সেই ভালবাসা

সেই ভালবাসা

—-হ্যালো রাজ সাহেব?
—-জ্বী আছস্লামু-আলাইকুম ম্যাডাম
—-ওয়ালাইকুম আছস্লাম। অফিসে
আসবেন না?

—-না মানে ম্যাডাম, ঘুম থেকে উঠতে
দেরি হয়েছে তো, তাই ভাবলাম আজ
আর যাবো না!
—-এ আর নতুন কি? আপনার তো
প্রতিদিনই লেট হয়……
—-আসলে ম্যাডাম শরীরটাও একটু
খারাপ, তাই আরকি
—-দেখুন, আপনি খুব ভালো করেই
জানেন, আমি অজুহাত পছন্দ করি না।
জ্বলদি অফিসে আসুন। সত্যিই শরির
খারাপ থাকলে লাঞ্চে ছুটি
নিবেন

—-ওকে ম্যাডাম
—-আর ও হ্যা, এসেই আমার সাথে
দেখা করবেন
—-ওকে ম্যাডাম…
বলেই রাজ জ্বলদি করে ফোনটা কেটে
দিল। তারপরে অফিসে যাওয়ার জন্য
প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ও ভেবেছিল আজ আর
অফিসে যাবে না। প্রতিদিনই
ম্যাডামের কাছে কথা শুনতে ভাল
লাগে না।

বিভিন্ন কারণে প্রায়
প্রতিদিনই অফিসে যেতে দেরী হয়
রাজের। আর কাজের মধ্যো বিভিন্ন ভুল
তো আছেই। তাই ম্যাডামের কাছে
রোজই কথা শোনা অভ্যাসে পরিণিত
হয়ে গেছে। আর ভাললাগে না
রাজের। কাজটা ছেড়ে দিলেই সে
বেচে যায়। কিন্তু নিজের পড়াশোনা,
থাকা-খাওয়া আর বাড়িতে মায়ের
জন্য কিছু টাকা পাঠানোর জন্য এর
থেকে ভালো কাজ পাওয়া কষ্টকর।
কাজে সুবিধা এবং ভালো বেতন! তাই
ছাড়লেও সহযেই কাজটা সে ছাড়তে
পারছে না।

রাজ গরিব বাবা-মায়ের একমাত্র
সন্তান। ছোটবেলা থেকেই
পড়াশোনার প্রতি দারুণ ঝোক ছিল
রাজের। ছাত্র হিসেবে সে সবসময়ই
প্রথম সারির ছাত্র। ব্রিলিয়ান্ট। গত ৫
বছর আগে রাজের বাবা মারা গেলেও
সে হাল ছাড়ে নি। সংসার এবং
সাথে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে
এসেছে সে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন
কাজ করেছে, কখনো রিকশা চালিয়ে,
কখনো দিনমজুরী করে, কখনোবা
টিউশনি করিয়ে তবুও সে দারিদ্রতার
কাছে হার মানেনি। ইন্টারমেডিয়েট
শেষ করেই সে শহরে চলে আসে। একটা
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্সও
পেয়ে যায়। সেখানেই এখন সে অনার্স
৩য় বর্ষের ছাত্র।

ও যেখানে কাজ করে? সেখানে ওর বস
একজন মেয়ে। নাম অনন্যা। ওরই সমবয়সী।
নিজস্ব কোম্পানি তাদের। বাবার
একমাত্র মেয়ে সে। বাবার অসুস্থতার
জন্য অনন্যাই সবকিছু দেখাশোনা করে।
সুন্দরি, ব্রিলিয়ান্ট সাথে দারুণ
দক্ষতা। অফিস যেন এখন আগের থেকেও
ভাল চলে।

রাজ অফিসে এসেছে অনেকক্ষণ হল।
কিন্তু এখনো সে তার ম্যাডামের
সাথে দেখা করেনি। তার কথাটা
মনে নেই,এমন কিছুনা। বরংচ সে ইচ্ছে
করেই দেখা করছে না। রাজ জানে,
দেখা করলেই আবার কত কথা শুনিয়ে
দিতে ব্যস্ত হবে অনন্যা। কথা শুনতে
রাজের আর ভাল লাগে না। অবশ্য এর
মধ্যো ওর দুবার ডাক পড়েছে যায়নি
সে। এবার না গিয়ে পারল না।
—-আসতে পারি ম্যাডাম?
—-হুম, আসুন……
—-বসুন।
—-ধন্যবাদ…
—-সত্যিই কি শরীর খারাপ?
—-না মানে?

—-আমার দিকে তাকিয়ে কথা বলুন,
আমাকে এত ভয় পাওয়ার কিছু নেই……
—-আসলে রাত থেকেই শরীরটা একটু
খারাপ। অবশ্য ঔষধ খেয়েছি। আশা
করছি জ্বলদি সেরে যাবে……
—-লাঞ্চে চলে যেয়েন। আর ও হ্যা,
যে কাজগুলো দিয়েছিলাম? ওগুলো
সম্ভবত হয়নি! ফাইলগুলো আমার কাছে
পাঠিয়ে দিয়েন। আমিই করে নেব……
—-না ঠিক আছে, আমি পারব……
—-যা বলছি তাই করেন……
ম্যাডামের রুম থেকে বের হয়ে যেন
হাফ ছেড়ে বাচল রাজ। অবশ্য আজ কেন
যে কোন কথা শোনালো না? সে কথা
সে বুঝতে পারছে না।

এরপরে প্রায় ১২ দিন পরের ঘটনা।
সেদিনের পরে আর অফিসে যায় নি
রাজ। অন্য কয়েকটা অফিসে কাজের
জন্য সিভি জমা দিয়েছিল।
ইন্টারভিউয়ের পর ২ যায়গা থেকে
কাজের অফার পেয়েছে সে। সেখান
থেকে সুবিধামত একটা বেছে
নিয়েছে। অবশ্য এখনো জয়েন করেনি।
সেদিন বিকেলের সময়ের ঘটনা
—-হ্যালো রাজ?
—-জ্বি ম্যাডাম?
—-কেমন আছ?
—-জ্বী ভাল, আপনি?
—-হাহ্! আর আমি! বাদ দাও, সেদিনের
পরে আর অফিসে আসলে না কেন? কোন
সমস্যা?
—-না মানে

—-অসুখ ভাল হয়েছে তো? এতদিন ফোন
বন্ধ ছিল কেন? আর বাসাও দেখি
চেঞ্জ করে ফেলেছ।
—-আসলে হয়েছে কি
—-এক কাজ কর, আমাদের অফিেসর
পাশে যে লেকটা আছে? সেখানে
চলে এসো, আমি অপেক্ষা করছি
বলেই ফোনটা কেটে দিল। ম্যাডামের
আচরণের কিছুই বুঝতে পারল না রাজ।
কণ্ঠে কত মায়া! তারপরে তুমি করে
সম্নোন্ধন। ভাবতে ভাবতেই বেরিয়ে
পড়ল সে।

আসলে সেদিনের পরে, রাজ তার
অনেকদিনের মনের ভিতর পুষে রাখা
চাকরি ছেড়ে দেয়ার সপ্ন নতুন করে
দেখে। যেখানে যেখানে সিভি
জমা দিয়েছিল, তার কয়েক জায়গা
থেকে ফোন করে ইন্টারভিউ এর জন্য
ডাকা হয়। তারপরে কাজ হওয়ার পরে
সে বাসা চেঞ্জ করে ফেলে।
মোবাইলটা অবশ্য কিছুদিন নষ্ট ছিল।।

রাজ অনন্যার সামনে দাড়িয়ে। এখন
শেষ বিকেলের সময়। সূর্যটা লাল বর্ণ
ধারণ করে ডুবু ডুবু প্রায়। অনন্যার সামনে
দাড়ালেই কেন যেন মাথা নিচু করে
রাখে রাজ। কখনোই অনন্যার চোখ-
মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে
পারে না সে। অনন্যার দিকে
তাকালেই মনে হয়, তার চোখ যেন
রাজের সাথে কথা বলছে! ভিন্নধর্মী
কথা। সে কথা রাজ কখনোই শুনতে চাই
না। কারণ সবসময়েরর জন্যেই সেটা হবে
দুঃস্বপ্ন।

কিন্তু আজ যদি একবারের
জন্যেও সে অনন্যার চোখ-মুখের দিকে
তাকাতো? তাহলে সম্ভবত সে আৎকে
উঠত। এ কদিনেই কত পরিবর্তন হয়েছে
তার! চোখের নিচে কালি জমেছে!
যেন কতরাত ঘুমায় না। মুখটা শুকিয়ে
গেছে। এ কদিনেই যেন আগের
সৌন্দর্যরূপ অনেকখানি চলে গেছে
—-কেমন আছ রাজ?
—-ভাল, আপনি কেমন আছেন ম্যাডাম?
—-দেখ, এটা আমার অফিস না। আর
আমিও তোমার ম্যাডাম না। আমাকে
অনন্যা বলে ডাকলেই খুশি হব

—-জ্বী ম্যাডাম
—-আবার?
—-আসলে, আমার মুখ দিয়ে হবে না!
—-হবে হবে, ওই ব্রেঞ্চিটাতে বসি
—-এতদিন অফিসে আসলে না কেন?
একবার ফোন করেও তো বলতে পারতে?
—-আসলে………
—-আচ্ছা বাদ দাও। আমি তোমাকে
কিছু কথা বলতে চাই……
—-জ্বী বলুন……

—-আমি সম্ভবত তোমার ছোটই হব! তাই
বলুন না বলে বল বললে খুশি হতাম।
আসলে যেটা বলতে চাইছিলাম, এটা
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরাই আগে
বলে। মেয়েদের বুক ফাটে তো মুখ
ফাটে না। তবে আমি অনেকভাবে
তোমাকে বুঝাতে চেয়েছি, কিন্তু
তুমি তো কখনো আমার দিকে তাকাওই
না। তাই বাধ্য হয়ে আমাকেই বলতে
হচ্ছে…

প্রথম যেদিন তোমাকে ভার্সিটিতে
দেখি, সেদিনই কেন জানিনা
তোমাকে ভালো লাগে। তারপর
থেকে সেটা বেরেই চলেছে। বুঝিই
নি কখন ভালবাসায় পরিণিত হয়েছে।
তোমার সিভি অফিসে জমা দেয়ার
পরে বাবাকে বলে আমিই আসলে
কাজটা পাওয়া সহজ করে দেই। এরপরে
বাবার অসুস্থতাই আরো কাছে আসি!
জানো, আমি যখন তোমাকে কথা শুনাই,
তুমি তো তখন নিচের দিকে তাকিয়ে
থাক। আমি ইচ্ছা করেই বেশি করে বকা
দেই। আর মনে মনে হাসি। আসলে আমি
তোমাকে অনেক ভালবাসি রাজ

—-সরি ম্যাডাম, আসলে আমার পক্ষে
আপনাকে ভালবাসা সম্ভব না।
—-কেন, আমি কি তোমার যোগ্য নই?
আমাকে কি তোমার পছন্দ হয়না? কোন
সমস্যা আমার ভিতরে?
—-আসলে তেমন কিছুই না। আমিই
আপনার যোগ্য না। আর তাছাড়া আমি
যে ধরনের মেয়েকে ভালবাসব, বিয়ে
করব? তার সাথে কোনরূপ মিলই আপনার
নেই।

আমাকে ক্ষমা করবেন, এই নিন আমার
রিজাইন পেপার……
কোনমতে হাতে ধরিয়ে দিয়েই রাজ
জ্বলদি পিছন ফিরে দ্রুত পায়ে হাটে।
মেয়েটা হইত বসা থেকে দাড়িয়েছে।
চোখ বেয়ে পানি পড়ছে, তার
বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছে। রাজ
পিছন ফেরেনা। সামনে এগিয়ে
যায়……

এরপরে কেটে গেছে দীর্ঘ ১ বছর। ১ বছর
হইত খুব বেশদিন না, কিন্তু যারা
জেলের ভিতর কয়েদি হিসেবে দিন
কাটায়, তাদের কাছে হইত পুরো ১ টা
জীবনও মনে হতে পারে। বিশেষ করে
যারা রাজের মত মানুষ। এতদিনে সে
বাড়িতে তার মায়ের কোন খোজ
নিতে পারেনি, আবার রাজের খোজ
কেউ নেয়নি। নিবেই বা কিভাবে
কেউ তো জানেই না ট্রাজেডি!!

সেদিনের কাহীনি। যেদিন রাজ
অনন্যার হাতে রিজাইন পেপার দিয়ে
ফিরছিল। রাজেরও কেমন যেন খারাপ
লাগছিল। সে জানেনা এই খারাপ
লাগাটাই হইত ভালবাসা। যাই হোক,
রাজের বাসায় ফিরতে অনেক রাত
হয়েছিল সেদিন। প্রায় ১১ টার দিকে
যখন সে বাসায় ফিরছিল? ঘটনাটা ঠিক
তখনই ঘটে! ওর ফোনটা কিভাবে যেন
চুরি হয়ে গিয়েছিল বাসের ভিতর,
সাথে মানিব্যাগও। পথের মাঝে হঠাৎ
একটা পুলিশের পিকআপ ভ্যান ওকে
আটকায়। তারপরে ছাত্র রাজনীতির
কাউকে মেরে জখম করার দায়ে ওকে
গ্রেপ্তার করা হয়। রাজ নাকি ছাত্র
রাজনীতি দলের সদস্য।

পুলিশ ভয়
দেখায়, সে যদি রাজি না হয়? তাহলে
এর থেকেও বড় কেসে ফাসিয়ে
দেবে!! রাজ ক্ষণিকের জন্য বোবা হয়ে
যায়। বাকশক্তি হারিয়ে ফেলে।
প্রতিবাদের ভাষা খুজে পাইনা।
আজ জেল থেকে বের হয়েই সে
গ্রামের পথে রওনা হয়েছে। অনেকদিন
হল মা’কে দেখা হয় না। মায়ের সাথে
কথা বলা হয় না। মায়ের কথা মনে
পড়তেই কেমন বুকের ভিতর মোচর দিয়ে
উঠে। চোখ বেয়ে পানি পড়তে থাকে।

গ্রামে এসে রাজ শুনল তার বউ নাকি
তার মাকে নিয়ে শহরে নিয়ে গেছে!
অনেকের থেকে সব বিবরণ শুনে রাজ
বুঝতে পারল, এটা অনন্যার কাজ! ওহ্,
অনন্যা! যার কথা মনেই ছিল না
রাজের। আর সেই মেয়েই কিনা!
রাজ সেই অবস্থায়ই আবার শহরে রওনা
হয়
যথারীতি অনন্যাদের বাসায় যায়।
মাকে দেখেই জড়িয়ে ধরে হাও-মাও
করে কাদতে থাকে। মা আমাকে ক্ষমা
করে দাওকিন্তু রাজের মা হাসে!
বলে

—-ধুর পাগল, বিয়ে করেছিস আমাকে
জানালি না! আবার বিদেশ গেলি
তবুও জানালি না, বিদেশে গিয়েও
কি এই অভাগা মায়ের কথা মনে পড়ে
নি?
—-আসলে মা (রাজ মনে মনে সব বুঝে
নিল!)

—-হয়েছে, আর বলতে হবে না। আমি
কিছু মনে রাখেনি। মায়ের মন তো,
তাছাড়া তোর বউয়ের চাদ মুখ দেখে সব
ভুলে গেছি। তোর বউটা খুব লক্ষী রে।
এমন একটা মেয়েকেই তোর বউ হিসেবে
চাইছিলাম

—-মা, আসুন। আপনার ঔষধ খাওয়ার সময়
হয়েছে। তারপরে ঘুমাবেন। সকালে
উঠে ছেলের সাথে গল্প করবেন……
রাজের মা চলে গেল। অনন্যা রাজের
দিকে তাকালো না। কথাও বলল না,
সেটা রাগে, নাকি অভিমানে?
সঠিক বোঝা গেল না। তবে রাজ
আজকে প্রথম।অনন্যার চোখ-মুখের দিকে
পুরো শরিরের দিকে ভালো করে
তাকালো। অনেক পরিবর্তন হয়েছে
মেয়েটার। আগের সেই ম্যাডাম
ম্যাডাম ভাবটা আর নেই। একটু শুকিয়ে
গেছে, তবে আরে বেশি সুন্দরী হয়ে
উঠেছে।

রাতে বাসার ছাদে দাড়িয়ে ছিল
রাজ। আকাশের তারাদের দিকে
তাকিয়ে ছিল। যেন সে তারাদের
কিছু বলতে চাই! আসলেই জীবন নাটকের
চেয়েও নাটকীয়! কি অদ্ভুত ভাবেই না
সবকিছু ঘটে গেল……
কখন অনন্যা রাজের পাশে দাড়িয়েছে
রাজ জানেনা। হঠাৎ অনন্যা কেসে
উঠে বলল

—-আসলে সবকিছুর জন্য আমি সরি।
সেদিনের পরে তো তুমি নিখোজ হয়ে
গেলে। ফোনে পেলাম না, বাসায়
পেলাম না, তোমার বন্ধু-বান্ধবও কোন
খোজ দিতে পারল না। আসলে কেমন
মেয়ে তোমার পছন্দ, কেমন মেয়েকে
তুমি ভালবাসবে, বিয়ে করবে? এটা
জানার খুব ইচ্ছা ছিল, চেষ্টা করে
দেখতাম, আমি তেমন হতে পারি
কিনা।

আমার দুর্ভাগ্য। তার ৩ মাস পরে
বাবা মারা যায়, মা তো আগেই
গেছে। খুব একা ছিলাম। তোমাকে খুব
খুজছিলাম। কোথাও পাইনি। অবশেষে
তোমার গ্রামের বাড়িতে যায়।
দেখি তোমার মা অসুস্থ! তাকে আমি
মিথ্যা পরিচয়ে এখানে নিয়ে আসি।

বিশ্বাষ ছিল, তুমিও একসময় এখানে
আসবে।সত্যিই আমি তোমাকে অনেক
ভালবেসেছি, এবং এখনও বাসি।
তোমার মায়ের কাছ থেকে সব শুনে,
আমি তোমার মনের মত হওয়ার চেষ্টা
করেছি, জানিনা কতটা পেরেছি!

আরও কিছু বলতে চাইছিল অনন্যা, কিন্তু
রাজ বলতে দিল না। হঠাৎ কেদে ওঠে
জড়িয়ে ধরল অনন্যাকে। আরও বেশি শক্ত
করে জড়িয়ে ধরল অনন্যা। কিছু কিছু
ভালবাসা উপেক্ষা করার ক্ষমতা
কাউকে দেইনি বিধাতা। কে জানে?
এটাই হইত সেই ভালবাসা

(সমাপ্ত)

গল্পের বিষয়:
ভালবাসা

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত