাবতেও পারি নি,,,,,,,,
নিলা- আমি যাই করি না কেনো,,,,,তাতে তর কি,,,,,??? আর তুই সাগর কে থাপ্পর দিয়েছিস কিসের জন্য,,,,,,,,(তারমানে ছেলেটার নাম সাগর,,,,)

আমি- একটা থাপ্পর দিয়েছি আরো দিবো,,,,,,,,,,,,আর আমার কি তাই না,,,,তুই আমার বোন,,,,,,,,,তাই বোনকে শাসন করার অধিকার আমার আছে,,,,,,,,,
নিলা- আমি তোর বোন হয় কিভাবে,,,,,,,তুই একটা ঠুকাই,,,,তোকে রাস্তা থেকে তুলে আব্বু নিয়ে আসছে আর তুই আমাকে বোন বলছিস,,,,ছোটলোকের বাচ্ছা,,,,,,,,,

নিলা এই কথাটা বলার সাথে সাথে নিলার গালে ঠাস করে একটা থাপ্পর বসিয়ে দিলাম,,,,,
আমি- যা বলার আমাকে বল আমার আব্বুকে নিয়ে কিছু বলবি না,,,,,,,,আমার আব্বু গরিভ হতে পারে,,,,,কিন্তু তোর মতো মনটা এতো ছোট না,,,,,,,,,,,,,

নিলা- তুই আমার গায়ে হাত তুলে ছিস,,,,ছোটলোকের বাচ্ছা,,,,,,,,,,,(এই কথাটা বলে নিলা আমার কাছে আসলো,,,এবং আমার দুই হালে ২টা থাপ্পর মেরে দিলো,,,,,,আর বললো,,,,,)
নিলা- ছোটলোকের বাচ্ছা,,,তোখে দেখে নিবো,,,,,,

আমার চোখ দিয়ে পানি পরছে,,,,,যাকে আমি আমার ছোট বোনের মতো দেখি,,,,সে কিনা আজকে আমাকে থাপ্পর মেরেছে,,,,,,,,,গালে মনে হয় ৫আঙ্গুলের দাগ বসে গেছে,,,,,,,,,,আসলে আপন সবসময় আপনই হয়,,,,আর পর সবসময় পরই থাকে,,,,,,,,আমার নিজের বোন কোন সময় আমার সাথে এরকম খারাপ ব্যাবহার করতো না,,,,,,,,,,আমি যা বলতাম তাই শুনতো,,,,,,,,অবস্য একটু দূষ্টুমি করতো,,,,,,,,,,,যেটা আমার কাছে আরো ভালো লাগতো,,,,,,,,,,,

তারপর আমি এই পার্ক থেকে চলে আসলাম,,,,,,,এবং বাসায় এসে আমার রুমে গেলাম,,,,,,,,তারপ নিলা আমার রুমে আসলো,,,,,,,,,,,,এসে দরজাটা বন্ধ করলো,,,
আমি- এই নিলা দরজা বন্ধ করছিস কেনো,,,,

নিলা কোন কথা না বলে আমার কাছে এসে আমাকে জরিয়ে ধরলো,,,,,,এবং চিৎকার শুরু করলো,,,,,
নিলা- বাচাও,,,,,,,বাচাও,,,,ভাইয়া প্লিজ তুমি আমার এরকম সর্বনাস করো না,,,,,,,,,(জুরে জুরে,,,,)

আমি তখন বুঝতে পারছিলাম না কি করবো আমি,,,,,নিলা আমাকে জরিয়ে ধরে আছে,,,,আর আমিও নিলার কাছ থেকে ছুটতে পারছি না,,,,,,,,
আমি- নিলা তুমি এসব কি করছো,,,,,,,,

এমন সময় দেখলাম দরজায় ডাক্কাচ্ছে,,,,,,,
আমি গিয়ে দরজা খুলবো,,,,কিন্তু নিলা আমাকে ছারছে না,,,,,আরো তার গায়ের জামা কয়েক দিক দিয়ে ছিরে ফেলছে,,,,,,,,,,,,আর নিলার চিৎকার নিলা করেই যাচ্ছে,,,,,আমি ছুটার জন্য অনেক চ্যাষ্টা করছি,,,,,কিন্তু না পারলাম না,,,,

তারপর দরজা ভাঙার আওয়াজ হলো তাকিয়ে দেখি আঙ্কেল আর আন্টি এসেছে,,,,,,ওরা ভেতরে ডুকতেই,,,,নিলা দৌরে গিয়ে আন্টিকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে লাগলো,,,,,,
আন্টি- আমি তোমাকে আগেই বলেছিলাম,,,যে এই ছেলের চরিএ ভালো না,,,,,,,এই ছেলেকে আমাদের বাসায় জায়গা দিয়ো না,,,,(আঙ্কেল কে উধ্যেশ্য করে,,,,)

আমি কিছু বলতে গেলাম,,,,কিন্তু সেই সযোগ আর আমাকে দিলো না,,,,,,,,আঙ্কেল তার কোমর থেকে বেল্ট টা খুলে আমাকে মারতে লাগলো,,,,,,তারপর আর আমার কিছু মনে নেই,,,,,,

তারপর কি হলো তা তো আপনার জানেন,,,,,,,,,,,আমি এই অন্ধকার ঘরের মধ্যে বন্ধি হয়ে আছি,,,,খুব খোদা লাগছে,,,,,,মনে হচ্ছে কিছু না খেতে পারলে এখনই মরে যাবো,,,,,,,,

এখন আমার আম্মুর কথা খুব মনে পারছে,,,,,আমি না খেতে চাইলে আম্মু তার নিজ হাতে আমাকে খাইয়ে দিতো,,,,,,,,আমি যদি কোন দূষও করতাম তাহলে আব্বুর কাছে বিচার দিতো না,,,,,,,,,,আর আমাকে কোন সময় না খেয়ে থাকতে দেয় নাই,,,,,,,,

আর আমার অথিতের অনেক কথা আছে,,,যেই কথা গুলু ভুলার নয়,,,,,,যে ঘটনাটার জন্য আমি আমার আব্বু আম্মু কে হারিয়েছি,,,,,,হারিয়েছি আমার ছোট বোনকে,,,,, হারিয়েছি আমার ভালোবাসার মানুষকে,,,,,,,,,,,ঘটনাটা হলো আজ থেকে ২বছর আগের,,,,,,,,,,,,,চলুন আমির অথিত সম্পর্কে আপনাদের কিছু বলি,,,,,,,,

আমার নাম হুমায়ন,,,,,,,,আমি intr 1st year তে পরতাম,,,, ,,,,,,,,,,এবং ভালো একজন স্টুডেন্ট ছিলাম,,,,,,,এবং খুব অগোছালো হয়ে থাকতাম সবসময়,,,,,,,, আমি বাবা মায়ের একমাএ সন্তান ছিলাম,,,,,আর আমার একটা ছোট বোন ছিলো,,,,,,,খুব মিষ্টি দেখতে,,,,,,,,,,,,,আমার সাথে সবসময় দুষ্টুমি করতো,,,,,,আমি যখন প্রথম দিন কলেজে যাই তখন কোন কথা না বলে,,,ক্লাসে যাই,,,,,,,,,,,,

ক্লাস করতে লাগলাম,,,,,,,,,ক্লাস শেষে যখন আমি ক্লাস থেকে বের হলাম,,,,,,তখন আমি অবাক হলাম,,,,,একটা মেয়ে,,,একটা ছেলেকে ঠাস করে থাপ্পর মারছে,,,,,আমি ব্যাপারটা ভালো করে দেখার জন্য আরো একটু কাছে গেলাম,,,,,,,,,

মেয়েটা দেখতে ছিলো ঠিক পরির মতো,,,,,,,,,,,আমি আরো একটু কাছে যেতেই শুনতে পেলাম,,,
মেয়ে- ওই তোর সাহস হয় কিভাবে আমার দিকে তাকানোর,,,,,
ছেলে- সরি আপু,,,,,,আমার ভুল হয়ে গেছে,,,,,
মেয়ে- আচ্ছা মাপ করে দিয়েছি,,,,,,,এখন আমার চোখের সামনে থেকে যা,,,,,

তারমানে এই ব্যাপার,,,এই মেয়ের দিকে তাকানোর জন্য,,ছেলেটাকে এভাবে থাপ্পর দিয়েছে,,,,,কি ডেন্জারাজ মেয়ে রে বাবা,,,,,,,,,,আসলে মেয়েটা এতো সুন্দর যে তার দিক থেকে চোখ সরানো যাচ্ছিলো না,,,,,,আমি কখনো পরি দেখি নি,,,,বাট এই মেয়েকে দেখে মনে হচ্ছে,,,,,,,আমার সামনে একটা জল জেন্ত পরি দাড়িয়ে আছে,,,

আমি মেয়েটির দিকে এক দেনে তাকিয়ে আছি,,,,,,,,,হঠাৎ আমার গালে একটু ব্যাতা অনুভব করলাম,,,,,,,,,,,,আর সাথে সাথে সামনে থাকিয়ে দেখি,,,,ওই মেয়েটা ধাড়িয়ে আছে,,,,,,,,তারমানে এই মেয়েটা আমার থাপ্পর দিয়েছে,,,,,,,,,তাপরেও আমার কাজ আমি চালিয়ে যাচ্ছি,,,,মানে মেয়েটার দিকে তাকিয়েই আছি,,,,,,

মেয়ে- এই যে মিষ্টার,,,,,,,,,
আমি- silent……
মেয়ে- ওই কানে শুনিস না,,,,,,,,,
আমি- silent,,,,,আমি মেয়েটির দিকে তাকিয়েই আছি,,,,,
মেয়ে- ঠাস,,ঠাস,,,,,,,ওই কথা বললে শুনিস না,,,,,,,,,
আমি- এই আপনি আমাকে থাপ্পর দিলেন কেনো,,,,,,
মেয়ে- তুই আমার দিকে তাকিয়ে আছিস কেনো,,,,,
আমি- আরে আজব তো,,,,তাই বলে আপনু থাপ্পর মারবেন,,,,,,,
মেয়ে- হ্যা মারবো,,,,,বেশি কথা বল্লে আরেকটা কানের নিচে বসিয়ে দিবো,,,,,

আমি- কিইই,,,এতো বড় সাহস আপনার,,,,,,,আপনি আমাকে আবার থাপ্পর দিবেন বলছেন,,,,,,,,,
মেয়ে- হ্যা দিবো,,,,,,,
আমি- তাহলে আমি হাত গুচিয়ে বসে থাকবো,,,,,,,,
মেয়ে- কি করবি তুই,,,,,,,,,
আমি- থাপ্পর দিয়ে দেখ কি করি,,,,,,
মেয়ে- ঠাস,,,,,কথাটা বলতে দেরি হয়ছে,,,,থাপ্পর দিতে দেরি করলো না,,,,,,,,,,,,,,,,
আমি- ওই তুই আমাকে আবার থাপ্পর দিয়েছিস,,,,ধাড়া,,,,

তারপর আস্তে আস্তে মেয়েটার দিকে যেতে লাগলাম,,,,,,,
এবং মেয়েটাও মনে হয় একটু ভয় পেয়েছে,,,,,,মেয়েটার কাছাকাছি গিয়ে,,,,আমি ঠাস করে একটা মারলাম,,,,,তার গালে,,,,,,

মেয়ে- তুই আমার গায়ে হাত তুলেছিস,,,,,,,,তোকে আমি দেখে নিবো,,,
আমি- মোবাইল থেকে shareit চালু করেন,,,,,,,,
মেয়ে- কেনো,,,
আমি- আমার ছবি পাঠিয়ে দিচ্ছি,,,,,,,,পরে দেখে নিয়েন,,,,
মেয়ে- stupid কোথাকার,,,,,,

কথাটা বলে আমার কাছ থেকে গাল ফুলিয়ে চলে গেলো,,,,,,,,,,তারপর দেখলাম ২টা ছেলে আমার কাছে আসলো,,,,
ছেলে- হাই,,,,আমি সাগর,,,,,,আর ওর নাম রিয়াদ,,,,
আমি- হ্যালো,,,,,আমি হুমায়ন,,,,,,,
রিয়াদ- আচ্ছা আমরা কি ফ্রেন্ড হতে পারি,,,,,,,,,
আমি- হুম অবস্যই,,,,,,,,,,,,

তারপর আমাদের মধ্যে অনেক কথা হলো,,,তারপর কলেজের সামনে একটা গাছ তলাই গিয়ে আমরা ৩জন আড্ডা দিতে লাগলাম,,,,,,,,,,এর মাঝে সাগর বলে ওঠলো,,,,
সাগর- এই একটু আগে যে মায়াটারে তুই থাপ্পর মারছোস,,,,,,ওরে তুই চিনিস,,,,,
আমি- আমার চিনার দরকার কি,,,এই মেয়ে আমাকে আগে থাপ্পর দিছে,,,,তাই আমিও দিলাম,,,,,,,,বাট সত্যি কথা বলতে আমি মেয়েটার উপর ক্রাস খাইছি,,,,,,

রিয়াদ- শালা ক্রাস খাইচিস না বাশ খাইচিস সেটা একটু পরেই বুঝতে পারবি,,,,,,,
আমি- কেনো,,,,,,তোরা ভয় পাচ্ছিস কেনো,,,,
সাগর- ভয় না পেয়ে উপায় আছে,,,,,,,,,এই মেয়ে যদি তার বাবার কাছে বিচার দেই তাহলে তোর কি ভেবে দেখছিস,,,,,,

আমি- ওর বাবা কে,,,,,,যে তোরা এতো ভয় পাচ্ছিস,,,,,,
রিয়াদ- ওর বাবা এই কলেজের প্রিন্সিপাল,,,,,,,আর এই মেয়ের নাম হচ্ছে,,,,সাদিয়া,,,,,,,,

ওদের কথাটা শুনে আমিও অবস্য একটু ভয় পেলাম,,,,,কারন যদি ওর বাবা আমাকে এই কলেজ থেকে বের করে দেয়,,,,তাহলে,,,,,,,,,,দূর এতো চিন্তা করে কি লাভ যা আছে কপালে,,,,,,,,

সাগর- কিরে কি ভাবছিস,,,,,
রিয়াদ- ও আর কি ভাববে,,,,,,,যে ডাকাত মেয়ে,,,আল্লাই জানে তোর কি অবস্তা করে,,,,,,,,,,,,
আমি- দূর শুধু শুধু ভয় পাচ্ছিস,,,,,,আচ্ছা মেয়েটার নাম টা জানি কি বলেছিলি,,,,,,,,
রিয়াদ- সাদিয়া,,,,,,,,,,এই কলেজের সবাই এই মেয়েকে দেখে ভয় পাই,,,,,,,,,কেও যদি তার দিকে তাকায় তাহলে,,,,,,তাকে সাদিয়া তার বান্ধুবিদের সাথে নিয়ে ঘরম ধুলাই দেই,,,,,,,,,,,

তারপর আমি আর কতক্ষণ ওদের সাথে থেকে ওদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় চলে এসেছি,,,,,,
এবং খাওয়া দাওয়া করে বিকেলে একটু ঘুরতে বের হয়েছি,,,,,,,,,,,,রাস্তা দিয়ে হাটছি আর মোবাইল টিপছি,,,,,,,,মানে মোবাইলে পাবজি খেলছি,,,,,,,,,
এমন সময় আমি ওরে গিয়ে এক জায়গায় পরলাম,,,আর আমার মোবাইল আরেক জায়গায়,,,,,,

আমি- ইসস,,,গেলো রে আমার কোমরটা,,,,,,,,,ব্যাথাই ওটতে পারছি না,,,,,অনেক কষ্টে ওঠে ধারালাম,,,,,,,কিন্তু ডাক্কা খেলাম করা সাথে,,,,,এটাই তো বুঝতে পারছি না,,,,,,,,,তারপর সামনে ভালো করে তাকিয়ে দেখি,,,,,ওই মেয়েটা আমার সামনে ধারিয়ে আছে,,,,,সাদিয়া নামের মেয়েটা,,,,,,,,,,,,,,,

চলবে,,,,,,,

গল্পের বিষয়:
ভালবাসা

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত