ভালোবাসা

ভালোবাসা

–I love u..( আমি)
–কি বললি(তাফসি)
–বললাম ভালোবাসি তোমাকে(আমি)
–এক থাপ্পর দিয়া সব দাঁত ফালাই দিব তোর(তাফসি)
–কেন।কি হইছে
–ওই তুই জানস না আমি তোর সিনিয়র।তাও আবার ৩ বছরের।
–তো কি হইছে।ভালোবাসাতে ছোট আর বড় আছে নাকি।
–তোরে আমি কাইট্টা ফালামু(রাগি মুডে)
–ও আল্লাহ রাগলে তো আমার সিনিয়র বউটাকে অনেক সুন্দর লাগে।
–ওই কি বললি আরেকবারর বল।
–আচ্ছা এইদিকে আসো কানে কানে বলতেছি।
–হুম বল(কাছে এসে)
–উমমমমমমমাহহহহ।

একটা কিস দিয়েই দৌড় দিছি।যদি আর ওইখানে থাকতাম তাহলে নিশ্চিত আমি মরছিলাম আজকে।আপনাদের তো পরিচয় দেওয়াই হয়নি আমি জাহিদ হাসান এবার ইন্টার ১ম বর্ষ।আর যার সাথে এতক্ষন শয়তানি করছিলাম সে হলো তাফসি।আমার সিনিয়র বউ। অবশ্য আমার থেকে ৩ বছরের বড়।তবুও ভালোবাসি কারন,ছোটথেকেই ইচ্ছে ছিলো একটা বড় আপুর সাথে প্রেম করব। তাহলে শাসন,ভালোবাসা, আদর সব পাবো হিহিহি। তো দৌড়ে একদম বাসায় চলে আসছি। বাসায় এসেই হাঁপাতে লাগলাম তা দেখে আম্মু বললো

–কিরে তুই হাঁপাচ্ছিস কেন।
–তোমার বউমার জন্য।
–হ্যা কিছু বুঝলাম না।
–আরে আম্মু ওই যে পাশের বাসার তাফসি আপু আছে না।ওনাকে না আমার ভালোলাগে আমি তোমার বউমা করে তাফসিকে নিয়ে আসতে চাই।
–ওই তোর মাথা ঠিক আছে।তাফসি তোর থেকে অনেক বড়।
–আমি কিছু জানিনা।তাফসিই আমার বউ হবে এটাই শেষ কথা। বলেই রাগ দেখিয়ে চলে আসলাম আমার রুমে। আবার ভাবলাম ফোন দিয়ে একটু জালাই ওরে।তাই ফোন দিলাম।কিছুক্ষন রিং হওয়ার পরই রিসিভ করলো।

–হ্যালো(তাফসি)
–বউ কি করছো(আমি)
–ওই কে তোর বউ হে(একটু জোরে বললো)
–ওই এতো চিল্লাও কেন।
–কি বললি আমি চিল্লাই।
–তা নয়ত কি।
–কুত্তা মাইরা ফালামু তোরে।(রেগে গিয়ে)
–আমারে মারলে তো তুমি বিয়ের আগেই বিধবা হইয়া যাবে।
–এএএএ হব না।
–আই লাভ ইউ। সিনিয়র বউ
–ওই পিচ্চি চুপ।
–ওই আমি পিচ্চি না তুমি পিচ্চি।
–৩ ক্লাস জুনিয়র আর আমারে কয় আমি নাকি পিচ্চি। ফাজিল পোলা।

–ছোট হইছি তো কি হইছে।আচ্ছা বউ তোমার হাইট কত।
–কেন।
–আরে বলোনা।
–৫.১ ইঞ্চি
–নিজে পিচ্চি আর আমারে কয় আমি নাকি পিচ্চি।
–ওই আমি মোটেও পিচ্চি না।
–পিচ্চি নয়ত কি।জানো আমি ৫.৫। তোমার থেকে ৪ ইঞ্চি বেশি লম্বা।
–তুই আমার থেকে বয়সে ছোট।
–ধুর এক কথা আর ভালোলাগে না।
–না লাগলে নাই।
–বউ একটা পাপ্পি দিবা।
–থাপ্পর দিব খাবি।
–তোমার হাতের থাপ্পর খেতেও রাজি।এই বাহানায় তোমার হাতের স্পর্শ তো পাওয়া যাবে।

–পিচ্চি পোলা।
–ওই রাগ হচ্ছে কিন্তু এবার বলছি না পিচ্চি বলবা না।
–পিচ্চিরে পিচ্চি বলব নাতো কি বলবো হুম।
–ওই ৪ ইঞ্চি।
–ওই ৩ ক্লাস।
–পাগলি
–পাগলা
–গাধি
–গাধা, কুত্তা
–বোকা মাইয়া।
–আচ্ছা বাই।
–কেন(অভিমানি সুরে)
–পড়তে বসবো।
–ওকে বাই।
–হুম বাই।

এভাবেই চলতেছিলো আমার আর তাফসির মধ্য। দেখতে দেখতে এভাবে ১ বছর পার হয়ে গেলো।এখন আমি ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষে। এই এক বছরে না হলেও হাজার বারেরও বেশী আই লাভ ইউ বলছি তাফসিকে। কিন্তু প্রতিবারই না করে দিছে।তবে আমিও হাল ছাড়ি নাই আমি লেগে আমি ওর পিছনে আঠার মতো। এভাবেই চলতে থাকলো। বিকেলে গেলাম আড্ডা দিতে বন্ধুদের সাথে অবশ্য আমার মাএ দুইটাই বেস্ট ফ্রেন্ড রিদয় আর রানা।তো গেলাম ওদের কাছে।

–কিরে দোস্ত কি খবর(রানা)
–ভালো নারে(আমি)
–কেন কি হইলো আবার তোর(রিদয়)
–আর বলিস না এক বছর থেকে তাফসির পিছনে ঘুরতেছি।মেয়েটা পাত্তাই দেয় না(আমি)
–আরে মামামা চালাই যা হবে হবে(রানা)
–দেখি কি হয়(আমি)

তারপর সন্ধ্যা পর্যন্ত আড্ডা দিয়ে বাসায় আসলাম।রাতে আর কথা বলি নাই তাফসির সাথে।ভাবলাম কালকে ওর ভার্সিটিতে যাব দেখা করতে। সকালবেলা আম্মুর ডাকে ঘুম ভাঙ্গলো। নাস্তা করে ফ্রেস হলাম।১১টার দিক গেলাম ওর ভার্সিটিতে তো ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখলাম তাফসি একটা ছেলের সাথে খুব হেসে কথা বলতেছে আর একদম গায়ে পড়ার মতো অবস্থা।এসব দেখে আমার শরীরটা একদম জ্বলে গেলো।কাছে গিয়ে ওর হাত ধরে এক পাশে নিয়ে গিয়ে বললাম।

–ওই ছেলেটা কে।আর এতো হেসে হেসে কথা বলার কি আছে। একদম গায়ে পড়ার মতো অবস্থা (আমি)
–কেন কি হইছে তোর(তাফসি)
–তোমাকে না বলছি আমি ছাড়া অন্য ছেলেদের সাথে কথা বলবা না।
–আমার ইচ্ছা আমি কি করব না করব সেটা তোর কাছ থেকে শুনতে হবে নাকি।
–হ্যা শুনতে হবে।কারন,আমি তোমাকে ভালোবাসি।
–ঠাসসসসসসস। ঠাসসসসসস।বেহায়ার মতো বারবার আসিস কেন।কতবার বললো আমি তোকে ভালোবাসি না বেহায়া কোথাকার।
–(নিশ্চুপ)মাথা নিচু করে আছি আর চোখ দিয়ে অশ্রু ঝড়তেছে।
–আর কোনদিন আমার সামনে আসবি না বেহায়া ছেলে।

বলেই চলে গেলো তাফসি।আমার চোখদিয়ে শুধু অশ্রুই ঝড়তেছিলো।কাঁদতে কাঁদতে বাসায় চলে আসলাম।এসেই সোজা নিজের রুমে।অনেক কাঁদলাম সেদিন।কিন্তু পরে ভাবলাম না আমি কার জন্য কাঁদতেছি যে কিনা আমাকে ভালোইবাসে না। আমাকে চেন্জ হতেতে হবে।আর যাব না তাফসির সামনে।ওর নাম্বার, ফেসবুক আইডি সব কিছুতেই ব্লোক দিলাম। অইদিকে তাফসি ভাবতেছে ছেলেটাকে এভাবে কথা না শুনালে বা না মারতেও পারতাম।পরেক্ষনে আবার ভাবছে যা করছি বেশ করছি। এখন আমি অনেকটাই বদলে গেছি সব আগের মতোই তবে তাফসি নেই মানে আর ভাবিনা ওকে নিয়ে।মাঝে মধ্যে যখন তাফসির কথা মনে পড়ে তখন চোখদিয়ে নিমিশেই জল চলে আসে। অনেক ভালোবাসতাম তাকে এমনটা না করলেও পারত আমার সাথে।কেটে গেছে ১৫ দিন এই কয়েক দিনে একবারও তাফসির সামনে তো দূরেরর কথা ওদের বাসার মুখটাও দেখি নাই।তাফসি আর আমাদের বাসা একসাথেই আমাদের বাসায় এসে মেয়েটা আমার আম্মুর সাথে অনেক গল্প করতো।তবে ওই ঘটনার পর আর আসে নাই।

আজ সকালে একটু বাইরে বের হলাম সকালের তাজা বাতাস গায়ে লাগাতে।রাস্তাদিয়ে হাঁটতেছি কে যেন একজন ডাকদিলো মেয়ের কন্ঠ। একটু পরেই বুঝলাম এটাতো তাফসির কন্ঠ দেখলাম মেয়েটা আমার দিকেই আসতেছে।বলতেছে ওই জাহিদ দাঁড়াতো একটু।আমি না দাঁড়িয়ে চলে আসলাম।এভাবে কেটে গেলো আরও বেশ কয়েকদিন।এখন তাফসি দেখা পেলেই কথা বলতে চায় আমার সাথে। কিন্তু আমি যত পারি দূরে থাকার চেস্টা করি।যেখানে ও থাকে ওইখানে আমি থাকি না।এরই মধ্যে বেশ কয়েকবার আমাদের বাসায়ও আসছিলো ওকে দেখেই পিছনের দরজা দিয়ে বাসা থেকে বের যেতাম।যতক্ষন আমাদের বাসায় থাকতো আমি বাসার বাইরে থাকতাম। এভাবে আরও কিছুদিন গেলো এরমধ্য মা একদিন বললো…

–কিরে তোর কি তাফসির সাথে কি হয়েছে।
–কই নাতো।(মিথ্যা বললাম)
–কিছু না হলে ওকে আমাদের বাসায় দেখলেই বাসা থেকে বের হয়ে যাস।শুনলাম এখন নাকি কোথাও বলিস না ওর সাথে।
–হুম কথা বলি না।
–খুব তো বউ বউ করে চিল্লাতি এখন কি হলো।
–ওসব আবেগ আম্মু এখন আবেগ কেটে গেছে।

আসি আমি বলেই বাইরে চলে আসলাম। চলে গেলো ২মাস। এই ২মাসে একবারও ওর সাথে কথা বলি নাই। তাফসি অনেক চেস্টাকরে কথা বলার কিন্তু আমি বলিনা। এখন তো প্রায়ই আসে আমাদের বাসায়।তবে যত পারি এড়িয়ে চলি।তো একদিন কলেজ যাচ্ছিলাম হেঁটেহেঁটে।পথেই এক বান্ধবীর দেখা।

–কিরে কই যাস(বান্ধবী)
–এইতো কলেজে যাই।তুই
–আমিও কলেজ যাচ্ছি।হেটে যাচ্ছিস কেন আয় রিকশায় আয়
–আরে না এইতো এসেই গেছি।
–তুই আসবি নাকি আমি নেমে আসবো।
–(ইচ্ছা না থাকা সত্তেও রিকশায় উঠতে হলো)
–রিকশাতে যাচ্ছিলাম দেখলাম অন্য একটা রিকশাতে একটা মেয়ে বসে আছে আর আমার দিকে রাগি মুড নিয়ে তাকিয়ে আছে।

পরেই বুঝলাম আরে এটাতো তাফসি। কিন্তু রাগ করার কিছুই বুঝলাম না। কলেজ করে বাসায় এসে ফ্রেস হয়ে রুমে শুয়ে শুয়ে কানে হ্যাডফোন দিয়ে গান শুনতেছি। দেখলাম তাফসি আমার রুমে এসে সোজা আমার কাছে এসে কান থেকে হ্যাডফোনটা খুলে নিলো।রাগটা একদম মাথায় চড়ে গেলো।

–কি হইছে কি হ্যাডফোনটা খুলে নিলেন কেন (একটু জরে ও রেগে বললাম)
–তুমি রিকশাতে যে মেয়েটার সাথে ছিলে ওটাকে।(একটু কেঁদে)
–(হঠ্যাৎ তুমি করে বলার কারনটা বুঝলাম না)
–আমি যার ইচ্ছে তার সাথে রিকশাতে ঘুরবো তাতে আপনার কি।
–কে ছিলো মেয়েটা।(অভিমানী সুরে)
–আপনি কে যে আপনাকে বলতে হবে আর হ্যা দয়া করে প্যাচাল না পেরে আমার হ্যাডফোনটা দিয়ে চলে যান।

আমার ভালোলাগে না। হ্যাডফোনটা আমাকে দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলো। হঠ্যাৎ এমন ব্যবহারে কিছুটা অবাকই হলাম আমি।বেশি কিছু ভাবলাম না আর।রাতে খেয়ে ঘুমালাম। সকালে একটা মেয়ের কন্ঠে ঘুম ভাঙ্গলো চোখ মেলে দেখলাম তাফসি।রাগটা আরও বেড়ে গেলো এমনিতেই এতো সকালে ডাকদিয়ে ঘুমের বারোটা বাজালো তারপর আবার এই মেয়েটা। তাই বললাম

–কি হইছে এতো সকালে চিল্লান কেন।
–আসলে ঘুম থেকে উঠো।অনেক বেলা হয়েছে।
–কয়টা বাজে।
–নয়টা বাজে তো।
–কি এত্তো বেলা হয়েছে।
–হুম।তোমার সাথে আমার কিছু কথা ছিলো
–কি বলবেন বলেন।
–আসলে আমি সরি।ওইদিনের ব্যবহারের জন্য। আমার ওভাবে বলা ঠিক হয়নি।তুমি আমাকে মাফ করে দাও প্লিজ।(একদমে সব বলে ফেললো)
–যেটা করছেন ঠিক করছেন।আসলে আমি বেহায়া ছেলেতো তাই।
–প্লিজ তুমি ওভাবে বলো না।
–যেটা সত্তি সেটাই বলছি।
–আমি তোমাকে ভালোবাসি।
—ঠাসসসসসস ঠাসসস ঠাসসস। (পরপর তিনটা থাপ্পর দিলাম রাগটা আর কন্ট্রোল করতে পারি নাই।)
–আমি বেহায়া ছেলে আমাকে কেন ভালোবাসবেন।
–জানিনা।তবে যেদিন থেকে তুমি আমার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিছো।

সেদিন থেকে বুঝতে পারছি তুমি আমার কতটা জুড়ে ছিলে।তোমাকে প্রতিটা মূহুর্ত মিস করেছি।তোমাকে একবার দেখার জন্য কত কিছু করেছি।তোমার সাথে কথা বলার কতো চেস্টা করেছি কিন্তু তুমি আমাকে দেখলেই এড়িয়ে যেতে।আর যেদিন তোমাকে ওই মেয়েটার সাথে দেখলাম ওই আমার খুব কষ্ট হয়েছিলো(এসব বলেই মেয়েটা কাঁদতে লাগলো)

–হাহাহাহা।নিজের একটা বিএফ থাকতে আবার অন্যজনকে ভালোবাসার কথা বলেন লজ্জা করে না আপনার।বের হয়ে যান আমার রুম থেকে।আর কোনদিন আমার সামনে আসবেন না।

–মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলো। একটুপর ভাবলাম আজ অনেকদিন পর আমার নিজের অপমানের বদলা নিলাম।কিন্তু কিছুক্ষন পরেই আবার ভাবলাম না মেয়েটাকে এভাবে না বললেও পারতাম। শুধু শুধু মেয়েটার গায়ে হাত তুললাম। না এমন কাজ করা ঠিক হয়নি।পরে দেখা হলে ক্ষমা চেয়ে নেবো। সারাদিন আর মেয়েটার দেখা পেলাম না। মন খারাপ ছিলো তাই রাতে একটু ছাদে গেলাম। কিছুক্ষন পরেই বুঝতে পারলাম কে যেন একজন ছাদে এলো।দেখলাম তাফসি কিছু বললাম না।মেয়েটা আমার কাছে এসে বললো।

–ওইদিন যে ছেলেটাকে তুমি দেখছিলে ওটা আমার ভাই ছিলো।
–কিন্তু আগে তো দেখিনি।
–ভাইয়া বাইরে থাকে।আর তোমার ওইদিন ওভাবে আমাকে হাত ধরে নিয়ে যাওয়াতে ভাইয়া অনেক কিছু ভাবছিলো আমাকে বকাও দিছিলো।

–ওহহ।
–আমি সত্তি তোমাকে ভালোবাসি।
–কিন্তু আমি বাসিনা।
–কেন।আগে তো খুব বউ বউ করতা এখন
–তখন ভালোবাসতাম।কিন্তু আমি বেহায়া ছেলে আমার ভালোবাসা বলে কিছু নেই।
–আমি ওটার জন্য সরি বলছি তো।
–সরি বললেই সব ঠিক হয়ে যায় না।
–তাহলে আমাকে কি করতে হবেবে বলো।
–প্রমান করতে হবে যে তুমি আমাকে সত্তি ভালোবাসো।
–কি করতে হবে বলো।
–দাড়াও। একটা ব্লেড ওর হাতে দিয়ে বললাম। শুনেছি ভালোবেসে নাকি অনেকেই হাত কাটে তো তুমিও করে দেখাও।
–ওকে।

ব্লেডটা আমার হাত থেকে নিয়ে।সত্তি সত্তি মেয়েটা হাত কেটে দিয়েছে। হাতদিয়ে টপ টপ করে তাজা রক্ত পড়তেছে।আমার পরনের শার্টটা খুলে ওর হাতটা বেঁধে দিয়ে বললাম।

–পাগল নাকি কেউ এসব করে।
–তুমি তো বললা করতে।
–আমি বলছি বলেই করতে হবে বুঝি।
–হ্যা করতে হবে।
–এতটা ভালোবাসো।
–হুম। পাগলিটাকে একদম আমার বুকে টেনে নিয়ে বললাম
–ভালোবাসি এই পাগলি সিনিয়র বউটাকে।
–আমিও ভালোবাসি আমার পিচ্চি বরটাকে।

গল্পের বিষয়:
ভালবাসা
DMCA.com Protection Status
loading...

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত