দেখা হলো না

দেখা হলো না

দেখা হলো না পথটা যেখানে সমতল ছেড়ে পাহাড়ে উঠেছে সেখানে একটা ঝুমঝুমির মতন এলাচ রঙের ভাঙা বাড়ি শুধু একটি মাত্র ঝুলন্ত অলিন্দে বিপজ্জনক ভঙ্গিতে উড়ন্ত পরীর মতো এক মূর্তি পাথর না নারী, পাথর না নারী?…
দেখা হলো কি দেখা হলো না

দেখা হলো কি দেখা হলো না

দেখা হলো কি দেখা হলো না ভালোবেসো সেই ভালোবাসাকে, আমার আর কিছুই চাই না পুড়ুক না হয় প্রিয় নদীটি, ভাসুক সারা শরীর জুড়ে দূর প্রবাস জন্ম জন্ম পায়ে ফোটার কাঁটা, একটু নীরব নীল দুঃখ কুচি…
দুদিক জ্বালানো মোম

দুদিক জ্বালানো মোম

দুদিক জ্বালানো মোম আঙুল পুড়িয়ে মোম, একি চমৎকার শুরু হলো আঙুলের নাচ চতুর্দিকে কান ঝালাপালা বাজনা, আর এই অশনি উৎসব এর মধ্যে এঁকে বেঁকে ছোটাছুটি কৈশোর রক্তিম কত ভালোবাসাময় শুকনো ফুল, নিষিদ্ধ শরীর বৃষ্টি যেন…
দুটি আহ্বান

দুটি আহ্বান

দুটি আহ্বান ঠাণ্ডা ঘরে রিভলভিং চেয়ারে যে ধোপদুরস্ত মানুষটি বসে আছে টেবিলের নীচে তার খালি পা গাঢ় ভুরু, কণ্ঠস্বরে প্রতিষ্ঠার স্ববিরোধ চশমায় বিচ্ছুরিত ব্যক্তিত্ব, হাতের আঙুলে সিগারেট ধরার অবহেলা কেউ জানে না সকাল থেকে তার…
দর্পণের মধ্যে

দর্পণের মধ্যে

দর্পণের মধ্যে কোনদিন যে ভোর দেখে না সে একদিন হঠাৎ জেগে উঠলো চুম্বক টানে বাইরে এসে সে ধারাস্নান নিল বেদানার কোয়ার মন আলোয় তার দুচোখে ছিল আঠা, স্নায়ুতে ছিল মাদক সে মেতে ছিল আত্মধ্বংসের নেশায়…
তিনি এবং আমি

তিনি এবং আমি

তিনি এবং আমি নে রবীন্দ্রনাথকে তুমি বুকে জড়িয়ে বসে আছো জানলার ধারে আমি কি কেউ না? আমি গরিব ইস্কুল মাস্টারের ছেলে দাঁড়িয়ে আছি রাস্তায় হাঁ করে জলকাচা ধুতির ওপর পেঁজা শার্ট পরে, পায়ে রবারের স্যান্ডেল…
জল যেন লেলিহান আগুন

জল যেন লেলিহান আগুন

জল যেন লেলিহান আগুন রাত্তিরে আড়িয়াল খাঁ-র গর্জনে হঠাৎ ছিঁড়ে যায় ঘুম মেঘ ভাঙা শব্দের মতন কূল ভাঙছে বিদ্যুৎ রেখাঙ্কনের মতন মাটির ফাটলে শোঁ শোঁ করে ঢুকছে বাতাস বিছানা ছেড়ে জানলার ধারে ছুটে যেতেই মনে…
একটি বিন্দু হীরক দ্যুতি

একটি বিন্দু হীরক দ্যুতি

একটি বিন্দু হীরক দ্যুতি একটি বিন্দু হীরক দ্যুতি দুলছে অন্ধকারে এখনো ঠিক সময় হয়নি, ট্রেন ধরবার তাড়া কিছু না কিছু ভুলোমনায় কাটবে অনেক বেলা এখানে যাই ওখানে যাই মুখ ফেরানো মানুষ একটি বিন্দু হীরক দ্যুতি…
তেরো মিনিটের বেশি সময় তাঁর নষ্ট করিনি

তেরো মিনিটের বেশি সময় তাঁর নষ্ট করিনি

উনিশ শশা চৌষট্টি সালের আগস্ট মাস, এক বাঙালি বেকার ছোঁকরা আমেরিকা থেকে দেশে ফিরছে। হ্যাঁ বেকার তো বটেই, আমি চাকরি-বাকরিতে জলাঞ্জলি দিয়ে সাগর পাড়ি দিয়েছিলুম। তখনও বিয়েটিয়ে করিনি, ঝাড়া হাত-পা, ভেবেছিলুম যত দিন খুশি ওই…
তুষারপাতের মধ্যে সেদিনের সেই কবিতা পাঠ

তুষারপাতের মধ্যে সেদিনের সেই কবিতা পাঠ

শ্ৰীমতী নূপুর লাহিড়ি এক আশ্চর্য মহিলা। এরকম জীবনীশক্তিতে ভরপুর, তেজি, কোমল, নানা গুণের অধিকারিণী রমণী আমি আর দ্বিতীয়টি দেখিনি। সিকি শতাব্দীরও বেশি বিদেশবাসিনী হয়েও প্রাক্তন স্বদেশ, বিশেষত কলকাতা শহর সম্পর্কে টান তাঁর একটুও কমেনি। এরকম…