ভালোবাসার কবি

ভালোবাসার কবি

আজ পারতেই হবি।।কথাটা শুনেই মনের মধ্যে একটা আলাদা জ্বোর পেলাম।কথাটা আমার বন্ধু বলেছে।।আমি আবার তাকে বললাম একটু ভেবে দেখ দোস্ত।সিনিয়র মেয়েকে কথাটা বলা ঠিক হবেতো???কেন ঠিক হবেনা?প্রেমের কাছে সব সমান।তুই যা।সব ব্যবস্থা করা আছে।আর এটাই মক্ষম সময়।তোর হাতে আর মাত্র আধা ঘন্টা টাইম আছে।আমিও বুকে ফু দিয়ে কাজে লেগে গেলাম।

দেয়ালটা টপকিয়ে বিল্ডিং এর দ্বিতীয় তলাতে চলে গেলাম চুপিচুপি।যাওয়ার সময় ২য় তালাতে ওঠার গেটে তালা মেরে দিলাম।এসব কর আমি একেবারে কোনের রুমে চলে গলাম যখানে রয়েছে প্রত্যেক ঘরের স্পিকারের সমযোগ।আমি মাউথ পিচে লায়লা মে লায়লা গানটা চালিয়ে দিলাম।

গানটা বাজার সাথে সাথে পুরো বিল্ডিং এ হইচই পড়ে গেল।অনেকে ততোখনে নাচানাচি শুরু করে দিয়েছে।ণাচের তালে তালে স্যার মেডামরাও তাদের বেত চালাতে শুরু করেছে।তাাও কাওকে থামাতে পারছেনা।পুরো বিল্ডিং ততোখনে পুরো গরম হয়েগেছে।মেডামরা পিটিয়ে কাওকে থামাতে পারছেনা।মহিলা কলেজের ছাত্রীগুলো ততখনে গানের তালে ফুল মজে গেছে।।

স্যর মেডামরা পিটাতে ব্যাস্ত।হঠাৎ গান থেমে গেল।তখন সবাই আরো হইচই বাধিয়ে দিল।হঠাৎ স্পিকারে শোনা গেল এটেনশন প্লিজ।কথা আমিই বলেছি।তখন ছাত্রী গুলো সবার কান স্পিকারের দিকে।আর স্যার মেডামরা ছুটছে দোতালাতে।মাইক থেকে তখন শোনা গেল।হ্যালো নিশি।তুমি যেভাবেই থাকোনা কেন।আমার কথাটা একটু মন দিয়ে শোন।হ্যা নিশি আমি তোমাকে ভালোবাসি।

তখন সবাই খুজছ যে কোন নিশিকে বলা হচ্ছে।আমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারের নিশি চৌধুরীর কথা বলছি।সবাই নিশির দিকে কু চোখে দেখসে।আসলে এমন প্রমিক কয়জনে পায়।তবে নিশি আমি তোমার থেকে ২ বছরের জুনিয়র।পাসের হাই স্কুলে পড়ি।ততখনে সবাই হা হয়ে গেছে।আর নিশিতো পুরাই হতোবাগ।কি হচ্ছে তার সাথে???..

নিশি তুমি ভয় পেওনা।আমি এই বয়সের ভেদাভেদ মানিনা।আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।তোমার জন্য আমি সব করতে পারি।দেখছনা আজ এত রিক্স নিয়ে এই কাজ করছি।।ততখনে সবাই আব্র হইহুল্লড় শুরু কর দিয়েছে।সবাই হয়তো ভাবছে এমন প্রেমিক যদি আমিও পোম??

স্যার মডামরা এসে দেখলেন গেটে তালা।তখন পিয়নকে হাতুড়ি আনতে বলল।আমি আবার বললাম আমার হাতে মময় কম।এতো খনে তালা ভাঙা হয়েগেছে।আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।তাই এই নতুন স্টাইলে প্রপোজ করলাম।আমার নাম সাগর ইসলাম রাজ তুমি আমাকে সাগর বলেই ডাকতে পারো।ততখনে পুরো মহিলা কলেজ আনন্দে নাচ গানে ভরে গেছে।

স্যাররা তখন তালা ভেঙে দোড় শুরু করেছে।আমি চলে যাচ্ছি নিশি।স্যাররা ততখনে রুমে ঢুকে গেছে।ঢুকে দেখে কেউ নেই।আমি ততখনে বিল্ডিং এর ছাদে গিয়ে দড়ির সাহায্যে নিচে নেমে গেছি।সব স্যার মেডামরা ওপর তালাতে যাওয়ার জন্য এখন আমাকে ধরার মতো কেউ নেই।আমি মাঠের মিডিলে এসে দাড়ালাম।তখন সবাই আমাকে ফ্লাইং কিস দিতে ব্যাস্ত।আমি মনেমনে বলছি এত কিস দিসনা উড়ে যাবতো???

সবাই কিস দিতে ব্যাস্ত আর আমি খুজছি একজনকে।এইতো রুম থেকে বেরিয়েছে।হ্যা ইটাই নিশি।হ্যা নিশিও আমাকে ফ্লাইং কিস দিল।আবিলে লাগিলাম আমি পাইলাম অবশেষে তাহাকে পাইলাম।ততখনে আমি গেটের কাছে চলে এসেছি।তখন আমার বন্ধুর কথা শুনতে পেলাম।দোস্ত পালা সময় শেষ। ধরা পড়লে জানে বাচা লাগবেনা।আমিও নিশিকে কিস দলাম।কিন্তু কিসটা সব মেয়ে গুলো ধরে নিল।ততখনে হট্টগোলে মহিলা কলেজ ফেটে পড়ছে।সবাই আমাকে চেচিয়ে বিদাই জানাচ্ছে।আমিও তাদর বিদায় দিয়ে চলে এলাম।।

গল্পের বিষয়:
ভালবাসা

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত