যুদ্ধপ্রকাশিত হয়েছে : জুলাই 15, 2020গল্প লিখেছেন : জাকিয়া সুলতানা প্রথমে তো ভেবেছিলাম পত্রিকায় গল্প লিখেই সময় কাটিয়ে দেবো। ঘরে ঢোকার বেশ অনেকক্ষণ পর এই কথাটা বললেন। এতক্ষণ মনোযোগ দিয়ে ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ দেখছিলেন। কত সাহস দ্যাখো মেয়েগুলোর! কতটা প্রতিকূল পরিবেশ পার হতে পেরেছে। যতদূর…
যুদ্ধশিশুর মুজিব-আকাশপ্রকাশিত হয়েছে : জুলাই 15, 2020গল্প লিখেছেন : সেলিনা হোসাইন তিন দিন ধরে রায়ানের মন খুব খারাপ। স্কুলে গিয়েও মন খারাপ থাকে। ক্লাসে মন বসাতে পারে না। ক্লাসের বন্ধুদের সঙ্গেও ঠিকমতো কথা বলা হয় না। ভাবে, ওর জীবনের গল্পটা ওদেরকে শোনানো দরকার। এখন চুপচাপ থাকাই…
জন্মান্তরের ঋণপ্রকাশিত হয়েছে : জুলাই 15, 2020গল্প লিখেছেন : অরূপ তালুকদার রাত প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। গাঢ় অন্ধকার এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে। শীতের রাতের শেষে চারদিক জুড়ে কুয়াশার চাদর ছড়িয়ে আছে, যেন কান পাতলে জলের ফোঁটার মতো জমাট শিশির টুপটাপ ঝরে পড়ার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে…
প্রতীক্ষাপ্রকাশিত হয়েছে : জুলাই 15, 2020গল্প লিখেছেন : নলিনাক্ষ ভট্টার্চায পাপিয়ার বিয়ের দিন শুকদেবের শরীরটা বিশেষ ভালো ছিল না, কিন্তু যার বিয়ের জন্য ও এত দৌড়ঝাঁপ করল তার বিয়েতে উপস্থিত থাকতে না পারুক অন্তত কাছ থেকে বিয়ের আয়োজন, ধুমধাম একটু না দেখে থাকতে পারল না…
পোট্রেটটা তোমার কাছে থাকপ্রকাশিত হয়েছে : জুলাই 15, 2020গল্প লিখেছেন : বুলবন ওসমান অপূর্ব, কেমন আছ? ফোনে কথাটা শুনে সে চমকে ওঠে। এই টোনে এই ঢংয়ে তাকে মাত্র দুজন ডাকত। এক. সাহিত্যিক আতিউর, দুই. মানসী। আতিউর সাহেবের বাড়ি কুষ্টিয়া। চোস্ত বাংলা বলতেন। তার মধ্যেও একটা শান্তিপুরি টান ছিল।…
কাদম্বিনী বেঁচে আছেপ্রকাশিত হয়েছে : জুলাই 15, 2020গল্প লিখেছেন : মণীশ রায় কাদম্বিনী ঘুরে বেড়াচ্ছে এঘর-ওঘরে। দৃষ্টি উদ্ভ্রান্ত। চলন এলোমেলো; বুঝতেই পারছে না, হঠাৎ এমন কী ঘটল যে ঘরজুড়ে গিজগিজ করছে এত মানুষ। কোথাও ঠাঁই নেই দাঁড়াবার। চারপাশজুড়ে থমথমে পরিবেশ, কারো মুখে ছিটেফোঁটা হাসি পর্যন্ত নেই। পুরুষদের…
তেলে বেগুনেপ্রকাশিত হয়েছে : জুলাই 15, 2020গল্প লিখেছেন : কল্যাণ গঙ্গোপাধ্যায় সৃজাকে দেখে গুঞ্জার মাথা গরম হয়ে গেলেও হাসিমুখে ঘরে ঢুকতে বলল। তার হাতে বেসন মাখা। সৃজা বলল, ‘তুমি আগে থেকেই ভেজে রেখেছ নাকি? তবে তো সব এতক্ষণে ঠান্ডা হয়ে গেছে।’ ‘না না, সবে তো বেসন…
হলুদ কুকুরপ্রকাশিত হয়েছে : জুলাই 15, 2020গল্প লিখেছেন : ইনতেজার হুসেইন উর্দু থেকে অনুবাদ : সালেহ ফুয়াদশেয়ালছানার মতো একটি বস্তু তার মুখ থেকে পড়ে যায়। সে সেটির দিকে তাকায়। এরপর পায়ের নিচে ফেলে মর্দন করতে থাকে। কিন্তু যতই মর্দন করে বস্তুটি ততই বড় হতে থাকে। যখন…
পুনরুদ্ধারপ্রকাশিত হয়েছে : জুলাই 15, 2020গল্প লিখেছেন : হাসান ফেরদৌস প্রাণপণে দৌড়াচ্ছে মানস। দিগি¦দিক জ্ঞানশূন্য হয়ে দৌড়াচ্ছে। পালাচ্ছে সে আগুন দেখে, মালিবাগের অগ্নিদগ্ধ বাড়ি দেখে, জগন্নাথ হলের আগুনে পোড়া লাশ দেখে। দাউদাউ করে জ্বলছে নিজের জামা, মাথার চুল, গায়ের চামড়া। চিৎকার করে বলতে চাইছে, আমি…
আমাদের রানিপ্রকাশিত হয়েছে : জুলাই 15, 2020গল্প লিখেছেন : আনোয়ারা সৈয়দ হক আমার নাম বারবারা মরাল। আমি কানাডার অধিবাসী। আমার স্বামীর নাম ডক্টর রবিন মরাল। আমাদের বিবাহিত জীবন খুব সুখের ছিল। আমরা ইচ্ছে করে আমাদের বিয়ের আট বছর বাদে সংসারে প্রথম সন্তানটি এনেছিলাম। সন্তানটি ছেলে ছিল। তাই…