বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যা বেলা

বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যা বেলা

অনন্যা অনু
অনু আজ না হয় কলেজে যাস না।আকাশে মেঘ করেছে সকাল সকাল।মনে হয় বৃষ্টি আসবে।
অনু :- আম্মু আজ কলেজে যেতেই হবে একটা ইম্পরট্যান্ট ক্লাস আছে।
তাই অনু কলেজের জন্য রেডি হয়ে বের হল।
মাঝ রাস্তায় যেতে ই বৃষ্টি শুরু হলো।
অনু:-ইস! কি বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল।
উফ,আম্মু এত্তো করে বললো আম্মুর কথায় কান ই দিলাম না।কি হবে এখন?
এই যাএী ছাউনি টাও তো ভালো না।
কিছুক্ষন দাড়িয়ে থাকলেই তো ভিজে জাব হয়ে যাবো।
হঠাৎ অনু একটা ছেলে কে দেখল ওর দিকে আসছে।
অনু:- হুম,বুঝলাম কেনো আসছেন।
ও আল্লাহ্ কারে কি বলি আমি!,
এটা তো রাব্বি ভাইয়া।
রাব্বি:- অনু তুমি, এখানে এই মেঘলা দিনে কেনো?
অনু:- কলেজে যাচ্ছিলাম ভাইয়া।বৃষ্টি তে আটকা পরে গেছি।
রাব্বি:- এই মেঘলা দিনে কেউ কলেজে যায় বলো! আর তুমি তো ভিজে অবস্থা খারাপ করে ফেলেছো।তুমি তো জানো পাশেই আমার বাসা।চলো আমার সাথে।এভাবে ভেজা শরীরে বেশিক্ষণ থাকলে অসুস্থ হয়ে যাবে তো?
রাব্বি কথা বলছে,আর অনু মাথা নিচু করে ওনার কথাগুলি শুনছে।আর ধীরে ধীরে মাথা নেড়ে সায় দিচ্ছে।অনেক লজ্জা ও লাগছে।আর এতোটাই ভিজেছে যে কপাল নাক চোখ বেয়ে ছল ছল করে বৃষ্টি ঝরছে।অনুর মুখের এক্সপ্রেসন দেখে
মনে হচ্ছে নীরবে কান্না করছে।
আসলে অনু মেয়েটা এমনই।যদিও অনু রাব্বি এর চোখে অনেক ভদ্র শান্তশিষ্ট একটা মেয়ে।
খুব কম কথা বলে।পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর আর মায়াবী মেয়ে।
আসলে অনু কে রাব্বি সেই ছোট থেকে চেনে।
রাব্বি হল অনুর বাবার বন্ধুর ছেলে।
বাবা মা মারা গেছে একটা কার এক্সিডেন্টে।
তখন রাব্বি অনার্স ২য় বর্ষে পড়ে।
বাবা মা চলে যাওয়াতে নিজের খরচ টা নিজেকেই চালাতে হত।
অনুর বাবা তাই অনুকে পড়ানোর দায়িত্ব টা রাব্বিকেই দেয়।অনু তখন ক্লাস টেনে পড়ে।তাছাড়া ছোট থেকেই তো অনুদের বাড়ি আসা যাওয়া ছিল।
এখন অবশ্য আর পড়ায় না কারন রাব্বি এখন একটা ভাল জব করে। আর অনু এখন অনার্স ১ম বর্ষে।
অনু:- ভাইয়া,সবাই কি ভাবে যেনো চেয়ে দেখছে।আমার খুব খারাপ লাগছে।একটা রিক্সা ডাকেন না প্লীজ।
রাব্বি:- এই রিক্সা যাবেন? বি ব্লক ৩ নম্বর গলি।
রিক্সাচালক:- হুম,যামু। ভারা কিন্তু ডাবল।
রাব্বি:-অনু ধীরে ধীরে এসো।দুর রাস্তায় তো অনেক পানি জমে গেছে। ঢাকার শহরে এই এক প্রবলেম বৃষ্টি নামতে না নামতেই বন্যা হয়ে যায়। তুমি পানিতে কি করে নামবে?
রিক্সা ও এতো কাছে আসতে পারবে না। হাটু সমান পানি।আমি তোমাকে তুলে দিচ্ছি রিক্সায়।
অনু:- ভাইয়া,অনেক খানি রাস্তা তো?
আপনার কষ্ট হবে।
রাব্বি:- আমি পারবো অনু।আমাকে শক্ত করে ধরবা।
অনু:- আচ্ছা,ভাইয়া।একটু সাবধানে নিয়েন।আমার কিন্তু ভয় করছে।অনেক খানি দুরত্ব।পরে গেলে সবাই মজা করবে।
অনুকে যখন কোলে তুললাম তখন আমার বুকের ভিতরে প্রায় ভুমিকম্প অনুভুত হচ্ছিলো।অসাধারন এক ফিলিংস।কোনো বিশেষন দিয়েই একে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।রাব্বি মনে মনে বলছিল।
অনু:-TnQ u ভাইয়া।সাবধানে ওঠেন।
তারপর রিক্সা চলতে শুরু করলো গন্তব্য স্থানে।
অনুর কপলের টিপটা সরে গেছে ডানদিকে।আর চোখের কাজল ধুয়ে গাল অবধি নেমে এসেছে।
রাব্বি প্রথমে অনুর টিপটা ঠিক করে দিল।তারপর রুমাল টা দিয়ে কাজল গুলো মুছে দিল।অনু মাথা নিচু করে অবুঝ শিশুর মতো বসে আছে।বিন্দুমাত্র সারা শব্দ করছেনা।
এইতো অনু এসে পরেছি।সাবধানে নেমে পরো।তারপর আমরা রিক্সাওয়ালাকে বিদায় দিয়ে আমার রুমে প্রবেশ করলাম।
অনু তুমি ভিতরে গিয়ে ড্রেস চেঞ্জ করো।ড্রয়ারে একটা শারী আছে।ওটা পরে নিও।আমার মায়ের শাাড়ী। মা তো নেই শুধু মায়ের এই স্মৃতি টুকুই আছে।
আমি হোটেল থেকে খাবার নিয়ে আসছি।সারাদিন কিচ্ছু খাওয়া হয়নি।বলে রাব্বি চলে গেল।
প্রতিটা পুরুষের জীবনে নারী অফুরন্ত অনুপ্রেরনার উৎস।
নারীই পারে একটা পুরুষ কে কষ্টের সাগরে ভেসে থাকা ক্ষনে শান্তির উপলক্ষ এনে দিতে।নারীতেই মুক্তি,সেই নারীতেই চরিত্রের অধঃপতন।
৩০ মিনিট পর রাব্বি ফিরে এলো।
দুই প্যাকেট চিকেন ভুনা খিচুড়ি নিয়ে ।
রাব্বি:-এই মেঘলা দিনে এর চেয়ে পারফেক্ট খাবার আর কিই বা হতে পারে বলেন তো?
ও সেজেগুজে ফ্রেস হয়ে বসে আছে।আমি নক করা মাত্র গেইট টা খুলে দিলো।ওকে দেখে নতুন বউ বউ লাগছিলো।ও যে মায়ের বেনারশী শাড়ীটা পরেছে।মা তো তিন বছর আগে রোড এক্সিডেন্ট এ মারা গেলেন।তারপর বড্ড একা হয়ে গেলাম। অনু সব কিছুই জানে।কত্তো শান্তনা দিয়েছে আমাকে!
অনু:- ভাইয়া,আমার প্রচুর মাথা ব্যাথা করতেছে।
রাব্বি:- অনুর কপালে হাত দিয়ে, এ কি অনু তোমার তো অনেক জ্বর শরীরে।আচ্ছা খেয়ে ঘুমিয়ে পরো। এখন দুপুর ১২:৩০।রেস্ট করে বিকেলে চলে যেও। আমি তোমাকে নামিয়ে দিয়ে আসবো।
অনু আমাকে অনেক বেশী বিশ্বাস করে।
আমার কথায় আজ অবধি কখনো না বলেনি।কিন্তু আজ অবধি ওকে জানাতে পারিনি নীরবে কতোটা গভীর ভাবে ভালোবেসে ফেলেছি ওকে।মাঝে মাঝে অনেক কান্না আসে ওর কথা ভেবে।ও তো এখন পরিনত রুপশী নারী।
হুট করে বিয়েও হয়ে যেতে পারে।
তখন কি হবে আমার।আর আমাকে নিয়ে ও কি ভাবে আমি আজ অবধি বুঝতেই পারলাম না।
আমি সোফায় বসে পর্দার এপারে টিভি দেখছিলাম।আর অনু ওপারে শান্তিতে ঘুমোচ্ছিলো।প্রায় এক ঘন্টা কেটে গেছে।ওর ঘুমন্ত অপরুপ মায়াবী চেহারা দেখার খুব ইচ্ছে হচ্ছিলো।
তাই অজান্তেই চলে আসলাম ওর পাশে।কি প্রফুল্ল নিশ্বাস।
লাল টুকটুকে ঠোট জোরা ধীরে ধীরে নড়ছে। হয়তো সে মধুময় কোনো স্বপ্ন দেখছে।হাতটা ওর নাকের খুব কাছে নিয়ে গিয়ে ওর নিশ্বাস অনুভব করছিলাম।
রাব্বি অনুর কপালে হাত দিয়ে দেখল জ্বর আরও বেড়ে গেছে।কিন্তু বাইরে বৃষ্টি ও ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।তাই ঔষধ আনতেও যেতে পারছে না। থামার কোনো লক্ষনই দেখছিল না।
তাই রাব্বি নিজেই অনুর পাশে বসে অনুর মাথায় জল পটি দিতে লাগল।
জ্বরের ঘরে অনু রাব্বির হাতটা শক্ত করে ধরে মুখের কাছে নিয়ে ঘুমিয়ে পরল।
রাব্বির মনের ভিতর তখন তমুল ঝড় মানে সুখের ঝড় বয়তে লাগল।
রাব্বির খুব ইচ্ছা করছিল অনুর ঐ মিষ্টি ঠোট ছুয়ে দেখতে।
তাই নিজেকে কন্ট্রোল করার জন্য অনুর হাত থেকে নিজের হাতটা ছারিয়ে নিয়ে রাব্বি আবার ড্রয়িং রুমে চলে গেল।
বিকেল চারটার দিক অনুর ঘুম ভাংলো।তারপর সোফায় রাব্বির পাশে গিয়ে বসলো।
অনু:- ভাইয়া আপনার চোখ তো লাল হয়ে গেছে।একটু ঘুমোতে পারতেন?
রাব্বি:- ও কিছুনা, আমি ঠিক আছি।
অনু:- ভাইয়া এবার আমাকে যেতে হবে।
রাব্বি:- এখনও তো অনেক বৃষ্টি আর তাছাড়া তোমার জ্বর টাও তো এখনও আছে।
তার চেয়ে আমি আন্টিকে কল করে বলে দেয় তুমি আমার এখানে।আর বৃষ্টি কমলে আমি গিয়ে দিয়ে আসবো।
অনু:- আচ্ছা।
রাব্বি:- তুমি বসো আমি কফি করে আনছি।
একটু পর রাব্বি কফি করে নিয়ে এলো।দুজন পাশাপাশি বসে কফি খাচ্ছে আর গল্প করছে।
হঠাৎ রাব্বি বলে উঠল,
রাব্বি:- অনু,তোমাকে একটা কথা বলি।
অনু:- বলেন ভাইয়া।
রাব্বি:- না থাক।পরে বলবো।
অনু:- ভাইয়া,গুরুত্ববহ কথা কখনো ফেলে রাখতে নেই।সময়ের সাথে সেটা গুরুত্বহীন হয়ে যায়। যদি গুরুত্বপূর্ণ হয় বলেন।
রাব্বি:- আসলে আমি একটা মেয়েকে অনেক ভালোবাসি।কিন্তু হারিয়ে ফেলার ভয়ে কিছু বলতে পারছিনা।
এ কথা শুনে অনুর চোখজোরা সাথে সাথেই ছল ছল হয়ে আসলো। মনে হচ্ছে এখানেও বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে।
রাব্বি:- এই অনু।তুমি কাঁদছো কেনো? আজব তো।
অনু:- চোখে জল মুছে,কই না তো।তা মেয়েটা দেখতে কেমন? কোথায় থাকে নাম কি??
রাব্বি:- সত্যি টা বলতে গিয়েও কেন জানি মিথ্যা টায় বলল,আসলে আমি তো ঐ মেয়ে কে এখনও দেখিনি ফোনে পরিচয়।
অনু:- দেখা নাই,শুনা নাই।কোন মেয়েকে ভালোবাসে ফেললেন আপনি?
এতো বোকা কেউ হয়?আজকালকার যুগের মেয়ে না জানি কেমন মাইন্ডের?
আমাকে তো বলতে পাড়তেন?
এমন করলেন কেন?
আমাকে আগে বলেন নি কেন?
মেয়েটা যদি খারাপ হয় তখন কি হবে বলেন তো?
রাব্বি:- না মেয়ে টা খারাপ হবে না আমি ১০০% শিওর।
অনু:- ওওও এত বিশ্বাস না দেখেই আর দেখা……
অনু কিছু একটা বলতে গিয়ে থেমে গেল।
রাব্বি:- দেখা তারপর কি অনু বলো?
অনু:- না কিছুনা, আমি বাসায় যাবো। ( অভিমানী কন্ঠে)
রাব্বি:- আর একটু পর যাও।
অনু:- না আমি এখনি যাবো।
রাব্বি অনুকে এর আগে কোন দিন এত টা রাগতে দেখেনি।অনুর এই রাগ দেখে রাব্বির আর বুঝতে বাকি রইল না তার রাঙা পরীর মনের কথা।
তবুও না বুঝার ভান করে বলল,
রাব্বি:- আচ্ছা চল তোমাকে পৌঁছে দিয়ে আসি। তবে কাল ঐ মেয়ের সাথে দেখা করতে যাবো আর তুমি আমার সাথে যাবে।
অনু:- আমি সেখানে কি করবো?
রাব্বি:- জানোই তো আমি মেয়েদের সাথে গুছিয়ে কথা বলতে পারি না।তাই তুমি আমার কথা গুলো বলে দিবে।
অনু:- তাহলে যে আপনার এই এলোমেলো কথা গুলো শুনতে ভালবাসে তাকে ভাল না বেসে এত ফরমাল মেয়ে কে ভালবাসতে গেলেন কেন?
রাব্বি:- আসলে আমি তো আর জানি না কে আমার এলোমেলো কথা গুলো শুনতে ভালবাসে।
কথা বলতে বলতে অনুদের বাসায় পৌঁছে গেছে।
রাব্বি অনু কে বিদায় দিয়ে বলল,
কাল কফি শোপে আমি অপেক্ষা করবো তুমি এসো কিন্তু।
অনু কিছু না বলে কাঁনতে কাঁনতে বাসায় চলে গেল।
পরদিন বিকেল,
অনু আজ রাব্বির প্রিয় নীল শাড়ী পরে চোখে কাজল দিয়ে রেডি হয়ে কফিশোপের দিকে রওনা হল।
ওদিকে রাব্বি অনুর পছন্দের নীল পান্জাবী আর এক গুচ্ছ রজনীগন্ধা ফুল নিয়ে কফিশোপে অনুর জন্য অপেক্ষা করছে।
কিছুক্ষণ পর অনু কফিশোপে পৌঁছে গেল।
রাব্বি অনুর দিকে অপলক তাকিয়ে আছে।
অনু:- ভাইয়া ঐ মেয়েটি এখনও আসে নি?
রাব্বি:- না আসেনি।
অনু:- ওওও আচ্ছা
রাব্বি:- রজনীগন্ধা ফুলের তোরা টা অনুর দিকে বারিয়ে দিয়ে বলল,
এটা ওর জন্য ওর প্রিয় ফুল।কেমন হয়েছে বলতো?
অনু:- কাঁন্না কাঁন্না চোখে হুম ভাল।আপনার পছন্দ কি খারাপ হতে পারে?
রাব্বি এবার পকেট থেকে পায়েল টা বের করে চেয়ার থেকে উঠে অনুর সামনে এক হাটু গের বসে অনুর পাটা নিয়ে ওর পায়ের উপর রেখে পায়েল টা অনুকে পরাতে পরাতে বলল,
হুম আমার পছন্দ খুব খারাপ তাই তো সে এখনও কাঁন্না করছে।
অনু রাব্বির এমন কাজ আর কথা শুনে তো অবাক।
অনু:- মানে???
রাব্বি:- মানে আমি এই পচা কাঁদুনি মেয়ে টাকেই ভালবাসি আর খুব খুব ভালবাসি।
বলতেই বাইরে তমুল বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল।সাথে বিদূৎ ও চমকাতে শুরু করেছে।
হঠাৎ মেঘ জরে গর্জন করে উঠল।
আর অনু ভয়ে রাব্বি কে জরিয়ে ধরল।
রাব্বি তার বুকে অনুকে পেয়ে যেন নিশ্বাস নিতেও ভুলে গেছে।
আর অনু যেন ঠিক মতো কথাই বলতে পারছিলানা।
রাব্বি তখন অনুকে আরও শক্ত করে বুকের মধ্যে চেপে ধরল।
অনু তখনও কান্না করছেই।
রাব্বি:- এই পাগলি এখনও কান্না কেন করছ?
অনু:- অনেক ভয় পাইছিলাম জানেন?
অন্য কেউ আপনার জীবনে এলে আমি সত্যি মরেই যেতাম। কিছুতেই মেনে নিতে পারতাম না।আমি আজ পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মেয়েদের একজন।আপনাকে আপন করে পেয়েছি।আর কিচ্ছু চাওয়ার বা পাওয়ার নেই আমার।আল্লাহর কাছে কত্তো কেঁদেছি আপনাকে পাওয়ার জন্য।আমি এভাবেই আপনার বুকের মাঝখানে বসবাস করে যেতে চাই।
রাব্বি:- চুপ পাগলি মেয়ে।আমি অন্য কারও কথা স্বপ্নেও কোন দিন ভাবি নি।আর হ্যা তুমি কি এখনও আমাকে আপনি আপনি বলবে?
অনু:- একটু মিষ্টি হেঁসে বলল,
হুম আপনি করেই বলব।
রাব্বি:- যাও তোমার সাথে কথা বলবো না ছাড়ো আমাকে।
বলে নিজেকে ছারিয়ে নিয়ে বাইরে বৃষ্টির মধ্যে চলে আসল।
অনু ও বাইরে চলে আসল।
বৃষ্টি তে অনুর শাড়ী ভিজে গায়ে লেগে গেল।আর খোলা চুল গুলো গলায়।
অনু রাব্বির কাছে গিয়ে সরি বলতেই রাব্বি অনুর ঐ ভেজা ঠোঁটে ১ম ভালবাসার পরশ এঁকে দিল।
দুজন ই এক অজানা সুখে হারিয়ে গেল।

গল্পের বিষয়:
ভালবাসা

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত