নারীমূর্তি

নারীমূর্তি

পাণ্ডুলিপি থেকে গল্প: নারীমূর্তি

উন্মত্তের মতো দুই স্তনের উপর মুখ ঘষতে লাগলো আরেফিন। মুহূর্তের উত্তেজনা শেষে নিস্তেজ হয়ে পড়ল। হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে পড়ল বিছানায়। মুর্তিটি যেন ওর দিকে তাকিয়ে হাসছে । ক্লান্তিতে চোখ বুজে এল। ঘুমিয়ে পড়ল আরেফিন।

হঠাৎ শব্দে ঘুম ভেঙে গেল। যেখানটাতে দাঁড় করানো ছিল, মূর্তিটা নেই ওখানে। কিছুটা ভয়, কিছুটা বিস্ময় নিয়ে উঠে বসল। আশ্চর্য ! গেল কোথায়? অস্বস্তিবোধ হতে লাগলো। ওয়াশরুমে যেতে হবে। কিন্তু ঘটনাটা কী হল, আগে দেখা দরকার। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বুঝল, প্রায় ঘণ্টা দেড়েক ঘুমিয়েছে।

সামনে এগোতেই দেখল, একটি মেয়ে জানালার গ্রিল ধরে দাঁড়ানো। কোমর পর্যন্ত একঢাল ঘন কালো চুল। চুলটা খুলে রাখা। জানালার দিকে ফেরানো বলে মুখটা ভালোভাবে দেখা যাচ্ছে না। গভীর মনোযোগ দিয়ে জানালার পাশে টানানো আরেফিনের আঁকা পেইন্টিংটা দেখছে । পরনের সাদা শাড়িটা আলো আঁধারিতে একটু নীলচে দেখাচ্ছে। আঁচলটা বাতাসে উড়ছে। মুর্তিটির সাথে একটু আগে যা করেছে তা ভেবে মনে মনে খুব লজ্জিত আর বিব্রত হলো আরেফিন। কী করবে ঠিক বুঝতে পারছে না! গত কয়মাসের হাড়ভাঙ্গা খাটুনির ফল বাস্তব হয়ে উঠেছে। প্রাণ পেয়েছে ভালোবাসায় গড়া নারীমূর্তিটি!

টেবিলের ওপর রঙ-তুলি, ব্রাশ, প্লাস্টার অব প্যারিস, খোদাইয়ের যন্ত্রপাতি ছড়ানো ছিটানো। এর আগে অনেক মূর্তি বানিয়েছে আরেফিন। নারীমূর্তি এই প্রথম। আজই পুরো কাজটা শেষ হলো। নারীদেহের সমস্ত সুষমা অকৃপণভাবে ঢেলে সাজিয়েছে। ঠিক যেন কল্পনায় আঁকা বহু সাধনার আরাধ্য নারী। নিজের সৃষ্টিতে নিজেই মুগ্ধ হয়েছে! কিন্তু এ কী হলো! স্বপ্নমূর্তি আজ জীবন্ত! এ-ও কি সম্ভব? রাতে একটু-আধটু পানের অভ্যাস আরেফিনের বহুদিনের। আজ বেশি খেয়ে ফেলেনি তো! মাথাটা সত্যি সত্যিই গেছে মনে হচ্ছে ! ডিল্যুশন হচ্ছে না তো আবার! নিজেকে চিমটি কেটে দেখল, নাহ, জেগেই তো আছে!

কে ওখানে?

মেয়েটি তেমনি নিরুত্তর দাঁড়িয়ে।

এই যে, শুনতে পাচ্ছেন? কে আপনি?

‘উঁ’ করে একটু শব্দ করলো বলে মনে হলো আরেফিনের।

জি, আপনাকেই বলছি। আপনি কে? এখানেই বা এলেন কী করে?

খুব ধীরে মেয়েটি ঘুরে দাঁড়াল।

এই তো পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে আরেফিন। সেই নেশা ধরানো আয়ত চোখ, সেই টসটসে পুরুষ্টু চৌকো ঠোঁট, জ্যোৎস্নামাখা চিবুক, বুকে তীর-বেঁধানো দেহভঙ্গি! ওহ গড!

বা রে! আপনিই তো গড়লেন আমাকে! এখন জিজ্ঞেস করছেন, কে আমি, কোথা থেকে এসেছি! ভারী অদ্ভুত মানুষ তো! অবশ্য শিল্পীরা একটু অদ্ভুতই হয়।

বিস্ময়ের সীমা রইল না আরেফিনের! রিনরিনে কণ্ঠে একসাথে এতগুলো কথা বলল মেয়েটি! তারপর মিষ্টি করে একটু হাসল।

আরেফিনের বোকা বোকা চাহনি দেখে, মেয়েটিই আবার কথা বলল, কী হলো, এখনও অবাক হবার পালা শেষ হয় নি বুঝি? চলুন, এবার একটু গল্প করা যাক। এতক্ষণ ঘুমুচ্ছিলেন। তাই বিরক্ত করি নি। ঘুম ভাঙার আপেক্ষায় ছিলাম। এতে অবশ্য একটা লাভ হয়েছে। আপনার আঁকা পেইন্টিংগুলো দেখে নিয়েছি, এই ফাঁকে।

আরেফিন ভেবে পেলো না, কী নিয়ে গল্প করা যায় মেয়েটির সাথে। তবে মেয়েটির কথায় কাজ হতে শুরু করেছে। এভাবে বিস্মিত চোখে চেয়ে না থেকে ভাব জমানোই তো বুদ্ধিমানের কাজ। নিচের ঠোঁটটা কামড়ে ধরে ভাবলো আরেফিন। মেয়েটি বেশ স্বচ্ছন্দে হেঁটে বেড়াতে লাগলো ঘরের ভেতর। টেবিলে রাখা এলোমেলো জিনিসপত্রের ওপর গভীর মমতায় হাত বুলালো। তারপর শেলফে রাখা বইগুলোর নাম পড়তে লাগল- ডিজাইন অ্যাজ আর্ট, আর্ট ইন থিওরি ১৯০০-২০০০; অ্যান অ্যানথলজি অব চেইঞ্জিং আইডিয়া, টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অব আমেরিকান আর্ট, ওয়েজ অব সিইং অন দ্য বিবিসি টেলিভিশন সিরিজ, হিস্ট্রি অব বিউটি। শেষ বইটি তুলে নিয়ে মনোযোগ দিয়ে পাতা উল্টাতে লাগলো। হতভম্ব হয়ে বসে থেকে থেকে আরেফিনের পানি আর চা দুয়েরই তৃষ্ণা পেল।

হঠাৎ-ই মেয়েটি অস্থিরভাবে আরেফিনের দিকে তাকাল। বইটি টেবিলের ওপর রেখে পৃষ্ঠাটি ভাঁজ করে রাখলো। কিচেনটা কোন দিকে বলুন তো? দুজনের জন্য চা বানিয়ে আনি। বলতে বলতে চেহারায় বেশ গিন্নীভাব ফুটিয়ে শাড়ির আঁচলটা কোমরে গুঁজল। শুনুন, শাড়ির আঁচলটা কিন্তু একটু ছোটো হয়েছে। দেখছেন না, ঠিকমতো কোমরে গোঁজা যাচ্ছে না!

আরে তাই তো! আঁচলটা সত্যি ছোটো হয়েছে। এবার সহজ হয়ে এলো আরেফিন। ঠিক আছে, আঁচলটা না হয় বাড়িয়ে দেবো। খুশি তো!

হুমম, খুশি। কিচেনটা নিশ্চয় এইদিকে, তাই না?

দুই কামরার ঘরে কিচেন খুঁজে পেতে বেগ পাওয়ার কথা নয়। মেয়েটি নিজেই এগিয়ে গেল।

কী সুন্দর ছন্দময় হাঁটা মেয়েটির! হেঁটে যাবার সময় পুষ্ট বুক আর ভারী নিতম্বে ঢেউ খেলে যায়! যে কোনো পুরুষের মাথা ঘুরিয়ে দিতে যথেষ্ট। ঠিক এভাবেই গড়েছিল মেয়েটিকে। অনেক দিন ধরে, অনেক যত্নে। মূর্তিটা বানানোর পুরো সময়টা একটা ঘোরের মধ্য দিয়ে গেছে আরেফিনের। অন্য কোনো কাজে হাত দিতে পারে নি এ কয়দিন। বলা যায়, মূর্তিটা যেন তাকে হিপনোটাইজ করে রেখেছিল। বাইরেও তেমন একটা বের হওয়া হয় নি।

এক শৌখিন ব্যবসায়ীর বাগানবাড়ির জন্য মূর্তিটা বানানোর কন্ট্রাক্ট পেয়েছিল। বেশ মোটা টাকার অফার। শিল্পী হিসেবে আরেফিন খুব খুঁতখুঁতে। টাকাটা বড় অংকের ছিল, এটা সত্যি। তবে টাকাটাই ওর কাছে সব নয়। কথাবার্তা বলে, বাগানবাড়িটা দেখে ভদ্রলোককে বেশ রুচিশীল মনে হওয়ায় আরেফিন কাজটা নিয়েছিল। তারপর থেকে মনপ্রাণ ঢেলে কাজটা করে গেছে।

মিষ্টি একটা সুর গুনগুন করছে মেয়েটি। খুব চেনা। কিন্তু কিছুতেই মনে করতে পারছে না কোন গানটা! চায়ের কাপে চামচ নাড়ার শব্দ শুনে চায়ের তৃষ্ণাটা আরও বাড়ল আরেফিনের।

ট্রে-তে দু’মগ চা, দু’গ্লাস পানি আর পিরিচে চারটা বিস্কিট নিয়ে রুমে ঢুকল মেয়েটি। বিছানায় ট্রে-টা রেখে পা তুলে বসল। বেশ স্বচ্ছন্দ। যেন বা এটা ওর ঘর। আরেফিন মেহমান।

কী হলো? কী এত ভাবছেন? পা তুলে আরাম করে বসুন। আমি কিন্তু খুব ভালো চা বানাই। খেয়েই দেখুন না।

আরেফিন এক নিঃশ্বাসে পানিটা খেয়ে নিল।

মেয়েটি চায়ের মগটা এগিয়ে দিল। তারপর নিজেরটা তুলে নিয়ে চুমুক দিল। দু’হাতে মগটা ধরেছে। চাঁপার কলির মতো আঙ্গুল! অদ্ভুত সুন্দর।

সত্যিই চা-টা খুব ভালো হয়েছে। কতোদিন এমন মজার চা খাওয়া হয় নি।

অসাধারণ চা বানিয়েছেন। মেনি থ্যাংকস।

আচ্ছা, আমার নাম কী? মেয়েটির এই প্রশ্নে হঠাৎ একটা ধাক্কা খেল আরেফিন।

সুন্দর একটা নাম দিন না প্লিজ। অনামিকা হয়েই থাকবো নাকি? নাম ছাড়া ভালো লাগছে না। আর শুনুন, আপনি আপনি করে কথা বলতে বা শুনতে একটুও ভাল্লাগছে না। আমরা তুমি করে বলবো। ডান?

ওকে, ডান। দাঁড়াও, তোমার একটা নাম ঠিক করি। চোখ বন্ধ করে ভাববার চেষ্টা করল আরেফিন।

এই মুহূর্ত থেকে তোমার নাম ‘তৃষ্ণা’, তুমি আমার তৃষ্ণা, তৃষ্ণা, তৃষ্ণা।

বাহ, খুব সুন্দর নাম তো! চলুন আমার নাম রাখার ক্ষণটিকে সেলিব্রেট করি।

সেলিব্রেশন? কিভাবে?

বা রে! সবকিছু বুঝি আমি বলে দিবো? একটু অভিমান নিয়েই বলল তৃষ্ণা।

উমমম, কাছে এসো! বলেই হাত ধরে নিজের দিকে মেয়েটিকে টানলো আরেফিন।

কিন্তু…

কোনো কিন্তু নয়। বলেই মেয়েটিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল আরেফিন।

ঝাঁকুনি দিয়ে যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল শরীরে! তৃষ্ণার মুখটা আঁজলায় নিয়ে গভীর চুম্বন করল ঠোঁটে।

তৃষ্ণাও সাড়া দিল।

একবুক তৃষ্ণা নিয়ে অতল সাগরে হারিয়ে গেল দু’জন!
বোধ ফিরে এলে দুজনেই লাজুক হাসে।

চলো, ছাদে যাই। আজ পুর্ণিমা! চাঁদ হবে আমাদের ভালোবাসাবাসির সাক্ষী।

কোমর জড়িয়ে ছাদে উঠল দুজন। আকাশ জুড়ে মস্ত বড় চাঁদ। রূপালি আলোয় তৃষ্ণার মুখটা আরও মায়াবী, আরও রহস্যময় মনে হলো।

ফুলের খোঁজে ছাদের এদিক-ওদিক তাকালো আরেফিন। একপাশে কিছু সন্ধ্যামালতী ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ল না। একটা লাল সন্ধ্যামালতী তৃষ্ণার কানের পাশের চুলে গুঁজে দিলো। দরাজ গলায় বলল, ও চাঁদ ও সন্ধ্যামালতী, সাক্ষী থেকো তোমরা, আজ থেকে তৃষ্ণা শুধু আমার, আর আমার! খিলখিল করে হেসে ওঠে তৃষ্ণা। সারা শরীর দুলে ওঠে। অপরূপ দেখায় তৃষ্ণাকে! মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকে আরেফিন।

আমার একটা ছবি এঁকে দিবে? তোমার মডেল হতে চাই। নিশ্চয়ই। এক্ষুনি চলো।

ছাদ থেকে নেমে, তৃষ্ণাকে বিছানায় বসালো আরেফিন। শোনো, একদম নড়বে না। এভাবেই থাকো। খুব দ্রুত ইজেলে কাগজ সেট করে নিয়ে রঙ তৈরিতে লেগে গেল।

ঠোঁটে সিগারেট নিয়েই রঙের স্ট্রোক দিতে লাগলো অভিজ্ঞ হাতে। সাদা কাগজে ধীরে ধীরে ফুটে উঠল কানের পাশে লাল সন্ধ্যামালতী গোঁজা তৃষ্ণার রহস্যঘন হাসিমাখা মুখ।

খোলা জানালা দিয়ে কড়া রোদ এসে পড়েছে আরেফিনের মুখে। চোখ খুলতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। দু’হাতে চোখ আড়াল করে উঠে বসে আরেফিন। ধরফর করে ওঠে, তৃষ্ণা, আমার তৃষ্ণা কই?

আশ্চর্য! সারা শরীরে উপচে পড়া যৌবন নিয়ে মূর্তিটা হাসিমাখা মুখে আগের জায়গাতেই দাঁড়ানো আছে। নির্বাক,নিশ্চুপ, নিষ্প্রাণ! শাড়ির আঁচলটা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা ছোটো। কানের পাশে এখনও গোঁজা আছে মিইয়ে যাওয়া সন্ধ্যামালতী।

টেবিলের ওপর রাখা ‘হিস্ট্রি অব বিউটি’ বইটির একটি পৃষ্ঠা ভাঁজ করে রাখা। বিছানার একপাশে দুটো মগে নিঃশেষিত চায়ের তলানি, পিরিচে নরম হয়ে যাওয়া দুটো বিস্কিট। এর ঠিক পাশেই ইজেলে আঁকা ছবিটা। ছবিতে বিছানায় বসা নারীমূর্তিটির চুলে টকটকে লাল সন্ধ্যামালতী।

মূর্তিটিকে জড়িয়ে ধরে বিড়বিড় করতে লাগলো আরেফিন, প্লিজ তৃষ্ণা, জীবন্ত হও। এভাবে প্রাণহীন হয়ে গেলে কী করে বাঁচবো আমি? আমার কাছ থেকে কেউ নিতে পারবে না তোমায়। তুমি শুধু আমার। তুমি আমার অনঙ্গ প্রেম!

উদ্ভ্রান্তের মতো বিছানায় কী যেন খুঁজে বেড়ালো আরেফিন। দু’চারটি লম্বা চুল বিছানাজুড়ে তখনও পড়ে আছে।

‘তৃষ্ণা, তৃষ্ণা আমার, তুমি আমার অনঙ্গ তৃষ্ণা, তুমি আমার অনঙ্গ প্রেম’ বলতে বলতে ছড়িয়ে থাকা চুলগুলো হাতের মুঠোয় নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ল আরেফিন। কী করে দুপুর গড়িয়ে বিকেল, বিকেল গড়িয়ে রাত হলো টের পেলো না আরেফিন।

এর মধ্যে ব্যবসায়ী ভদ্রলোকের পিএস ফোন করলে সাফ সাফ জানিয়ে দিল, মূর্তিটা দিতে পারছে না ও। অন্য কাউকে কাজটি দেবার অনুরোধ করে দুঃখ প্রকাশও করল। আবারও তলিয়ে গেলো ঘুমের ঘোরে।

কতোটা রাত হয়েছে বুঝতে পারলো না। একটা শব্দে ঘুম ভেঙে গেলো।

আরে! ওই তো ওর তৃষ্ণা! আরেফিন ওর পেছনটা দেখতে পেলো। প্রাণ ফিরে পেয়েছে তৃষ্ণা । তার তৃষ্ণা প্রাণ ফিরে পেয়েছে ! মহা আনন্দে উঠতে গিয়ে মাথাটা ঝিমঝিম করে উঠল। আজ একটু বেশিই পান করা হয়ে গেছে। কিন্তু যাচ্ছে কোথায় তৃষ্ণা !

ধীর পায়ে ছাদের দিকে এগিয়ে যেতে দেখলো ওকে। দাঁড়াও তৃষ্ণা, দাঁড়াও… আমিও আসছি।

ডাকতে ডাকতেই তৃষ্ণার পিছু পিছু ছুটল আরেফিন। পরদিন সকালে নারীমূর্তি জড়িয়ে ধরে শহরের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী আরেফিন সাদিকের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেলো।

শিল্পীর মুখে রহস্যঘন হাসি আর গভীর পরিতৃপ্তির ছাপ!

লেখক সম্পর্কে:

জন্ম ৪ অক্টোবর ১৯৭৪, ঢাকায়। বাবা মো. জাকারিয়া, মা মাহমুদা বেগম-এর চার সন্তানের মধ্যে তিনি প্রথম। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে স্মৃতিবিজড়িত দুরন্তপনায়, ঢাকা ও চট্টগ্রামে। পেশায় প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর। বর্তমানে কর্মরত আছেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে।

তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ “তোমায় দেবো নীল পদ্ম, নেবে” প্রকাশিত হয়েছিলো একুশে বইমেলা ২০১৬-তে, প্রকাশক–অনন্যা। এ পর্যন্ত তাঁর সাতটি কাব্যগ্রন্থের পাশাপাশি দু’টি গল্পসংকলন এবং দুটি মহিলাদের স্বাস্থ্য-বিষয়ক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

গল্পের বিষয়:
ভালবাসা

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত