পবিত্র ভালোবাসা

পবিত্র ভালোবাসা

ফুচকা খেতে খেতে যখন বান্ধবীদের সাথে হাসাহাসি করছিলাম; তখন এক আন্টি টাইপ মহিলা আমাদের দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে ছিলো। ব্যাপারটা খেয়াল করেছিলো দপ্তরী “আলি ভাই। পরে আমাদের বলেছিলো যে আমাদের কেউ অনেকক্ষণ ধরে ফলো করেছে। আমি ব্যাপারটা নিয়ে তেমন মাথা ঘামালাম না। বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে খেতে বসলাম, বাবা-মা আর ভাইয়ার সাথে।

-রিয়া আগামীকাল কলেজে যেতে হবেনা তোর।
-কেনো বাবা?
-পাত্রপক্ষ আসবে।
-ওহ।

আমি আর তেমন কিছুই বলিনি, বাবা-মা যা করবেন ভালোর জন্যই করবেন। ফিউচার নিয়ে মাথা ব্যথা নেই সেই ৬মাস আগে থেকেই। ঠিক ৬মাস আগে যখন নিলয়ের প্রেমে পড়েছিলাম তখন ভুলে গেছিলাম আমার ফিউচার আছে, নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। নিলয়ের প্রেমের সাগরে যখন আমি সাঁতরাচ্ছিলাম তখন নিলয়ই নিজ হাতে তলিয়ে দিলো আমায়; বিচ্ছেদযুক্ত প্রেমের সাগরে। এতটা পিছিয়ে গিয়েছিলাম যে নিজেকে নিয়ে ভাবতেই ভুলে গেছি। এখন বাবা-মা যা করার করুক, আমার আলাদা করে কিছুই বলার নেই।

সকাল থেকেই রান্নাবান্নার ধুম, আর বাসায় আজ কাছের সব আত্মীয়রাই এসেছেন। পাত্রপক্ষ দেখতে আসলেই যে এতো আয়োজন করা হয় তা আগে দেখিনি। সে যাই হোক, আমি আছি নিলয়কে নিয়ে ভাবনায়! কিভাবে পারলো ও? একসাথে এতো রিলেশন করা ছেলেটাকে কিভাবে মেনে নিতাম আমি? কিভাবে মেনে নিতাম অন্যকারো সাথে রুমডেটে যাওয়া ব্যাপারগুলি? নাহ আর ভাবতে পারছিনা। মাথায় পেইন হচ্ছে, তাই একটু শুইলাম। শুয়েও শান্তি নেই, পিচ্ছি গুলা জ্বালাতে চলে আসছে। এভাবেই সময় পার হচ্ছিলো। দুপুর হতেই পাত্রপক্ষ চলে আসলো, আমাকে সাজাতে কাজিনদের ব্যস্ততা! বিরক্তই হচ্ছিলাম অনেকটা।

গ্রাম্যস্টাইলে ঠান্ডা শরবত হাতে ধীর পায়ে ড্রয়িংরুমে এসে দাঁড়ালাম, মধ্যবয়সী একজন মহিলা আমাকে নিয়ে তার পাশেই বসালেন। বেশ অবাকই হলাম! এতদিন দেখে এলাম মেয়ে তার রিলেটিভ কারো পাশে গিয়ে বসে, পরে বিয়ে ঠিকঠাক হলে তো হয়তো পাশাপাশি বসে কারো কারো। তাই বলে প্রথমবারেই? মনে হচ্ছে আমি উনার পূর্বপরিচিত। কি জানি! হতেও পারি। আমার পাত্র নিয়ে মাথা ব্যথা নেই, তাই তাকে দেখার চেষ্টাও করলাম না। সে দেখেছে কিনা কে জানে! ঘোমটাহীন আমাকে নিশ্চয় দেখতে পেয়েছে, বসবার পরপরই তো মহিলাটি ঘোমটা সরিয়ে দিলো।

দেখাদেখির এক পর্যায়ে ভাবী বললেন পাত্রপাত্রীকে আলাদা করে কথা বলতে দেওয়া দরকার। কিন্তু মিস্টার পাত্র বললেন তিনি কথা বলতে চান না, কোনোকিছু আলাদা করে জিজ্ঞেস করার নেই। আমারও নেই, তবে একটা চিন্তা মাথায় ঘুরছে; উনিও কি ছ্যাঁকা খেয়ে পুড়েছেন? হয়তো! সবারই মত আছে বিয়েতে, উভয়পক্ষ সম্মতি দিয়েছে; এমনকি মিস্টার পাত্রও।

বিয়ের কাজ তাড়াতাড়ি করতে আগ্রহী সবাই। তাই দিনতারিখ ঠিক করলো তাও আবার মাত্র ১২দিন পরই নাকি! আমার এখন খারাপ লাগতেছে, ১২দিন পরেই শ্বশুর বাড়ি থাকতে হবে। এরপর হয়তো মাঝেমাঝে আসা হবে; তবে ওখানেই থাকতে হবে সবসময়। ইশ! আমি যদি ছেলে হতাম; তো নিজ বাড়িতেই আজীবন থাকতে পারতাম। আফসোস!

বিয়ের দিন যে পরিমাণ অস্বস্তি লেগেছে বলার মতো না, ইচ্ছে করছিলো নিজের চুল নিজে টেনে ছিঁড়ে ফেলি! বিয়ে যে এতো ঝামেলা তা জানলে আয়োজন ছাড়া ঘরোয়াভাবেই বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে বলতাম! অনেক কষ্টে চুপচাপ সহ্য করলাম। বিদায়বেলায় মনে হচ্ছিলো দেহ থেকে প্রাণ বেরিয়ে গেছে, প্রাণ যেনো যেতে রাজি নয় এ বাড়ি ছেড়ে। তবুও দেহহীন প্রাণ কি করে রবে! তাই শত কষ্ট বুকে চেপে থমকে রইলাম।

গাড়িতে বসতেই খারাপ লাগা শুরু হলো, পাশেই উনি বসেছেন তাই। জাকিয়া আপার সাথে তার শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার সময় দেখেছি দুলাভাই আপার চোখের জল মুছে দিয়ে হাতে হাত রেখে ভরসা দিচ্ছে। আর আমার উনি যে বসেছেন আর নড়ছেন না। স্ট্যাচু হয়ে বসে আছেন। দূর এ কোন রসহীন লোকের পাল্লায় পড়লাম!

শ্বশুর বাড়িতে আসার পর কি হয় তা সবাই জানে, তাই আর না বলি। আরো একবার চুপচাপ অস্বস্তিকর কাণ্ডকারখানা সহ্য করলাম। এতো রাতে বউ দেখতে আসার কি দরকার ছিলো? আগামীকাল কি পালিয়ে যেতাম? রেস্টের প্রয়োজন সেটা কেউ বুঝলো না। এখন আবার উনার রুমে বসে আছি একরাশ বিরক্ত নিয়ে। গোলাপের ঘ্রাণে বারবার হারিয়ে যাচ্ছি, তবুও বিরক্ত লাগছে! এই যে বিছানায় গোলাপের পাপড়ি আর অন্যান্য ফুল এগুলা কে সরাবে, না সরালেও তো ঘুম হবেনা আমার। কি যে হবে ঘুমের!

ভেতরে এসেই দরজা বন্ধ করে দিলেন উনি, নাম কি যেনো? হুম আরিয়ান। আমি ঘোমটা আরেকটু নিচে নামালাম। এ রাত সম্পর্কে সবই বুঝি আমি, তবুও উনাকে সালাম করতে কেমন আনইজি ফীল হচ্ছে। উনি ঠায় দাঁড়িয়ে আছেন সোফার পাশে। আমি উঠে গিয়ে সালাম করতে যাবো তখন উনি আমাকে বাধা দিয়ে বললেন প্রয়োজন নেই। আমি বেশ অবাক হলাম! কি ভাব, বলে প্রয়োজন নেই। মনে হয় উনাকে সালাম করার জন্য আমার জান বেরিয়ে যাচ্ছে! যত্তসব। আমি রেগে খাটে উঠতে যাচ্ছিলাম; তখন উনি বললেন,

-বলতে চাচ্ছিলাম এতো কষ্ট করে সালাম করার প্রয়োজন নেই।
-আমি শুধুমাত্র নিয়ম পালন করছিলাম!
-তারমানে মন থেকে নয়?
-না মানে মন থেকেই দায়িত্ব পালন করার ইচ্ছে হলো।

-ওহ আচ্ছা! তো ভাবী বলেছিলো আপনি নাকি কাউকে সালাম করতে চান না?
-ঠিকই বলেছে।
-কিন্তু কেনো?
-এমনি, ব্যক্তিগত ব্যাপারে নাক গলান কেন?
-ব্যক্তিগত? এই যে মিস স্যরি মিসেস রিয়া, আপনার ব্যক্তিগত সবকিছুতেই যুক্ত আমি।

-যদি আমি চান্স দেই তো!
-দিতে বাধ্য আপনি।
-অবশ্যই না, আর পাঁচটা মেয়ের মতো ভেবে শাসন করতে আসবেন না।
-ওহ বাবারে! এতো রাগার কি আছে ফুচকাপ্রেমী?
-এ্যাঁ? আপনি কিভাবে জানলেন যে আমি ফুচকাপ্রেমী।
-আন্টি বলেছে।
-আন্টি বলেছে মানে?

-আন্টি আপনাকে ফুচকা খেতে দেখা অবস্থায় পছন্দ করেছে, আর তাই তো আজ আপনি এ বাড়ির বউ।
-হোয়াট? তার মানে উনিই ছিলেন সেই আন্টিমত দেখতে মহিলা?
-হতে পারে, আপনি দেখেছিলেন?
-নাহ, আলি ভাই দেখেছিলো।
-হুম। আমিও অল্পস্বল্প খাই।
-কি?
-ফুচকা।
-ভালোই তো।

উনি রুম থেকে বের হয়ে আবারো ফিরে এলেন, হাতে তার ফুচকা! আমি চোখ কপালে তুলে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকাতেই বললো,

-এক আন্টিকে বলেছিলাম এমন মেয়ে পছন্দ করতে যে ফুচকা পছন্দ করে অনেক, তবে ঝাল খাবে কম, টক খাবেনা একেবারেই।
-ঠিক আমার মতো!
-হুম, আন্টি সেদিন দেখেছিলো আপনি বারবার ফুচকাওয়ালাকে সাবধান করছিলেন যেনো টকঝাল না দেয়।
-তারমানে এই ছিলো পছন্দের রহস্য?
-হুম।

আমি মন খারাপ করে অন্যদিকে তাকিয়ে রইলাম! উনি ফুচকার ভেতর মশলা দিয়ে এগিয়ে দিলো মুখের দিকে। আমি ভীষণ লজ্জা পেলাম; উনার হাতে কিভাবে যে খাই! উনার রিকুয়েস্টে মুখে নিলাম ৫বার, মানে ৫টা ফুচকা। এখানে আসার পর ননদ খুব করে খাইয়েছে তাই আর খাওয়া সম্ভব হচ্ছিলো না, উনি বোধহয় একটু মন খারাপ করেছেন। উনি ফুচকা রেখে এসে টি-টেবিল থেকে কি যেনো হাতে নিয়ে এগিয়ে এলেন। আমি সরাসরি উনার দিকে তাকাচ্ছিনা তাই দেখতেও পাচ্ছিনা।

-রিয়া?
-হুম…
-তোমার জন্য (বেশ কয়েকটা ছোটো গোলাপ হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন)

-বাহ! মনে হচ্ছে আপনার বাসায় গাছ আছে।
-হুম, বাড়ির পেছনেই আমার শখের বাগান। আম্মুর জন্য বড় করতে পারিনি, কারণ আম্মুও সবজি বাগান করে।
-ওহ আচ্ছা।
-একটা ব্যাপার খেয়াল করেছো?
-কি?
-এই যে আমরা অনেকটা পরিচিতদের মতো কথাবার্তা বলছি। আমি আবারো লজ্জা পেলাম!!!

-আচ্ছা রিয়া একটা প্রশ্ন করতে পারি?
-হুম…
-লাভ রিলেশনে জড়িয়েছো কখনো?

উনার প্রশ্ন শুনেই ধক করে উঠলো বুকের ভেতর, মনে পড়ে গেলো নিলয়ের কথা। কিছুই বলতে পারছিলাম না, অনেক নার্ভাস ফীল হচ্ছিলো।

-ঘাবড়ানোর কিছুই নেই। আমি শুধু জানতে চেয়েছি, কারণ আমিও জীবনে একবার এক কালনাগিনীর প্রেমে পাগল ছিলাম।
-তাই নাকি? তো কি হলো সেই প্রেমের?
-বেকার ছিলাম তাই ইগ্নোর করেছে।
-কয়বছরের রিলেশন?
-হবে ২-৩বছর।
-ওহ, ভালোই তো! তা প্রায়ই মীট করতেন?

-হাহাহাহা।
-হাসেন কেনো? কিছু জিজ্ঞেস করেছি।
-না দেখেই প্রেমের শুরু, ঐ কালনাগিনী আমাকে প্রপোজ করেছিলো। রিফিউজ করার পরও জ্বালাতো খুব, কোনো এক সম্পর্কে কাজিন হয়।
-দ্যান?
-শুরু হয় প্রেম, প্রতিদিন কথা বলা! আমার তো মা নেই, ভাবছিলাম ওরে বিয়ে করলে ঐ আন্টি আমাকে মায়ের মতো আদর করবে। তাই আমি খুব করে স্বপ্ন বুনতে থাকি।
-দ্যান?

-একদিন আমার অনেক শরীর খারাপ হয়, জন্ডিস দেখা দেয়। আর তাই জব ছেড়ে দেশে চলে আসি। এসেই ওদের এখানে আসি বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে। সেদিনই প্রথম দেখি ওরে, কিন্তু ওর ফ্যামিলির সাথে ও আমাকে অস্বীকার করে, আমাকে নাকি চিনেই না। হাহাহা, সেদিন অনেক কেঁদেছিলাম। এরপর ওখানে ৭দিন থাকি এক পরিচিত আপুর বাসায়। তখন জানতে পারি ও কতটা বাজে মেয়ে! কতো ছেলের সাথে রিলেশনে জড়িয়েছে, এরপর চিন্তা করলাম এসব বাজে মেয়ের জন্য আমার কাঁদা উচিৎ না। ৭দিন পর চলে আসি, এরপর আর কথা বা যোগাযোগ হয়নি।

-মনে পড়ে এখন?
-মোটেও না, আমার তো এখন মনে হয় আমার ভালোবাসা ছিলো আবেগের। অন্তর থেকে হতো, যদি বিয়ে হতো। কিন্তু তার জন্য আমার প্রথমদিকে খারাপ লাগলেও এখন খারাপ লাগেনা। আর যদি ভালোই বাসতাম তো কখনোই মন থেকে মুছতে পারতাম না, হয়তো মনে ঢুকতেই পারেনি। নইলে কি আর বিয়ে করতে পারতাম?

-হুম।
-এতো ছোটো মন্তব্য যে?
-এমনি।
-মন খারাপ?
-নাহ।
-প্লিজ বলো কি হইছে?
-তুই যদি আর কখনো অই মেয়ের নামও মুখে আনিস তো আমি গলায় দড়ি দিয়ে মরে যাবো।
-এ্যাঁ? তুমি ঠিকাছো তো?
-হ্যাঁ আমি ঠিকাছি, বল তুই শুধু আমাকে ভালোবাসবি?
-হ্যাঁ বাসবো, খুব করে ভালোবাসবো।
-সত্যি তো?
-তিন সত্যি।
-যদি কখনো ঐ মেয়ের কথা ভাবিস তো আমি মরে তোকে ফাঁসিয়ে দিয়ে যাবো।
-কি ব্যাপার? আবার হাসছেন কেনো?
-দেখেছো; এটাই হলো আল্লাহ্‌র তরফ থেকে রহমত।

বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আল্লাহতালা এ রহমত দান করেন। এইটুকু সময়ে তুমি আমাকে কতটা আপন করে নিয়েছো যে আগের রিলেশনের কথা শুনে মন খারাপ করেছো + শাসন শুরু করেছো।

-হুম
-এসব প্রেমটেমের থেকেও উত্তম হয় বিয়ে। তুমি চাইলেই প্রথম প্রেমিক ভুলতে পারবে, আমি চাইলেই প্রথম প্রেমিকাকে ভুলতে পারবো, এমনকি ভুলেও গেছি। কিন্তু তুমি শত চেষ্টা করলেও প্রথম স্বামীকে ভুলতে পারবেনা, কোনো পুরুষও প্রথম বউকে ভুলতে পারবেনা; যদি মন থেকে ভালোবেসে থাকে।

-বাব্বাহ, এতোকিছু বুঝেন?

-হাহাহা, আমায় ভালোবাসবে তো রিয়া?

উনার কথা শুনে আমি শিউরে উঠলাম,,মনে হলো এই কথাটি অতি মধুর, আকর্ষণে ভরপুর। মনে হচ্ছে আমি পারবো উনাকে আজীবন ভালোবাসতে। সম্মতিসূচক মাথা নাড়ালাম। উনি তো মহাখুশি।

-আমি আমার পবিত্র ভালোবাসায় তোমাকে জড়িয়ে নিলাম রিয়া, আজীবন এই পবিত্র ভালোবাসা অটুট থাকবে।
-পবিত্র ভালোবাসা নাকি কখনোই শেষ হয়না। আর পবিত্র ভালোবাসা একমাত্র বিয়ের পরই হয়, আগে যতই জানপ্রাণ দাও; বিয়ের আগের আর পরের ভালোবাসায় অনেক পার্থক্য থাকে যদি ভালোবাসতে পারো।
-হুম।

উনি আমার হাতে পবিত্র ভালোবাসা মাখা ঠোঁটের ছোঁয়া দিলেন। আমি মুগ্ধ নয়নে তার লাজুক মুখপানে চেয়ে রইলাম! কেউ লজ্জা পেলে যে এতো মায়াময় মনে হয় তা জানা ছিলো না, স্পেশালি কোনো পুরুষের! আমি ভেবে দেখলাম নিলয়কে আজ আরও বেশীই তিক্ত মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে এই অপরিচিত মানুষটি যেনো মধুমাখা কেউ। যার কথা ভাবতেই ভালো লাগে, ভাবতেই ভালো লাগে। এ ভাবনার শেষ হবেনা, কারণ সে আমায় ভালোবাসবে; পবিত্র ফুলের মতো করে।

যে ফুল শুকিয়ে যায়, কিন্তু তার সৌন্দর্য, ঘ্রাণ কারো কারো অন্তরে গেঁথে থাকে। পবিত্র ভালোবাসায় যে শান্তি তা কখনো অপবিত্র ভালোবাসায় পাওয়া যাবেনা, সে যতই গভীর হোক না কেনো! ভালোবাসা তো ভালোবাসাই, অপবিত্রতা কেনো আসবে ভালোবাসায়? ভালোবাসা হবে মধুর, ভালোবাসা হবে শান্তির স্থান। যা শুধু পবিত্রতার মাঝেই বিরাজমান!!

গল্পের বিষয়:
ভালবাসা

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত